জগন্নাথপুরে পাউবো কর্তৃক হাওরের ফসল রক্ষা বাধেঁর কাজ ধীর গতি ও নি¤œমানের হওয়ায় ৪ পিআইসি সভাপতি গ্রেফতার

মোঃ আব্দুল হাইঃ

পানি উন্নয়ন বোর্ড পাউবো কর্তৃক জগন্নাথপুর উপজেলায় কাবিটা নীতিমালা ২০১৭ অনুযায়ী ২০১৮-২০১৯অর্থ বছরে হাওরের বোরো ফসল রক্ষা বাধঁ নির্মান,মেরামত ও সংস্কার প্রকল্পের কাজ চলছে। সুনমাগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হারুনুর রশীদ জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহ্ফুজুল আলম মাসুম নলুয়ার হাওরের ফসল রক্ষা বাধঁ পরিদর্শনে গিয়ে বাধেঁর কাজে ধীর গতি ও নি¤œমানের অভিযোগে আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ১নং পিআইসি কমিটির সভাপতি যুবরাজ মিয়া ২নং পিআইসি কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য আছাদুল হক, ৭নং পিআইসি কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্যা শান্তনা ইসলাম ও ৯নং পিআইসি কমিটির সভাপতি সাব্বির আহমদকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান গ্রেফতার কৃত পিআইসি সভাপতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে। ৫০ টি পিআইসি কমিটির মাধ্যমে বৃহৎ নলুয়া ও মইয়ার হাওর সহ বিভিন্ন হাওর ও নদী তীরবর্তী ফসল রক্ষা বাধঁ চলতি মাসের ২৮ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করনের নির্দেশনা থাকলেও ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাধেঁর মাটির কাজ সম্পন্ন করনের জন্য প্রকল্পের পিআইসি কমিটিকে তাগিদ দিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাবিটা স্কীম বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি মাহ্ফুজুল আলম মাসুম। সোমবার তিনি নলুয়া ও মইয়ার হাওরের ফসল রক্ষা বাধঁ পরিদর্শন করেছেন এ সময় নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক মাপসহ কাজের অগ্রগতি দেখে ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মাটির কাজ এবং ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ড্রেসিং সহ কাজ বাস্তবায়নের জন্য বাধেঁর সংশ্লিষ্ট পিআইসি কমিটিকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। সঠিক সময়ে যে সব পিআইসি কমিটি বাধঁ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হবেন তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি । চলতি মৌসুমে বোরো ফসল রক্ষায় সরকার জগন্নাথপুর উপজেলায় ৫কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ার মাধ্যমে উপজেলার নলুয়ার হাওর (পোল্ডার-১) এ ৩৪টি, নলুয়ারহাওর (পোল্ডার-২) এ ৫টি, সুরাইয়া বিবিয়ানা ৪টি, এবং কুশিয়ারা নদীর ডান তীরে ৭টি সহ মোট ৫০টি পিআইসি কমিটির মাধ্যমে হাওরের বোরো ফসল অকাল বন্যার কবল থেকে রক্ষায় হাওর রক্ষা বাধেঁর নির্মাণ , মেরামত ও সংস্কার প্রকল্পের কাজ চলছে। সরেজমিন বাধেঁর নির্মাণ কাজ ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ পিআইসি কমিটি কর্তৃক মাটি কাটার কাজ সম্পন্ন করেছেন। আংশিক পিআইসি কমিটি শ্রমিক সংকট এবং মাটি কাটার মেশিন সংকটের কারনে বিলম্ভ হচ্ছে। তবে নির্ধারীত সময়ের মধ্যে বাধেঁর কাজ সম্পন্ন করনের আশ্বাস দিয়েছেন পিআইসি কমিটিগুলো।এদিকে আজ মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ হারুনুর রশীদ ও জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহ্ফুজুল আলম মাসুস সরেজমিন হাওর রক্ষা বাধঁ পরিদর্শনে গিয়ে ৪৪,৪৫,১১,৩৭,৩৮, ও ৩৯ নং পিআইসির কাজের গুনগত মান সন্তোশ জনক নয় বলে জানিয়েছেন। কুশিয়ারা নদীর ডান তীরের ৫০নং পিআইসি কমিটির সভাপতি মোঃ
মশহুদ আহমদ জানান ইতোমধ্যে বাধেঁর মাটির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন ড্রেসিংয়ের কাজ চলছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন। ইউএনও মাহ্ফুজুল আলম মাসুসের সার্বক্ষনিক সুষ্ঠু তদারকিতে দ্রুত গতিতে চলছে হাওরের ফসল রক্ষা বাধঁ। নলুয়ার হাওরের বাধঁগুলোর দিকে তাকালে মনে হয় মহাসড়কের দৃশ্যমান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহ্ফুজুল আলম মাসুম জানান উপজেলার ৫০টি পিআইসি কমিটির মাধ্যমে হাওরের বোরো ফসল রক্ষা বাধঁ দ্রুত গতিতে চলছে। ইতোমধ্যে ৬০ থেকে ৬২ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ কাজ সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান প্রকল্পের নীতিমালার বাহিরে কিংবা বাধঁ নির্মাণ কাজে গাফলতি করলে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যে সব পিআইসি বাধঁ নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারবেনা তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার কর্মকর্তা উপ সহকারী প্রকৌশলী ও কাবিটা স্কীম বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ হাসান গাজী জানান ইতোমধ্যে ৫০টি পিআইসির মাধ্যমে হাওরের ফসল রক্ষা বাধঁ নির্মাণ কাজ প্রায় ৬২ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বাধেঁর নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাধেঁর কাজ সম্পন্ন হবে। এদিকে সোমবার নলুয়ার হাওরের হাওর রক্ষা বাধঁগুলো পিরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতির খোজ নিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, থানার উপ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান প্রমূখ।

