ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- Update Time : ০৩:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 11

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর অবশেষে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া এই জনপদে উচ্চশিক্ষার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার পর জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্থানীয়রা আশা করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে ঠাকুরগাঁওসহ পার্শ্ববর্তী জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম সরকারি সফর। দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। পরে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী তাকে স্বাগত জানানো হয় এবং ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউজে দেওয়া হয় গার্ড অব অনার।
রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো ঠাকুরগাঁওজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। শহরের প্রধান সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। রাষ্ট্রপতির যাতায়াতের পথ ও অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা।
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের এই দিনটিকে ঠাকুরগাঁওবাসীর জন্য একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত নির্মাণকাজ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে এবং উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।



















