০৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে শাহজাহান আলীকে অপহরনের পর নৃশংসভাবে হত্যা ॥ পুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে প্রধান ২খুনীসহ গ্রেফতার-৩

  • Update Time : ০৯:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুলাই ২০১৮
  • / 2474

স্টাফ রিপোর্ট:
ভুমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং গরু কেনা বেচাসহ গ্রাম্য নানা বিরোধের জের ধরে প্রতিশোধ মেটাতে অপহরনের পর চায়ের সাথে নেশা জাতীয় ট্যাবলেট মিশিয়ে অজ্ঞান করে নৃশংস কায়দায় হত্যার পর লাশ বস্তায় ঢুকিয়ে কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দেয়া হয় গ্রামের প্রতিবাদী যুবক শাহজাহান আলীকে (৩২)।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রৌয়াইল গ্রামে। নিহত শাহজাহান আলী জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক (আটঘর) গ্রামের মৃত মদরিছ আলীর ছেলে।

শাহজাহান আলী নিখোঁজ হওয়ার সাধারন ডায়েরীর সূত্র ধরে ১মাস ২২দিন পর জানাযায় প্রথমে অপহরনের ঘটনা এবং পরে নৃশংস হত্যাকান্ডের চিত্র গ্রেফতারকৃত খুনীদের কাছ থেকে প্রকাশ হওয়ায় লোম হর্ষক এ চাঞ্চল্যকর হত্যা কান্ডের ঘটনায় এলাকাবাসীকে হতবাক করেছে।

খুনীরা বস্তায় ইট বেধে শাহজাহান আলীকে নদীতে নিক্ষেপ করায় এখনো তার লাশ উদ্ধার হয়নি। তবে পুলিশ ও আদালতকে দেয়া ২খুনীর হত্যাকান্ডের বিভৎস চিত্র সূত্র ধরে পুলিশ শাহজাহান আলীর লাশ উদ্ধারে এবং এর সাথে জড়িত অন্যান্য খুনীদের দ্রুত গ্রেফতারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে শাহজাহান আলীকে অপহরনের দেড় মাস পর হত্যাকান্ডের মুটিভ উদঘাটন করায় এবং বিশেষ অভিযানে ৩ খুনীকে গ্রেফতার করায় এলাকাবাসী জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী সহ সকল কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

চাঞ্চল্যকর শাহজাহান আলী হত্যাকান্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত খুনীরা হচ্ছে জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক (কালাইন জোড়া) গ্রামের মৃত ইউনূছ উল্ল্যার ছেলে আল আমিন লিটন (৩৬), মৃত আবরুছ উল্ল্যার ছেলে মো: ফরুক মিয়া (৫৬), একই ইউনিয়নের উত্তর কালনীচর গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর ছেলে মো: সুহিন মিয়া (৩৫)।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আল আমিন লিটন ও সুহিন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্ধী প্রদান করেছে এবং হত্যাকান্ডের মূল ঘটনা বর্নণা করেছে। গত ২২ মে দুপুরে শাহজাহান আলী নিখোঁজ হলে তার বড় ভাই আব্দুস সামাদ ২৩ মে জগন্নাথপুর থানায় একটি নিখোঁজ সাধারন ডায়েরী রুজো করেন।

নিখোঁজ শাহজাহানকে উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আতিকুল আলম খন্দকার প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আতিকুল আলম খন্দকার তদন্তকালীন সময়ে শাহজাহান আলী অপহরন হয়েছে এমন তথ্য প্রমানে নিশ্চিত হন।

তদন্তকারী কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী নিখোঁজ শাহজাহান আলীর ভাই আব্দুস সামাদ গত ৬ জুলাই কয়েকজনের নামসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় অপহরন মামলা দায়ের করেন। এদিকে জগন্নাথপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমানের

সার্বিক তত্ত¡াবধানে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ওসি তদন্ত মো: আশরাফুল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার সাইফুল আলম, তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আতিকুল আলম খন্দকারসহ বিপুল সংখ্যক অফিসার ফোর্স টানা

