ভারতজুড়ে আতঙ্ক বাড়ছে, ৮০ শহর লকডাউন

ডেক্স নিউজ:
ভারতজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা। এ নিয়ে দেশটির ৮০টি শহরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, করোনায় এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯৭ জন। এনিয়ে রাজ্য সরকার ৮০টি শহরে লকডাউন ঘোষণা করেছে।

এসব শহরের মধ্যে দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরু আছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩১ মার্চ পর্যন্ত লকডাউন থাকবে। এসব শহরের মধ্যে আরও রয়েছে, মহারাষ্ট্র, কেরালা, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, কর্ণাটক, তেলাংগনা, রাজস্থান, অন্ধ্র প্রদেশ, তামিল নাড়ু, পাঞ্জাব, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, পশ্চিমবঙ্গ, চান্দিগড়, হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরখরু।

খবরে বলা হয়েছে, করোনায় ভারতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ২৪ জন। এর আগে জনস্বাস্থ্য বিষয়ক শীর্ষ একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভারতে করোনা ভাইরাসের হুমকি নিয়ে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। ওয়াশিংটন এবং দিল্লি-ভিত্তিক সেন্টার ফর ডিজিজ, ডিনামিক্স, ইকোনমিক্স অ্যান্ড পলিসির পরিচালক ড. রামানান লাক্সমিনারায়ানান বলেছেন, ভারত হবে করোনা ভাইরাস মহামারির পরবর্তী ‘হট-স্পট’ এবং দেশটিকে অতি জরুরি ভিত্তিতে ‘করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সুনামির’ জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা অনুমান করতে যে গাণিতিক সূত্র অনুসরণ করা হয়েছে, তা ভারতের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হলেও কমপক্ষে ৩০ কোটি লোক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই ৩০ কোটি মানুষের মধ্যে ৪০ থেকে ৮০ লাখ মানুষের শারীরিক অবস্থা জটিল আকার ধারণ করতে পারে, যাদেরকে হাসপাতালে নিতে হবে। এদিকে এখন পর্যন্ত করোনায় বিশ্ব জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন ১৩ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্বের ১৮০ টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

যুক্তরাজ্যের বল্টন বাংলাদেশ ট্রাষ্টের উদ্যোগে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা

যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি::
যুক্তরাজ্যের বল্টন বাংলাদেশ ট্রাষ্টের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য্য তুলে ধরে ওয়ারিছ উল্যাহর সভাপতিত্বে ট্রাষ্টের জেনারেল সেক্রেটারী মো: আব্দুল মতিন লাকির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মিজান চৌধুরী , মো: আব্দুল্লা, এরশাদ আলী, মখলিছ ,আল আমীন , রাহান, ওয়াজেদ, মহিবুর , আব্দুল হক, সুহেল , কুহিনুর, রহমান, শাহিন প্রমূখ ।

লন্ডন ব্রিজের হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ পুলিশ

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, (লন্ডন) যুক্তরাজ্য থেকে :

পুলিশের গুলিতে নিহত লন্ডন ব্রিজের হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ মেট্রোপলিট্রন পুলিশ। মেট্রোপলিট্রন পুলিশ দাবি করেছে, শুক্রবার (২৯ নবেম্ভর ২০১৯) দুপুরে যুক্তরাজ্যের লন্ডন ব্রিজে হামলাকারী ব্যক্তির নাম উসমান খান। সে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। ঐ দিনের ছুরি হামলায় হামলাকারীসহ ৩ জন নিহত হয়। একে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে পুলিশ। হামলাকারী ২৮ বছরের উসমান খান একটি ভুয়া সুইসাইড ভেস্ট বা বিস্ফোরকযুক্ত পোশাক পরে এ হামলা চালায়। বেশ কয়েকজনকে ছুরিকাঘাতের পর এক পর্যায়ে সে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। পুলিশ আরো জানিয়েছে, হামলাকারী উসমান খান স্ট্যাফোর্ডশায়ার এলাকার বাসিন্দা। বছরখানেক আগে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিল সে। মুক্তির জন্য একটি ইলেক্ট্রনিক ট্যাগ পরিধান করা এবং নিজের চলাফেরায় কর্তৃপক্ষের নজরদারির বিষয়ে সম্মত হয়েছিল সে। পুলিশের তথ্যমতে বলা হয়েছে, ব্রিটেনে জন্মগ্রহণ করা উসমানের কৈশোর কেটেছে পাকিস্তানে। কোনও প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নেই তার। মা অসুস্থ হওয়ায় ওই সময় সে পাকিস্তানে অবস্থান করেন। পরে ব্রিটেন ফিরে ইন্টারনেটে উগ্রবাদ প্রচারে নামে। ২০১০ সালে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের হামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ১৬ বছরের জেল হয় তার। গত বছরই সে প্যারোলে মুক্তি পায়। তবে ২০১২ সালে সাজা ঘোষণার সময় উসমান খানকে একনিষ্ঠ জিহাদি বলে মন্তব্য করেন বিচারক। সে সাধারণ মানুষের জন্য বিপজ্জনক বলেও জানান তিনি। শর্তসাপেক্ষে ২০১৮ সালে জেল থেকে ছাড়া পায় উসমান। ডিসেম্বর মাসে ছাড় পাওয়ার পর থেকেই সে স্ট্যাফোর্ড এলাকায় বসবাস করছিল। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার (২৯ নবেম্ভর ২০১৯) সকালে লন্ডন ব্রিজের কাছে ঐতিহাসিক ফিসমোঙ্গার হলে লার্নিং টুগেদার নামের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন উসমান। লন্ডন ব্রিজে দুইজনকে হত্যা করার পর স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের পুলিশ উসমানকে গুলি করে হত্যা করে। সে বিস্ফোরকবোঝাই পোশাক পরে ছিল। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পুলিশ ও জরুরি বিভাগের কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন । লন্ডনের পুলিশ কমিশনার ক্রেসিডা ডিক বলেছেন, আমাদের শহরটি আবারও সন্ত্রাসবাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এ ঘটনায় আমি খুবই মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ।

