ইউএনওর ওপর হামলা : আটক ৫ জনের ৩ জনই যুবলীগের নেতাকর্মী

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে হত্যা চেষ্টা ঘটনায় র‌্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযানে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আটক পাঁচ জনের তিনজনই যুবলীগের নেতাকর্মী।

আটককৃতরা হলেন, ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভাই ফরিদ হোসেনের দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি উপজেলা যুবলীগের সদস্য আসাদুল হক (৩৫), উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৪), সিংড়া ইউনিয়ন শাখা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানা (৩৫), ঘোড়াঘাট এলাকার রঙমিস্ত্রি নবিরুল ইসলাম (৩১) ও ইউএনও’র বাসার নৈশপ্রহরী নাদিম হোসেন পলাশ (৩২)।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে জেলার হাকিমপুর উপজেলার হিলির কালীগঞ্জ এলাকা থেকে আসাদুল হককে, ঘোড়াঘাট থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন, মাসুদ রানা ও নাহিদ হোসেন পলাশকে আটক করা হয়।

আটক আসাদুল হক ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুর এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে, জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলার কোশিগাড়ি গ্রামের আবুল কালামের ছেলে, মাসুদ রানা উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দেবীপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা আদুর ছেলে, নবিরুল ইসলাম ঘোড়াঘাট সদরের বাসিন্দা ও নাহিদ হোসেন পলাশ আহত ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনের নৈশপ্রহরী।

আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিরুল ইসলাম ও হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীর ও আসাদুলের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে হামলা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ভূমি দখল, মাদকসেবন, মাদকের বিস্তারসহ বিভিন্ন অসামাজিক ও দস্যুতার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি করোনার প্রভাবে কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে পৌর মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলনের ওপর হামলা চালায় আসাদুলহক তাদের গ্রুপের অন্য সদস্যরা।

ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক নিরুপ সাহা বলেন, জাহাঙ্গীর হোসেন ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন অপকর্মের কারণে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ায় তাকে দলীয় পদ থেকে অপসারণের জন্য দিনাজপুর জেলা যুবলীগের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।

দিনাজপুর জেলা যুবলীগ সভাপতি রাশেদ পারভেজ বলেন, গত ৭ জুন ওই আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. শিবলী সাদিকের ডিও লেটারসহ অভিযুক্ত যুবলীগ আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেনসহ তার আনুগত্য নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র থেকে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।

ঘোড়াঘাট পৌর মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলন বলেন, জাহাঙ্গীর, আসাদুলের নেতৃত্বে যুবলীগের নামে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করা হয়েছে। এই সন্ত্রাসীরা গোটা উপজেলায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, সরকারি কাজে বাধাদানসহ মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে দলের আস্থা ও ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে।

ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, আহত ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভাই ফরিদ হোসেন গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং-২। ইতোমধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সাথে সরাসরি কিংবা নেপথ্যে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখার সাথে সাথে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. শিবলী সাদিক বলেছেন, ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেনের ছত্রছায়ায় ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর বর্বরোচিত হামলা করা হয়েছে। আসাদুল, জাহাঙ্গীর ও মাসুদ রানা গ্রেফতার হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় সন্ত্রাস, মাদকের বিস্তার, সরকারি কাজে বাধা, ভূমি দখলসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এজন্য তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য স্থানীয় পর্যায় থেকে জেলা পর্যায়ে চিঠি দিয়েছেন। কেন্দ্রকে একাধিকবার জানিয়েছেন। কিন্তু জেলা পর্যায় থেকে আজ পর্যন্ত চিঠির কোন উত্তর পাইনি। তেমনি কেন্দ্র থেকেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই দস্যুদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, দেশবাসীসহ আমারও প্রশ্ন। আমিও সেটি জানতে চাই।

তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে হাতুড়ি ও অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা তদন্তে গত বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জাকির হোসেনকে আহবায়ক এবং রংপুর ডিআইজির একজন প্রতিনিধি এবং দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ মাহমুদকে তদন্ত কমিটির সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছে। দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মো. মাহফুজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে এ ঘটনার পর থেকে গোটা ঘোড়াঘাট উপজেলায় আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে জনমনে। আতঙ্কিত জনপদে পরিণত হয়েছে উপজেলা সদর। কেউ কারো সাথে খোলামেলা কথা বলছেন না। তবে প্রত্যাশা সকলের একটাই দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হোক।