জগন্নাথপুরে বিউবোর বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পৌনে ৭ কোটি টাকা আদায়ে শীঘ্রই অভিযান

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর উপজেলায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিউবোর ৬কোটি ৮৬লাখ ৯শ ৫৮ টাকা বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ে শীঘ্রই অভিযানে নামছেন বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে বকেয়া বিল পরিশোধে গ্রাহকদের চুড়ান্ত নোটিশ দেয়া হয়েছে ।গ্রাহকদের বিল প্রদানে কোন সাড়া না থাকায় উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছেন ।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিউবো কর্তৃক ১৯৮৬সালে জগন্নাথপুর উপজেলায় বিদ্যুতের সংযোগ দেয়া হয় । বর্তমানে উপজেলায় গ্রাহক সংখ্যা ১৯হাজার ।দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যুতের বকেয়া বিল রয়েছে ৬ কোটি ৮৬ লাখ ৯শ ৫৮ টাকা।এর মধ্যে আবাসিক গ্রাহকদের কাছে ৩ কোটি ২৪ লাখ ১৯ হাজার ৩শ ৮৮টাকা,বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৬৯হাজার ৩শ ৪৩ টাকা সহ অন্যান্য খাতে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল রয়েছে । সময়মতো বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে সরকারের রাজস্ব খাতে সহায়তা করা এবং বকেয়া বিল পরিশোধে সকল মহলের সার্বিক সহযোগিতার লক্ষ্যে জগন্নাথপুরে বিউবোর আবাসিক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে ।বিউবোর জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ ,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন স¤পাদক রেজাউল করিম রিজু,থানার ওসি তদন্ত নব গোপাল দাশ ,বিউবোর জগন্নাথপুর উপজেলার উপ সহকারি প্রকৌশলী আবুল আজাদ পাবেল ,উপ সহকারি প্রকৌশলী(বিদ্যুৎ) পরাগ হায়দার, মাও: মুহিবুর রহমান প্রমূখ। বিউবোর আবাসিক প্রকৌশলী আজিজুল ইসলাম আজাদ জানান দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যুতের প্রায় ৬ কোটি ৮৬ লাখ ৯শ ৫৮ টাকা বকেয়া বিল পড়ে আছে । বিল পরিশোধে বকেয়া গ্রাহকদের নোটিশ দেয়া হয়েছে । বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে অভিযান শুরু হবে ।