এম এ মালেক সভাপতি কয়ছর সাধারণ সম্পাদক : যুক্তরাজ্য বিএনপির কমিটি গঠন

লন্ডন প্রতিনিধি: এম এ মালেক-কে সভাপতি এবং কয়ছর এম আহমেদ-কে সাধারণ সম্পাদক করে যুক্তরাজ্য বিএনপি’র ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত কমিটি যুক্তরাজ্য শাখা বিএনপি’র সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এছাড়াও যুক্তরাজ্য বিএনপি’র ২৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হযয়েছে।কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা হলেন সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহ সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, সহ সভাপতি তৈমুস আলী, সহ সভাপতি লুৎফর রহমান, সহ সভাপতি গোলাম রাব্বানী ,সহ সভাপতি গোলাম রাব্বানী সুহেল ,সহ সভাপতি তাজুল ইসলাম, সহ সভাপতি শেখ শামসুদ্দিন শামিম ,সহ সভাপতি বার কামরুজ্জামান, সহ সভাপতি সলিসিটর একরামুল মজুমদার, সহ সভাপতি শেখ লাকি, সহ সভাপতি আব্দুস সাত্তার ,সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন দেলোয়ার, সহ সভাপতি আতিকুল হক চৌধুরী ,সহ সভাপতি হীরা মিয়া ,সহ সভাপতি আবেদ রাজা ,সহ সভাপতি মুকিত আহম্মেদ সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
পারভেজ মল্লিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খসরুজ্জামান খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গুলজার আহমেদ ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজবাহুর জামান সোহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজাতুর রেজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাত কবির খান রিপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলাল নাসিমুজ্জামান , সহ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম .সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আহমেদ ,সহ সাধারণ সম্পাদক. আব্দুস সামাদ, সহ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত বাদশা, সহ সাধারণ সম্পাদক বাবুূল আহমেদ চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সালেহ লিটন, সহ সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ জিলান ,সহ সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান লিটন, সহ সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমেদ, সহ সাধারণ সম্পাদক কে আর জসিম, সহ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খলিলুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক শাহীন মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক টিপু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক (জোন-১)শামীম আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শেবুল মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক (জোন-২) মোশাহিদ তালুকদার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার আব্দুল মজিদ তাহের , সাংগঠনিক সম্পাদক (জোন-৩) কামাল আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মওদুদ আহমেদ , সাংগঠনিক সম্পাদক (জোন-৪) তৈয়বুর রহমান হুমায়ুন , সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু মিয়া, প্রচার সম্পাদক ডালিয়া লাকুরিয়া , সহ প্রচার সম্পাদক মঈনুল ইসলাম , দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বে) ড: মুজিবুর রহমান, সহ দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বে) সেলিম আহমেদ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সালেহ গজনবী , সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট লিয়াকত আলী, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শাহরিয়ার কবির, যুব বিষয়ক সম্পাদক খিজির আহমদ , সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক মোক্তাদির আলী , ছাএ বিষয়ক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ তামিম , স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক কামাল মিয়া, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক তৌকির শাহ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস রহমান , সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এ জে লিমন, সহ সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন , সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শিবলী শাহিদ , ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল আহমেদ , সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক তুরন মিয়া , সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আক্তার মাহমুদ, সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক কদর উদ্দিন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব , সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রাজ হাসান , তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এ এফ এম মাহফুজুর রহমান খান , সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ সাদিক, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সহীদ, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোসাদ্দিক আহমেদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক শের ই সাত্তার , সহ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আলিমুল হক লিটন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক
সাদিক হাওলাদার, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শাহেদ উদ্দিন চৌধুরী , সহ প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী খলকু , সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাজওয়ার হোসেন রাজেট, বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক
সাইফুল ইসলাম শিপু , সহ বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ শামীম আহমেদ , মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার জোহা , সহ মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আলিম খান, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক
জাহিদ গাজী, সহ প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমদ, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির , সহ স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক
লুবেক আহমেদ চৌধুরী, সদস্য শরীফুজ্জামান চৌধুরী তপন , তোফাজ্জল হোসেন , নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ, আকতার হোসেন টুটুল ,এমদাদ হোসেন টিপু , শহীদুল ইসলাম মামুন , মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, নাছিম আহমেদ চৌধুরী, কামাল উদ্দিন , শামসুর রহমান মাহতাব , এম এ কাদির , ফখরুল ইসলাম বাদল, এস এম লিটন , এম এ সালাম , তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল , হেলাল উদ্দিন , বশির মিয়া, ইকবাল হোসেন , মোস্তাক আহমেদ ,রুহুল আমিন , এনামুল হক লিটন , সৈয়দ সাকেরুজ্জামান , নাজমুল ইসলাম জাহিদ, শেখ আলী আহমদ,জসিম উদ্দিন সেলিম ,তরিকুল ইসলাম স্বপন , আব্দুল হামিদ খান হেভেন , খালেদ চৌধুরী , এম ডি ইউসুফ পাঠান বুলু , আবুল কাহার , খালিক মিয়া ,
মিজবাউল ইসলাম বাবু , আসাদুজ্জামান আক্তার আমিনুর রহমান আকরাম , শরিফুল ইসলাম বাবু, মির্জা নিক্সন , শরীফুল ইসলাম, ফিরোজ আলম , আলী আকবর খোকন , মিজানুর ইসলাম মির্জা , সালেহ আহমেদ , ফয়সল আহমদ, নুরে আলম সোহেল, পাশা মিয়া , মামুন হোসেন , তাজুল ইসলাম , হুমায়ুন কবির রাজন , নজরুল ইসলাম , জাহাঙ্গীর হোসাইন, আব্দুল মান্নান , সুজাত আহমেদ ,শিশু মিয়া, শাহরিয়ার জুনেদ , তপু শেখ , কিশোর আহমেদ জাকি , সাজ্জাদ আহমেদ , নাজমুল হোসেন চৌধুরী, মতিউর রহমান চৌধুরী , উপদেষ্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, আব্দুল হামিদ চৌধুরী , মিয়া মনিরুল আলম, ফয়জুল হক , আনা এম মিয়া , নিজাম মিয়া , রফিক উল্লাহ , এম এ রউফ , ফিরোজ চৌধুরী , আবু তাহের চৌধুরী, তারেক বিন আজিজ , সিফাত খান , আব্দুল আহাদ , আব্দুল হান্নান , মাসুদ মিয়া , ময়না মিয়া , আরঙ্গজেব বুলবুল , গুলজার আহমেদ , শহীদুল্লাহ খান , মল্লিক হোসাইন আহমেদ , কাজী আ্গংুর মিয়া , নুরুনবী খোকন , এমদাদ হোসেন খান , জাকির আহমেদ কাবেরি , জাকির মোস্তফা টুটুল ।

