জগন্নাথপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৪ ॥ আটক-৩

জগন্নাথপুর টুডে নিউজ:
জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব বুধরাইল গ্রামে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৩জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ১জনকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ উভয় পক্ষের ৩জনকে আটক করেছে।

হামলায় আহতরা হলেন পূর্ব বুধরাইল গ্রামের হীরা মিয়ার ছেলে ফয়সল আহমদ (৩০), মৃত মুক্তার মিয়ার ছেলে লেবু মিয়া (৪২), মোহন মিয়ার ছেলে আল-আমিন (১৪), মৃত হিরন খানের পুত্র মাসুদ খান (২৫)।

এদের মধ্যে গুরুতর আহত ফয়ছল আহমদ, লেবু মিয়া ও আল-আমিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও মাসুদ খানকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ হামলায় ঘটনায় পুর্ব বুধরাইল গ্রামের তারিফ উল্লার ছেলে আকবুল মিয়া (৩৫), হীরা মিয়ার ছেলে আনহার মিয়া (৪৫) ও হিরন খানের ছেলে মাসুদ খাঁন (২৫) কে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানায়, পূর্ব বুধরাইল গ্রামের মসজিদের গেইট নির্মান নিয়ে ঐ গ্রামের হারুন মিয়া ও আকবুল মিয়ার লোকজনদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

রবিবার বিকেলে হারুন মিয়ার পক্ষের হীরা মিয়ার ছেলে জাকির হোসেনের ১টি গরু তারিফ উল্ল্যার ছেলে আকবুল মিয়ার বাড়িতে গেলে আকবুল মিয়ার লোকজন গরুটি আটক করে রাখে। গরু আটকের বিষয়কে কেন্দ্র করে জাকির হোসেন ও আকবুল মিয়ার লোকজনদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও বাক বিতন্ডার সৃষ্টি হয়।

এরই জের ধরে রবিবার রাত সাড়ে ৮টায় জাকির হোসেনসহ তার লোকজন পূর্ব বুধরাইল জামে মসজিদে যাওয়ার পথে আকবুল হোসেনের নেতৃত্বে তার লোকজন জাকির হোসেনের লোকজনের উপর হামলা চালায়। প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানান, ঐ সময় ২রাউন্ড ফাকা গুলি বর্ষনের ঘটনা ঘটে।

জ.টুডে- ৪ জুন ২০১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুর উপজেলা সদর থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কে বিশাল গর্ত ॥ যাতায়াতে ভোগান্তি

বিপ্লব দেব নাথ ॥
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি কর্তৃক জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কের কেউন বাড়ি বাজার পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের পুন:সংস্কার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর বছর যেতে না যেতেই সড়কটি পুনরায় বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।

গত মাসের শুরু থেকে জগন্নাথপুর উপজেলা সদর থেকে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত সড়কটির জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের কাছে, বটেরতল ও হামজা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে বিশাল ৪টি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তগুলোতে মালবাহি ট্রাক, যাত্রীবাহি বাস সহ সকল প্রকার যানবাহন আটকে গিয়ে বিকল হয়ে পড়ছে। এছাড়াও সিএনজি অটোরিক্্রা, টমটম, রিক্্রা, মোটর সাইকেল সহ ছোট বড় সকল প্রকার যানবাহন এসব গর্তে পড়ে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

সড়কের ঐ স্থানে বিশাল ৪টি গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারনে যাতায়াতকৃত অধিকাংশ যানবাহনগুলো অসাবধান বশত: গর্তে পড়ে গিয়ে যানবাহনের ক্ষতির পাশাপাশি যাত্রীদেরও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। জগন্নাথপুরের এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সড়কটির ঐ স্থানে ৪টি গর্তের সংবাদ পেলেও দীর্ঘ এক মাসেও সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছেন না।

জরুরী ভিত্তিতে সড়কের গর্তগুলো সংস্কার করা না হলে শীঘ্রই জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের সাথে সরাসরি যাত্রীবাহি বাস ও মালবাহি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন ভুক্তভোগী জনসাধারন। শুক্রবার ১ জুন সকালে সড়কের হামজা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে সড়কটির বিশাল গর্তে সিমেন্ট কোম্পানীর মাল বোঝাই ট্রাক গর্তে আটকা পড়ে যায়। সড়কটির মাঝামাঝি স্থানে মাল বোঝাই ট্রাকটি আটকা পড়ায় ঐ দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সড়কের ঐ স্থানে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

