জগন্নাথপুরে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী সাদিকুর রহমান রুমেলকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে। সে জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের মৃত রাশেদ আলীর ছেলে।

বুধবার (১১ জুলাই) জগন্নাথপুর থানার এস আই অনুজ কুমার দাসের নেতুত্বে এ এস আই মোঃ মোক্তার হোসেন, এ এস আই প্রনয় নাল সহ একদল পুলিশ জামালপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামী সাদিকুর রহমান রুমেলকে গ্রেফতার করেছে।

জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জানান, গ্রেফতারকৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামী রুমেলকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জ.টুডে-১১ জুলাই ১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে আব্দুস সামাদ আজাদ আঞ্চলিক মহাসড়কের পৌর শহর অংশে নির্মাণ কাজ চলছে দ্রুত গতিতে

মো: আব্দুল হাই ॥
জগন্নাথপুরে আব্দুস সামাদ আজাদ আঞ্চলিক মহা সড়কের পৌর শহর অংশে সড়কের নির্মাণ কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। নয়নাবিরাম সড়ক নির্মাণে পাল্টে যাচ্ছে জগন্নাথপুর পৌর শহরের দৃশ্যপট। গুনগত মানের মালামাল ব্যবহারের মাধ্যমে দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্টান আঞ্চলিক মহা সড়কের জগন্নাথপুর পৌর শহরের ১ কিলোমিটার অংশে রিজিড প্যাভমেন্ট নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে পৌর শহরে বিভিন্ন প্রয়োজনে আসা নারী শিশুসহ সকল বয়সী লোকজন মহাসড়কের ব্যতিক্রমী নির্মাণ কাজ দেখে অনেকেই হতবাক দৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে কাজের দৃশ্যপট অবলোকন করতে দেখো গেছে। সিলেট বিভাগের মধ্যে উন্নত মানের রিজিড প্যাভমেন্ট কাজের মধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলায় এটি দ্বিতীয় কাজ।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে পৌর শহরের ১কিলোমিটার অংশে রিজিড প্যাভমেন্ট কাজ হওয়ায় শতাধিক বছরেও সড়কের ক্ষতি হবেনা। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে জগন্নাথপুর পৌর শহরের অংশে প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। রিজিড প্যাভমেন্ট কাজের ফলে নয়নাবিরাম সড়ক নির্মানে পাল্টে যাচ্ছে জগন্নাথপুর পৌর শহরের দৃশ্যপট। ফলে ব্যবসায়ীসহ জনসাধারনের মধ্যে সর্বত্রই বিরাজ করছে মহা আনন্দ।

সম্পূর্ন ব্যতিক্রমী মহা সড়কের নির্মান কাজ সম্পূর্ন হলে পৌর শহরের প্রধান ব্যবসা কেন্দ্র জগন্নাথপুর বাজারের বিভিন্ন মার্কেট, বিপনী বিতানগুলোতে সৌন্দর্য্য বর্ধন সৃষ্টি হবে। ইতোমধ্যে শহরের বেশ কয়েকটি মার্কেট বিপনী বিতানগুলোতে চলছে আধুনিকায়নের কাজ। মহাসড়কের কাজ শেষ হলেই নান্দনিক শহরে রূপান্তরিত হবে প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর পৌরসভা।

জানাযায়, পাগলা-জগন্নাথপুর-আউশকান্দি আব্দুস সামাদ আজাদ আঞ্চলিক মহা-সড়কের দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার ডাবর পয়েন্ট থেকে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবনগর এলাকা পর্যন্ত ৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দরপত্রের মাধ্যমে ২২কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ২১ কিলোমিটার সড়কের পুন:সংস্কার ও ১ কিলোমিটার অংশে রিজিড প্যাভমেন্ট নির্মাণ কাজটি পেয়েছেন ঢাকার এম এম বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড-ইন্সপ্যাকটা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড জেবি।