টরন্টোস্থ বাংলাদেশ সেন্টারে সপ্তাহব্যাপী ইসলামের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য উদযাপন

বিশেষ প্রতিনিধি::

নজরুল  ফাউণ্ডেশন, টরন্টে।, ক্যানাডা এবং বাংলাদেশ সেন্টার এণ্ড কমিনিউটি সার্ভিসেস এর যৌথউদ্যোগে  টরন্টো শহরের ডেনফোরস্থ বাংলাদেশ সেন্টারে আনুষ্ঠিত হয়ে গেল সপ্তাহব্যাপী ইসলামের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য উদযাপন অনুষ্ঠান । ক্যানাডা কেন্দ্রীয় সরকার এবং অন্টারিও প্রাদেশিক সরকার অক্টোবর মাসকে ইসলামের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য উদযাপনের মাস হিসাবে সরকারী ভাবে ঘোষণা করার পর প্রতি বছরই সরকারী ও বেসরকারী ভাবে ক্যানাডাব্যাপী  মাসটি অতি গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয় । তারই অংশ হিসাবেসপ্তাহব্যাপী ইসলামের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য উদযাপনের এই আয়োজন করা হয় । গত ২৬ অক্টোবর শনিবার বিকাল ৫:৩০ মিনিটে বাংলাদেশ সেন্টারের প্রেসিডেন্ট হাসিনা কাদের এবং নজরুল ফাউণ্ডেশনের পরিচালক মো: নুরুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন । হাসিনা কাদেরের স্বাগত ভাষনের পর অধ্যাপিকা শারমিন সুলতানা এবং রুবাইয়াৎ আমীনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয় । সর্বপ্রথম প্রকৌশলি সিরাজ ইকবাল ‘ইসলামের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য উদযাপন অনুষ্ঠনকে’ স্বাগত জানিয়ে ইংরেজিতে স্বরচিত একটি কবিতা আবৃত্তি করেন । তারপর ইসলামের স্বর্ণ যুগের মুসলিম বিজ্ঞানিদের আবিষ্কারসমূহ বিশ্ব সভ্যতায় অসাধারণ অবদানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা সম্বলিত ৩০ মিনিটের একটি ডকুমেন্টারী চলচ্চিত্র প্রদর্শন করাহয় । সকল বক্তারাই ইসলামের গৌরবোজ্জল ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের  বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণা মূলক বক্তৃতা করেন । যারা অনুষ্ঠানে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন তারা হলেন, অধ্যাপিকা শারমিন সুলতানা, মানব উন্নয়ন মূলক গবেষক রিনা সেন গুপ্ত, হোপ ইউনাইটেট চার্চের খ্রিষ্ট ধর্মবিষয়ক স্কলার ব্রিয়ান স্টেভেনস, প্রকৌশলি শাহাদত হোসেন, রিমা বার্নস মেকগাউন এমপিপি, ড: নাসিমা আখতার পিএইচডি, শিক্ষা বিসয়ক গবেষক মোছাম্মাৎবদরুন্নেসা, বিশিষ্ট সমাজ কর্মি আফরোজা বেগম, ইসমাত আরা, আবরার হাবিব, ফাইরোজ ফাতিমা মাঈশা, ড: শিবলি নোমানি, ড: প্রশান্ত সরকার, ড: এ এইস প্যাটেল, প্রকৌশলী হিসাম মালিক, ড: আনার দিলিরা । সকল বক্তাই তাদের বক্তৃতার সাথে স্লাইডশো প্রজেকশনের মাধ্যমে তাদের বক্তব্যকে দর্শক-শ্রোতাদের নিকট সহজে বোধগম্য, হৃদয়গ্রাহী ও আকর্ষণীয় করে তুলেন । অনুষ্ঠানটির বিশেষ বৈশিষ্ট ছিল কলেজ ইউনিভার্সিতে অধ্যয়নরত নতুন প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণামূলক আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং অনুষ্ঠানে দর্শক-শ্রোতা ও আলোচনায় অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে অধিকহারে মহিলাদের উপস্থিতি । দর্শক-শ্রোতাদের আনন্দ-উল্লাশ মুখর পরিবেশে, কাণায় কাণায় পূর্ণ হলে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ডলিবেগম এমপিপি ।ইসলামিক হিস্টরী এণ্ড হেরিটেজকে সকল ধর্ম-গোত্রের সবার কাছে তুলেধরার জন্য এজাতীয় অনুণ্ঠান আগামীতে প্রত্যেক শহরে অনুষ্টিত করার আশা ব্যক্ত করে তিনি তার সর্ব প্রকার সাহায্য সহযোগীতা প্রদানের আশ্বাস প্রধান করেন । রাত ৯:৩০ মিনিটে জনাব মঈন চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করে সকলকে নৈশভোজ গ্রহণের আহ্বান জানান । পরদিন ২৭ অক্টোবর থেকে ৩১শ অক্টোবর পর্যন্ত ছিল  ইসলামের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরে চিত্র-প্রদর্শণী ।প্রতিদিনই অনেক লোক চিত্র প্রদর্ষণীটি পরিদর্শন করেন । অনুষ্ঠান আয়োজনের সার্বিক পরিকল্পনা এবং ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মো: নুরুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম এফসিএ, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, সিরাজুল ইসলাম কাজী এলএলবি এবং প্রকৌশলি সিরাজ ইকবাল ।

