জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর একাধিক বিয়ে:স্বীকৃতিতে পেতে চিকিৎক স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ  তথ্য গোপন করে তৃতীয় বিয়ে করলেও স্ত্রী ও সন্তানের পরিচয় না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে।

প্রতারণামূলক বহুবিবাহের অভিযোগ এনে তৃতীয় স্ত্রী ডাক্তার সুমনা ইসলাম তার ১৪ মাসের কন্যা সন্তানকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে সুমনা বলেন, আমার স্বামী আহসান হাবিব আমাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি এবং সন্তানের পিতৃপরিচয় অস্বীকার করে উল্টো আমার নামে নানান অপপ্রচার ও সামাজিকভাবে সম্মানহানি করছেন।

এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহযোগীতা চাচ্ছি। এসময় তিনি সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করা থেকে বিরত থাকতে স্বামীর প্রতি অনুরোধ জানান।

ডা. সুমনা ইসলাম দাবি করেন, তিনি রাশিয়া থেকে এমবিবিএস পাসের পর ২০১৯ সালে পাবনা মেডিকেলে ইন্টার্নশিপ করেন।

২০১৯ সালে পাবনা থাকাকালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও নোয়াখালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীবের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

একইবছরের ২ মার্চ আহসান হাবীব তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। পরে পারিবারের সম্মতিতে পূর্বের স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কাগজ দেখিয়ে ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি তাদের বিয়ে হয়।

কিন্তু আহসান হাবীব তার পূর্বের বিয়ের তথ্য গোপন করেন, যা তিনি জানতেন না।

লিখিত বক্তব্যে চিকিৎসক সুমনা ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিবাহিত জীবনে কিছুদিন পর আহসান হাবীবের আচার-আচরণে আমার সন্দেহ হয়।

তার বাড়িতে যেতে চাইলে বিভিন্ন ধরণের তালবাহানা করতে থাকে। নেত্রকোনায় স্থায়ীভাবে তার সঙ্গে থাকতে চাইলে সে জানায়- এটা সম্ভব না।

পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আহসান পূর্বে আরও একাধিক বিয়ে করেছে। প্রথম সংসারে একটি ছেলে সন্তান এবং দ্বিতীয় স্ত্রী হুমায়রা রহমানের সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। এসব বিষয় হাবীবের কাছে জানতে চাইলে সে ক্ষীপ্ত হয়ে আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে।

আমি, আমার মা-ভাই তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ মহাদেবপুর গেলে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদের হত্যাচেষ্টা ও মারধর করে। এ ঘটনায় পরে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা করি।’

‘মামলার পর আহসান আরও হিংস্র হয়ে ওঠেন। পরে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর একটি অভিযোগ দিই। পরে আমার সঙ্গে সে আপোস করলে আমি সংসার করার উদ্দেশে মামলাটি প্রত্যাহার করি।

কিছুদিন পর আমি যখন সন্তান-সম্ভবা হয়, আর এ খবর আহসান জানার পর আমার সন্তান নষ্ট করতে চাপ দিতে থাকে। বলে- তা না করলে আমাকে ডিভোর্স দেয়া হবে। এরপর সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।’

সংবাদ সম্মেলনে এই নারী চিকিৎসক বলেন, আমার স্বামীর কর্মস্থল যখন নেত্রকোনায় ছিল সেখানে গেলে আমাকে ও আমার মাকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।

পরে পুলিশের সহায়তায় আমরা উদ্ধার হই। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২৭ মার্চ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর মামলা করেছিলাম।

শুধু আমি নই, আমার আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রী আরিফা পারভীন বিভিন্ন সময়ে মামলা করেছিলেন। বর্তমানে আমার ১৪ মাসের কন্যা সন্তান আছে এবং আহসান হাবীব সন্তানের পিতৃপরিচয় ও ভরণপোষণ দিচ্ছে না।

আমাকে ও ছোট্ট সন্তনকে সে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে। এবছরের ২ ফেব্রুয়ারি আমাকে এবং আমার সন্তানকে তুলে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে সন্ত্রাসীরা।