রাত ৮টায় গর্তে আটকে পড়া ট্রাকটি উদ্ধারের পর মালবাহি যানবাহন চলাচল শুরু হয়। জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-সিলেট সড়কের জগন্নাথপুর পৌর শহরের উপজেলা সদর থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কটিতে বিশাল ৪টি গর্ত ও অন্যান্য স্থানে খানা খন্দক সৃষ্টি হওয়ার বিষয়ে এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার জানান,

জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সিলেট সড়কের কেউন বাড়ি বাজার পর্যন্ত পুন:সংস্কার কাজের ঠিকাদারকে গর্তগুলো সংস্কারের জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে। সড়কে গর্ত হওয়া অংশে শীঘ্রই সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।

জ.টুডে-৩ জুন ২০১৮/বিডিএন

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ৭৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেফতার

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আলি আহাম্মদ (৭৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার(২৯ মে) রাতে ওই বৃদ্ধকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ-হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বিকেলে শিশুটি নিজেদের বাড়ির পাশে উঠানে খেলছিল। এই সময় চকলেট দেয়ার লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই শিশুর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ঐ শিশুর মা বাদী হয়ে গতকাল রাতেই পরশুরাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত বৃদ্ধ আলি আহাম্মদকে গ্রেফতার করে। আলি আহাম্মদ ফেনীর পরশুরাম উপজেলার পৌর এলাকার উত্তর কোলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ছাগলনাইয়া সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নিশান চাকমা বলেন, পরশুরামে ৫ বছরের একটি বাচ্চাকে ধর্ষণের অভিযোগ পেলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বাচ্চাটির রক্তক্ষরণ হলে তাকে ফেনী ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেনী ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অসীম কমার সাহা জানান, ফেনীর পরশুরাম এলাকা থেকে আনুমানিক ৪ থেকে ৫ বছরের একটি বাচ্চাকে ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গাইনি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।

সুত্র-ইত্তফাক ৩১মে২০১৮/বিডিএন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে রাতভর গণধর্ষণ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
আলমডাঙ্গার পাইকপাড়া গ্রামে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে অজ্ঞাত তিনজন মিলে রাতভর ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৬ মে শনিবার গভীর রাতে ওই ঘটনা ঘটলেও তা ধর্ষিতার শশুর বাড়ির লোকের চাপে গোপন রাখা হয়। ধর্ষিতাকে একটি ঘরে আটকে রাখে তার শ্বশুর-শাশুড়ী ও ননদের স্বামী। পরে ধর্ষিতার পিতা এসে মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আজ সোমবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ধর্ষিতার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে।

থানার ওসি (তদন্ত) লুৎফুল কবীর  জানান, শনিবার রাতে পাইকপাড়া গ্রামের আনোয়ার মালিথার ছেলে মামুনকে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি ডেকে মাঠের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর আধা ঘন্টা পর মামুনের স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সেই মাঠে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরপর মামুনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ওই তিনজন।

মামুন জানান, একটি গাছের সঙ্গে তাকে বেঁধে রেখে তার স্ত্রীকে তিনজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। অজ্ঞাত ওই তিনজনকে তিনি চিনতে পারেননি। তবে দেখলে তাদেরকে চিনতে পারবেন বলে মামুন জানান।

এদিকে, পরদিন সকালে ধর্ষনের ঘটনা শোনার পর মামুনের বাবা-মা ও বোনের স্বামী পুরো ঘটনা চেপে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এমনকি ধর্ষিতাকে বাড়ির বাইরে যেতেও বিধি আরোপ করেন তারা। এক পর্যায়ে ঘরের ভেতর বন্দী করে রাখা হয় ধর্ষিতাকে।

এ সংবাদ পেয়ে ধর্ষিতার পিতা ইউনুস আলী রাজবাড়ির পাংশা থেকে আলমডাঙ্গার পাইকপাড়া গ্রামে আসেন। এসে মেয়েকে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে উদ্ধার করে রবিবার(২৭মে) রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে আলমডাঙ্গা থানায় এসে তিনি বাদী হয়ে মেয়ের শ্বশুর, শ্বাশুড়ী ও ননদের স্বামী নওলামারী গ্রামের মিরাজুলকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রবিবার রাতেই এই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।