নিউইয়র্কে আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন’র ক্রুজ পিকনিক অনুষ্ঠিত

টুডে ডেক্স:
নিউইয়র্কে আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন’র ক্রুজ পিকনিক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ জুন রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুইন্সের ফ্লাশিং এর ১ ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনা জেটি থেকে স্কাই লাইন প্রিন্সেস ক্রুজটি ছেড়ে গিয়ে নদী পথে নিউইয়র্ক এর বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে বিকেল ৫টায় পুনরায় জেটিতে ফিরে আসেন। ব্রেকফাস্ট-লাঞ্চ ছাড়াও অতিথিদের বিনোদনের জন্য ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। জমকালো এ নৌ-ভ্রমণে নিউইয়র্কের কমিউনিটি নেতা, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, মিডিয়া, সংস্কৃতি কর্মী, সংগঠনের সদস্যদের পরিবার-পরিজন সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রায় সাড়ে ৪’শ অতিথি অংশ নেন। আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ইনকের প্রেসিডেন্ট সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের হবিবপুর এলাকার বাসিন্দা আবদুস শহীদের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক জামাল হুসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল রেজা স্বপন ও সংস্কৃতি কর্মী জুঁই ইসলামের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর লুইস সিপুলভেদা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম, উপদেষ্টা তোফায়েল চৌধুরী, অয়েল কেয়ার হেলথ প্ল্যানের সিনিয়ার ম্যানেজার সালেহ আহমেদ, মিলেনিয়াম টিভির প্রেসিডেন্ট নূর মোহাম্মদ, আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ইনকের সহ সভাপতি এডভোকেট নাসির উদ্দিন ও রফিকুল ইসলাম, এশিয়ান মাল্টি সার্ভিস ইনক’র প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও সাইদুর রহমান লিংকন, তিতাস মাল্টি সার্ভিসের কর্ণধার নারী নেত্রী মেহের চৌধুরী, বাংলাদেশী-আমেরিকান কালচারাল এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল হাসিম হাসনু, সাধারণ সম্পাদক আহবাব চৌধুরী, আয়োজক সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল ইসলাম, কর্মকর্তা সফিকুর রহমান, মো. শরীফ হোসেন, এডভোকেট আলাউদ্দিন, মো: ইসমত আলী সহ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ।