জগন্নাথপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টঃ

জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনে আয়োজনে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইউএনও মাহ্ফুজুল আলম মাসুমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, ফারজানা আক্তার,জগন্নাথপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহিদুল ইসলাম,শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদিন,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মোখলেছুর রহমান, বিউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল আজাদ পাবেল, থানার উপ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান,জগন্নাথপুর বাজার বনিক সমিতির সভাপতি আফছর উদ্দিন ভূইয়া, দৈনিক মানবজমিন প্রতিনিধি শংকর রায়, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল হাই,জাপা নেতা আব্দুল মনাফ প্রমূখ। সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোশ জনক রয়েছে উল্লেখ করে মাদক সহ সকল প্রকার অপরাধ প্রবনতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার আহবান জানানো হয়। এবং আইনশৃঙ্খলায় বিশেষ অবদান ও সাহসী ভূমিকা রাখায় জগন্নাথপুর থানার এস আই হাবিবুর রহমান পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি পদক পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানানো হয়। সভায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২১ফেব্রুয়ারি থেকে সপ্তাহ ব্যাপি বই মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এ ছাড়াও জগন্নাথপুর পৌর শহরকে যানজট মুক্ত রাখতে এবং ফিটনেস বিহিন যানবাহন চলাচল বন্ধে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ।এবং চলতি বোরো মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক হাওরের ফসল রক্ষা বাধঁ ইতোমধ্যে সন্তোশ জনক ভাবে চলছে উল্লেখ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাওর রক্ষা বাধঁ সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় । সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহানন্দ সরকার ,এলজিইডির প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার ,খাদ্য কর্মকর্তা ধীরাজ নন্দী চৌধুরী ,নির্বাচন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান,রাণীগঞ্জ ইনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম রানা ,আশারকান্দি ইনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আবু ঈমানী ,পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওযাহিদুর রাজা প্রমূখ ,

হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নারী শিক্ষার এক অন্যন্য প্রতিষ্ঠান

