সাচায়ানী নন্দীরগাঁও স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে অর্থ সহ কুরআন উপহার ও ইফতার মাহফিল

তৈয়ববুর রহমান বিশেষ প্রতিনিধি ঃ  জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের সাচায়ানী নন্দীর গাঁও গ্রামের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শতাধিক সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নগদ অর্থসহ কুরআন শরীফ উপহার এবং চার শতাধিক রোজাদারদের অংশগ্রহণে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার  (৫ এপ্রিল)  সাচায়ানী শাহী ঈদগাহ মাঠে এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় ট্রাস্টের সভাপতি সাইদুল হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েব মামুনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক তৈয়বুর রহমান,।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষা ফাউন্ডেশনের সুনামগঞ্জ জেলার চেয়ারম্যান তাহমিদ আহমদ,।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখের শাহজালাল জামেয়া দ্বীনিয়া মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার লুৎফুর রহমান, শ্রীরামসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক,

জেলা শিক্ষা ফাউন্ডেশনের সদস্য আশিক বিল্লাল সাদেক,উপদেষ্টা সাজ্জাদুর রহমান, ব্যাংকার তওহিদুল ইসলাম, মাওলানা আজিজুর রহমান, সমাজ সেবক ফখর উদ্দিন সহ আরো অনেকে।

এ সময় সমাজ সেবক নুরুল ইসলাম, রাকাব আহমেদ শিশির,আবু তাহের উজ্জ্বল আহমদ,রুবেল আহমেদ ,অজুদ আলী,আমির আলী, আয়না মিয়া,রুস্তুম মিয়া,সুলেমান আলী,

আইয়ুব আলী,জুনেদ মিয়া,মুহিবুর রহমান, রাজ্জাক মিয়া সহ এলাকার মুরুব্বিয়ান, যুবক,ট্রাস্টের সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা উপস্হিত ছিলেন।

বক্তারা স্টুডেন্ট ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের শিক্ষা সহ আর্থ মানবতার সেবায় অনন্য ভূমিকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অভিনন্দন জানান।

এবং ট্রাস্টের মহতি উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরো ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে যাবে এমনটাই প্রত্যাশা করে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কার্যক্রমে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করায় দেশ ও প্রবাসে বসবাসরত শিক্ষানুরাগী দানশীল ব্যক্তিদের প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এদিকে নগদ অর্থ সহ কুরআন শরীফ উপহার এবং ইফতার মাহফিলে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন সাচায়ানী গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহ মো: আনোয়া হোসেন, মালিক মিয়া,হোসাইন আহমেদ বাচ্চু

,রিপন আলী, সুহেব মামুন, আইনুল হক,শাহ শামিম আহমেদ, ,ইউসুফ আলী,শামীম আহমদ রাজ

,পাটলী চক গ্রামের এম এ মতিন,রানীগঞ্জের নোয়াগাঁও গ্রামের নাহিদ মিয়া,সাচায়ানী গ্রামের ফ্রান্স প্রবাসী আলী আহমেদ রাসেল

,আবদাল হোসেল(খেলু),সৌদি আরব প্রবাসী আমিনুল ইসলাম কনু, সিরাজ মিয়া,আলীপুর গ্রামের সুমন মিয়া, সাচায়ানী গ্রামের ইতালী প্রবাসী জনি মিয়া,আসিফ ইকবাল, সাজ্জাদ মিয়া,শাহিন মিয়া, রুবেল আহমেদ,

আব্দুল হোসেন,রুহেল আহমেদ টিপু,মুহিবুর রহমান মানিক জয়,দেলোয়ার হোসেন,মুহিত মিয়া,জিলু মিয়া,

আয়েশা বিবি,শেফালী বেগম,ট্রাস্টের সদস্যসহ আরো অনেকে।

পরে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন সাচায়ানী আল মদিনা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা শরিফ উদ্দিন।

জটুডে /এ হাই

গ্রামীণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ যোন জগন্নাথপুর এরিয়ার উদ্যোগে শীত বস্ত্রের কম্বল বিতরণ

স্টাফ রিপোর্ট ঃ-
বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ যোন জগন্নাথপুর এরিয়া অফিসের উদ্যোগে জগন্নাথপুর এরিয়ার ১১টি শাখার সংগ্রামী সদস্য শীতার্তদের মধ্যে শীত বস্ত্রের কম্বল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (৭ জানুয়ারী) শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গ্রামীণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ যোনের যোনাল ম্যানাজার মোহাম্মদ মোশারেফ হোসেন। যোনাল অডিট অফিসার মোঃ বাবর আলী, জগন্নাথপুর এরিয়া ম্যানেজার বিপুল চন্দ্র রায়।
এসময় গ্রামীণ ব্যাংকের স্ব-স্ব শাখা অফিসের সহকর্মী বৃন্দ, সদস্য-সদস্যা এবং এরিয়ার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