আড়াই বছর মেয়াদের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করনের আদেশ অনুযায়ী ২১কিলোমিটারের মধ্যে ১টি ব্রিজ ও ১টি কালভার্ট নির্মান করা হবে। আঞ্চলিক মহাসড়কের জগন্নাথপুর পৌর শহরে ১কিলোমিটার অংশে সড়কটির নাজুক দশার ফলে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের নির্দেশে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান প্রথমেই পৌর শহরের ১কিলোমিটার অংশে এপ্রিল মাসে রিজিড প্যাভমেন্ট কাজ শুরু করা হলেও গত ১৯মে আনুষ্টানিক ভাবে সড়কের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেছেন জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

ইতোমধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান শহরের ১কিলোমিটার অংশের কাজ সম্পন্ন করনে দ্রুত গতিতে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্টান সড়কটিতে প্রথমে স্কেরিপাই (আচরানু) এসকে বেটর দিয়ে উচু নীচু সমান করার পরে লেবেল করার জন্য রুলার ও সাব বেজ মেটেরিয়াল দিয়ে লেবেল করা হয়। পুনরায় রুলার দিয়ে কমপেকশন করার পর ৪ ইঞ্চি (১শ মিলি) সিসি ঢালাই পরে ১২ ইঞ্চি (৩শ মিলি) আরসিসি ঢালাই যা রিজিড প্যাভমেন্ট হিসেবে পরিচিত।

এতে ১০, ১২, ১৬ ও ৩২ মিলিমিটারের সঠিক মানের রড এবং সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। রিজিড প্যভমেন্ট কাজে ভারত থেকে এলসির মাধ্যমে সিলেটের ভোলাগঞ্জ হয়ে উন্নত মানের কাঁটা পাথর এনে কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও কাজের গুনগত মানের জন্য সাইট ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা করে কাজের প্রয়োজনীয় মালামালের গুনগত মান নিশ্চিত হওয়ার পর কাজ করা হচ্ছে।

এসব নির্মান সামগ্রী স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব না হলে বুয়েট থেকে পরীক্ষা করার পর নির্মান সামগ্রীগুলো কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিকে মহাসড়টির রিজিড প্যাভমেন্ট কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের শতাধিক নির্মান শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন। কাজের তদারকীতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এস এম সাইফুল ইসলাম, উপ-সহকারি প্রকৌশলী (এসও) মুস্তাফিজুর রহমান,

কার্য সহকারি আব্দুর রহিম ছাড়াও ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে প্রজেক্ট প্রকৌশলী একে এম আনোয়ার হোসেন, সাইট প্রকৌশলী রাহাত হোসেন মীর, ল্যাবরেটরী টেকনোশিয়ান মো: জিল্লুর রহমান সার্বক্ষনিক নির্মান কাজে অবস্থান করে সঠিক ও গুনগত মানের নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শফিকুল ইসলাম জানান, দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী গুনগত মান যাছাই পূর্বক ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ইতোমধ্যে মহাসড়কের নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

পৌর শহরে প্রান কেন্দ্র দিয়ে বহমান মহা-সড়কের নির্মান কাজটি সুষ্টুভাবে সম্পন্ন করনে শহরবাসী সহ সর্ব মহলের সহযোগিতা কামনা করছেন । ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী হারুন অর রশীদ জানান, জগন্নাথপুর পৌরসভার স্লুইচ গেইট থেকে হবিবনগর পর্যন্ত ১কিলোমিটার অংশে দ্রুত গতিতে কাজ চলছে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী গুনগত মানে মালামাল ব্যবহারের মাধ্যমে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বরত প্রকৌশলী ও কার্যসহকারিদের উপস্থিতিতে নির্মান শ্রমিকরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সার্ভে অনুযায়ী সড়কটির কাজ চলমান রয়েছে। রিজিড প্যাভমেন্ট কাজ শেষে দু-পাশের ড্রেনেজ কাজ সম্পন্ন করা হবে। এদিকে জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্টায় পাগলা-জগন্নাথপুর-রানীগঞ্জ-আউশকান্দি পর্যন্ত আব্দুস সামাদ আজাদ আঞ্চলিক মহা সড়কটির ২১ কিলোমিটার অংশে পুন:সংস্কার এবং পৌর শহরের ১কিলোমিটার অংশে রিজিড প্যাভমেন্ট নির্মান কাজ শুরু হয়েছে।