নৌ-ভ্রমণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমিউনিটি সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ও স্টেট এসেম্বলীর পক্ষ থেকে প্রক্লেমেশন ও সাইটেশন প্রদান করা হয়। নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর লুইস সিপুলভেদা প্রক্লেমেশন ও সাইটেশন প্রদান করেন। সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন এশিয়ান মাল্টি সার্ভিস ইনক’র প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও সাইদুর রহমান লিংকন, অয়েল কেয়ার হেলথ প্ল্যানের সিনিয়র ম্যানেজার সালেহ আহমেদ, কর্ণফুলী ট্যাক্স সার্ভিসেস ও কর্ণফুলী ইনকাম ট্যাক্স স্কুললের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট মাহাম্মদ হাসেম, তিতাস মাল্টি সার্ভিসের কর্ণধার মেহের চৌধুরী, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের, ইউএসএ নিউজ অনলাইন ডটকম এবং সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ’র সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম প্রমূখ। এছাড়াও আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ইনকের পক্ষ থেকে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর লুইস সিপুলভেদাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। সিনেটর লুইস সিপুলভেদা তার বক্তব্যে নিজকে বাংলাদেশী কমিউনিটির একজন হিসেবে উল্লেখ করে তার অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে আয়োজক সংগঠনটির সফলতা কামনা করেন। সভাপতির বক্তব্যে আবদুস শহীদ বলেন, মূলধারার সহযোগী সংগঠন হিসেবে নতুন প্রজন্ম ও মূলধারায় বাংলাদেশকে তুলে ধরাসহ বাংলাদেশে আর্ত মানবতার সেবায় কাজ করছে এ সংগঠনটি। দেশে ও প্রবাসে একযোগে কাজ করছে মানুষের কল্যাণে। প্রবাসে দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতেও প্রয়াস চালাচ্ছে তারা। এ লক্ষে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পথ মেলাসহ নানান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, প্রবাসে কর্ম ব্যস্ত জীবনের একটি দিন অন্তত নির্মল আনন্দে কাটবে এই প্রত্যাশায় আমরা এ ক্রুজ ভ্রমণের আয়োজন করেছি। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে এই আয়োজন সফল হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রথম বারের মত ক্রুজ পিকনিকের আয়োজন করে অভূত সাড়া পেয়েছি। সাড়ে ৪’শ টিকিট অল্প সময়ের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়। স্থান সংকুলানের অভাবে অনেকে ক্রুজ ঘাট থেকে ফিরে যান। যা আমাদের অনেক কষ্ট দিয়েছে। তাই আগামীতে ১ হাজার আসনের ক্রুজ নিয়ে পিকনিকের আয়োজন করবো। নির্মল বিনোদনসহ নিজ দেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে আগামীতে আরো ভালো অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রত্যাশা তার। এ জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন। ক্রুজ পিকনিকে সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী শাহ মাহবুব, কৃষ্ণা তিথী, তানভীর শাহীন, শারমিন তানিয়া প্রমূখ। শিল্পীদের সাথে দর্শকদের অনেকেও নেচে-গেয়ে উৎসবকে আরো প্রানবন্ত করে তুলে। ক্রুজ ভর্তি দর্শক প্রানভরে উপভোগ করেন তাদের অসাধারণ পরিবেশনা। অনুষ্ঠানে শিশুদের মনমুগ্ধকর নানা পরিবেশনাও সবাইকে আন্দোলিত করেছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে ক্রুজে অংশ গ্রহনকারী শিশুদের হাতে ফ্রি খেলনা তুলে দেয়া হয়। এদিকে ক্রুজ যাত্রার আগে সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনা জেটি প্রাঙ্গনে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আবদুস শহীদ, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর লুইস সিপুলভেদা, এসেম্বলীওম্যান ক্যারীনেস রেইস, ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এটর্নি মঈন চৌধুরী সহ অতিথি ও সংগঠনের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এসময় আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ইনকের পক্ষ থেকে নিউইয়র্ক এসেম্বলীওম্যান ক্যারীনেস রেইসকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আকর্ষনীয় এ ক্রুজ ভ্রমণের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের কর্মকর্তারা। ক্রুজ ভ্রমণে সাংস্কৃতিক পর্বের বিশেষ অংশ ‘ইউ এসএ নিউজ অনলাইন ডটকম’র ফেইসবুকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। অথিতিরা নির্মল মনোমুগ্ধকর এ আয়োজনের জন্য উদ্যোক্তাদের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, নির্মল আনন্দ সহ প্রবাসে বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মকে দেশের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করাতে এ আয়োজন অতুলনীয়।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের আয়োজনে ব্রিটিশ রাজনীতিকদের নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

লন্ডন অফিস: বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশাংসা করেছেন সর্বদলীয় ব্রিটিশ রাজনীতিকরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত এক দশকে বাংলাদেশ তাক লাগানো সফলতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে ব্রিটিশ এমপিরা বলেছেন বাংলাদেশের সাথে আরও ঘনিষ্ঠ বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য। তাঁরা বলেন, বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে মানবিকতার অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে।গত ২৭ মার্চ বুধবার লন্ডনে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আয়োজনে উপস্থিত হওয়া ব্রিটিশ রাজনীতিকদের সকলেই বাংলাদেশের এগিয়ে চলার প্রশংসা করেছেন। এদিন ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোটাভুটি থাকা স্বত্বেও ৬৫ জন এমপি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। এদের মধ্যে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ বিরোধী দল লেবার, লিবারেল ডেমোক্রেটস দলের এমপিসহ প্রভাবশালী ব্রিটিশ আইন প্রণেতারা উপস্থিত ছিলেন। ৩৪ জন এমপি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ট্যারেজ প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের এ আয়োজন করে। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও বিশেষ এই আয়োজনে যোগ দেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক এবং কাউন্সিলর সায়মা আহমদ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।অনুষ্ঠানের সভাপতি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ রাজনীতিকদের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। আর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বাংলাদেশের নানা উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। যুক্তরাজ্যকে আরও বেশি করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানান। গত কয়েক বছর ধরে ব্রিটিশ রাজনীতিকদের নিয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে এমন আয়োজন করছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ। অতীতের আয়োজনগুলোর চাইতে এবার আয়োজন ছিল আরও বেশি চমকপ্রদ। কেননা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এবং মানবাধিকতা নিয়ে ব্রিটিশ এমপিদের এমন উদার প্রশংসা আগে কখনো দেখা যায়নি।