৬দিন শ্বাসরুদ্ধকর বিশেষ অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (১৩ জুলাই) রাতে অপহরন ও হত্যার সাথে জড়িত আসামী আল অমিন লিটন ও সুহিন মিয়াকে তাদের নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেই শাহজাহান আলীকে অপহরন ও পরবর্তীতে হত্যাকান্ড সংঘঠিত করেছে বলে স্বীকারোক্তী দেয়।

পাশাপাশি নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত আরো কয়েকজনের নাম প্রকাশ করে। পরদিন শনিবার আসামীদের আদালতে পাঠানো হলে তারা স্বেচ্ছায় শাহজাহান আলীকে অপহরন ও হত্যাকান্ডে জড়িত রয়েছে মর্মে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।

এদিকে শনিবার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীর নেতৃতে অভিযানিক দল দিঘলবাক এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহজাহান আলী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামী ফরুক মিয়াকে গ্রেফতার করেন। গতকাল রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর থানার উপ-পরিদর্শক (সেকেন্ড অফিসার) সাইফুল আলম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন লিটন ও সুহিন মিয়ার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায়, নিহত শাহজাহান আলীর সাথে গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন লিটনের জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের পাশাপাশি গরু কেনা বেচাসহ বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে দিঘলবাক গ্রামের মৃত আবরুজ মিয়ার ছেলে ফরুক মিয়ার সাথে বিরোধসহ একাধিকবার ফরুক মিয়াকে অপমান করা হয়।

উক্ত বিরোধের জের ধরে লিটন ও ফরুক মিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী শাহজাহান আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার অংশ হিসেবে আসামী আল আমিন লিটন ৪ লাখ টাকা অর্থায়ন করে। হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ মে রাত ৯টায় হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সহযোগীরা শাহজাহান আলীকে দিঘলবাক কালাইনজোড়া বাজারে ডেকে আনে।

পরে আসামী আল আমিন লিটন, সুহিন মিয়া, ফরুক মিয়া সহ ৬/৭ জন মিলে ইঞ্জিন চালিত নৌকা যোগে শাহজাহান আলীকে সুন্দরী নারী ভোগ করার লোভ দেখিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রৌয়াইল গ্রামে হত্যাকারী আল আমিন লিটনের নানার বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে হত্যাকারীরা শাহজাহান আলীকে চায়ের সাথে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে পান করিয়ে দূর্বল করে।

পরে রশি দ্বারা গলায় শ্বাস রোধ করে হত্যা পর শাহজাহান আলীর লাশ কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দেয়। জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জানান, চাঞ্চল্যকর শাহজাহান আলী অপহরন ও পরে হত্যাকান্ডের মুটিভ উদঘাটন হয়েছে। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যান্য খুনীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জ.টুডে ১৫ জুলাই ১৮/এইচ কে

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে শাহজাহান আলীকে অপহরনের পর নৃশংসভাবে হত্যা ॥ পুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে প্রধান ২খুনীসহ গ্রেফতার-৩

Update Time : ০৯:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুলাই ২০১৮

স্টাফ রিপোর্ট:
ভুমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং গরু কেনা বেচাসহ গ্রাম্য নানা বিরোধের জের ধরে প্রতিশোধ মেটাতে অপহরনের পর চায়ের সাথে নেশা জাতীয় ট্যাবলেট মিশিয়ে অজ্ঞান করে নৃশংস কায়দায় হত্যার পর লাশ বস্তায় ঢুকিয়ে কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দেয়া হয় গ্রামের প্রতিবাদী যুবক শাহজাহান আলীকে (৩২)।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রৌয়াইল গ্রামে। নিহত শাহজাহান আলী জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক (আটঘর) গ্রামের মৃত মদরিছ আলীর ছেলে।

শাহজাহান আলী নিখোঁজ হওয়ার সাধারন ডায়েরীর সূত্র ধরে ১মাস ২২দিন পর জানাযায় প্রথমে অপহরনের ঘটনা এবং পরে নৃশংস হত্যাকান্ডের চিত্র গ্রেফতারকৃত খুনীদের কাছ থেকে প্রকাশ হওয়ায় লোম হর্ষক এ চাঞ্চল্যকর হত্যা কান্ডের ঘটনায় এলাকাবাসীকে হতবাক করেছে।

