স্টাফ রিপোর্ট:
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির নির্মিত জগন্নাথপুর উপজেলার রসুলগঞ্জ-কচুরকান্দি-লামাটুকের বাজার সড়কের রসুলগঞ্জ বাজারের পাশে ডাউকা নদীর ব্রীজের উত্তর পাড়ে অ্যাপ্রোচ বিধ্বস্ত হওয়ার দীর্ঘ দিন পেরিয়ে গেলেও সংস্লিষ্ট দপ্তর সংস্কারের উদ্যোগ না নেয়ায় অ্যাপ্রোচ স্থানে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় যে কোন মুহুর্তে যান বাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন স্থানীয় জনসাধারন।
বিধ্বস্ত অ্যাপ্রোচ দিয়ে ঝুকিপূর্ন ভাবে যান বাহন চলাচল করছে। বর্ষা শুরুতেই পার্শবর্তী হাওরের পানির প্রবল স্রোতে ব্রীজের উত্তর পাড়ের পশ্চিম পাশে অ্যাপ্রোচের মাটি সরে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়। এলাকা বাসী জানান, জগন্নাথপুর উপজেলা সদর থেকে পাটলী ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজার হয়ে মীরপুর ইউনিয়নের কচুরকান্দি, লামাটুকের বাজার সহ পাশ্ববর্তী ছাতক উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের একমাত্র সড়কটির রসুলগঞ্জ বাজারের পাশে ডাউকা নদীর ব্রীজের অ্যাপ্রোচটি বিধ্বস্ত হওয়ার দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এলজিইডি দপ্তরের চরম উদাসীনতার ফলে প্রতিনিয়ত অ্যাপ্রোচ এলাকায় ভাঙ্গনের ফলে যেকোন সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
অবিলম্বে ব্রীজের অ্যাপ্রোচ সংস্কারের দাবী জানান। পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক জানান ডাউকা নদীর রসুলগঞ্জ বাজার ব্রীজের অ্যাপ্রোাচ স্থানটি ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ভয়াভহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের ব্যাবস্থা না নেয়া হলে সরাসরি যোগাযোগ ব্যাবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। তিনি জানান জগন্নাথপুরের সাথে পার্শ্ববর্তী বিশ্বনাথ ও ছাতক উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের এক মাত্র সড়কটির যান বাহন চলাচল বন্ধ হলে জন ভোগান্তি বেড়ে যাবে। এলজিইডি দপ্তরকে জানানো হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা অফিস সূত্র জানান, ব্রীজের অ্যাপ্রোচ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার খবর পেয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। পানির প্রবল স্রোতে অ্যাপ্রোচ স্থান ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় সংস্কারের জন্য প্রাক্কলন তৈরী করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে পাঠানো হয়েছে।
জগন্নাথপুরের নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুল আলম মাসুম জানান উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনও যাওয়ার সুযোগ হয়নি। ডাউকা নদীর ব্রীজের অ্যাপ্রোচ বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরে জানানো হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের জন্য জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী দপ্তরে অবগত করা হবে।
জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব