০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৩৩

  • Update Time : ০২:২০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২০
  • / 1235

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির দ্বিতীয় দিনে ‘এমএল মনিং বার্ড’ থেকে আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ জনে দাঁড়ালো। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে দুর্ঘটনাস্থলে দ্বিতীয় দিনের মত উদ্ধার অভিযান চলছে। সোমবার রাতভর তল্লাশির পর এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় আবার তল্লাশি শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ এবং বিআইডব্লিউটিএর কর্মীরাও এই অভিযানে রয়েছেন।

এমএল মর্নিং বার্ড নামের ওই লঞ্চটি সোমবার সকালে মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের দিকে আসছিল। শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গায় ময়ূর-২ নামের আরেকটি বড় লঞ্চের ধাক্কায় সেটি ডুবে যায়। সোমবার দুপুর পর্যন্ত উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে ৩০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এছাড়া স্থানীয়রা আরও দুজনকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

লঞ্চডুবির প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর রাত সোয়া ১০টার দিকে একজনকে জীবিত উদ্ধারের কথা জানায় ফায়ার সার্ভিস। তবে ঠিক কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

প্রসঙ্গত, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর পক্ষ থেকে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এছাড়া হতাহতের ঘটনায় ঘাতক লঞ্চের মালিক-মাস্টারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

Please Share This Post in Your Social Media

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৩৩

Update Time : ০২:২০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২০

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির দ্বিতীয় দিনে ‘এমএল মনিং বার্ড’ থেকে আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ জনে দাঁড়ালো। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে দুর্ঘটনাস্থলে দ্বিতীয় দিনের মত উদ্ধার অভিযান চলছে। সোমবার রাতভর তল্লাশির পর এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় আবার তল্লাশি শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ এবং বিআইডব্লিউটিএর কর্মীরাও এই অভিযানে রয়েছেন।

এমএল মর্নিং বার্ড নামের ওই লঞ্চটি সোমবার সকালে মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের দিকে আসছিল। শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গায় ময়ূর-২ নামের আরেকটি বড় লঞ্চের ধাক্কায় সেটি ডুবে যায়। সোমবার দুপুর পর্যন্ত উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে ৩০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এছাড়া স্থানীয়রা আরও দুজনকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

লঞ্চডুবির প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর রাত সোয়া ১০টার দিকে একজনকে জীবিত উদ্ধারের কথা জানায় ফায়ার সার্ভিস। তবে ঠিক কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

প্রসঙ্গত, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর পক্ষ থেকে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এছাড়া হতাহতের ঘটনায় ঘাতক লঞ্চের মালিক-মাস্টারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।