ইত্তেফাকসহ ৯২ পত্রিকার অনলাইন পোর্টালকে নিবন্ধনের অনুমতি

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

দৈনিক ইত্তেফাকসহ দেশের ৯২টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টালকে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধনের অনুমতি প্রদান করেছে সরকার।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নাসরিন পারভীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ কথা জানানো হয়েছে। অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই ৯২টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টালকে নিবন্ধনের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রাথমিকভাবে নিবন্ধনের অনুমতিপ্রাপ্ত দৈনিক পত্রিকার নিউজ পোর্টালের মধ্যে ঢাকার ৫৭টি, চট্টগ্রামের ১০টি, রাজশাহীর, খুলনা, বরিশাল ও রংপুরের ৪টি, সিলেটের ৭টি এবং ময়মনসিংহের ২টি রয়েছে।

এসব অনলাইন পোর্টালগুলোকে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম:: আশংকাজনক অবস্থায় হাসাতালে ভর্তি

জগন্নাথপুর টেড ডেস্ক::

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর সরকারি বাসভবনে ঢুকে তাঁকে ও তাঁর বাবা ওমর আলীকে কুপিয়ে জখম করে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে একটার দিকে তাঁকে নিয়ে হেলিকপ্টার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তাঁর বাবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ মাহমুদ বলেন, বুধবার রাতের কোনো এক সময়ে হামলা হয়েছে। ঠিক কি কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়। তাঁকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে আমার ধারণা । স্

থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর সরকারি বাসভবনের ভেন্টিলেটর কেটে দূর্বৃত্তরা তাঁর শয়নকক্ষে ঢুকে পড়ে। এর আগে দুর্বৃত্তরা ওই বাসভবনের নিরাপত্তা প্রহরীকে বেঁধে প্রহরীর কক্ষে তালা দিয়ে আটকে রাখে। ইউএনওর বাবা ওমর আলী (৬০) প্রতিদিন সকালে হাঁটতে বের হন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে তিনি হাঁটতে বের না হওয়ায় সঙ্গীরা তাঁর খোঁজ নেওয়ার জন্য বাসভবনে যান।

অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তাঁরা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে ইউএনও, তাঁর বাবা ও প্রহরীকে উদ্ধার করেন। ইউএনওর বাসাটি সিসি ক্যামেরার আওতাধীন। ফুটেজ সংগ্রহ করে দোষী ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে । ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ইউএনওর বাসাটি সিসি ক্যামেরার আওতাধীন। ফুটেজ সংগ্রহ করে দোষী ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ইউএনও ও তাঁর বাবাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোরে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখান থেকে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ইউএনওর মাথার বাম দিকে বেশি আঘাত লেগেছে। তাঁর প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ধাতব কোনো বস্তু দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়েছে। তাঁর শরীরের ডান দিক অবশ হয়ে গেছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তোফায়েল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ইউএনওর মাথার বাম দিকে বেশি আঘাত লেগেছে। তাঁর প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তাঁর শরীরের ডান দিক অবশ হয়ে গেছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। সকালে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক, জেলা প্রশাসক মো: মাহমুদুল আলম ও পুলিশ সুপার মো: আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সংসদ সদস্য বলেন, ‘এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়। কারণ ঘরের কোনো মালামাল খোয়া যায়নি।

তাঁকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে আমার ধারণা। তিনি বলেন, এই উপজেলায় বড় কোনো শিল্পকারখানা নেই। অধিকাংশই কৃষক। স্থানীয়ভাবে তাঁর শত্রু থাকার কথা না। ইউএনওর বাড়ি নাটোর জেলায় এবং শ্বশুরবাড়ি নওগাঁ জেলায়। ইউএনওর বাবা ওমর আলী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৯ নম্বর নিউরো সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর মাথা ও শরীরে ধাতব বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ওমর আলী বলেন, ‘আমি ভোর সাড়ে চারটার দিকে নামাজ আদায় করতে ওঠে পাশের ঘর থেকে মেয়ের চিৎকার শুনতে পাই। সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করলে একজন মুখে কাপড় বাঁধা অবস্থায় এসে আমাকে ভয় দেখিয়ে আলমারির চাবি চায়। বলে যে না দিলে মেরে ফেলা হবে।

