০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ জুন ২০২৯-এর মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

  • Update Time : ০৬:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 13

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম বলেছেন, জনগণের দুর্ভোগ কমাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। জুন ২০২৯ সালের মধ্যে মহাসড়কটির কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি আজ (শনিবার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে সাসেক ঢাকা- সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের চলমান কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি ফোর লেনের পাশাপাশি দুই পাশে সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভূমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ফলে ভূমি অধিগ্রহণের অগ্রগতি প্রায় ৫৬ শতাংশ, ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশ এবং ইউটিলিটি স্থানান্তরের অগ্রগতি প্রায় ৩৯-৪০ শতাংশে পৌঁছেছে।
তিনি জানান, প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে পাঁচটির কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। যেসব স্থানে কাজের গতি কম বা বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণ, বাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা ও অন্যান্য স্থাপনা, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন জটিলতা প্রকল্প বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
আশুগঞ্জ-সরাইল অংশের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ভারতের সহযোগিতায় এলওসির আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়কের কাজের অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় ৭০-৭৫ শতাংশ। একপর্যায়ে কাজটি প্রায় স্থবির হয়ে পড়লেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ায় তা এখন বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। চলমান বড় প্রকল্পের কারণে সাময়িক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করাই এর স্থায়ী সমাধান বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিন প্রকল্পটির কাজ প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি। বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা ও জবাবদিহিতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে মহাসড়কটি জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যেই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সাসেক ঢাকা- সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ কে এম ফজরুল করিমসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ জুন ২০২৯-এর মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

Update Time : ০৬:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম বলেছেন, জনগণের দুর্ভোগ কমাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। জুন ২০২৯ সালের মধ্যে মহাসড়কটির কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি আজ (শনিবার) হবিগঞ্জের মাধবপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে সাসেক ঢাকা- সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের চলমান কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি ফোর লেনের পাশাপাশি দুই পাশে সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভূমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ফলে ভূমি অধিগ্রহণের অগ্রগতি প্রায় ৫৬ শতাংশ, ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশ এবং ইউটিলিটি স্থানান্তরের অগ্রগতি প্রায় ৩৯-৪০ শতাংশে পৌঁছেছে।
তিনি জানান, প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে পাঁচটির কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। যেসব স্থানে কাজের গতি কম বা বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণ, বাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা ও অন্যান্য স্থাপনা, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন জটিলতা প্রকল্প বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
আশুগঞ্জ-সরাইল অংশের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ভারতের সহযোগিতায় এলওসির আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়কের কাজের অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় ৭০-৭৫ শতাংশ। একপর্যায়ে কাজটি প্রায় স্থবির হয়ে পড়লেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ায় তা এখন বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। চলমান বড় প্রকল্পের কারণে সাময়িক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করাই এর স্থায়ী সমাধান বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিন প্রকল্পটির কাজ প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি। বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা ও জবাবদিহিতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে মহাসড়কটি জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যেই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সাসেক ঢাকা- সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ কে এম ফজরুল করিমসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।