অনেক এমপি জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বাংলার মানুষকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান। গণতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথচলা অব্যাহত থাকার প্রশংসা করে ব্রিটিশ এমপিরা বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্বাধীন জাতি হিসেবে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার অনন্য নজির স্থাপন করেছে। তাঁরা বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় কমিটির প্রধান অ্যান মেইন বাংলাদেশকে যুক্তরাজ্যের বেশ গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার পর বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ঘণিষ্ঠ বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা ভাবছে ব্রিটিশ সরকার। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের এই আইন প্রণেতা বলেন, কিছুদিন আগেই তিনি বাংলাদেশ সফর করেছেন। চলতি বছরের মধ্যেই আবার যাবেন। বিরোধী দল লেবার পার্টির আইন প্রণেতা জেস ফিলিপস বলেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে অভূতপূর্ণ উন্নয়ন সাধন করেছে। বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে তিনি কাজ করছেন বলে জানান। শিঘ্রই তাঁর বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা আছে। অন্যান্যদের মধ্যে ভ্যালেরি ভাজ, মাইক গেইফস, টেরি লয়েড, পল স্কালি, জনাথন অ্যাশওয়ার্থ সহ বিভিন্ন ব্রিটিশ রাজনীতিক বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলে প্রশংসা করেন। কিছু সংখ্যক বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বলে প্রশংসা করেন। লেবার দলের আইন প্রণেতা টবি লয়েড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্মৃতিচারণ করেন। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম বলেন, পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল ইসলামিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে। বাঙালিরা মুসলিম হলেও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী। মৌলিক সেই পার্থক্য মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কারণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন ব্রিটিশ রাজনীতিকদের এখন নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাঁরা বর্তমানের ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের পক্ষে থাকবে; নাকি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে ফিরে যাওয়া সমর্থন করবে। হাইকমিশনার ব্রিটিশ রাজনীতিকদের উদ্দেশে বলেন রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয়ের প্রশংসা করলে চলবে না। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে হবে- সেটিই হবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি ঘটে যাওয়া অন্যায়ের উপযুক্ত জবাব। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। উপস্থিত সকলে সমস্বরে গেয়েছেন জাতীয় সঙ্গীত। ছিল দেশাত্ববোধন গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশনা।ব্রিটিশ আইন প্রণেতাদের হাতে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার পরিসংখ্যান সহ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার তথ্য সম্বলিত প্রকাশণা সহ উপহার তুলে দেয়া হয়

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনে এমদাদুল হক সভাপতি, জুবায়ের সেক্রেটারি, আসম মাছুম কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন :

আনন্দঘন পরিবেশে অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে ফলাফলের মাধ্যমেই যবনিকা টানা হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নির্বাচন-২০১৯ । এবারের নির্বাচনে সৈয়দ নাহাস পাশা টিম ও এমদাদুল হক চৌধুরী,  এদুটি টিমে মোট ১৫টি পদের মধ্যে ৩০জন প্রার্থী হয়েছিলেন।  

রবিবার ( ২৭ জানুয়ারি ২০১৯) পূর্বলন্ডনের স্থানীয় একটি হলে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের ২০১৯-২০ কার্যকরী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের পূর্বে  একই ভ্যানুতে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে যুক্তরাজ্যের প্রেস ক্লাবের অধিকাংশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে ব্যাপক আলোচনায় অংশ গ্রহণ করে এজিএম কে প্রাণবন্ত করে তোলেন। এ সভায় সেক্রেটারি মোহাম্মদ জুবায়ের সম্পাদকীয় রিপোর্ট ,

ট্রেজারার আসম মাছুম বার্ষিক অর্থনৈতিক রিপোর্ট পেশ করেন এবং সভাপতি সৈয়দ নাহাস পাশা স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন-উত্তর পূর্বে উপস্থিত সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন । এজিএম শেষে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ২০১৯-২০ এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

এ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন এমদাদুল হক চৌধুরী ও মোহাম্মদ জুবায়েরের নেতৃত্বাধীন এমাদ-জুবায়ের প্যানেল। মোট ১৫টি পদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারীসহ ১০ টি পদ লাভ করেন এমাদ-জুবায়ের প্যানেল।

বিপরিতে ট্রেজারার, আইটি সেক্রেটারী ও কমিউনিকেশন সেক্রেটারীসহ মোট ৫টি পদ লাভ করেছেন সৈয়দ নাহাস পাশার নেতৃত্বাধীন টিম নাহাস পাশা। 

নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ নাহাস পাশাকে ১২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী। সাবেক সভাপতি সৈয়দ নাহাস পাশার মোট ভোটের সংখ্যা ১৫১ এবং মোহাম্মদ ইমদাদুল হক চৌধুরীর মোট প্রাপ্ত ভোট ১৬৩। 

সাধারণ সম্পাদক পদে সাংবাদিক মোহাম্মদ জুবায়ের ৭৯ ভোটের ব্যবধানে আনিসুর রহমান আনিছকে হারিয়ে পুন:নির্বাচিত হয়েছেন। মোহাম্মদ জুবায়ের পেয়েছেন ১৯২ ভোট, আনিসুর রহমান আনিছ পেয়েছেন ১১৩ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে সাংবাদিক আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুম তার আগের অবস্থান ধরে রেখেছেন।

এ নির্বাচনে সাবেক কোষাধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুম পেয়েছেন ২০০ ভোট, আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ পেয়েছেন ১০৭ ভোট।  আসম মাছুম পুন:নির্বাচিত হয়ে আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদকে ৯৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন। 

এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে মতিউর রহমান চৌধুরী হারিয়েছেন মোহাম্মদ সোবহানকে। মতিউর রহমান চৌধুরী ৫৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন গত বারের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ সোবহানকে। মতিউর রহমান চৌধুরীর প্রাপ্ত ভোট ১৭৮ আর মোহাম্মদ সোবহান পেয়েছেন ১২৫ ভোট।

কমিউনিকেশন সেক্রেটারি হিসেবে এম এ কাইয়ুম হারিয়েছেন জাকির হোসেন কয়েছ কে। এম এ কাইয়ুম এর প্রাপ্ত ভোট ১৬৪, জাকির হোসেন কয়েছ পেয়েছেন ১৩৯।

ট্রেনিং এন্ড রিসার্চ সেক্রেটারি হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইব্রাহিম খলিল মাত্র ৪ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন শক্ত প্রতিদন্দ্বি আহাদ চৌধুরী বাবু কে। 

সাবেক ট্রেনিং এন্ড রিসার্চ সেক্রেটারি  ইব্রাহিম খলিলের প্রাপ্ত ভোট ১৫৫, আহাদ চৌধুরী বাবু‘র প্রাপ্ত মোট ভোট ১৫১।

ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলজি সেক্রেটারি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আনোয়ার শাহজাহানকে হারিয়েছেন সালেহ আহমদ।

আনোয়ার শাহজাহানের মোট প্রাপ্ত ভোট ১২৮ আর সালেহ আহমদ পেয়েছেন ১৮০ ভোট। সালেহ আহমদ ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলজি সেক্রেটারি পদে পুন:নির্বাচিত হলেন।

ইভেন্টস এন্ড ফেসিলিটিজ সেক্রেটারি পদে আজহার ভুঁইয়াকে হারিয়েছেন রেজাউল করিম মৃধা। আজহার ভুঁইয়ার মোট প্রাপ্ত ভোট ১৩৫ আর রেজাউল করিম মৃধা পেয়েছেন ১৭১।

নির্বাহী সদস্য পদে মোট ৬টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন  মোট ১১ জন প্রার্থী।  বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন- আব্দুল কাইয়ুম ১৯১ ভোট, রুপি আমিন ১৬৫ ভোট, মো. এমরান আহমদ ১৫৭ ভোট, পলি রহমান ১৫৭ ভোট, নাজমুল হোসেইন ১৫৬ ভোট, এবং শাহনাজ সুলতানা ১৪৭ ভোট।

উল্লেখ্য নির্বাহীসদস্যপদে মোট ৬জন বিজয়ীর মধ্যে ৩ জনই নারী সদস্য বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে কমিশনের দায়িত্ব পালন করেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব বজলুর রশীদ এমবিই, আজিজ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার আনোয়ার বাবুল মিয়া। 

মারধর খেয়েও ক্যামেরা থেকে দৃষ্টি সরাননি নারী সাংবাদিক

ডেস্ক রিপোর্ট:

কর্তব্যে অবিচল থাকা এবং সাহসিকতার নিদর্শন প্রকাশ পেল এক মুসলিম নারী সাংবাদিকের কাছ থেকে। মারধর খেয়ে ও হেনস্থার শিকার হয়েও তিনি নিজ দায়িত্ব থেকে পিছ পা হননি।

ভারতে কেরালার কৈরালি টিভি চ্যানেলের চিত্র সাংবাদিক শাজিলা আব্দুর রহমান। এই কেরালায় শবরীমালা মন্দিরে নারী প্রবেশ নিয়ে চলছে ব্যাপক বিক্ষোভ। প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উত্তাল গোটা রাজ্য। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো ১২ ঘণ্টার বন্ধের ডাক দিয়েছিল রাজ্যে। আর সেই ঘটনার ফুটেজ ও ছবি আনতে গিয়েছিলেন তিনি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, সংবাদমাধ্যমও বাদ যায়নি বিক্ষোভকারীদের তাণ্ডব থেকে। শাজিলা আব্দুল রহমানও এই তাণ্ডবের শিকার হন।

এই নারী সাংবাদিক যখন ভিডিও করছিলেন তখন তার উপর হামলা করে বিক্ষোভকারী। তাকে কিল-ঘুসি, চড় মারা হয়। শুধু তাই নয়, হেনস্তাও করা হয়। নির্যাতনের কারণে তাকে কাঁদতে দেখা যায়। কিন্তু তিনি কাঁধ থেকে ক্যামেরা সরাননি।