এরপর হাতুড়ি দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করলে আমি লুটিয়ে পড়ি। এরপর আর কিছু বলতে পারি না। ইউএনওর বাবা আরও বলেন, ‘ঘোড়াঘাটে মেয়ে একা থাকে। জামাতা রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও।

মেয়ের সঙ্গে তিন বছর বয়সী নাতি থাকে। এই উপজেলায় আড়াই বছর ধরে মেয়ের সঙ্গে থাকছি। মাঝে-মধ্যে মহাদেবপুরের বাড়িতে যাই। আমি মেয়ের সঙ্গে থাকা অবস্থায় আমার মেয়েকে কেউ কোনো হুমকি দিয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই।’

পাসপোর্টের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল পাসপোর্ট পরিষেবা। এসময়ে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও জরুরি আবেদনকারীদের পাসপোর্ট সেবা দেয়া হয়েছে। তবে বন্ধ ছিল নতুন পাসপোর্ট ইস্যু। দীর্ঘ বিরতির পর আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে শুরু হচ্ছে পাসপোর্ট ইস্যুর কাজ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের পরিচালক (পাসপোর্ট, ভিসা ও পরিদর্শন) মো: সাঈদুর রহমান মহাপরিচালকের পক্ষে আদেশে স্বাক্ষর করেন।এতে বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক সীমিত পরিসরে এমআরপি এবং ই-পাসপোর্টের এবোলমেন্ট (নতুন ও রি-ইস্যু) কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এ বিষয়ে আগের জারি করা সব আদেশ বাতিল করা হলো। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ২৬ মার্চ থেকে সব নতুন আবেদনের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ৩১ মে থেকে শুধু সীমিত আকারে রি-ইস্যু কার্যক্রম চালু রাখে পাসপোর্ট অধিদপ্তর। তবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জরুরি আবেদনকারীদের জন্য তা উন্মুক্ত ছিল।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপির ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

স্টাফ রিপোর্টার::
জগন্নাথপুর – দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান জগন্নাথপুর – দক্ষিণ সুনামগঞ্জবাসী সহ সারা দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

শুভচ্ছো বার্তায় তিনি বৈশি^ক মহামারীর করোনার সব অন্ধকার কাটিয়ে ঈদুল আযহা সবার মাঝে আনন্দ বয়ে আনবে। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তরিকতার সহিত দেশের সকল সঙ্কটে মানুষের পাশে থেকে নিরলস ভাবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি সমগ্র দেশবাসী সহ নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের নাগরীকদের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন।

পারিবারিক কলহ :স্ত্রীর ছোঁড়া এসিডে ঝলসে গেলো স্বামী!

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

 স্ত্রীর ছোঁড়া এসিডে মুখসহ সারা শরীর ঝলসে গেছে স্বামী মাহমুদ হাসানের। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে  নেত্রকোণা জেলার মদন পৌরসভার বাড়ি ভাদেরা রোডে ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা যায়, মাহমুদ হাসান  প্রথম স্ত্রী নাছিমা আক্তারের সঙ্গে দীর্ঘদিন দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করলেও কোনো সন্তান না হওয়ায় তিনি গত ৭ দিন হলো দ্বিতীয় বিয়ে করেন। কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রীকে মদনে নিয়ে আসেননি। এ নিয়ে বুধবার রাতে স্বামীর সঙ্গে প্রথম স্ত্রী নাছিমা আক্তারের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ের প্রথম স্ত্রী নাছিমা আক্তার পূর্বপরিকল্পিত ভাবে তাকে এসিড নিক্ষেপ করে।

গুরুতর অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মদন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা বার্ণ ইউনিটে প্রেরণ করা হয়।