এছাড়াও কুশিয়ারা নদীতে সিলেট বিভাগের বৃহৎ রানীগঞ্জ সেতুর নির্মান কাজও চলমান রয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলাবাসীর স্বপ্ন পুরনে বৃহৎ ২টি কাজ রানীগঞ্জ সেতু ও আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মান কাজ চলমান থাকা এবং শীঘ্রই সম্পন্ন করনে প্রানপন প্রচেষ্টার ফলে উপজেলাবাসী অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছেন।

জ.টুডে-১০ জুলাই ১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে বিপুল পরিমান নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল আটক করে পুড়িঁয়ে ফেলা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্ট:-
জগন্নাথপুরে মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিপুল পরিমান নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল আটক করে জন সম্মুখে পুড়িঁয়ে ফেলা হয়েছে।

সোমবার (৯জুলাই) দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আবরারের নেতৃত্বে একটি দল উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের প্রায় ২০হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করেছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আবরার জানান, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষন আইনের আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল বিরোধী অভিযান জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন।

তিনি জানান, রানীগঞ্জ বাজারে বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল উদ্ধার করে বাজারে জন সম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান। অভিযানে জগন্নাথপুর থানার এ এস আই আবুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

জ.টুডে ১০ জুলাই ১৮/এইচ কে

জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর বাঁধ ভেঁঙ্গে তলিয়ে গেছে শতাধিক বাড়ি ঘর ॥ অবর্ণনীয় দূর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী

স্টাফ রিপোর্ট:-
জগন্নাথপুরে ভয়াল কুশিয়ারা নদীর প্রবল স্রোতে বিকল্প বাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় ৫/৬টি গ্রামের শতাধিক বাড়ি ঘর তলিয়ে যাওয়ায় অবর্ণনীয় দূর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাপাউবো’র তত্ত্বাবধানে কাবিটা প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২০লাখ ৯৯হাজার ৮শ ২০টাকা ব্যায়ে নির্মিত জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে বহমান কুশিয়ারা নদীর ডান তীরে কাতিয়া লঞ্চঘাট এলাকায়

বিকল্প বাধ নির্মাণে অনিয়মের ফলে কুশিয়ারা নদীর পানির প্রবল স্রোতে প্রথমে বাঁধ উপচে এবং পরে বাধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় পাইলগাঁও ইউনিয়নের নতুন কসবা, অলইতলী, কাতিয়াসহ আশে পাশের গ্রামগুলোর প্রায় শতাধিক পরিবার পানি বন্ধী হয়ে পড়েছেন।

সেই সাথে এলাকার শত শত জনসাধারন অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন। সরেজমিন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে স্কুল কলেজে পড়–য়া শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জনসাধারন এবং জলমগ্ন বাড়ি ঘর থেকে লোকজন যাতায়াত করতে পাছেননা। তলিয়ে যাওয়ায় বাড়ি ঘরের পরিবার গুলোর মধ্যে অসংখ্য লোকজন দরিদ্র।
ফলে এসব পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছেন। নতুন কসবা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, একই গ্রামের শামল মিয়া, মনির মিয়া, আলা উদ্দিন, মো: আওলাদ হোসেন, আরব আলী, মনর মিয়া এবং পল্লীগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি হাজি মহিম খান,

পল্লীগঞ্জ বাজার কমিটির সেক্রেটারী, দিঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ উন্নয়ন কমিটির সদস্য, কাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্য মো: আবুল খয়ের, অলইতলী গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বী হাজী জিতু মিয়া, ছাদ মিয়া,

জমশেদ মিয়া ও দুলু মিয়াসহ অসংখ্য লোকজন তাদের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে বলেন পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য মো: দুরুদ মিয়া কাতিয়া লঞ্চঘাট হতে পূর্ব জালালপুর কবরস্থান পর্যন্ত
আড়াই কিলোমিটার বিকল্প বাঁধ নির্মান কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নিতীর ফলে সঠিকভাবে বাঁধের নির্মান কাজ করা হয়নি। ফলে কুশিয়ারা নদীর পানি কয়েক দফা বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রথমে বাধ উপচে

এবং পরে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ফুট এলাকা জুড়ে বাধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানসহ বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে যায়। ইউপি সদস্য দুরুদ মিয়া বিকল্প বাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়মের কারনে এলাকার শত শত লোকজন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