গ্রামীণ ব্যাংক জগন্নাথপুর এরিয়া ম্যানেজার বিপুল চন্দ্র রায় জানান, সুনামগঞ্জ যোন এর প্রতিটি শাখায় গত ৭ জানুয়ারি থেকে ৯জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংক সংগ্রামী শীতার্ত সদস্য সদস্যাদের মধ্যে শীত বস্ত্রের কম্বল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

ভবিষ্যতেও সংস্থার মহতি কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
জটুডে /এহাই

আইডিয়াল গার্লস হাই স্কুল এর শিক্ষক, কর্মচারী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

স্টাফ রিপোর্টার:-

আইডিয়াল গার্লস হাই স্কুল (নন এমপিও ভুক্ত) গ্রাম ও ডাক:-সৈয়দপুর, উপজেলা-জগন্নাথপুর, জেলা-সুনামগঞ্জ এর জন্য দপ্তরী ১জন, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ১জন, বিএসসি (গণিত) শিক্ষক ১জন এবং নবম-দশম শ্রেনীতে ইংরেজী পড়াইতে সক্ষম (স্নাতক) শিক্ষক ১জন আবশ্যক।

শিক্ষক পদে মহিলা অগ্রাধিকার। আগ্রহী প্রার্থীগণকে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি ১কপি, পূর্ন জীবন বৃত্তান্ত ও সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ আগামী ৩১ আগষ্ট ২০২১ইং তারিখ-এর মধ্যে নিম্ন স্বাক্ষরকারী বরাবরে দরখাস্থ আহবান করা যাচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক
মোবা:-০১৭১৫-০০৩০৭০

সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী দিনার কামালীর সমর্থনে সভা

স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহারপাড়া গ্রামের কৃতিসন্তান যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবক দানশীল ব্যক্তিত্ব অসহায় দরিদ্রদের কল্যাণে নিবেদিত মো: দিনার কামালীর সমর্থনে সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও শাহদামড়ী বাজারে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) পীরেরগাঁও গ্রামের সকল বয়েসী বিপুল সংখ্যক ব্যক্তিবর্গের সরব উপস্থিতিতে মতবিনিময় সভাটি প্রানবন্ত হয়ে উঠে।
মতবিনিময় সভায় আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি অসহায় দরিদ্রদের কল্যাণে এবং একটি জবাবদিহি মূলক ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের প্রতিশ্রুতিতে সর্বস্থরের নাগরিক বৃন্দের স্নেহ ভালোবাসা প্রত্যাশা করে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: দিনার কামালী। তিনি আরো বলেন যুক্তরাজ্যে বসবাস করলেও নিজ ইউনিয়নবাসীর প্রতি রয়েছে আমার অজ¯্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। আসন্ন ইউনিযন পরিষদ নির্বাচনে জনগনের সেবক হয়ে কাজ করার অঙ্গিকারে তিনি সকলের দোয়া কামনা করেন।


ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দানিছ মিয়ার সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সিরাজ আলী, আব্দুর রহমান, ছায়েদ আলী, হাজি আলকাছ আলী মেম্বার, কদর আলী, আনছার আলী, আনহার কামালী, হান্নান মিয়া, ছানু কামালী, সিরাজ মিয়া, আব্দুর রহমান, লায়েক কামালী, ছুফিউল বশর, শিম্পু কামালী, শিব্বির, এলাইছ মিয়া, মাহবুব কামালী প্রমূখ। বক্তারা সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: দিনার কামালীর প্রত্যাশা পূরণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রসঙ্গত: শাহারপাড়া গ্রামের সারংবাড়ির বাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মরহুম আব্দুল কাদির কামালীর সুযোগ্য পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবক আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: দিনার কামালী ইতোমধ্যে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া মহল্লায় অবিরাম প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

HSC exam results will be released in the last week of December

JagannathpurToday Desk :-

The results of HSC and equivalent examinations will be released in the last week of December. Inter-Education Board Coordination Sub-Committee President and Chairman of the Dhaka Board of Education Professor. Ziaul Haque confirmed the matter to the media on Saturday night.