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি নারী শিক্ষার এক অন্যন্য প্রতিষ্টান হিসেবে ইতো মধ্যে উপজেলায় প্রশংসিত হচ্ছে। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুম মাস্টার মন্তেশর আলীর ছেলে ম্যাজিষ্ট্রেট সুয়েব আহমদ তালুকদার নারী শিক্ষা প্রসারে নিজস্ব ভূমিতে পারিবারিক অর্থায়নে তিনির মায়ের নামে সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা করেছেন। বিদ্যালয়টিতে দক্ষ শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি ম্যাজিষ্ট্রেট সুয়েব আহমদ তালুকদারের দিক নির্দেশনায় ইতোমধ্যে ছাত্রীদের লেখা পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা মূলক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন রত ছাত্রীরা এবং তাদের অভিভাবকরা মহা আনন্দিত হয়েছেন। এদিকে প্রতিবছরের ন্যায় জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত ২০১৮সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে স্কাউট, গার্লস গাইড, কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রর্দশনীতে হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম পুরস্কার অর্জন করে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৬সালের ,জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি সামাজিক,ধর্মীয়,মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের উপর সুশিক্ষা দিয়ে আসছে। ছাত্রীদেরকে বিদ্যালয়ে আসার ব্যাপারে উৎসাহিত করার জন্য সংক্ষিপ্ত আকারে সকল ছাত্রীদের জন্ম তারিখ পালন করা হয় এবং তাদের নগদ অর্থ ও ফুলের মালা প্রদান করা হয় । আন্তর্জাতিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এ বিদ্যালটি সকল ছাত্রীদের কে ফ্রি ইংরেজী শিক্ষার কোর্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা সুয়েব আহমদ তালুকদার যুক্তরাজ্য থেকে সরাসরি ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে তদারকি করছেন ফলে ছাত্রীরা ইংরেজি শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করছে। প্রতি সপ্তাহে একদিন তাদের মাথায় উকুন আছে কিনা সেটাও পরিষ্কা করা হয়ে তাকে এবং তাদের পোশাক পরিষ্কার পরিচ্ছন কিনা সেটাও তদারকি করা হয়। সকল ছাত্রীকে একটা করে ব্যক্তিগত ডায়রি দেওয়া হয়েছে। প্রদিতদিন তার কত ঘন্টা লেখাপড়া করে সেটা ডায়রিতে লিখতে হয় এবং তাদের পিতা অথবা মাতা কর্র্তৃক সত্যায়িত করে স্বাক্ষর দিতে হয়। হাখিুশি ও আনন্দমুখর পরিবেশে রাখার জন্য এখানে বৎসরে বিভিন্ন ধরনের কমপক্ষে ১২টি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় । যেমন: সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বির্তক প্রতিযোগিতা ,পিঠা উৎসব ,শরীরচর্চা ও অন্যান্য সামাজিক মূল্যবোধের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ে একজন ওয়েল ফেয়ার অফিসার আছেন । যার দায়িত্ব হচ্ছে প্রতিদিন অনুপস্থিত ছাত্রীদের বাড়ী পরিদর্শন করা, অনুপস্থিতির কারণ নির্নয় করা এবং অসুস্থ হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয়। ছাত্রীদের কে উৎসাহিত করার জন্য সমাজের বিশিষ্ঠ ব্যাক্তিদের কে গেষ্ঠ স্পিকার হিসাবে বিদ্যালয়ে আমন্ত্রন করা হয়। আমন্ত্রীত ব্যক্তিগণ তারা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা ও সফলতা নিয়ে ছাত্রীদের কে বলেন। এবং উন্নত মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা অর্জন করার জন্য ছাত্রীদেরকে উপদেশ দিয়ে থাকেন ও উৎসাহিত করেন । পরিস্কার পরিচ্ছনতার শিক্ষা দেয়ার জন্য এ বিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থানে ডাস্টবিন এর ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রীরা রাস্তায় নিরাপদে যাতায়াত এবং ইভটিজিং এর ব্যপারে সর্তক তাকতে পারে সে ব্যাপারে তাদেরকে প্রশিক্ষন দেওয়া হয় । আত্্রহত্যা এবং অন্যান্য সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় থেকে বাচার জন্য এ বিদ্যালয়ে একজন স্টুডেন্ট কাউন্সিলর রয়েছে। স্টুডেন্ট কাউন্সিলর তাদেরকে সকল সময় প্রয়োজনীয় পরামর্শ ,সহযোগিতা ও সাহস প্রদান করে থাকেন । শিক্ষদেরকে প্রতিমাসে দু’বার বিভিন্ন বিষয়ের উপর অত্র বিদ্যালয় প্রতিষ্টাতা সুয়েব আহমেদ তালুকদার যুক্তরাজ্য থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশিক্ষন প্রদান করছেন। ছাত্রীরা বাসায় খাওয়া দাওয়া করেছে কিনা এবং বিদ্যালয় প্রতিদিন টিফিন বক্স এনেছে কিনা প্রয়োজনীয় পানি পান করেছে কিনা সেটাও তদারকি করা হয় । এ বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের উপস্থিতির হার সন্তোশ জনক । এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম ,পরিস্কার,পরিচ্ছন্ন,আধুনিক । সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি এমন একটি মান সম্মত প্রতিষ্টান যেখানে আধুনিক শিক্ষার ব্যাবস্থা রয়েছে যা আর্ন্তজাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থার অনুকরনীয় । প্রকৃত মানুষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য যা কিছু প্রয়োজন সব কিছুই এ বিদ্যালয় থেকে প্রদান করা হয়।ফলে এ প্রতিষ্টানের ছাত্রীরা অত্যন্ত র্স্মাট ,ন¤্র,ভদ্র,ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার সুযোগ পেয়েছে।

জগন্নাথপুরে কৃতি ফুটবলার মরহুম আব্দুন নুর ও মরহুম ইউনুস মিয়া স্মরনে গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর উপজেলার দুই প্রবীণ কৃতি ফুটবলার মরহুম আব্দুন নুর ও মরহুম ইউনুস মিয়া স্মরণে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নমেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ১৬ র্ফেরুয়ারি জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের মীরপুর স্টেডিয়ামে সিলেট বিভাগ সোনালী অতীত ইউ কের আয়োজনে ও কৃতি ফুটবলার জোবায়ের আহমদ হামজা ,এম এ ওয়াদুদ,সৈয়দ দবির ,সফু মিয়া ,জামাল উদ্দিন,সৈয়দ নব্বীর ,আক্তার হোসেন , কামাল উদ্দিন , এম এ রউফ মাক্কু,মতচ্ছির আলী ,জয়নাল আবেদীন ,মকন,জামাল উদ্দিন (শ্রীরামসী ) আজম খান,গোলাম কিবরিয়ার সার্বিক সহযোগিতায় আব্দুন নুর ইউনুস গোল্ডকাপ ২০১৯এর খেলার উদ্¦োধনী অনুষ্টানের শুরুতে জগন্নাথপুর উপজেলার মীপুর ইউনিয়নের মীরপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃতি ফুটবলার মরহুম আব্দুন নুর ও সৈয়দ পুর শাহার পাড়া ইউনিয়নের বুধরাইল গ্রামের বাসিন্দা মুরহুম ইউনুস মিয়া স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।

বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে প্রবীণ ও নবীন কৃতি ফুটবলার বৃন্দের মিলন মেলায় মাঠে আনন্দ মূখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় ।খেলার উদ্বোধনী অনুষ্টানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মীরপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল খালিক, হরমুজ আলী মাস্টার, প্রবীন ফুটবলার আবু হোরায়রা ছাদ মাস্টার, সিলেট বিভাগ সোনালী অতীত ইউকের আহ্বায়ক জগন্নাথপুর উপজেলার ক্রীড়া ও নাট্যজগতের প্রিয় মূখ নাট্য অভিনেতা সাংবাদিক জোবায়ের আহমদ হামজা, প্রবীণ ফুটবলার এম এ রউফ মাক্কু, প্রবীণ ফুটবলার সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য সৈয়দ সাব্বির মিয়া ছাবির, সাবেক পৌর কমিশনার লুৎফুর রহমান, কৃতি ফুটবলার সিরাজ উদ্দিন মাস্টার, সিলেট বিভাগ সোনালী অতীত ইউকের সদস্য এম এ ওয়াদুদ, সফু মিযা, মল্লিক খালিক, প্রবীণ ফুটবলার মবশ্বির মিয়া, ফারুক মিয়া, আবুল খয়ের, খালিক মিয়া, করিম মিয়া, কর্ণেল আবেদীন, মধু মিয়া, হারিক মিয়া, ছাতক উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক লাল মিয়া, মীরপুর যুব সংঘ ফুটবল একাদশের সভাপতি সাদেকুর রহমান সাদ, সহ-সভাপতি সোহেল আহমদ, জাকারিয়া আবু, মুহিব উদ্দিন সেলিম, আলাল আহমদ, জুনেদ আহমদ, জীবন আহমদ, রাশেদ আহমদ, প্রমূখ। খেলার শুরুতে সিলেট বিভাগ সোনালী অতীত ইউকের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমদ হামজা কৃতি ফুটবলার মরহুম আব্দুন নুর ও মরহুম ইউনুস মিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন ক্রীড়াঙ্গনে তাদের স্মৃতি আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি তরুন প্রজন্মের কাছে তাদের অবদান তুলে ধরতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।পরে জুবাযের আহমদ হামজার সম্পাদনায় হৃদয়ে আব্দন নুর ও ইউনুস মিয়া স্মৃতি স্মারক উন্মোচন করা হয়। উদ্বোধনী খেলায় তরুন সংঘ সৈয়দপুর বনাম একতা ফুটবল ক্লাব করিমপুরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ১-০ গোলে তরুন সংঘ সৈয়দপুর বিজয়ী হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি নুনু একাডেমি ওসমানী নগর বনাম খেলোয়ার কল্যাণ সমিতি সিলেট, ২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্বনাথ উপজেলা ফুটবল এসোসিয়েশন বনাম রয়েল ফ্রেন্ডস্ এফসি সিলেট , এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি আমীর হাবিব বালাগঞ্জ বনাম সানজানা ইলেভেন স্টারের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের এম.এম নুর চেয়ারম্যান হাসনাত আহমদ চুনু জেনারেল সেক্রেটারী নির্বাচিত