এ ব্যাপারে বাঁধ নির্মাণ কাজের পিআইসি কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য দুরুদ মিয়া বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড’র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের তদারকির মাধ্যমে সঠিকভাবে বাধ নির্মান কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

এদিকে গত বছরের আকস্মিক বন্যায় কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জগন্নাথপুর, শিবগঞ্জ, পাইলগাঁও, আশারকান্দি, ফেছি, বেগমপুর সড়কের অধিকাংশ স্থান ভেঙ্গে তলিয়ে যাওয়ায় জগন্নাথপুর উপজেলার দক্ষিনাঞ্চল রানীগঞ্জ,

পাইলগাঁও ও আশারকান্দি ইউনিয়নের কয়েক হাজার লোকজনদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থান থেকে যাতায়াতকারী জনসাধারনের সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

এছাড়াও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় কাতিয়া বাজার, ফেছির বাজারসহ আশপাশের ছোট বড় বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি তেমন একটা নেই। ফলে ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

পল্লীগঞ্জ বাজার কমিটির সেক্রেটারী মো: আবুল খয়ের জানান, কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও বিএন উচ্চ বিদ্যালয় হতে বেগমপুর পর্যন্ত এলজিইডি সড়কের অধিকাংশ স্থানে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ায় দীর্ঘদিন ধরে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ফলে জনসাধারনের মধ্যে দেখা দিয়েছে অবর্ননীয় দুর্ভোগ। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। সেই সাথে অসহায় দরিদ্র পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রাস্তাসহ গ্রাম রক্ষায় সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেয়া হলেও সঠিকভাবে কাজ না হওয়ায় এলাকার জনসাধারন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। সম্প্রতি আড়াই কিলোমিটার বিকল্প বাঁধ নির্মানে ইউপি সদস্য দুরুদ মিয়া কর্তৃক অনিয়ম ও পুকুর চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্টু তদন্তের দাবী জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী অলইতলী শাহী ঈদগাহ হতে জগন্নাথপুর-বেগমপুর সড়কের অলইতলী গ্রামের লেচু মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১কিলোমিটার বিকল্প বাঁধ নির্মানের ব্যবস্থা নেয়া হলে এলাকার লোকজন দুর্ভোগ থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবেন। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

জ.টুডে ১০জুলাই ১৮/এইচ কে

চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নতুন কেউ – কাল শুরু ফাইনালে ওঠার লড়াই

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
ফ্রান্স-বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে কে বিশ্বকাপ জিতবে এমন প্রশ্নের মধ্যেই নতুন কোনো দেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে এবার। বিশেষ করে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড আগে বিশ্বকাপ জিতলেও বেলজিয়াম ও ক্রোয়েশিয়া এর আগে কখনো শিরোপা জেতেনি।

আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাতে ফ্রান্স-বেলজিয়াম এবং এর পরদিন ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার সেমিফাইনাল লড়াইয়ের পরই বিষয়টি আরো পরিষ্কার হবে।

চারদলের মধ্যে যেই জিতুক একটা ব্যাপার পরিষ্কার, বিশ্বকাপ থাকছে ইউরোপেই। তাছাড়া ২১ শতকের এই বিশ্বকাপের লড়াইয়ে পঞ্চম একটি দেশ হতে যাচ্ছে চ্যাম্পিয়ন। কারণ ১৯৯৮ সালের পর প্রতিটি বিশ্বকাপে ভিন্ন কোনো দেশ ট্রফি জিতেছে। একুশ শতকের আসরগুলোয় ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ব্রাজিল। এর পরের আসরগুলো জিতেছে যথাক্রমে ইতালি, স্পেন ও জার্মানি।

গত শুক্রবার ব্রাজিলের বিদায়ে রাশিয়া বিশ্বকাপে ইউরোপের কোন দেশ যে কাপ জিতছে তা নিশ্চিত হয়ে যায়। ইউরোপে যে ১০ বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে তার মধ্যে ১৯৫৮’র আসরটিতেই কেবল অইউরোপীয় দেশ ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হয়।