Incidentally, this year’s HSC exams have recently been canceled due to the ongoing epidemic Corona. The results of this year’s HSC will be determined by averaging the results of JSC and SSC. This was stated by the Education Minister at a virtual press conference organized by the Ministry of Education on October 8 at noon. At the time, he said, the overall safety of students’ lives would be assessed differently without taking the 2020 HSC exam. I am considering the way it will be accepted. This test takes 30 to 32 days. One student on one bench is not possible. Now there is no manpower to double the center.

Students who have passed HSC this year will be completed through the university admission process examination. However, the university council has not yet decided on the method by which the test will be completed. The decision was taken at a meeting of the university council on Saturday.

At the meeting, the vice-chancellors’ organization ‘University Council’ has decided to take the admission test of the public university online this year using the software. If the Ministry of Education and the University Grants Commission (UGC) get a positive response in this regard, the Vice-Chancellors think that it is possible to implement it.

Source: Janakantha/TAHER

জগন্নাথপুরে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত

স্টাফ রিপোর্টার::
কোভিট-১৯ সংকট : স্বাক্ষরতা শিক্ষায় পরিবর্তনশীল শিখন – শেখানো -কৌশল এবং শিক্ষাবিদদে ভূমিকা প্রতিপাদ্যে জগন্নাথপুরে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালন করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,

জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মুখলেছুর রহমান, ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর হারুন-অর রশীদ চৌধুরী, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শংকর রায়, ছিক্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপক কান্তি দে, দৈনিক সুনামকন্ঠ প্রতিনিধি শাহজাহান প্রমূখ।

এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: লুৎফুর রহমান, উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সমিতি জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি শাহজাহান সিরাজ, প্রধান শিক্ষক যীষু তোষ তালুকদার, প্রধান শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ ক্ষত্রিয়, প্রধান শিক্ষক লিনা খানম, প্রধান শিক্ষক মনির হোসেন, প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিন,

প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন, প্রধান শিক্ষক শংকর দেবনাথ, প্রধান শিক্ষক সালেহা পারভীন, প্রধান শিক্ষক মিন্টু চন্দ্র দাস, সহকারি শিক্ষক নুরুল হক, সহকারি শিক্ষক রুহুল আমীন, সহকারি শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম, সহকারি শরিফুল মামুন, সহকারি শিক্ষক প্রনব দাস সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জগন্নাথপুর সহ ২৩৪টি পৌরসভায় ভোট ডিসেম্বরে

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

আগামী ডিসেম্বরে পৌরসভার ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই সময়ে ভোট করার প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে। প্রায় আড়াইশ’র মতো পৌরসভায় ভোট হতে পারে। এই লক্ষ্যে ইসি সচিবালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন। রবিবার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ওই সভায় পৌরসভা নির্বাচনের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত না হলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং পৌরসভাগুলোর নির্বাচনের সময় হওয়ায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত ১০ আগস্টের কমিশন সভায়ও একই ধরনের সিদ্ধান্ত হয়।

এদিকে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পৌরসভাগুলোর বর্তমান পরিষদের মেয়াদ, নির্বাচন আয়োজনে কোনও জটিলতা আছে কিনা এসব সার্বিক তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি সচিবালয়। দুয়েকদিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হবে বলে ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কমিশন মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে পৌরসভাগুলোর মেয়াদসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে তিনশ’ পৌরসভা রয়েছে। এদের মধ্যে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর একযোগে ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া অন্যান্য পৌরসভাগুলোর ভোট মেয়াদ অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর যে পৌরসভাগুলোর ভোট হয়েছিল, তার বেশিরভাগের মেয়র ও কাউন্সিলররা পরের বছর (২০১৬ সাল) জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি মাসে শপথ নেন। আর ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

পৌরসভা আইন অনুযায়ী, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই যেসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে, সেগুলোতে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোট করতে হবে। জানা গেছে, কমিশন সভায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভোটগ্রহণের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ডিসেম্বরেই ভোট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় জেলা পরিষদ বাদে সবগুলোতেই দলীয় ভিত্তিতে ভোট হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের মতো সব পৌরসভার ভোট একদিনে অনুষ্ঠিত হবে। পৌরসভাগুলো সদর এলাকা হওয়ায় ইভিএমের ব্যবহার বাড়ানো হবে। কমিশন সভায় সেই প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতি বাড়লে ইভিএমের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে করোনা সংকট পরিস্থিতিতে স্কুল খোলা এবং বার্ষিক পরীক্ষার তারিখ বিবেচনা করে পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর ২৩৪টি পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করা হয়। এবারও ওই তালিকা ধরে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে ইসি সচিবালয়। ইতোমধ্যে পৌরসভার বর্তমান পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ, প্রথম সভার তারিখ ও জনপ্রতিনিধিদের শপথগ্রহণের তারিখ সংগ্রহ করে কমিশনে পাঠাচ্ছেন বিভিন্ন জেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলা থেকে ইসি সচিবালয় এই তথ্য সংগ্রহ করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পৌরসভাগুলো নির্বাচন উপযোগী হলেই আমরা ভোট করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দেশে বড় ধরনের দুর্যোগ না হলে ওই সময়ই ভোট হবে। সচিবালয়কে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।’ ডিসেম্বরেই ভোট হাওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান এই কমিশনার।