অজ্ঞাত তিন ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে অথচ মেয়ের শ্বশুর-শাশুড়ী ও ননদের স্বামীকে আসামি করে কেন মামলা করছেন জানতে চাইলে ধর্ষিতার পিতা ইউনুস আলী জানান, এর আগে তার মেয়ের ঘরে অন্য পুরুষ ঢুকিয়ে বদনাম দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল এই তিন ব্যক্তি। বিশেষ করে ধর্ষিতার ননদের স্বামী মিরাজুল লোকজন দিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষন করিয়েছে বলে তার ধারণা।

সুত্র-ইত্তেফাক ২৮ মে ২০১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে দু-পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত-১৫

জগন্নাথপুর টুডে নিউজ:
জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব কাতিয়া গ্রামে রবিবার (২৭ মে) সন্ধ্যা ৬টায় চাচা-ভাতিজার সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে শালিষি ব্যক্তি ফয়েজ মিয়া আহত হওয়ার জের ধরে হরুপ খানের লোকজনদের সাথে সংঘর্ষে নারী সহ ১৫জন আহত হয়েছেন।

এদের মধ্যে ৬ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৪জনকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন পূর্ব কাতিয়া গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন মহসিন (৪২), ইকবাল হোসেন (২১), মোহাম্মদ হোসাইন (৩৬), ইমাম হোসেন (৪০), আব্দুল করিমের ছেলে সিরাজ উদ্দিন (৬৫), সিরাজ উদ্দিনের ছেলে খুর্শেদ আলম (২২), আমির উদ্দিন (৩৫), জহুরুল ইসলামের ছেলে আবিদুল ইসলাম (১৭), রেজাউল কবির (২৬), মৃত জাকারিয়ার স্ত্রী ছাবিয়া বেগম (৫০), মৃত জাকারিয়ার ছেলে ফয়েজ মিয়া (৩০), কয়েছ মিয়া (২৮)।

আহতদের মধ্যে ছাবিয়া বেগম, সিরাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ হোসাইন, ইমাম হোসেন, রেজাউল কবির ও কয়েছ মিয়াকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং কামাল হোসেন মহসিন, খুর্শেদ আলম, আবিদুল ইসলাম ও ইকবাল হোসেনকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

আহত ইকবাল হোসেন মহসিন জানান, রবিবার ইফতার পূর্ব সন্ধ্যা ৬টায় পূর্ব কাতিয়া গ্রামের মসলিম খানের ছেলে হরুপ খান তার চাচা ফিরোজ খানের সাথে পারিবারিক বিরোধ নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় একই পাড়ার মৃত জাকারিয়ার ছেলে ফয়েজ মিয়া উভয় পক্ষকে নিভৃত করার চেষ্টা করলে হরুপ খান উত্তেজিত হয়ে ফয়েজ মিয়াকে মারধর শুরু করেন।

হরুপ মিয়া ও ফয়েজ মিয়ার পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় সংঘর্ষে বৃষ্টির মত ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে নারী সহ ১৫জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় লোকজনদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

খবর পেয়ে গতকাল সোমবার জগন্নাথপুর থানার এস আই কবির উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে এস আই কবির উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে হাসপাতালে আহতদের খোজ খবর নেয়া হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

জ.টুডে-২৮ মে ২০১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মানস রঞ্জন রায় আর নেই

জগন্নাথপুর টুডে নিউজ :

জগন্নাথপুরের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব  মানস রঞ্জন রায় আর নেই। আজ শনিবার বেলা ৩টায় সিলেট শহরের একটি বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন ।
বিস্তারিত আসছে—–

ইউএনও কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে সাংবাদিকের হাতে ‘হাতকড়া’

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পানির দরে সরকারী পুরনো ভবন বিক্রির তথ্য প্রকাশের জের ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে হাতকড়া পড়িয়ে দাঁড় করিয়ে রাখার পর ভবিষ্যতে আর এমন হবে না মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছে স্থানীয় এক সাংবাদিক। বর্তমানে ওই সাংবাদিক আরো হয়রানীর আশঙ্কা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

দীর্ঘদিন ফরিদপুরের স্থানীয় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করা ওই সাংবাদিকের নাম জাকির হোসেন। (২৪ মে) তাঁকে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেনের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে হাতকড়া পরিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সম্মুখিন করা হয়।