ডাক্তার সুমনা ইসলাম বলেন, আমি সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও আহসান হাবীব আমাকে নানাভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে।

আমার ডাক্তারি লাইসেন্স বাতিল করার চেষ্টায় তার বান্ধবী মালিহা মাহজাবিন নামে অজ্ঞাতনামা নারীকে দিয়ে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করে।

সুমনার নামে প্রতিষ্ঠান খুলে প্রতারণা:

সুমনা জানান, তার নামে ‘বাসুকা করপোরেশন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলেন প্রকৌশলী আহসান হাবিব। এই প্রতিষ্ঠান নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় ৯৩টি টিউবওয়েল বসানোর কাজ পায়।

এর বাবদ তিনি সুমনার কাছ থেকে অর্ধকোটি টাকা প্রতারণামূলক হাতিয়ে নিয়েছেন।

সুমনা বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের সব কাগজপত্র ছিল আমার নামে। যার টেন্ডার আইডি- ৫১০২৬২।

দরপত্রের বিপরীতে বাসুকা করপোরেশন পারফরম্যান্স সিকিউরিটি বাবদ ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬৬ টাকা ব্যাংক জামানত রাখে। জামানতের টাকা এখনও অসংগৃহিত রয়েছে। ঠিকাদারি কাজটি সম্পন্ন করার জন্য মালামাল কেনার উদ্দেশে আহসান হাবীব আমার কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যায়ক্রমে নেয়।

অথচ বিল না দিয়ে কাজটি বাতিল করে ২০২১ সালের ৯ জুন পুনরায় দরপত্র আহবান করে। এমন প্রতারণার বিষয়ে জানতে চাইলেও তিনি নানাভাবে হুমকি দেয়। একইভাবে দ্বিতীয় স্ত্রী, শালিকা ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের নামে ট্রেড লাইসেন্স করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজে কাজ করে আহসান আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ডাক্তার সুমনা ইসলাম বলেন, ‘আমি সংসার করতে চাই; নিজের স্ত্রীর স্বীকৃতি ও সন্তানের স্বীকৃতি চাই। পাশাপাশি তার নানামুখী অসম্মানজনক তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

জটুডে/এহাই

ছয় বিয়ের পরও নিজেকে কুমারী দাবী”জগন্নাথপুর টুডেঃ

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ  একে একে ছয় বিয়ে করেছেন, তবে পঞ্চম বিয়ের কাবিনে নিজেকে দেখিয়েছেন কুমারী। বিয়ে করা যেন তার নেশায় পরিণত হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুর পৌর শহরের চালাপাড়া এলাকায়। আর ওই তরুণী হচ্ছেন রোকসানা আক্তার শীলা, আব্দুর রশিদের কন্যা।

রোকসানা আক্তার শীলা ষষ্ঠ বিয়ে করেছেন ইসলামপুর পৌরসভার নটারকান্দা এলাকার বাসিন্দা জাকিউল ইসলাম ওরফে তিব্বতের একমাত্র ছেলে মেহেদী হাসানকে। এর পরই বিষয়টি ফাঁস হয়।

জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিয়ে করেছেন শীলা। বিয়ে পাগল ওই নারী টাকাওয়ালা পুরুষদের টার্গেট করে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মোটা অঙ্কের কাবিন নিয়ে বিয়ে করতেন।

তার কাবিনের সময় লাগে না কনে ও বরপক্ষের কোনো সাক্ষী। দালালের মাধ্যমে এসব বিয়ের সাক্ষীর কাজ করতেন।

শীলার ষষ্ঠপক্ষের শ্বশুর ও ষষ্ঠপক্ষের স্বামী মেহেদী হাসানের বাবা জাকিউল ইসলাম ওরফে তিব্বত জানান, আমার একমাত্র ছেলে মেহেদী হাসানকে কৌশলে মন ভুলিয়ে বিয়ে করেন রোকসানা আক্তার শীলা।