মারধর খেয়েও ক্যামেরা থেকে দৃষ্টি সরাননি নারী সাংবাদিক শাজিলার সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরই তার প্রশংসা করেন অনেকে। তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা, সাহসিকতার প্রশংসার ঝড় উঠেছে। এর আগে মহিলা সাংবাদিকরা শবরীমালায় ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের রোষের মুখে পড়ে পিছু হাঁটতে হয়েছিল তাদের।

সুত্র- ইত্তেফাক

চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নতুন কেউ – কাল শুরু ফাইনালে ওঠার লড়াই

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
ফ্রান্স-বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে কে বিশ্বকাপ জিতবে এমন প্রশ্নের মধ্যেই নতুন কোনো দেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে এবার। বিশেষ করে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড আগে বিশ্বকাপ জিতলেও বেলজিয়াম ও ক্রোয়েশিয়া এর আগে কখনো শিরোপা জেতেনি।

আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাতে ফ্রান্স-বেলজিয়াম এবং এর পরদিন ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার সেমিফাইনাল লড়াইয়ের পরই বিষয়টি আরো পরিষ্কার হবে।

চারদলের মধ্যে যেই জিতুক একটা ব্যাপার পরিষ্কার, বিশ্বকাপ থাকছে ইউরোপেই। তাছাড়া ২১ শতকের এই বিশ্বকাপের লড়াইয়ে পঞ্চম একটি দেশ হতে যাচ্ছে চ্যাম্পিয়ন। কারণ ১৯৯৮ সালের পর প্রতিটি বিশ্বকাপে ভিন্ন কোনো দেশ ট্রফি জিতেছে। একুশ শতকের আসরগুলোয় ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ব্রাজিল। এর পরের আসরগুলো জিতেছে যথাক্রমে ইতালি, স্পেন ও জার্মানি।

গত শুক্রবার ব্রাজিলের বিদায়ে রাশিয়া বিশ্বকাপে ইউরোপের কোন দেশ যে কাপ জিতছে তা নিশ্চিত হয়ে যায়। ইউরোপে যে ১০ বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে তার মধ্যে ১৯৫৮’র আসরটিতেই কেবল অইউরোপীয় দেশ ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হয়।

বিশ্বকাপ এখন পর্যন্ত কেবল আটটি দেশই ঘুরে ফিরে জিতেছে। সেক্ষেত্রে বেলজিয়াম কিংবা ক্রোয়েশিয়ার সাফল্যে এবার নতুন চ্যাম্পিয়নেরও দেখা পেতে পারে ফুটবল বিশ্ব। তেমনটা না হলে পুরনো চ্যাম্পিয়ন ১৯৬৬ সালের জয়ী ইংল্যান্ড নয়ত ১৯৯৮ আসরের জয়ী ফ্রান্সের দ্বিতীয় সাফল্য দেখবে ফুটবলামোদীরা।

এবারের আসরে যে কটি দেশকে ফেবারিট ভাবা হয়েছিল তাদের মধ্যে শেষ চারে টিকে আছে বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড। বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্ম এবার কোয়ার্টার ফাইনালে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় করেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।

ফ্রান্স সেমিফাইনালে এসেছে শেষ আটে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে হারিয়ে। আগামিকাল মঙ্গলবার রাতে প্রথম সেমিফাইনালে পড়শি বেলজিয়ামকে হারাতে নিজেদের দৃঢ় অভিপ্রায়ের কথা জানিয়েছেন দলটির স্ট্রাইকার অলিভার জিরুদ।

এ লড়াইয়ের প্রাক্কালে জিরুদ রিপোর্টারদের জানান, তার দলসঙ্গীরা বেলজিয়াম সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন। কারণ তিনি নিজেসহ দুদলের অনেকেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলে থাকেন। তার মতে ফ্রান্সের দলটির যে মেধা ও অভিজ্ঞতা আছে তা দিয়ে গোলরক্ষক থিবট কোর্তোয়ার সামনে থাকা বেলজিয়ামের রক্ষণ দেয়ালকে ভাঙা যাবে।

জিরুদ বলেন, ‘কোর্তোয়ার বিরুদ্ধে খেলা কঠিন। এবারের বিশ্বকাপে সে খুবই ভালো খেলছে। তাছাড়া তার সামনে আছে ভালো একটা রক্ষণভাগ।’ তিনি আরো বলেন, ‘তারপরও ফাঁক থাকবে। সেটি কাজে লাগাতে হবে। আমি বুঝতে পারি যে, আমাদের পক্ষে এই দেয়াল ভাঙা সম্ভব হবে।’

বেলজিয়াম এবার স্পানিশ কোচ রবার্তো মার্টিনেজের অধীনে ফেবারিটের মর্যাদা রেখেই এগিয়ে চলেছে। মার্টিনেজ তার সহকারী হিসেবে রেখেছেন সাবেক ফরাসি স্ট্রাইকার, বিশ্বকাপ জয়ী থিয়েরি অরিকে। জিরুদ জানিয়েছেন, তিনি প্রমাণ করবেন তার স্বদেশী থিয়েরি অরি ভুল শিবির বেছে নিয়েছে।

সুত্র-ইত্তে:/বিডিএন