০৫:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে শিশুর মৃত্যুকে ঘীরে আদালতে হত্যার অভিযোগ

  • Update Time : ০৬:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯
  • / 722

স্টাফ রিপোর্টার::
উপজেলার জগন্নাথপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওর্য়াডের পশ্চিম ভবানিপুর এলাকার মো: আমির খানের স্ত্রী মোছা: সুজিয়া বেগম বাদি হয়ে সম্প্রতি সুনামগঞ্জের আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা (নং ১০৯) দায়ের করেছেন। এতে ঘটনার তিন মাস আগে থেকেই ইউরোপের গ্রীসে বসবাসরত পূর্ব ভবানীপুর এলাকার মৃত আব্দুল মমিনের ছেলে রনি মিয়া সহ ১৩ জনকে আসামি ও ৬ জনকে স্বাক্ষী করা হয়। আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য জগন্নাথপুর থানাকে নির্দেশ দেন । মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয় ,চলতি বছরের ১ জুন সুজিয়া বেগমের ছেলে সোহাগ মিয়া ইফতারের জন্য মসজিদে গিয়ে বাড়ি ফিরে আসেনি । পরে জানতে পারেন ,রনি মিয়া তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যায় । ব্যাপক খোজাখুজি করে সোহাগ মিয়াকে পাওয়া যায়নি । পরদিন বাড়ির পাশে একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় । এতে সুজিয়ার ধারণা হয় , রনি মিয়ার যোগসাজশে আসামিরা তার ছেলেকে হত্যা করে । মামলায় যাকে স্বাক্ষি করা হযেছে সেই কাউন্সিলর দীপক কুমার ঘোষ জানান আমি এর কিছুই জানি না । ঘটনার দিন নিহতের পরিবারের সবাই বলেছে সোহাগ পানিতে ডুবে মারা গেছে । অথচ ঘটনার প্রায় তিন মাস পর আদালতে হত্যা মামলা করা হয়েছে । এখন তদন্তে সব বেড়িয়ে আসবে । সাবেক কাউন্সিলর মইন উদ্দিন জানান এ মামলাটি পরিকল্পিত । কারণ যাকে ২নং আসামি করা হযেছে সেই রনি মিয়া মামলার ৯ মাস আগে থেকেই প্রবাসে অবস্থান করছেন । অথচ মামলার এজাহারে বলা হযেছে রনি মিয়া সোহাগকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে । কোনো বিশেষ কারনে কারো প্ররোচনায় এ মামলাটি করা হয়েছে । থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান ,আদালত থেকে বাদির অভিযোগটি তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে । বর্তমানে তা তদন্তাধীন আছে । মামলার বাদি সুজিয়া বেগম জানান , আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম পানিতে ডুবে মারা গেছে ফলে পুলিশকে জানাইনি । পরে আসামিদের একজন আমাদের দেখে নেবে বলে হুমকি দেয় । এতে ধারণা হয় আমার ছেলেকে তারা হত্যা করেছে ।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে শিশুর মৃত্যুকে ঘীরে আদালতে হত্যার অভিযোগ

Update Time : ০৬:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার::
উপজেলার জগন্নাথপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওর্য়াডের পশ্চিম ভবানিপুর এলাকার মো: আমির খানের স্ত্রী মোছা: সুজিয়া বেগম বাদি হয়ে সম্প্রতি সুনামগঞ্জের আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা (নং ১০৯) দায়ের করেছেন। এতে ঘটনার তিন মাস আগে থেকেই ইউরোপের গ্রীসে বসবাসরত পূর্ব ভবানীপুর এলাকার মৃত আব্দুল মমিনের ছেলে রনি মিয়া সহ ১৩ জনকে আসামি ও ৬ জনকে স্বাক্ষী করা হয়। আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য জগন্নাথপুর থানাকে নির্দেশ দেন । মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয় ,চলতি বছরের ১ জুন সুজিয়া বেগমের ছেলে সোহাগ মিয়া ইফতারের জন্য মসজিদে গিয়ে বাড়ি ফিরে আসেনি । পরে জানতে পারেন ,রনি মিয়া তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যায় । ব্যাপক খোজাখুজি করে সোহাগ মিয়াকে পাওয়া যায়নি । পরদিন বাড়ির পাশে একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় । এতে সুজিয়ার ধারণা হয় , রনি মিয়ার যোগসাজশে আসামিরা তার ছেলেকে হত্যা করে । মামলায় যাকে স্বাক্ষি করা হযেছে সেই কাউন্সিলর দীপক কুমার ঘোষ জানান আমি এর কিছুই জানি না । ঘটনার দিন নিহতের পরিবারের সবাই বলেছে সোহাগ পানিতে ডুবে মারা গেছে । অথচ ঘটনার প্রায় তিন মাস পর আদালতে হত্যা মামলা করা হয়েছে । এখন তদন্তে সব বেড়িয়ে আসবে । সাবেক কাউন্সিলর মইন উদ্দিন জানান এ মামলাটি পরিকল্পিত । কারণ যাকে ২নং আসামি করা হযেছে সেই রনি মিয়া মামলার ৯ মাস আগে থেকেই প্রবাসে অবস্থান করছেন । অথচ মামলার এজাহারে বলা হযেছে রনি মিয়া সোহাগকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে । কোনো বিশেষ কারনে কারো প্ররোচনায় এ মামলাটি করা হয়েছে । থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান ,আদালত থেকে বাদির অভিযোগটি তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে । বর্তমানে তা তদন্তাধীন আছে । মামলার বাদি সুজিয়া বেগম জানান , আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম পানিতে ডুবে মারা গেছে ফলে পুলিশকে জানাইনি । পরে আসামিদের একজন আমাদের দেখে নেবে বলে হুমকি দেয় । এতে ধারণা হয় আমার ছেলেকে তারা হত্যা করেছে ।