মোঃ আব্দুল হাই/মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান:
বিপুল উৎসাহ উ্দ্দীপনা ও আনন্দ মূখর পরিবেশে জগন্নাথপুর উপজেলায় শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়নের এক অন্যন্য সংগঠন জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান পদে পাটলী ইউনিয়নের নুরবালা গ্রামের বাসিন্দা এম.এম নুর, জেনারেল সেক্রেটারী পদে জগন্নাথপুর পৌর শহরের ইনাতনগর মোকামবাড়ির বাসিন্দা মোঃ হাসনাত আহমদ চুনু বিজয়ী হয়েছেন। দ্বি-বার্ষিক সভা ও নির্বাচন কে ঘীরে ট্রাস্টের ট্রাষ্টীবৃন্দের মধ্যে ব্যপক প্রাণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে বসবাসরত ট্রাস্টের ট্রাষ্টীবৃন্দের অংশগ্রহনে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে ট্রাস্টের সভা ও নির্বাচন। নির্বাচনে ৩১টি পদের মধ্যে চেয়ারম্যান ও জেনারেল সেক্রেটারী পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২পদে ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। নির্বাচনে ১৫৪জন ভোটারের মধ্যে ১১১জন ভোটার তাদে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন এম.এম নুর। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী ছিলেন আবদাল মিয়া। জেনারেল সেক্রেটারী পদে নির্বাচিত হয়েছেন হাসনাত আহমদ চুনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী ছিলেন শাহ কোরেশী শিপন । অন্যান্য পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এতে ট্রেজারার নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল হালিম। বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির অন্যান্য পদে নেতৃবৃন্দরা হচ্ছেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এখলাছুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরজু মিয়া এমবিই, ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সানাওয়ার ইসলাম চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তফজ্জুল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান খান জয়নাল আবেদিন, ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলী, ভাইস চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান কোরেশী, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাদের, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আংগুর আলী, জয়েন্ট সেক্রেটারি সফিউল আলম বাবু, এসিসট্যান্ট সেক্রেটারি মুহিত মিয়া, এসিসট্যান্ট ট্রেজারার জগলু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পাবেল কাদের চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব নুরুল হক লালা মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল মুকিত চুনু এমবিই, কার্যনির্বাহী সদস্য গোলাম মরতুজা, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াস, কার্যনির্বাহী সদস্য সাজ্জাদ মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী এ খালেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য মল্লিক শাকুর ওয়াদুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য ইকবাল এম হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মুজিবুর রহমান মুজিব, কার্যনির্বাহী সদস্য রফিক মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য এম তাহের কামালী। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন কাউন্সিলর আহবাব হোসেন ও বালাগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কমিউনিটি নেতা রবিন পাল। এর আগে বিদায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও জেনারেল সেক্রেটারি মুহিব চৌধুরী ও জয়েন্ট সেক্রেটারি শফিউল আলম বাবুর যৌথ পরিচালনায় সভায় জেনারেল সেক্রেটারির বার্ষিক রিপোর্ট পেশের পর ট্রেজারার আলফাজুর রহমান জাকির আর্থিক রিপোর্ট পেশ করেন। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন ট্রাস্টি মাওলানা মুমিনুর রশিদ। সভা শেষে জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্ট্রের মরহুম ট্রাস্টিদের মাগফেরাত ও বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন ট্রাস্টি মাওলানা আব্দুল বশির । এদিকে বিগত ২০ বছর ধরে জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের বিভিন্ন সময়ে যেসব ট্রাষ্ট্রীগন চেয়ারম্যান, জেনারেল সেক্রেটারি ও ট্রেজারার পদে কাজ করেছেন তাদেরকে বিশেষ অবদানের জন্য ট্রাস্ট্রের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম এ আহাদ ও ফাউন্ডার জেনারেল সেক্রেটারি মুহিব চৌধুরী এবং ট্রাস্টের পক্ষে থেকে সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। সনদ প্রাপ্তরা হলেন সাবেক চেয়ারম্যান এম এম নুর, এস আই আজাদ আলী, রফিক মিয়া, মুহিব চৌধুরী, সাজ্জাদ মিয়া, আশিক চৌধুরী। সাবেক জেনারেল সেক্রেটারি আংগুর আলী, কাউন্সিলর জুনেদ আহমদ, মুজিবুর রহমান মুজিব, শেখ ইসতাব উদ্দীন আহমদ, মল্লিক শাকুর ওয়াদুদ। সাবেক ট্রেজারার এস আই আজাদ আলী, আশিক চৌধুরী, আবদাল মিয়া, মোহাম্মদ আব্দুল শহীদ, হাসনাত আহমদ চুনু, আলফাজুর রহমান জাকির।এছাড়াও বিশেষ সম্মননা সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় প্রবীন ট্রাস্ট্রি আব্দুল মুকিত চুন্নু এমবিই, আরজু মিয়া এমবিই, নুরুল হক লালা মিয়া, আব্দুল আলী রউফকে বিশেষ সম্মননা সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে।

