০২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় ন্যাচার লাউঞ্জের যাত্রা শুরু

  • Update Time : ০৩:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 13

বিশেষ প্রতিনিধি:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এক অসাধারণ প্রাকৃতিক পরিবেশে অতীত ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ নামক এক ব্যতিক্রমধর্মী ফ্যামিলি ডেস্টিনেশন। বিশুদ্ধ খাবার ও আধুনিক সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে গড়ে ওঠা এ ফ্যামিলি ডেস্টিনেশনটি রুচিশীল মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা শাহ শের আলী গ্রুপ এর প্রাণপুরুষ ও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার।
শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলার পাশের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বালুয়াকান্দি এলাকায় নির্মিত ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ ফ্যামিলি ডেস্টিনেশনের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ভেজাল বিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তি, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, ঢাকার সাবেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকন-উদ-দৌলা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, ‘ভ্রমণ’-এর সম্পাদক আবু সুফিয়ান, কবি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান তরুণ, বিটিভির ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’-র নাতি চরিত্রে অভিনয়শিল্পী শওকত আলী তালুকদার নিপু, উপস্থাপক ও টিভি নাট্য অভিনেতা শাহ সুলতান চৌধুরী (শাহেন শাহ), স্বদেশ মানব কল্যাণ সোসাইটি সহ-সভাপতি ও হাক্কানী পাল্প এন্ড পেপার মিলস লিঃ, চট্টগ্রাম এর ডিইরেক্টর মিসেস ফারহানা ফেরদৌন, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এর ম্যানেজার মিসেস ফাতেমা খাতুন রুমা, বিশিষ্ঠ সাংবাদিক হাছানুজ্জামান, সাংবাদিক সুরাইয়া মুন্নি, স্বদেশ মানব কল্যাণ সোসাইটির সদস্য,মাহফুজুল হক সোহাগ প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিবেশবিদ কাজী হাসান।

প্রায় দুই দশকের সেবার অভিজ্ঞতা, মানবকল্যাণের অঙ্গীকার এবং মানসম্মত বিপণন দর্শনের প্রতিফলন হিসেবে ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে উদ্যোক্তারা উল্লেখ করেন। এটি প্রচলিত হাইওয়ে রেস্টুরেন্টের ধারণাকে নতুন মাত্রা দিয়ে একই ছাদের নিচে মিলিয়েছে প্রকৃতি, বিশুদ্ধ খাবার, আধুনিক সেবা ও পারিবারিক বিনোদনের অনন্য সমন্বয়।
শত শত দেশি-বিদেশী গাছপালা, ২১টি দৃষ্টিনন্দন অ্যাকোয়ারিয়ামে রঙিন মাছের সমাহার এবং পাখির কলতানে ভরা এই নৈসর্গিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের মনের ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি এনে দেবে বিশুদ্ধ অক্সিজেনের নির্মল সংস্পর্শ। খাদ্যরসিকদের জন্য রয়েছে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু খাবারের সমাহার। এছাড়া শিশুদের জন্য কিডস জোন, জিম কর্নার, মেশিন ম্যাসাজ জোন ও নামাজের সুব্যবস্থাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে।