বিশ্বকাপ এখন পর্যন্ত কেবল আটটি দেশই ঘুরে ফিরে জিতেছে। সেক্ষেত্রে বেলজিয়াম কিংবা ক্রোয়েশিয়ার সাফল্যে এবার নতুন চ্যাম্পিয়নেরও দেখা পেতে পারে ফুটবল বিশ্ব। তেমনটা না হলে পুরনো চ্যাম্পিয়ন ১৯৬৬ সালের জয়ী ইংল্যান্ড নয়ত ১৯৯৮ আসরের জয়ী ফ্রান্সের দ্বিতীয় সাফল্য দেখবে ফুটবলামোদীরা।

এবারের আসরে যে কটি দেশকে ফেবারিট ভাবা হয়েছিল তাদের মধ্যে শেষ চারে টিকে আছে বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড। বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্ম এবার কোয়ার্টার ফাইনালে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় করেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।

ফ্রান্স সেমিফাইনালে এসেছে শেষ আটে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে হারিয়ে। আগামিকাল মঙ্গলবার রাতে প্রথম সেমিফাইনালে পড়শি বেলজিয়ামকে হারাতে নিজেদের দৃঢ় অভিপ্রায়ের কথা জানিয়েছেন দলটির স্ট্রাইকার অলিভার জিরুদ।

এ লড়াইয়ের প্রাক্কালে জিরুদ রিপোর্টারদের জানান, তার দলসঙ্গীরা বেলজিয়াম সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন। কারণ তিনি নিজেসহ দুদলের অনেকেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলে থাকেন। তার মতে ফ্রান্সের দলটির যে মেধা ও অভিজ্ঞতা আছে তা দিয়ে গোলরক্ষক থিবট কোর্তোয়ার সামনে থাকা বেলজিয়ামের রক্ষণ দেয়ালকে ভাঙা যাবে।

জিরুদ বলেন, ‘কোর্তোয়ার বিরুদ্ধে খেলা কঠিন। এবারের বিশ্বকাপে সে খুবই ভালো খেলছে। তাছাড়া তার সামনে আছে ভালো একটা রক্ষণভাগ।’ তিনি আরো বলেন, ‘তারপরও ফাঁক থাকবে। সেটি কাজে লাগাতে হবে। আমি বুঝতে পারি যে, আমাদের পক্ষে এই দেয়াল ভাঙা সম্ভব হবে।’

বেলজিয়াম এবার স্পানিশ কোচ রবার্তো মার্টিনেজের অধীনে ফেবারিটের মর্যাদা রেখেই এগিয়ে চলেছে। মার্টিনেজ তার সহকারী হিসেবে রেখেছেন সাবেক ফরাসি স্ট্রাইকার, বিশ্বকাপ জয়ী থিয়েরি অরিকে। জিরুদ জানিয়েছেন, তিনি প্রমাণ করবেন তার স্বদেশী থিয়েরি অরি ভুল শিবির বেছে নিয়েছে।

সুত্র-ইত্তে:/বিডিএন

জগন্নাথপুরে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশনের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্ট:
ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশন বাংলাদেশ জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

রবিবার (৮জুলাই ) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অরুন কান্তি রায়।

ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশন জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার সভাপতি তপন চন্দ্র শীলের সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশন সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু তালুকদার,

দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সুনামগঞ্জের বৈজ্ঞানিক সহকারী বারি রাজিব রাজ বৈদ্য। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা দিলওয়ার হোসেন,

উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রুহল আমীন, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফজলুল হক, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মফিজুর রহমান, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বিবেকানন্দ পুরকায়স্থ প্রমূখ।

মতবিনিময় সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করনসহ বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখায় দেশের কৃষি উৎপাদনে সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

জ.টুডে- ৯জুলাই১৮/বিডিএন

র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯, সিপিসি-১, সিলেট ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (৮জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার হাইওয়ে পানসী রেষ্টুরেন্টের সামন থেকে ২ পেশাদার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছে মৌলভী বাজার জেলার সদর উপজেলার আমরকুনা গ্রামের মৃত মকলিছ মিয়ার ছেলে মাহমুদ আলী (৩৮) ও আইনপুর গ্রামের আব্দুল মোমিনের ছেলে মো: নওশেদ মিয়া (২৮)।

