১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাহাড়ধসে পরিবারের একমাত্র বেঁচে যাওয়া শিশু আখিমনি

  • Update Time : ১০:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুলাই ২০১৮
  • / 1165

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

উপজেলা সরই ইউনিয়নে পাহাড় ধসে ৩ জন নিহত হওয়া পরিবারে একমাত্র বেঁচে থাকা শিশু আখিমনি (৫)। সে এখনও বুঝে উঠতে পারেনি তার মা-বাবা বেঁচে নেই। পাহাড় ধসের সময় পাশের রুমে অবস্থান করায় আখিমনি মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যায়। বুধবার দুপুরে দাদা মাইনউদ্দিনের কোলে চড়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে এসে জেলা প্রশাসনের দেয়া ২৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেছে আখি।

বাবা মো. হানিফ (৩০), মা রাজিয়া বেগম (২৫) ও ছোট বোন হালিমা বেগমকে (৩) নিয়ে হাসিখুশিতে মেতে থাকতো ৫ বছরের শিশু আখিমনি। মঙ্গলবার (৩ জুলাই) দুপুরে মুষলধারে বৃষ্টি হলে পাহাড় ধসে আখিমনির পরিবারে ৩ জনই নিহত হয়। দাদা মাইনউদ্দিনই আখিমনির একমাত্র ভরসা। লামা উপজেলা নিবার্হী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহত পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মো. মোস্তাফা জামাল জানিয়েছেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহত পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতনি হারিয়ে নির্বাক মাইনউদ্দিন জানালেন, আখিমনির ভবিষ্যৎ আল্লাহ জানেন। আমি যতদিন বেঁচে আছি তাকে চেষ্টা করবো পরম মমতায় লালন পালন করতে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিশু আখির হাতে শুকনো খাবার ও নতুন জামা কাপড় তুলে দিয়েছেন এবং তাকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

সুত্র-ইত্তে:/বিডিএন

Please Share This Post in Your Social Media

পাহাড়ধসে পরিবারের একমাত্র বেঁচে যাওয়া শিশু আখিমনি

Update Time : ১০:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুলাই ২০১৮

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

উপজেলা সরই ইউনিয়নে পাহাড় ধসে ৩ জন নিহত হওয়া পরিবারে একমাত্র বেঁচে থাকা শিশু আখিমনি (৫)। সে এখনও বুঝে উঠতে পারেনি তার মা-বাবা বেঁচে নেই। পাহাড় ধসের সময় পাশের রুমে অবস্থান করায় আখিমনি মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যায়। বুধবার দুপুরে দাদা মাইনউদ্দিনের কোলে চড়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে এসে জেলা প্রশাসনের দেয়া ২৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেছে আখি।

বাবা মো. হানিফ (৩০), মা রাজিয়া বেগম (২৫) ও ছোট বোন হালিমা বেগমকে (৩) নিয়ে হাসিখুশিতে মেতে থাকতো ৫ বছরের শিশু আখিমনি। মঙ্গলবার (৩ জুলাই) দুপুরে মুষলধারে বৃষ্টি হলে পাহাড় ধসে আখিমনির পরিবারে ৩ জনই নিহত হয়। দাদা মাইনউদ্দিনই আখিমনির একমাত্র ভরসা। লামা উপজেলা নিবার্হী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহত পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মো. মোস্তাফা জামাল জানিয়েছেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহত পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতনি হারিয়ে নির্বাক মাইনউদ্দিন জানালেন, আখিমনির ভবিষ্যৎ আল্লাহ জানেন। আমি যতদিন বেঁচে আছি তাকে চেষ্টা করবো পরম মমতায় লালন পালন করতে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিশু আখির হাতে শুকনো খাবার ও নতুন জামা কাপড় তুলে দিয়েছেন এবং তাকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

সুত্র-ইত্তে:/বিডিএন