একই কমপ্লেক্সে রয়েছে শাহ শের আলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন, যেখানে সিএনজি, এলপিজি (অটোগ্যাস), অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। আরো রয়েছে অনন্যা মার্ট, আধুনিক জামে মসজিদ এবং ভ্রমণকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সেবা। ফলে এটি শুধু একটি রেস্টুরেন্ট নয়; বরং একটি সমন্বিত হাইওয়ে সার্ভিস কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে উঠেছে।
বিয়ে, জন্মদিন, করপোরেট সভা, সেমিনার ও অন্যান্য সামাজিক আয়োজনের জন্য রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, সবুজে ঘেরা আধুনিক অনুষ্ঠানস্থল। প্রশস্ত পার্কিং, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও আন্তরিক সেবার কারণে ন্যাচার লাউঞ্জ দূরপাল্লার যাত্রীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত মিলনকেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।
উল্লেখ্য, শাহ শের আলী গ্রুপের প্রথম প্রতিষ্ঠান শাহ শের আলী কোম্পানি ড্রেজিং ব্যবসার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ২০০০ সালে। পরবর্তীতে ‘শাহ শের আলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন’-এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে এবং ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি ওই সময়েই প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সেবার মানসিকতা এবং উন্নত গ্রাহকসেবার ধারাবাহিকতায় আজ যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’—যা ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম সেরা প্রকৃতি-নির্ভর হাইওয়ে ফ্যামিলি ডেস্টিনেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথি মো. রোকন-উদ-দৌলা বলেন, একজন সফল উদ্যোক্তা ও মানবতাবাদী সমাজসেবক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার, তিনি ব্যবসাকে কেবল মুনাফা অর্জনের মাধ্যম না ভেবে সমাজসেবার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
প্রধান অতিথি আরো বলেন,আধুনিক ব্যবসা জগতের অন্যতম মূল লক্ষ্য যেখানে একক মুনাফা কেন্দ্রিক, সেখানে কিছু ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব ব্যবসাকে মানবকল্যাণের উপায় হিসেবে দেখেন। এমনই একজন ক্ষণজন্মা ও দূরদর্শী উদ্যোক্তা হলেন ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার। তিনি একজন সফল কর্পোরেট ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি একজন প্রকৃত সমাজ হিতোষী ও মানবতার ফেরিওয়ালা। নৈতিকতা, সততা এবং জনকল্যাণকে মূল পুঁজি করে তিনি ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন, যেখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানুষের সেবাই তাঁর প্রধান
সভাপতির বক্তব্যে ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার বলেন আমি মনে করি, ব্যবসার প্রকৃত সাফল্য লুকিয়ে আছে মানুষের সন্তুষ্টি এবং সমাজের কল্যাণের মাঝে। আমার প্রতিটি ব্যবসায়িক উদ্যোগেই সামাজিক দায়িত্বশীলতার (ঈঝজ) প্রতিফলন ঘটে। মহাসড়কের পাশে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত কমপ্লেক্স গড়ে তোলার মাধ্যমে আমি মূলত দূরপাল্লার যাত্রী ও সাধারণ মানুষের যাত্রা সহজ. আরামদায়ক ও নিরাপদ করার চেষ্ঠা করেছি। আমার প্রচেষ্ঠা ভেজালমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে হাজারো পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে সমাজসেবা করা।
উপস্থিত বক্তার বলেন, ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলের বাইরে ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার একজন প্রকৃত মানবতার সেবক। সমাজহিতৈষী এই মানুষটি নীরবে-নিভৃতে নানামুখী সামাজিক ও কল্যাণমূলক কাজ করে চলেছেন।
তাঁর প্রতিটি বড় প্রজেক্টের সাথে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে মুসাফির ও স্থানীয়রা নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে তিনি প্রকৃতি-নির্ভর উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেন। শত শত দেশি-বিদেশি গাছপালা ও নৈসর্গিক পরিবেশের মাধ্যমে তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রাখছেন।
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে তিনি আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

উলেখ্য ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার প্রমাণ করেছেন যে, সততা ও সেবার মানসিকতা থাকলে ব্যবসাকেও ইবাদত ও সমাজসেবায় রূপান্তর করা সম্ভব। প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময়ের সেবার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি যেভাবে শাহ শের আলী গ্রুপকে এগিয়ে নিচ্ছেন, তা দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা। ব্যবসার মুনাফাকে মানবকল্যাণে বিলিয়ে দেওয়া এই মানবতার ফেরিওয়ালা সমাজের প্রতিটি স্তরে আজ শ্রদ্ধার পাত্র। তাঁর এই জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ ও সমাজ হিতোষী কর্মকাণ্ড দেশ ও জাতির উন্নয়নে চিরকাল ভাস্বর হয়ে থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আধুনিকতার ছোঁয়ায় ন্যাচার লাউঞ্জের যাত্রা শুরু