র‌্যাব-৯ সিলেটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ( মিডিয়া) মো: মনিরুজ্জামান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৯৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাদক সেবীদের কাছে মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিল।

ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, নিজ হেফজতে রেখে এবং পরে তাদের সৃষ্টি মাদক নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে গাঁজাসহ মাদক দ্রব্য বিক্রয় করার কথা স্বীকার করে।

শীর্ষ মাদক বিক্রেতা মাহমুদ আলী ও মোঃ নওশেদ মিয়াকে গ্রেফতার করায় এলাকাবাসী স্বস্থি প্রকাশ করেছেন। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি

জগন্নাথপুরে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুরে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ ২মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার জিয়াপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে আলী হোসেন (৩৮) ও একই গ্রামের মৃত উস্তার উল্ল্যার ছেলে জিলু মিয়া (৪০)।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার সাইফুল আলমের নেতৃত্বে এ এস আই শাহীন চৌধুরীসহ পুলিশ ফোর্স জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চিলাউড়া রসুলপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২কেজি গাঁজাসহ আলী হোসেন ও জিলু মিয়াকে গ্রেফতার করেছেন।

এ সময় গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগী অপর মাদক ব্যবসায়ী জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের খালিক মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (৩২) পালিয়ে যায়।

জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার সাইফুল আলম জানান, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন। রবিবার গ্রেফতারকৃত কে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জ.টুডে- ৮ জুলাই ১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে তালামীযের কমিটি গঠন

সুন্নী ছাত্র আন্দোলনের বীর সৈনিক কাফেলা বাংলাদেশ আঞ্জমানে তালামীযে ইসলামীয়া জগন্নাথপুর পশ্চিম উপজেলাধীন ঘোষগাঁও টিয়ারগাঁও আঞ্চলিক শাখার ২০১৮-২০১৯ শেষনের কাউন্সিল ও অভিষেক অনুষ্টিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) ঘোষগাঁও মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে আয়োজিত কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান নির্বাচন কমিশিনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর পশ্চিম উপজেলা সাধারন সম্পাদক হাফিজ সাইদুল ইসলাম।

সহযোগী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম উপজেলা সহ-অফিস সম্পাদক শাহজাহান সিদ্দিকী। কাউন্সিলে সর্ব সম্মতিক্রমে ক্বারী জিকরুল আলমকে সভাপতি ও ক্বারী মোজাম্মিল হোসেনকে সাধারন সম্পাদক করে ৩৫সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ, সহ-সভাপতি কামরুল হক খালিছ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাদিকুর রাহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের দিনু, প্রচার সম্পাদক শহিদুল হক ফাহাদ, সহ-প্রচার সম্পাদক জামিল আহমদ, সহ-প্রচার সম্পাদক হাবিবুর রহমান,

অর্থ সম্পাদক আনাছ আলী, অফিস সম্পাদক ছাদিকুর রহমান, সহ-অফিস সম্পাদক মিঠন আহমদ, সহ-অফিস সম্পাদক নাছির উদ্দিন, প্রশিক্ষন সম্পাদক মধু মিয়া, সহ-প্রশিক্ষন সম্পাদক ইমন আহমদ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু জহির নাছির, সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুমান আহমদ, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শুয়াইবুর রহমান,

সহ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোজাক্কির হোসেন, সদস্য মুরসালিন আহমদ, শায়েখ আলম, তানজিল আহমদ, রায়হান আহমদ, মামুন হোসেন, রেহমান আরিফ, আবু তালহা, আমজদ আলী, শাহিনুর রহমান, আব্দুশ শাহিদ, তোফায়েল আহমদ, সোহানুর রহমান, তামজিদ আহমদ, আশরাফুল হক ও সুহিন মিয়া।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জ.টুডে-৮ জুলাই ১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে দম্পতির প্রতারনায় অতিষ্ট এলাকাবাসী ॥ প্রবাসীর ৩লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় মামলা দায়ের

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের দম্পতি কর্তৃক মিথ্যা প্রলোভনে প্রতারনা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।

মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের মৃত সমছু মিয়ার ছেলে সোনাফর আলী ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম  দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীসহ  এলাকার সহজ সরল লোকজনদের অভিনব কায়দায় মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোনাফর আলী পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী হয়ে জমি জমার জাল কাগজ তৈরী করে একই রকম দাগ খতিয়ান জমির পরিমান  উল্লেখ করে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে স্বামী স্ত্রী মিলে প্রতারনা করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করছেন।

প্রতারনার শিকার এসব ব্যক্তিরা টাকা চাইলে উল্টো মিথ্যা মামলা মোকাদ্দমা করার ভয়ভীতিসহ মারধর করার হুকমি দিয়ে আসছে। সর্বশেষ মোহাম্মদপুর সেরা কচুরকান্দি সাবেক পূর্ব বসন্তপুর কচুরকান্দি গ্রামের মজিদ উল্ল্যার ছেলে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদিরের কাছ থেকে মিথ্যা প্রলোভনে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ৩লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতারক ঐ দম্পতি।

লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদিরের ভাই মো: আব্দুল করিম ৩লাখ টাকা ফেরত চাইলে প্রতারক সোনাফর আলী তার প্রতারক বাহিনী দ্বারা প্রানে হত্যাসহ জান মালের ক্ষতি সাধন করার হুমকি দেয়। এ ব্যপারে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদিরের ভাই মো: আব্দুল করিম বাদি হয়ে মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের মৃত সমছু মিয়ার ছেলে  সোনাফর আলী (৪০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম (২৫) কে আসামী করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী সুনামগঞ্জের আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

সিআর মামলা নং ২৩/১৮। ঐ মামলায় প্রতারক দম্পতি  আদালত থেকে জামিনে এসে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে পুনরায় মামলার বাদি আব্দুল করিম ও তার পরিবারের লোকজনদের প্রানে হত্যাসহ বিভিন্ন ক্ষতি সাধনের চেষ্টায় লিপ্ত হয়।

এ ঘটনায় আব্দুল করিম বাদি হয়ে গত  ৮মে প্রতারক সোনাফর আলী (৪০) ও তার ভাই আনফর আলী (৩০) সহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঐ সময়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)’র নির্দেশে কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার অভিযোগটি সাধারন ডায়েরীভুক্ত করেন। যার নং ৩২৬। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে নন এফ আই আর (প্রসিকিউশন) দাখিল করেন।

মামলার বাদি আব্দুল করিম জানান, আসামীরা বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিন পেয়ে বাড়িতে এসে পুনরায় তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অব্যাহত হুমকিতে আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি।

এদিকে গরু বিক্রেতা প্রতারক দম্পতি সোনাফর আলী ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম শুধু লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদির নয় বিভিন্ন কৌশলে এলাকার অসংখ্য লোকজনকে মিথ্যা লোভ দেখিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন।

ঐ দম্পতির প্রতারনার শিকার পাটলী ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের ডুবাই প্রবাসী  ছালিক মিয়ার ২লাখ টাকা, মীরপুর ইউনিয়নের কচুরকান্দি গ্রামের লন্ডন প্রবাসী ফিরোজ আলীর ১লাখ টাকা, লন্ডন প্রবাসী মোহাম্মদপুর সেরা ( পূর্ব বসন্তপুর) গ্রামের লন্ডন প্রবাসী মৃত আফতাব আলীর ১লাখ টাকা এবং মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের ঠাকুর আলীর ছেলে বাবুল মিয়ার ৫০হাজার টাকাসহ অসংখ্য প্রবাসী স্থানীয় ব্যক্তিদের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করার ঘটনা রয়েছে।

প্রতারক দম্পতির অব্যাহত প্রতারনার ফাঁদে পড়ে প্রবাসীদের পাশাপাশি নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনও প্রতারিত হয়ে সর্বশান্ত হচ্ছেন। তারা প্রতারনার কৌশল ধার কর্য্য এবং গরু ব্যবসা করার কথা বলে এসব টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর ক্ষতিগ্রস্থরা তাদের টাকা ফেরত চাইলে উল্টো মারধর করার পাশাপাশি মামলা দিয়ে হয়রানী করার হুমকি দিয়ে আসছে।

জ.টুডে-৭ জুলাই ১৮/বিডিএন