২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর মাসে ২০ লাখ টাকার কাবিনে বিয়ে হয়। পরে শীলার পরিচয় সংগ্রহ করে মেহেদী। সেখানে জানতে পারেন, শীলার আরও পাঁচ জায়গায় বিয়ে হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, টাকার জন্যই শীলা শুধু বিয়ে করে ছেলেদের সর্বস্বান্ত করেছে। জানুয়ারির ২ তারিখে শ্বশুরের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দিয়ে মামলা দিয়েছে শীলা।

রোকসানা আক্তার শীলা এসব অভিযোগের জবাবে বলেন, আমার ছয়টি বিয়ে হয়নি, দুই বিয়ে হয়েছে। তবে কাজী সমিতির পক্ষ থেকে তার ছয়টি বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন।

ইসলামপুর থানার ওসি মাজেদুর রহমান জানান, রোকসানাকে বিয়ের পর মেহেদী হাসান জানতে পারে, এর আগে ওই মেয়ের আরও পাঁচটি বিয়ে হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

রাজনৈতিক দলে যোগ দেয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বরখাস্ত! জগন্নাথপুর টুডেঃ

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ  নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার দড়িকাছিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকক মাসুদুর রহমানকে বরখাস্ত করেছে জেলা শিক্ষা অফিস।

বুধবার (২৩ আগস্ট) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ গোলাম নবী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে গুরদাসপুর উপজেলার দড়িকাছিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাসুদুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

গুরুদাসপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ায় এমপি আব্দুল কুদ্দুসের নির্দেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে মাসুদুর রহমানেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তিনি দোষ স্বীকার ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরে ওই শিক্ষকের জবাবের বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠানো হলে তিনি সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন।

এদিকে নাটোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ গোলাম নবী গণমাধ্যমকে বলেন, গুরদাসপুর উপজেলার দড়িকাছিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাসুদুর রহমান রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বলে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুস ঐ শিক্ষককে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন। এমপি মহোদয়ের নির্দেশ পেয়ে ঐ শিক্ষককে প্রথমে শোকজ এবং পরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

কাচা মরিচ নিয়ে বর কনে পক্ষের লংক্ষা কান্ড; আহত ১৫

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ একটি বি‌য়ের অনুষ্ঠানে খাবারের সঙ্গে কাঁচামরিচ ও সালাদ না দেওয়া‌কে কেন্দ্র ক‌রে বর ও ক‌নে পক্ষের মধ্যে লংক্ষা কান্ডের   ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) বিকেলে ওই ইউনিয়নের কুম্ভখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১৫ জন আহত হ‌য়ে‌ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

আজ বুধবার (৫ জুলাই) পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনক‌দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শা‌হিন হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন, মো. জিসান (১০), ম‌তি হাওলাদার (৭০), সা‌লেহা বেগম (৭০), ফি‌রোজ হাওলাদার (১৮), মা‌লেক হাওলাদার (৪০), মো. রফিক মিয়া, মো. মিজান, খা‌লেক হাওলাদার ও মো. হাচিব (৯)। বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি।

জানা গেছে, কনকদিয়া ইউনিয়নের কুম্ভখালী গ্রামের মো. নিজাম মিয়ার ছেলে মো. মেহেদী হাসা‌নের সঙ্গে একই গ্রামের বকু ফ‌কি‌রের মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার বিকেলে ছেলে পক্ষ বরযাত্রী নি‌য়ে কনের বাড়িতে অনুষ্ঠানে যায়। খাবার টে‌বি‌লে মাছ, মাংস ও পোলাও দেওয়া হলেও কাঁচামরিচ ও সালাদ ছিল না।

এ সময় ছেলের পক্ষের লোকজন খাবার টেবিলে সালাদ ও কাঁচামরিচ চান। পরে বিষয়‌টি নি‌য়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকা‌টি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা নি‌য়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় দুই পক্ষের প্রায় ১৫ জন আহত হন।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