Update Time : ০৩:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এক অসাধারণ প্রাকৃতিক পরিবেশে অতীত ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ নামক এক ব্যতিক্রমধর্মী ফ্যামিলি ডেস্টিনেশন। বিশুদ্ধ খাবার ও আধুনিক সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে গড়ে ওঠা এ ফ্যামিলি ডেস্টিনেশনটি রুচিশীল মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা শাহ শের আলী গ্রুপ এর প্রাণপুরুষ ও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার।
শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলার পাশের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বালুয়াকান্দি এলাকায় নির্মিত ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ ফ্যামিলি ডেস্টিনেশনের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ভেজাল বিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তি, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, ঢাকার সাবেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকন-উদ-দৌলা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, ‘ভ্রমণ’-এর সম্পাদক আবু সুফিয়ান, কবি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান তরুণ, বিটিভির ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’-র নাতি চরিত্রে অভিনয়শিল্পী শওকত আলী তালুকদার নিপু, উপস্থাপক ও টিভি নাট্য অভিনেতা শাহ সুলতান চৌধুরী (শাহেন শাহ), স্বদেশ মানব কল্যাণ সোসাইটি সহ-সভাপতি ও হাক্কানী পাল্প এন্ড পেপার মিলস লিঃ, চট্টগ্রাম এর ডিইরেক্টর মিসেস ফারহানা ফেরদৌন, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এর ম্যানেজার মিসেস ফাতেমা খাতুন রুমা, বিশিষ্ঠ সাংবাদিক হাছানুজ্জামান, সাংবাদিক সুরাইয়া মুন্নি, স্বদেশ মানব কল্যাণ সোসাইটির সদস্য,মাহফুজুল হক সোহাগ প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিবেশবিদ কাজী হাসান।

প্রায় দুই দশকের সেবার অভিজ্ঞতা, মানবকল্যাণের অঙ্গীকার এবং মানসম্মত বিপণন দর্শনের প্রতিফলন হিসেবে ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে উদ্যোক্তারা উল্লেখ করেন। এটি প্রচলিত হাইওয়ে রেস্টুরেন্টের ধারণাকে নতুন মাত্রা দিয়ে একই ছাদের নিচে মিলিয়েছে প্রকৃতি, বিশুদ্ধ খাবার, আধুনিক সেবা ও পারিবারিক বিনোদনের অনন্য সমন্বয়।
শত শত দেশি-বিদেশী গাছপালা, ২১টি দৃষ্টিনন্দন অ্যাকোয়ারিয়ামে রঙিন মাছের সমাহার এবং পাখির কলতানে ভরা এই নৈসর্গিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের মনের ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি এনে দেবে বিশুদ্ধ অক্সিজেনের নির্মল সংস্পর্শ। খাদ্যরসিকদের জন্য রয়েছে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু খাবারের সমাহার। এছাড়া শিশুদের জন্য কিডস জোন, জিম কর্নার, মেশিন ম্যাসাজ জোন ও নামাজের সুব্যবস্থাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে।