নির্বাচন কমিশন দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের চিন্তা করছে। তবে এই সংখ্যা কম বা বেশিও হতে পারে। যেসব পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো হলো,

সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, জগন্নাথপুর, দিরাই, সিলেটের জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, গোলাপগঞ্জ, মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, বড়লেখা, হবিগঞ্জ সদর, নবীগঞ্জ, চুনারুঘাট, মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা।

টাঙ্গাইল সদর, ধনবাড়ী, মধুপুর, মির্জাপুর, ভুঞাপুর, সখিপুর, গোপালপুর, কালীহাতি, জামালপুর সদর, সরিষাবাড়ী, মেলান্দহ, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, শেরপুর সদর, নকলা, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ত্রিশাল, ভালুকা, গফরগাঁও, নান্দাইল, ফুলপুর, ফুলবাড়িয়া, নেত্রকোনা সদর, মদন, মোহনগঞ্জ, দুর্গাপুর,

কেন্দুয়া, কিশোরগঞ্জ সদর, কুলিয়ারচর, হোসেনপুর, কটিয়াদী, বাজিতপুর, ভৈরব, করিমগঞ্জ, মানিকগঞ্জ সদর, সিংগাইর, মুন্সীগঞ্জ সদর, মিরকাদিম, ঢাকার ধামরাই, সাভার, নরসিংদী সদর, মাধবদী, মনোহরদী, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, তারাবো, রাজবাড়ী সদর, পাংশা, গোয়ালন্দ, ফরিদপুরের বোয়ালমারী, নগরকান্দা, গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গীপাড়া, মাদারীপুর সদর, কালকিনি, শিবচর, শরীয়তপুর সদর, নড়িয়া, ডামুড্যা, জাজিরা, ভেদরগঞ্জ পৌরসভা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, কুমিল্লার চান্দিনা, লাকসাম, দাউদকান্দি, বরুড়া, চৌদ্দগ্রাম, হোমনা, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ছেংগারচর, ফরিদগঞ্জ, কচুয়া, মতলব, ফেনী সদর, দাগনভুইঞা, পরশুরাম, নোয়াখালীর বসুরহাট, চৌমুহনী, হাতিয়া, চাটখিল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ, রামগতি, রায়পুর, চট্টগ্রামের সন্দীপ, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, মীরসরাই, বারাইয়ারহাট, পটিয়া, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুণ্ডু, খাগড়াছড়ি সদর, মাটিরাঙা, রাঙামাটি সদর, বান্দরবান সদর ও লামা পৌরসভা।

মেহেরপুরের গাংনী, কুষ্টিয়া সদর, মিরপুর, ভেড়ামারা, কুমারখালী, খোকসা, খুলনার পাইকগাছা, দাকোপের চালনা, চুয়াডাংগা সদর, দর্শনা, জীবননগর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, হরিণাকুণ্ডু, শৈলকূপা, যশোর সদর, নওয়াপাড়া, মনিরামপুর, বাঘারপাড়া, চৌগাছা, কেশবপুর, নড়াইল সদর, কালিয়া, বাগেরহাট সদর, মোড়েলগঞ্জ, মাগুরা সদর, সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া পৌরসভা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, রহনপুর, শিবগঞ্জ, নাচোল, জয়পুরহাট সদর, আক্কেলপুর, কালাই, নওগাঁ সদর, নজিপুর, নাটোর সদর, সিংড়া, বড়াইগ্রাম, নলডাঙ্গা, গোপালপুর, গুরুদাসপুর, পাবনা সদর, ভাঙ্গুড়া, ঈশ্বরদী, চাটমোহর, সাঁথিয়া, সুজানগর, ফরিদপুর, বগুড়া সদর, শেরপুর, সারিয়াকন্দি, গাবতলী, সান্তাহার, কাহালু, ধুনট, নন্দীগ্রাম, শিবগঞ্জ, রাজশাহী জেলার কাঁকনহাট, আড়ানী, মুন্ডুমালা, কেশরহাট, গোদাগাড়ী, তাহেরপুর, ভবানীগঞ্জ, তানোর, কাটাখালী, চারঘাট, দুর্গাপুর, পুঠিয়া, নওহাটা, সিরাজগঞ্জ সদর, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, বেলকুচি ও কাজিপুর পৌরসভা।