চেয়ারম্যান মো. শা‌হিন হাওলাদার জানান, মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বগা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. সোহেল জানান, মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ  আরিচুল হক  জানান, মঙ্গলবার বিকেলে বিয়ে বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ নিয়ে আসেননি।

পৌর মেয়রসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ-
ঈদুল আজহা উপলক্ষে পৌরসভায় ভিজিএফের চাল বিতরণের সময় সুবিধাভোগীদের ওপর ‘হামলা ও মারপিট’ এর অভিযোগে নলডাঙ্গা পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান মনিরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে নলডাঙ্গা থানায় মামলাটি করেন মর্জিনা বেগম নামে ।

তিনি ‘আহত’ মিঠুনের মা ও পৌরসভার পূর্ব সোনাপাতিল গ্রামের মৃত ভুট্রর স্ত্রী।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, মেয়রের ভাতিজা উপজেলার ছাতারভাগ গ্রামের বকুল হোসেন মন্ডলের ছেলে সাগর মন্ডল (৩০), ব্রক্ষ্মপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে রহিদুল ইসলাম (৪৫), তার ছেলে নিশান প্রামাণিক (২২), নীলডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে রুবেল (৩৫) ও হলুদঘর জাঙ্গালপাড়া গ্রামের মৃত হেফাজুর রহমানের ছেলে মিলন (৩৮)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরসভা চত্বরে ভিজিএফের চাল বিতরণের সময় সুবিধাভোগীদের ওপর হামলা ও মারপিটের অভিযোগ ওঠে পৌর মেয়র মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে।

তাদের মধ্যে চারজনকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর শরিফুল ইসলাম পিয়াস বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ উপলক্ষে গরীব ও দুস্থদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণের ব্যবস্থা করেছেন।

সেই চাল বিতরণ করতে গিয়ে সুবিধাভোগীদের মারপিট করে অন্যায় হয়েছে।

নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান মনির হামলা ও মারপিটের অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট দাবি করে জানান, চাল বিতরণের সময় কয়েকজন যুবক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছিল। তাদের চলে যেতে বললে খারাপ আচরণ করে।

এ সময় উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, তারা চাল নিয়ে ঘরের মধ্যে ভিড় করে দাঁড়িয়ে ছিল। অন্যদের সুবিধা করে দেওয়ার জন্য তাদের চলে যেতে বলা হয়।

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। মিথ্য অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য।

নলডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম জানান, মেয়র মনিরুজ্জামানসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলাটি করেছেন মর্জিনা বেগম।

পাষন্ড পিতা কর্তৃক মেয়েকে ধর্ষন

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক পাষন্ড পিতা তার কন্যাকে ধর্ষণ করেছে।

ভিকটিমের লিখিত অভিযোগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষক পাষণ্ড পিতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

লিখিত অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, বুধবার (৭ জুন) বিকেলে তার পিতা মোঃ ফারুক মিয়া (৫৫), ঔরষজাত কন্যা ভিকটিম (১৯) কে কবিরাজ দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে সাথে করে নিয়া যায়।

বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করে বাড়ি ফেরার পথে রাত প্রায় সাড়ে ৮ টা থেকে ৯ টার মধ্যে মাধবপুর উপজেলার হাড়িয়া গ্রামের দক্ষিনে হাওরের জমির আইলে এবং একই গ্রামের পাশের ফসলের মাঠের বোয়ালিয়া খালের দক্ষিন পাড়ে পাষন্ড পিতা ভয় ভীতি দেখিয়ে পরপর দুই বার ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে।

ভিকটিমের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধবপুর থানার মামলা নং ১৮, তারিখ ০৮/০৬/২০২৩ ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩) এর ৯(১) রুজু হয়।

হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল), নির্মলেন্দু চক্রবর্ত্তীর নেতৃত্বে অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামছুল ইসলাম, এসআই রাজীব রায়, এসআই মানিক কুমার সাহা এবং এএসআই জাহাঙ্গীর আলম সহ পুলিশের একটি চৌকশ টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাষন্ড পিতা ধর্ষক ফারুক মিয়াকে মাধবপুর উপজেলার পাশে সাতবর্গ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন।

অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানান,আসামীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।এদিকে ভিকটিম বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
জটুডে /এহাই

ঘুষের টাকা সহ কর্মকর্তা দুদকের খাঁচায় বন্দী

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ   শরীয়তপুরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ঘুষের ৫০ হাজার টাকাসহ উপ-ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে দুদক।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে বিসিকের শরীয়তপুর কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, শরীয়তপুরের প্রেমতলা এলাকায় অবস্থিত বিসিক শিল্পনগরীতে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ১০০টি প্লট রয়েছে। উপ-ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনির হোসেনের বিরুদ্ধে শিল্প মালিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে।

শিল্পপ্লটের একজন মালিক দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার এসকান্দার আলী ঢালী নামে একজনের কাছ থেকে বিসিক কর্মকর্তা মনির হোসেনের ৫০ হাজার টাকা ঘুষ ‍নেয়।

এ সময় সেখানে মাদারীপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে দুদকের একটি দল অভিযান চালিয়ে মনির হোসেনকে হাতেনাতে টাকাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে।

দুদকের মাদারীপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, এক ব্যবসায়ীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ঘুষের টাকা আদায় করার সময় উপ-ব্যবস্থাপককে আটক করা হয়।

পরে প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শরীয়তপুর বিসিক কর্মকর্তা অর্ক সরকার বলেন, দুদকের একটি দল কার্যালয়ে কী অভিযোগে অভিযান চালিয়েছেন তা বলতে পারব না।

উপ-ব্যবস্থাপককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিয়ের অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে বরের পিতা নিহত:কনের পিতা কারাগারে! –

স্টাফ রিপোর্ট ঃ- নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বরের বাবা নিহত হয়েছেন।

ইতোমধ্যে এ ঘটনায় কনের বাবা ও স্থানীয় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৪ মার্চ) জলঢাকা থানার অফিসার ফিরোজ কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার (৩ মার্চ) রাতে উপজেলার আমরুলবাড়ী গ্রামের বগুলাগাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন, আনারুল ইসলাম জলঢাকা পৌর এলাকার বাসন্দিা। তিনি কনের বাবা। স্থানীয় ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।
নিহত নুর মোহাম্মদ রংপুর নগরীর হাজিরহাট উত্তম বাওয়াই পাড়ার বাসিন্দা। তিনি বরের বাবা

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিকভাবে শুক্রবার (৩ মার্চ) রাতে আনারুল ইসলামের মেয়ে জান্নাতুল আক্তারের সঙ্গে নুর মোহাম্মদের ছেলে আলীর বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর কনে নিয়ে চলে যান বর আলী। বিয়েতে কনে বাড়িতে বরপক্ষের প্রায় ১০০ জন অতিথি আসার কথা থাকলেও প্রায় ২৫০ জন অতিথি আসায় খাওয়ার সময় মাংস কম হওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

এ সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে কনেপক্ষের লোকজনের মারধরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হয়ে পড়েন বরের বাবা।

এ সময় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান তিনি। পরে সংবাদ পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে বরের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবীর জানান, শুক্রবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে।

ইতোমধ্যে কনের বাবাসহ দুজনকে আটক করেছি।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু;জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক

    জটুডে ডেস্কঃ-

     বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে।
আগামী ১৯ ডিসেম্বর বার্ষিক বা তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষা শেষ হবে। এ পরীক্ষার প্রশ্ন হবে ক্লাস্টারভিত্তিক। কম্পিউটার কম্পোজড প্রশ্ন ফটোকপি করে শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করতে হবে।
৬০ নম্বরের বার্ষিক পরীক্ষার সঙ্গে ক্লাস টেস্টের ৪০ নম্বর যোগ করে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতির প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে শিক্ষকদের।

পরীক্ষার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি নেয়া যাবে না। পরীক্ষার খাতা ও প্রশ্ন ফটোকপি করে স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করবে, এর ব্যায় নির্বাহ করা হবে স্কুলের বাজেটের আনুষাঙ্গিক খাত থেকে।

এভাবেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রোববার এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

পরীক্ষার রুটিন :
জানা গেছে, সকাল নয়টা থেকে বেলা এগারোটা এবং বেলা সাড়ে এগারোটা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দুই শিফটে পরীক্ষা নেয়া হবে।
৮ ডিসেম্বর সকাল ৯ নয়টা থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ইংরেজি পরীক্ষা ও বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

১১ ডিসেম্বর সকাল নয়টা থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির গণিত ও বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

১২ ডিসেম্বর সকাল নয়টা থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বাংলা ও বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

১৩ ডিসেম্বর সকাল নয়টা থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সমাজ ও বিজ্ঞান এবং ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ১৮ ডিসেম্বর সকাল নয়টা থেকে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ও বেলা সাড়ে ১১টা থেকে এসব শ্রেণির চারু ও কারুকলা, সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আর ১৯ ডিসেম্বর সকাল নয়টা থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চারু ও কারুকলা, সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের ও বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা যেভাবে :
পরীক্ষা আয়োজনের পদ্ধতি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, প্রতি শ্রেণিতে প্রতি বিষয়ে পূর্ণমান ৬০ নম্বরের মধ্যে বার্ষিক মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে হবে। সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসারের তত্ত্বাবধানে বিষয় শিক্ষকের মাধ্যমে জ্ঞান, অনুধাবন ও প্রয়োগমূলক শিখনক্ষেত্র বিবেচনায় ক্লাস্টারভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করতে হবে।

মূল্যায়ন কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের কাছ থেকে কোনো ফি গ্রহণ করা যাবে না। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী প্রশ্নপত্র কম্পিউটার কম্পোজ করে ফটোকপি করতে হবে।
প্রশ্নপত্র ফটোকপি ও উত্তরপত্রসহ (খাতা) আনুষাঙ্গিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের আনুষাঙ্গিক খাত বা স্লিপ ফান্ড থেকে ব্যয় নির্বাহ করতে হবে।

প্রয়োজনে আগামী বাজেট থেকে সমন্বয় করা যাবে।
অধিদপ্তর আরও বলছে, কোনো অবস্থাতেই প্রশ্নপত্র ছাপাখানায় মুদ্রণ করা যাবে না।

প্রত্যেকটি বিষয়ে শ্রেণি মূল্যায়নের প্রাপ্ত নম্বর এবং চূড়ান্ত প্রান্তিকের প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে ২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে হবে এবং অভিভাবকদের অবহিত করতে হবে।

কোনো বিশেষ পরিস্থিতির জন্য মূল্যায়নের তারিখ ও সময়সূচি পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে থানা বা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সিদ্ধান্তে তারিখ ও সময় পুননির্ধারণ করা যাবে।

৪ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক গ্রেফতার

কুমিল্লার হোমনায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি কামাল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুন) ভেরে ঢাকার হাতিরঝিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের মৃত মোরশিদ মিয়ার ছেলে।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে শিশুটি বাড়িতে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল। এ সময় একই গ্রামের বখাটে কামাল শিশুটিকে গাছের পাকা জাম দেওয়ার কথা বলে ফুঁসলিয়ে তার নিজের ঘরে নিয়ে জোর করে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে শিশুটির মা দৌড়ে প্রতিবেশী কামালের ঘরে যান। শিশুর মাকে দেখে কামাল দৌড়ে পালিয়ে যায়।

পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে মা ও পরিবারের লোকজন তাকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ধর্ষণের আলামত পেয়ে হোমনা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন

ওইদিন রাতে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে হোমনা থানায় ধর্ষণ  মামলা দায়ের করেন।হোমনা থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে রবিবার রাতেই হোমনা থানায় মামলা করেছেন। মামলার একমাত্র আসামি কামাল হোসেনকে শুক্রবার ঢাকার হাতিরঝিল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জটুডে/এহাই