জগন্নাথপুরে সড়ক বিহীন ব্রিজটি নির্মাণের ২১বছর ধরে পরিত্যাক্ত

মোঃ আব্দুল হাই :

উপজেলার জগন্নাথপুর পৌর শহরের ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ভবানীপুর এলাকায় খালের উপর সড়ক বিহীন ব্রিজটি নির্মানের ২১ বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রিজের দু-পাশে কোন সড়ক না থাকায় মাঠের একপাশে দন্ডায়মান পরিত্যাক্ত ব্রিজটি এলাকাবাসীর কাজে আসছে না ।

ফলে ঐ ব্রীজের পাশ দিয়ে গ্রামবাসীর ব্যবহৃত সড়কে ব্রিজ না থাকায় চরম দূর্ভোগে রয়েছেন পশ্চিম ভবানীপুর গ্রামসহ আশপাশ এলাকার জনসাধারন। সড়ক বিহীন ব্রিজ নিয়ে বেশ কয়েকবার পত্রিকায় লিখা হলেও কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি।

এলজিইডি অফিস ও পৌরসভার কর্তৃপক্ষ বলছেন ব্রিজ নির্মাণের তথ্য না থাকায় কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।  খোঁজ নিয়ে জাানাযায়, ৩টি স্প্যানে প্রায় ২৫ মিটার দৈর্ঘ্য এ ব্রিজটি ১৯৯৮সালে নির্মাণ করা হয়েছে।

তবে কোন দপ্তর কর্তৃক ব্রিজটির নির্মান কাজ করা হয়েছে তা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি জনপ্রতিনিধি , স্থানীয় লোকজনদের সাথে কথা বলেও ব্রিজটির সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রবীন ব্যক্তিরা জানান এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে তৎকালিন জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়।

পরবর্তীতে নির্মিত ব্রীজটি দু-পাশের সড়ক  পরিবর্তন করে পশ্চিম ভবানীপুর ও পূর্ব ভবানীপুর এলাকাবাসী নলুয়ার হাওরে যাতায়াতের সুবিধার্থে নির্মিত ব্রীজের স্থান পরিবর্তন করে নতুন ভাবে পশ্চিম ভবানীপুর সড়ক নির্মান হওয়ায় প্রায় ২১বছর ধরে সড়ক  বিহীন ব্রিজটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে।

জগন্নাথপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ভবানীপুর এলাকায় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পশ্চিম ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের পূর্ব পাশে সড়ক বিহীন দন্ডায়মান ব্রিজটি  জনসাধারনের কাজে আসছেনা।

স্থানীয় লোকজনদের সাথে ব্রিজটি নির্মিত হওয়ার কারন জানতে চাইলে এলাকার লোকজন জানান, নলুয়ার হাওরে যাতায়াতের সুবিধার্থে এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে  ব্রিজটি নির্মিত হয়। ব্রিজটি নির্মাণের পর এলাকাবাসী আনন্দিত হলেও কখনও ব্রিজ দিয়ে পারাপার হননি।

৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার দ্বিপক গোপ জানান, ব্রিজটি কত সালে নির্মিত হয়েছিল তা আমার জানা নেই। তবে ধারনা করা হচ্ছে বিগত ২১বছর আগে নির্মান করা হয়েছে।

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার জানান, ব্রিজটির নির্মানকারী প্রতিষ্টানের কোন তথ্য আমার জানা নেই।

তবে ব্রিজের স্থানটি পৌরসভার হওয়ায় বিষটি পৌর কর্তৃপক্ষ দেখবেন এর পরও কবে ব্রিজটি নির্মান কাজ হয়েছে তার খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জগন্নাথপুরে হত্যা মামলার আসামীকে সরকারি প্রাইমারি স্কুলের নৈশ প্রহরি নিয়োগ দেয়ায় এলাকাবাসীর অভিযোগ