ভাড়া বাসার মালিক আক্কাস উদ্দিন মাস্টার জানান, ভাড়াটিয়ার চিৎকারে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি তার মুখসহ সারা শরীর ঝলসে গেছে। তাৎক্ষনিক থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং তার স্ত্রী নাছিমাকে আটক করে।

কর্তব্যরত চিকিৎসক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফখরুল হাসান চৌধুরী জানান, অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানকার চিকিৎসক ওই রাতেই ঢাকা বার্ণ ইউনিটে পাঠায়।

মদন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রমিজুল হক জানান, ঘটনার আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযুক্ত স্ত্রী নাছিমাকে আটক করে বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আলামতের রির্পোট ও অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৩৩

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির দ্বিতীয় দিনে ‘এমএল মনিং বার্ড’ থেকে আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ জনে দাঁড়ালো। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে দুর্ঘটনাস্থলে দ্বিতীয় দিনের মত উদ্ধার অভিযান চলছে। সোমবার রাতভর তল্লাশির পর এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় আবার তল্লাশি শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ এবং বিআইডব্লিউটিএর কর্মীরাও এই অভিযানে রয়েছেন।

এমএল মর্নিং বার্ড নামের ওই লঞ্চটি সোমবার সকালে মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের দিকে আসছিল। শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গায় ময়ূর-২ নামের আরেকটি বড় লঞ্চের ধাক্কায় সেটি ডুবে যায়। সোমবার দুপুর পর্যন্ত উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে ৩০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এছাড়া স্থানীয়রা আরও দুজনকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

লঞ্চডুবির প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর রাত সোয়া ১০টার দিকে একজনকে জীবিত উদ্ধারের কথা জানায় ফায়ার সার্ভিস। তবে ঠিক কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

প্রসঙ্গত, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর পক্ষ থেকে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এছাড়া হতাহতের ঘটনায় ঘাতক লঞ্চের মালিক-মাস্টারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

সারাদেশে সব ইউনিয়নে নিয়োজিত করা হচ্ছে পুলিশ :: ড. বেনজীর আহমেদ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়নকে একেকটি বিটে ভাগ করে প্রতিটি বিটের দায়িত্বে একজন পুলিশ কর্মকর্তা‌কে নি‌য়োজিত করা হবে। এছাড়া সেবা দিতে পুলিশ জনগণের কাছে যাবে, এজন্য একটি ব্যবস্থা চালু করার বিষয় জানান আইজিপি।

গতকাল রবিবার রাতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ সদরদপ্তর থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, আমাদের দেশের প্রতিটি ইউনিয়নকে একেকটি বিটে ভাগ করে প্রতিটি বিটের দায়িত্বে একজন পুলিশ কর্মকর্তা‌কে নি‌য়োজিত করা হবে। তিনি নিয়মিত ওই ইউনিয়নের মানুষের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা ইত্যাদির খোঁজ রাখবেন, প্রতিনিয়ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, তাদের মতামত জানবেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করবেন এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা দেবেন।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিং এবং সিলেটে বিট পুলিশিংয়ের সাফল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব এলাকায় বিট পুলিশিং সফল হয়েছে। আমরা সারাদেশে বিট পুলিশিং চালু করতে চাই, মানুষের কাছে যেতে চাই, মানুষের হৃদয় জয় করতে চাই।

আইজিপি বলেন, করোনার সময় জনগণকে আমাদের কাছে আসতে হয়নি। আমরা জনগণের কাছে গিয়েছি, তাদের পাশে থেকেছি, তাদের করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখতে গিয়ে নিজেরা আক্রান্ত হয়েছি, জীবন বিলিয়ে দিয়েছি। তাদের বাসায় খাবার পৌঁছে দিয়েছি, যাতায়াতের ব্যবস্থা করেছি, তাদের ধান কাটার ব্যবস্থা করেছি, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির আপনজনরা যখন কাছে আসেনি তখন আমরা তার দাফন এবং সৎকারের ব্যবস্থা করেছি।

এসব আমাদের দায়িত্ব ছিল না, কিন্তু আমরা মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে কাজটি করেছি। প্রধানমন্ত্রী এ ভূমিকার জন্য আমাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। দেশবাসী আমাদের প্রশংসা করছেন। দেশের জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিরা আমাদের পক্ষে কলম ধরেছেন। আমরা মানুষের মনের মণিকোঠায় স্থান করে নিতে পেরেছি।

