মো: আব্দুল হাই:
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ প্রায় দুই বছর সততা ও দক্ষতার সাথে জগন্নাথপুর উপজেলায় কর্মরত থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদোন্নতি পেয়ে নারায়ানগঞ্জ জেলায় বদলি হয়েছেন।
শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৭সালে এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনীর মাধ্যমে নাগরিকদের সেবাদানে ২০১৮সালে সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্বাচিত হন মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) তিনি নতুন কর্মস্থল নারায়ানগঞ্জ জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের উদ্দেশ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা ত্যাগ করেছেন।
জগন্নাথপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার থাকাকালীন সময়ে মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ দক্ষতা ও সুনামের সহিত সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষাসহ নাগরিক সেবাদানে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পদোন্নতি জনিত বদলি হওয়ায় উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান তাকে বিদাৃয়ী সবংর্ধনা প্রদান করেছেন।
বিসিএস ২৭তম ব্যাচের মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ২০১৬ সালের ১১ আগষ্ট জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের পর থেকে নাগরিক সেবার পাশাপাশি উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধিতে বিশেষ কার্যক্রমের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার কার্যক্রম সুনামের সহিত পরিচালনা করেছেন।
তিনি প্রশাসনিক কাজের ফাঁেক প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস লিখা ছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে কলাম লিখেছেন। ২০১৭সালে ঢাকায় ২১ শে বই মেলায় মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ’র লিখা শ্রুতি ও স্মৃতি নামে ছোট গল্পের প্রকাশিত বইটি পাঠক নন্দিত হয়েছে।
এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষার উপর “মিড-ডে মিল” “আনন্দ ঘন পরিবেশে শিখন শিখানো হলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ে” “প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টি মিডিয়া ক্লাস” “অসময়কে সুসময় করা যায়”সহ এধরনের অসংখ্য কলাম, গল্প, প্রবন্ধ, নাটক বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে।
অত্যন্ত হাস্যজ্জ্বল, সদালাপি, দক্ষ, কর্মঠ, সৎ ও ন্যায় পরায়ন মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ প্রশাসনের কর্মকতার্, কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ উপজেলার সর্বস্তরের নাগরিকদের আস্তা অর্জনে সক্ষম হন।
মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ’র লিখা “প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস” কলামটি ২০১৭ সালের ৭ অক্টোবর দৈনিক ইত্তেফাকে উপ-সম্পাদকীয় কলামে প্রকাশিত হয়।
জ.টুডে-৬ জুলাই ১৮/বিডিএন