জগন্নাথপুরে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার কারাভোগী আসামীকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ গ্রহরী হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
রবিবার এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের অভিভাবকগণ ও এলাকাবাসী জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুল আলম মাসুমের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়াও অভিযোগপত্রের অনুলিপি জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে প্রদান করা হয়েছে। এলাকাবাসি ও অভিযোগ পত্র থেকে জানা যায়,জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের গড়গড়ি কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন নৈশ গ্রহরী নিয়োগের আহবান করা হয় গত বছর। এতে গড়িগড়ি এলাকার ইউছুফ আলীর ছেলে রুহেল মিয়া ও একই এলাকার আব্দুল হেকিমের ছেলে সাইদুল ইসলাম অংশ নেন। এরমধ্যে সাইদুল ইসলাম এলাকার দরিদ্র ফজর আলীর তরুণী মেয়ে সমতেরা বেগমের হত্যা মামলার আসামী। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে । সে ঐ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদের আপন ভাতিজা। যে কারনে প্রভাব বিস্তার করে চাকুরীদানে পায়তারা করছেন বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন জানান, ২০০৮ সালে দরিদ্র ফজর আলীর মেয়ে সমতেরা বেগমকে প্রথমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে দৃৃবৃর্ত্তরা। পরে তাকে এসিড দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করে লাশ তার বাড়ির সামনে ফেলে দেয়া হয়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা ফজর আলী বাদি হয়ে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলার ৪ নম্বর আসামী সাইদুল ইসলাম। মামলার পর কয়েকমাস কারাভোগ করেছে সাইদুল।অভিযুক্ত ব্যক্তির চাচা গড়গড়ি কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদ বলেন, তার ভাতিজার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা গত বছর আদালতের মাধ্যমে নিস্পত্তি হয়েছে। তবে নৈশ প্রহরী পদে এখনো নিয়োগ হয়নি বলে তিনি জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুল আলম মাসুম জানান , বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জগন্নাথপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি::

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আজ শনিবার সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ২৮ সহ¯্রাধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

৬-১১ মাস বয়সী শিশুদেরকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লাখ আইইউ মাত্রা) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদেরকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লাখ আইইউ মাত্রা) খাওয়ানো হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্র জানায়, সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার পৌরসভা সহ ৮টি ইউনিয়নে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট,

খেয়াঘাট সহ ২১৬টি কেন্দ্রে ২জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী সহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সুষ্টু ও শান্তিপূর্নভাবে শিশুদের পরিবারের সদস্যদের অংশ গ্রহনে ২৮ সহ¯্রাধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো সম্পন্ন হয়েছে।

সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কেন্দ্রে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে ক্যাম্পইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মধু সুধন ধর। পরে তিনি পৌরশহরের বাসুদেব বাড়ী মন্দিরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন।

এসময় ডা: মধু সুধন ধর আজকের স্বদেশ ডটকমকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল ও শিশুদের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করা লক্ষ্যে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পইনের অংশ হিসেবে

জগন্নাথপুর উপজেলায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। জগন্নাথপুর উপজেলার শত ভাগ শিশুদের  ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

এদিকে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ের ইছগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্বোধন করেন

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.শহিদুল ইসলাম রানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী মো. সাখাওয়াত হোসেন।

প্রধান মন্ত্রী হাওর অঞ্চল ও পিছিয়ে পড়া জনগষ্ঠীর উন্নয়নে আন্তরিক ….. পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ.মান্নান

নিজস্ব প্রতিনিধি::

পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ্ব এম.এ.মান্নান বলেছেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা হাওর অঞ্চল ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্ননে আন্তরিক ।

বাংলাদেশকে  মাদক মুক্ত করতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন সামাজিক নিরাত্তায় মাদক নিমূলে আইনশৃংখলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার আহবান জানান।

তিনি জগন্নাথপুর পৌরসভার ও পুরো জেলা ব্যাপী উন্নয়নের উৎসব সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে বলেন আগামী ৫বছরে আমার প্রতিশ্রুতি সকল উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন প্রান চেষ্টা চালিয়া যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিগত নির্বাচনে তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করায় জনসাধারনের প্রতি অভিন্নন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় জগন্নাথপুর পৌরসভার উদ্যোগে তাকে দেওয়া নাগরিক সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে সংবার্ধত অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাতক দোয়ারা আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান নেতা সিদ্দিক আহমদ।

পৌরসভার মেয়র আব্দুল মনাফের সভাপতিত্বে ও উপ সহকারি প্রকৌশলী স্বতীশ গোষামী ও কর্মকর্তা এলাইছ মিয়ার পরিচালনায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন,

সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু,সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র প্রমুখ । পরে পৌরসভার পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে নৌকা উপহার দেওয়া হয়।