একই কমপ্লেক্সে রয়েছে শাহ শের আলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন, যেখানে সিএনজি, এলপিজি (অটোগ্যাস), অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। আরো রয়েছে অনন্যা মার্ট, আধুনিক জামে মসজিদ এবং ভ্রমণকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সেবা। ফলে এটি শুধু একটি রেস্টুরেন্ট নয়; বরং একটি সমন্বিত হাইওয়ে সার্ভিস কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে উঠেছে।
বিয়ে, জন্মদিন, করপোরেট সভা, সেমিনার ও অন্যান্য সামাজিক আয়োজনের জন্য রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, সবুজে ঘেরা আধুনিক অনুষ্ঠানস্থল। প্রশস্ত পার্কিং, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও আন্তরিক সেবার কারণে ন্যাচার লাউঞ্জ দূরপাল্লার যাত্রীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত মিলনকেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।
উল্লেখ্য, শাহ শের আলী গ্রুপের প্রথম প্রতিষ্ঠান শাহ শের আলী কোম্পানি ড্রেজিং ব্যবসার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ২০০০ সালে। পরবর্তীতে ‘শাহ শের আলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন’-এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে এবং ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি ওই সময়েই প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সেবার মানসিকতা এবং উন্নত গ্রাহকসেবার ধারাবাহিকতায় আজ যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’—যা ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম সেরা প্রকৃতি-নির্ভর হাইওয়ে ফ্যামিলি ডেস্টিনেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথি মো. রোকন-উদ-দৌলা বলেন, একজন সফল উদ্যোক্তা ও মানবতাবাদী সমাজসেবক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার, তিনি ব্যবসাকে কেবল মুনাফা অর্জনের মাধ্যম না ভেবে সমাজসেবার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
প্রধান অতিথি আরো বলেন,আধুনিক ব্যবসা জগতের অন্যতম মূল লক্ষ্য যেখানে একক মুনাফা কেন্দ্রিক, সেখানে কিছু ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব ব্যবসাকে মানবকল্যাণের উপায় হিসেবে দেখেন। এমনই একজন ক্ষণজন্মা ও দূরদর্শী উদ্যোক্তা হলেন ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার। তিনি একজন সফল কর্পোরেট ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি একজন প্রকৃত সমাজ হিতোষী ও মানবতার ফেরিওয়ালা। নৈতিকতা, সততা এবং জনকল্যাণকে মূল পুঁজি করে তিনি ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন, যেখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানুষের সেবাই তাঁর প্রধান
সভাপতির বক্তব্যে ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার বলেন আমি মনে করি, ব্যবসার প্রকৃত সাফল্য লুকিয়ে আছে মানুষের সন্তুষ্টি এবং সমাজের কল্যাণের মাঝে। আমার প্রতিটি ব্যবসায়িক উদ্যোগেই সামাজিক দায়িত্বশীলতার (ঈঝজ) প্রতিফলন ঘটে। মহাসড়কের পাশে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত কমপ্লেক্স গড়ে তোলার মাধ্যমে আমি মূলত দূরপাল্লার যাত্রী ও সাধারণ মানুষের যাত্রা সহজ. আরামদায়ক ও নিরাপদ করার চেষ্ঠা করেছি। আমার প্রচেষ্ঠা ভেজালমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে হাজারো পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে সমাজসেবা করা।
উপস্থিত বক্তার বলেন, ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলের বাইরে ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার একজন প্রকৃত মানবতার সেবক। সমাজহিতৈষী এই মানুষটি নীরবে-নিভৃতে নানামুখী সামাজিক ও কল্যাণমূলক কাজ করে চলেছেন।
তাঁর প্রতিটি বড় প্রজেক্টের সাথে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে মুসাফির ও স্থানীয়রা নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে তিনি প্রকৃতি-নির্ভর উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেন। শত শত দেশি-বিদেশি গাছপালা ও নৈসর্গিক পরিবেশের মাধ্যমে তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রাখছেন।
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে তিনি আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

উলেখ্য ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার প্রমাণ করেছেন যে, সততা ও সেবার মানসিকতা থাকলে ব্যবসাকেও ইবাদত ও সমাজসেবায় রূপান্তর করা সম্ভব। প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময়ের সেবার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি যেভাবে শাহ শের আলী গ্রুপকে এগিয়ে নিচ্ছেন, তা দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা। ব্যবসার মুনাফাকে মানবকল্যাণে বিলিয়ে দেওয়া এই মানবতার ফেরিওয়ালা সমাজের প্রতিটি স্তরে আজ শ্রদ্ধার পাত্র। তাঁর এই জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ ও সমাজ হিতোষী কর্মকাণ্ড দেশ ও জাতির উন্নয়নে চিরকাল ভাস্বর হয়ে থাকবে।