তিনি বলেন, একদিন করোনা থাকবে না, তখনও মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ধরে রাখার জন্য আমাদের নিরন্তর প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে। সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে একযোগে কাজ করতে হবে।

এছাড়া নির্বিঘ্নে জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে পুলিশের কল্যাণ নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে আইজিপি বলেন, বর্তমানে কোনো পুলিশ সদস্য চাকরিরত অবস্থায় নিহত হলে অথবা কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে তাকে ও তার পরিবারকে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়। আমরা চাকরিরত অবস্থায়ই পুলিশ কর্মকর্তা ও ফোর্সের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে চাই। তাদের সন্তানদের লেখাপড়া, চিকিৎসাসহ অন্য সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই, যাতে তারা নির্বিঘ্নে জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে পারেন।

করোনা: দেশে একদিনে মৃত্যু ৪৬, শনাক্ত ৩৪৭১

ডেস্ক রির্পোট:

দেশে বেড়েই চলছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪৬ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৯৫ জন।

শুক্রবার দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৭১ জন। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৮১ হাজার ৫২৩ জনে।

এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫০২ জন। ফলে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন মোট ১৭ হাজার ২৪৯ জন।

বরাবরের মতোই করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বাইরে বেরোলে হ্যান্ড গ্লাভস পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান ডা. নাসিমা সুলতানা।

জ টুডে- বি ডি নাথ

দেশের ৫০ জেলা পুরোপুরি লকডাউনের তালিকায়

 ডেস্ক রির্পোট:

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় দেশে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আক্রান্তের সংখ্যা ও ঝুঁকি বিবেচনায় তিন ভাগে ভাগ করে (রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লকডাউনের চিন্তা করছে সরকার।

করোনার আপডেট সংক্রান্ত সরকারি ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগের ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউনের তালিকায় (রেড জোন বিবেচিত) দেখানো হয়েছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হয়েছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি। তবে সরকারি ওয়েবসাইটে তালিকা দেয়া হলেও এ বিষয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়নি।

সরকারি ওয়েবসাইটে দেয়া তালিকায় বরিশাল বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন দেখানো হয়েছে বরগুনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরকে। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন ভোলা ও ঝালকাঠি।

লাখে ৪০ জনের বেশি আক্রান্ত হলেই রেড জোন!  জাতীয়

চট্টগ্রাম বিভাগে পুরোপুরি লকডাউন দেখানো হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীকে। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি।

ঢাকা বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন দেখানো হয়েছে গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর ও টাঙ্গাইলকে। এই বিভাগে শুধু ঢাকা ও ফরিদপুর আংশিক লকডাউন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা, মেহেরপুর, নড়াইল ও সাতক্ষীরাকে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন বলা হচ্ছে বাগেরহাট, কুষ্টিয়া ও মাগুরাকে। খুলনা বিভাগেই দেশের একমাত্র গ্রিন জোন চিহ্নিত জেলা ঝিনাইদহ, অর্থাৎ এটি লকডাউন নয়।
ঢাকার ৩৮ এলাকা আংশিক লকডাউন ঘোষণা | রাজধানী

রাজশাহী বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহীকে। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ।

রংপুর বিভাগের আটটি জেলাকেই পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে। জেলাগুলো হলো- দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রংপুর ও ঠাকুরগাঁও।

সিলেট বিভাগের সব ক’টি জেলাকেই বলা হচ্ছে পুরোপুরি লকডাউন। বিভাগের জেলাগুলো হলো- হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।

ময়মনসিংহ বিভাগেরও সব ক’টি জেলাকে পুরোপুরি লকডাউন বলা হচ্ছে। এ চারটি জেলা হলো জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুর।

ওয়েবসাইটে ঢাকা মহানগরীর ৩৮টি এলাকাকে আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) বলে দেখানো হচ্ছে ১১টি এলাকাকে। এখন পর্যন্ত পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) হিসেবে ঢাকার কোনো এলাকাকে দেখানো হচ্ছে না।

ইত্তে:/ বি ডি নাথ