ঝালকাঠির নলছিটি, পিরোজপুর সদর, স্বরূপকাঠি, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, কুয়াকাটা, বরগুনা সদর, বেতাগী, পাথরঘাটা, বরিশালের মুলাদী, গৌরনদী, মেহেন্দীগঞ্জ, বানারীপাড়া, বাকেরগঞ্জ, উজিরপুর, ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান।

কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী, উলিপুর, গাইবান্ধা সদর, গোবিন্দগঞ্জ, সুন্দরগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল, দিনাজপুর সদর, ফুলবাড়ী, বীরগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর, জলঢাকা, পঞ্চগড় সদর, রংপুরের বদরগঞ্জ, লালমনিরহাট সদর ও পাটগ্রাম পৌরসভা।

শাল্লা উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার মো: মশিউর রহমান এনডিসি

স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) সকাল ১১টায় শাল্লা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট বিভাগের মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার মো: মশিউর রহমান এনডিসি ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জের মাননীয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আল-মুক্তাদির হোসেন এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেন, সিলেট বিভাগের মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার মো: মশিউর রহমান এনডিসি।

এসময় সুনামগঞ্জের মাননীয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আল-মুক্তাদির হোসেন সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল ৩টায় উপজেলার ছায়ার হাওরে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের রাজস্ব খাতের আওতায় পোনা মাছ অবমুক্ত করেন সিলেট বিভাগের মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার মো: মশিউর রহমান এনডিসি। এসময় সুনামগঞ্জের মাননীয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আল-মুক্তাদির হোসেন , জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ সহ কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও শাল্লা উপজেলায় আমার বাড়ি ,আমার খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের আওতায় ঘুঙ্গিয়ার গাঁও গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্যদের সাথে উঠান বৈঠক করেন সিলেট বিভাগের মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার মো: মশিউর রহমান এনডিসি। এসময় সুনামগঞ্জের মাননীয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আল-মুক্তাদির হোসেন , পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের উপজেলা সমন্বয়কারী সহ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সিলেট বিভাগের মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার মো: মশিউর রহমান এনডিসি, শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ,উপজেলা ভূমি অফিস , ঘুঙ্গিয়ারগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। এবং বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন ।

তথ্য মিডিয়া সেল, সুনামগঞ্জ

কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ কেয়ার বাংলাদেশ এর আয়োজনে অনলাইন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:
সরকার জাতীয় পুষ্টি নীতি ২০১৫ এর আলোকে জাতীয় পুষ্টি পরিকল্পনা ২০১৬-২০২৫ বাস্তবায়ন করছে। পুষ্টি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি ভাবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পুষ্টি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বহুখাতভিত্তিক পুষ্টি কার্যক্রম বাস্তবায়নে কেয়ার বাংলাদেশ কাারিগরী সহযোগীতা প্রদান করে আসছে। সম্প্রতি জেলা ও উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সহযোগিতায় সুনামগঞ্জ জেলার জন্য ২০১৯-২০২০ এর জন্য একটি বার্ষিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। কিন্তু করোনা ভাইরাস এবং সাম্প্রতিক বন্যা এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ধরনের বাধার সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি উত্তরনে সকলের কম-বেশী ভূমিকা রয়েছে। সংবাদ মাধ্যম সমাজের দর্পন এবং উন্নয়নের অংশীদার।

পুষ্টি উন্নয়নেও রয়েছে এর গুরুত্বপূর্ণ দাযিত্ব। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ কেয়ার বাংলাদেশ এর উদ্যোগে সংবাদ কর্মীদের জন্য ‘করোনা সংক্রমণ ও সাম্প্রতিক বন্যায় সার্বিক খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতি এবং মিডিয়া কর্মীদের ভূমিকা’ বিষয়ক অনলাইন সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। সংলাপে সুনামগঞ্জ জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটি ও জেলার ১১টি উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির অন্তর্ভূক্ত সকল সাংবাদিক সদস্যবৃন্দ অনলাইনের মাধ্যমে যোগদান করেন।

