০৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা

  • Update Time : ০৮:২৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • / 7

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষা করতে নরসিংদী পৌরসভা কার্যালয়সমূহকে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

রবিবার (১৯ জুলাই), নরসিংদী পৌরসভার সভাকক্ষে আয়োজিত ’টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ: নরসিংদী পৌরসভা অফিস প্রাঙ্গনকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা প্রদান করেন নরসিংদী পৌরসভার প্রশাসক মোছা. নাদিরা আখতার। ঘোষণায় জানানো হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬)- এর আলোকে নরসিংদী পৌরসভা অফিস প্রাঙ্গনে ধূমপান ও যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। যাতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত সেবাপ্রার্থীরা পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ না হন। পৌরসভার সকল কার্যালয়সমূহেও এই আদেশ কার্যকর হবে বলে তিনি জানান। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সেলিনা সুলতানা নিশিতা।

সভায় জানানো হয়, গ্লোবাল এডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস, ২০১৭) অনুযায়ী, ধূমপান না করেও গণপরিবহন, রেস্টুরেন্ট ও পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানে আক্রান্ত হন ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ। বর্তমানে বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭৮ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে যার মধ্যে ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটি ২০ লক্ষ। টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ এর তথ্যমতে, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মৃত্যু বরণ করে, পঙ্গুত্ব বরণ করে আরো কয়েক লক্ষ মানুষ।

বাংলাদেশ ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার Framework Convention on Tobacco Control (WHO FCTC)-এ স্বাক্ষর করে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন পাশ করে। এরপর আইনটি যুগোপযোগী করতে সর্বশেষ ২০২৬ সালে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬)’পাশ করা হয়। এই আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো হলো-পাবলিক প্লেস এবং সকল যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ; পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত এলাকা (DSA) রাখা নিষিদ্ধ; তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়স্থল (Point of Sale), সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, প্রেক্ষাগৃহ এবং চলচ্চিত্রে যেকোনো উপায়ে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ; সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির নামে কোনো তামাক কোম্পানির নাম, সাইন, ট্রেডমার্ক ও প্রতীক ব্যবহার এবং কোনো প্রতিষ্ঠানকে অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির নামে সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ; ১৮ বছরের নিচে কারো কাছে ও কারো দ্বারা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ; শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ; পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ‘নো-স্মোকিং সাইনেজ’ স্থাপন বাধ্যতামূলক ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তার প্রদত্ত বাণীতে ‘তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোর ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর’ বলে উল্লেখ করেছেন।

তাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষা করতে নরসিংদী পৌরসভা কার্যালয়সমূহে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিনা সুলতানা নিশিতা বলেন, “তামাক নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। সম্প্রতি পাস হওয়া ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬)’তার প্রমাণ। নরসিংদী পৌরসভা অফিসকে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য মুক্ত ঘোষণা করা নিঃসন্দেহে একটি দূরদর্শী ও জনস্বাস্থ্যবান্ধব উদ্যোগ। এই ঘোষণার মাধ্যমে নরসিংদী পৌরসভা শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই গ্রহণ করেনি, বরং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণে তাদের দৃঢ় অবস্থানেরও পরিচয় দিয়েছে। এটি দেশের অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত ও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।”

নরসিংদী পৌরসভার প্রশাসক মোছা. নাদিরা আখতার বলেন, “ধূমপানের কারণে যে শুধু ধূমপায়ীই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা নয়, বরং পাশে থাকা অধূমপায়ীরাও সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অধূমপায়ীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। নরসিংদী পৌরসভা ও এর আওতাধীন অফিসসমূহ যেহেতু পাবলিক প্রতিষ্ঠান এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬) অনুযায়ী সকল পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ, তাই এর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা দায়বদ্ধ। এই দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা এই অফিসে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আক্তার ডলি, নরসিংদী পৌরসভার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরাম, শিক্ষক ফোরাম ও ইয়ূথ ফোরামের প্রতিনিধিবৃন্দ। তারা সকলেই তামাকমুক্ত কর্মপরিবেশের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখপূর্বক এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা

Update Time : ০৮:২৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষা করতে নরসিংদী পৌরসভা কার্যালয়সমূহকে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

রবিবার (১৯ জুলাই), নরসিংদী পৌরসভার সভাকক্ষে আয়োজিত ’টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ: নরসিংদী পৌরসভা অফিস প্রাঙ্গনকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা প্রদান করেন নরসিংদী পৌরসভার প্রশাসক মোছা. নাদিরা আখতার। ঘোষণায় জানানো হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬)- এর আলোকে নরসিংদী পৌরসভা অফিস প্রাঙ্গনে ধূমপান ও যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। যাতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত সেবাপ্রার্থীরা পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ না হন। পৌরসভার সকল কার্যালয়সমূহেও এই আদেশ কার্যকর হবে বলে তিনি জানান। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সেলিনা সুলতানা নিশিতা।

সভায় জানানো হয়, গ্লোবাল এডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস, ২০১৭) অনুযায়ী, ধূমপান না করেও গণপরিবহন, রেস্টুরেন্ট ও পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানে আক্রান্ত হন ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ। বর্তমানে বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭৮ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে যার মধ্যে ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটি ২০ লক্ষ। টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ এর তথ্যমতে, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মৃত্যু বরণ করে, পঙ্গুত্ব বরণ করে আরো কয়েক লক্ষ মানুষ।

বাংলাদেশ ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার Framework Convention on Tobacco Control (WHO FCTC)-এ স্বাক্ষর করে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন পাশ করে। এরপর আইনটি যুগোপযোগী করতে সর্বশেষ ২০২৬ সালে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬)’পাশ করা হয়। এই আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো হলো-পাবলিক প্লেস এবং সকল যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ; পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত এলাকা (DSA) রাখা নিষিদ্ধ; তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়স্থল (Point of Sale), সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, প্রেক্ষাগৃহ এবং চলচ্চিত্রে যেকোনো উপায়ে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ; সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির নামে কোনো তামাক কোম্পানির নাম, সাইন, ট্রেডমার্ক ও প্রতীক ব্যবহার এবং কোনো প্রতিষ্ঠানকে অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির নামে সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ; ১৮ বছরের নিচে কারো কাছে ও কারো দ্বারা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ; শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ; পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ‘নো-স্মোকিং সাইনেজ’ স্থাপন বাধ্যতামূলক ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তার প্রদত্ত বাণীতে ‘তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোর ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর’ বলে উল্লেখ করেছেন।

তাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষা করতে নরসিংদী পৌরসভা কার্যালয়সমূহে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিনা সুলতানা নিশিতা বলেন, “তামাক নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। সম্প্রতি পাস হওয়া ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬)’তার প্রমাণ। নরসিংদী পৌরসভা অফিসকে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য মুক্ত ঘোষণা করা নিঃসন্দেহে একটি দূরদর্শী ও জনস্বাস্থ্যবান্ধব উদ্যোগ। এই ঘোষণার মাধ্যমে নরসিংদী পৌরসভা শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই গ্রহণ করেনি, বরং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণে তাদের দৃঢ় অবস্থানেরও পরিচয় দিয়েছে। এটি দেশের অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত ও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।”

নরসিংদী পৌরসভার প্রশাসক মোছা. নাদিরা আখতার বলেন, “ধূমপানের কারণে যে শুধু ধূমপায়ীই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা নয়, বরং পাশে থাকা অধূমপায়ীরাও সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অধূমপায়ীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। নরসিংদী পৌরসভা ও এর আওতাধীন অফিসসমূহ যেহেতু পাবলিক প্রতিষ্ঠান এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬) অনুযায়ী সকল পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ, তাই এর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা দায়বদ্ধ। এই দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা এই অফিসে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আক্তার ডলি, নরসিংদী পৌরসভার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরাম, শিক্ষক ফোরাম ও ইয়ূথ ফোরামের প্রতিনিধিবৃন্দ। তারা সকলেই তামাকমুক্ত কর্মপরিবেশের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখপূর্বক এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।