এর আগে ফেসবুকে একটি ষ্ট্যাটাস দেন সাংবাদিক জাকির হোসেন। তাতে তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি বোয়ালমারী উপজেলার গঙ্গানন্দপুর গ্রামের সবুজবাংলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি পুরাতন ভবন অনিয়মের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। এলাকাবাসীর দাবী ভবনটির আনুমানিক মূল্য প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে এবং কোন প্রকার প্রচারণা না চালিয়ে নিলাম কমিটি পানির দরে ভবনটি বিক্রি করে দেয়।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তলব করা হয় সাংবাদিক জাকির হোসেনকে। এরপর সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত পুলিশ তাকে হাতকড়া পড়িয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে। সাংবাদিক জাকির হোসেন বলেন, পুরো পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছিলো আমি কোন বিরাট ফৌজদারি অপরাধ করে ফেলেছি। ভুল তথ্য পরিবেশনের অপরাধ স্বীকার করে এবং ভবিষ্যতে এমন আর হবেনা এমর্মে লিখিত দিলে আমি সেখান থেকে ছাড়া পাই।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অভিযুক্ত জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। থানার পরিবর্তে উপজেলা নির্বাহী কর্মকার্তার কাছে কেনো চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। আমার কাছে অভিযোগ করতেই পারে। ভবন বিক্রি নিয়ম মাফিক হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই বিধায় নিলাম বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়নি।

জ.টুডে-২৫ মে ২০১৮/বিডিএন

মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না – সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, ‘কেবল সংসদ সদস্য কেন, সরকারি দলের আরো প্রভাবশালী যদি কেউ হয়, প্রমাণ পেলে তাদেরকেও এ অভিযানের আওতায় আনা হবে।

বৃহস্পতিবার(২৪মে) দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সড়ক নিরাপত্তা ক্যাম্পেইন এবং বিআরটিএ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিষ্কার নির্দেশ, মাদক ব্যবসা বা ড্রাগ ডিলিংসের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত তারা কেউ ছাড় পাবে না। যত প্রভাবশালীই হোক, অবশ্যই তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

আওয়ামী লীগ বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-ের সমর্থন করে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-কে কখনো সমর্থন করে না আওয়ামী লীগ।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে প্রমাণ ছাড়া কখনো গ্রেফতার করা যায় না। কিন্তু কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। কোন সংসদ সদস্যের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকেও ছাড় দেয়া হবে না, সে যতই শক্তিশালী হোক।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে মাদক যে ভয়ঙ্কর অবস্থায় এসেছে, সব দল মিলে যদি সোচ্চার থাকতো তাহলে পুলিশের মোকাবেলা করতে হতো না। দলগুলোকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনে সোচ্চার হওয়া উচিৎ ।

সুত্র-ইত্তেফাক ২৪মে ২০১৮/বিডিএন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিচারপতি এবং কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বিচারপতিবৃন্দ, কূটনৈতিকৃন্দ এবং সরকারের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সম্মানে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ইফতারের আগে প্রধানমন্ত্রী ইফতার মাহফিলে আগত অতিথিদের বিভিন্ন টেবিল ঘুরে তাঁদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এ সময় দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালরাতের সকল শহীদ, জাতীয় চার নেতা এবং শহীদ মুক্তিযাদ্ধাদের জন্যও পরম করুনাময়ের দরবারে দোয়া করা হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মোহম্মদ এহসানুল হক মোনাজাত পরিচালনা করেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ অন্যানের মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

আপিলেট ডিভিশন ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিববৃন্দ, পুলিশের মহাপরিদর্শক, এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্ণিকাট, ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা এবং যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ ইফতার মাহফিলে যোগদান করেন।

এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি এবং উর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।

সুত্র-ইত্তেফাক/২৩মে২০১৮/বিডিএন

সুন্দরবনে ৫৮টি অস্ত্রসহ ৫৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন সুন্দরবনের ছয়টি বনদস্যু বাহিনীর ৫৭ জন। বুধবার পৌনে একটার দিকে তারা আত্মসমর্পণ করেন।

এরমধ্যে রয়েছেন— দাদা ভাই বাহিনীর ১৫ জন, হান্নান বাহিনীর নয়জন, আমির আলী বাহিনীর সাতজন, সূর্য বাহিনীর ১০ জন, ছোট সামসু বাহিনীর নয়জন ও মুন্না বাহিনীর সাতজন সদস্য। আত্মসমর্পণকালে তারা ৫৮টি অস্ত্র ও ১২৮৪ রাউন্ড গুলি জমা দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন র‌্যাব-৬ এর পরিচালক খন্দকার রফিকুল ইসলাম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, কেসিসির নব-নির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক আওরঙ্গজেব চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ছয় সদস্য।

জ.টুডে-২৩ মে ২০১৮/বিডিএন