কেয়ার বাংলাদেশের কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ এর টীম লিডার নাজনীন রহমান সংলাপের শুরুতে সবাইকে স্বাগত জানান। সুনামগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর এর সম্পাদক পঙ্কজ দে এর সভাপতিত্বে সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেন। সংলাপে সিনিয়র টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর এডভোকেসি এন্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ এম হাফিজুল ইসলাম কভিড ১৯ পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক বন্যার উপর দু’টি ভিডিও প্রদর্শন ও আলোচনার সূত্রপাত করেন।

টেকনিক্যাল ম্যানেজার কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ মো. হসানউজ্জামান করোনা ভাইরাস ও দীর্ঘমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি এবং স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং প্রভাব বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশকে পুষ্টিহীনতা মুক্ত করার জন্য সরকার যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তা বাস্তবয়নে আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচষ্টার প্রয়োজন এবং এক্ষেত্রে সাংবাদিকবৃন্দের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি পঙ্কজ দে বলেন, সারা জেলার সকল সাংবাদিকদের নিয়ে এতবড় ফোরাম এর আগে অনুষ্ঠিত হয়নি। তাই কেয়ার বাংলাদেশকে এই সময়োপযোগী আয়োজন করার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি সঠিক ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রচারণার মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ও বন্যা পরিস্থিতিতেও সুনামগঞ্জ জেলার পুষ্টি কার্যক্রমকে গতিশীল ও বেগবান করতে সকল সাংবাদিকবৃন্দের আন্তরিক সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এছাড়াও কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ টীম লিডার নাজনীন রহমান সুনামগঞ্জ জেলায় পুষ্টি কার্যমের বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন নিয়মিত এবং ফলাও করে প্রকাশ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন সাংবাদিকদের এই প্রচেষ্টা চলমান থাকলে সুনামগঞ্জে পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং পুষ্টি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল হবে ।

সংলাপে সাংবাদিক শাহজাহান চৌধুরী, খলিলুর রহমান, জিয়াউর রহমান লিটন, আব্দুল আলীম, সেলিম আহমদ, মো. আব্দুল হাই, মো: নুরুল হক প্রমূখ গুরুত্বপূর্ন আলোচনা, মতামত ও সুপারিশ প্রস্তাব করেন।

এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায় থেকে আইনুল ইসলাম বাবলু, মো. আকরাম হোসেন, মো. বুরহান উদ্দিন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, স্বপন কুমার বর্মন, সালেহ আহমদ, চিত্তরঞ্জন গোস্বামী, মো. আমিনুল ইসলাম, বাবরুল হাসান বাবুল, রমেন্দ্র নারায়ণ বৈশাখ, হাবিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান লিটন, মুজাহিদুল ইসলাম সর্দার, বকুল আহমেদ তালুকদার, পীযুষ শেখর দাস, শান্ত কুমার তালুকদার, শংকর রায়, অমিত দেব, আব্দুল হাই, কাজী মোহাম্মদ জমিরুল ইসলাম মমতাজ, হোসাইন আহমদ,

সোহেল তালুকদার, মো: ওয়ালিউল্লাহ সরকার, আকবর হোসেন, হাবিবুর রহমান, সালেহ আহমেদ, ইমাম হোসেন, সেলিম আহমদ, এনামুল হক এনি, আমীর আলী, বিজয় রায়, এমএ মোতালেব ভূঁইয়া, মো: আশিক মিয়া ও এম এ করিম লিলু সহ ৩৫ জন সংবাদ কর্মী সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।

কেয়ার বাংলাদেশ কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসারদের মধ্যে মো. নাজমুল হাসান, মো. আব্দুল আলীম, মো. আব্দুস শুকুর, মো. আলাউদ্দিন হোসেন এবং শ্রী অরূপ রতন দাশ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া কারিগরী সহযোগীতায় ছিলেন কেয়ার বাংলাদেশ এর আইটি অফিসার একরামুল হক ও প্রজেক্ট সাপোর্ট অফিসার সুমন কুমার দাস। অনলাইনভিত্তিক কর্মশালা সঞ্চালন করেন কেয়ার বাংলাদেশের সিনিয়র টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর এডভোকেসি এন্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ এম হাফিজুল ইসলাম।

সিলেট সহ ২০ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

জগন্নাথপুর টুডে  ডেস্ক ::

সিলেটসহ দেশের ২০টি অঞ্চলে আজ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রবিবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দিনাজপুর, রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।