খুনীরা বস্তায় ইট বেধে শাহজাহান আলীকে নদীতে নিক্ষেপ করায় এখনো তার লাশ উদ্ধার হয়নি। তবে পুলিশ ও আদালতকে দেয়া ২খুনীর হত্যাকান্ডের বিভৎস চিত্র সূত্র ধরে পুলিশ শাহজাহান আলীর লাশ উদ্ধারে এবং এর সাথে জড়িত অন্যান্য খুনীদের দ্রুত গ্রেফতারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে শাহজাহান আলীকে অপহরনের দেড় মাস পর হত্যাকান্ডের মুটিভ উদঘাটন করায় এবং বিশেষ অভিযানে ৩ খুনীকে গ্রেফতার করায় এলাকাবাসী জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী সহ সকল কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

চাঞ্চল্যকর শাহজাহান আলী হত্যাকান্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত খুনীরা হচ্ছে জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক (কালাইন জোড়া) গ্রামের মৃত ইউনূছ উল্ল্যার ছেলে আল আমিন লিটন (৩৬), মৃত আবরুছ উল্ল্যার ছেলে মো: ফরুক মিয়া (৫৬), একই ইউনিয়নের উত্তর কালনীচর গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর ছেলে মো: সুহিন মিয়া (৩৫)।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আল আমিন লিটন ও সুহিন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্ধী প্রদান করেছে এবং হত্যাকান্ডের মূল ঘটনা বর্নণা করেছে। গত ২২ মে দুপুরে শাহজাহান আলী নিখোঁজ হলে তার বড় ভাই আব্দুস সামাদ ২৩ মে জগন্নাথপুর থানায় একটি নিখোঁজ সাধারন ডায়েরী রুজো করেন।

নিখোঁজ শাহজাহানকে উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আতিকুল আলম খন্দকার প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আতিকুল আলম খন্দকার তদন্তকালীন সময়ে শাহজাহান আলী অপহরন হয়েছে এমন তথ্য প্রমানে নিশ্চিত হন।

তদন্তকারী কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী নিখোঁজ শাহজাহান আলীর ভাই আব্দুস সামাদ গত ৬ জুলাই কয়েকজনের নামসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় অপহরন মামলা দায়ের করেন। এদিকে জগন্নাথপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমানের

সার্বিক তত্ত¡াবধানে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ওসি তদন্ত মো: আশরাফুল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার সাইফুল আলম, তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আতিকুল আলম খন্দকারসহ বিপুল সংখ্যক অফিসার ফোর্স টানা

৬দিন শ্বাসরুদ্ধকর বিশেষ অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (১৩ জুলাই) রাতে অপহরন ও হত্যার সাথে জড়িত আসামী আল অমিন লিটন ও সুহিন মিয়াকে তাদের নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেই শাহজাহান আলীকে অপহরন ও পরবর্তীতে হত্যাকান্ড সংঘঠিত করেছে বলে স্বীকারোক্তী দেয়।

পাশাপাশি নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত আরো কয়েকজনের নাম প্রকাশ করে। পরদিন শনিবার আসামীদের আদালতে পাঠানো হলে তারা স্বেচ্ছায় শাহজাহান আলীকে অপহরন ও হত্যাকান্ডে জড়িত রয়েছে মর্মে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।

এদিকে শনিবার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীর নেতৃতে অভিযানিক দল দিঘলবাক এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহজাহান আলী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামী ফরুক মিয়াকে গ্রেফতার করেন। গতকাল রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর থানার উপ-পরিদর্শক (সেকেন্ড অফিসার) সাইফুল আলম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন লিটন ও সুহিন মিয়ার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায়, নিহত শাহজাহান আলীর সাথে গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন লিটনের জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের পাশাপাশি গরু কেনা বেচাসহ বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে দিঘলবাক গ্রামের মৃত আবরুজ মিয়ার ছেলে ফরুক মিয়ার সাথে বিরোধসহ একাধিকবার ফরুক মিয়াকে অপমান করা হয়।

উক্ত বিরোধের জের ধরে লিটন ও ফরুক মিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী শাহজাহান আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার অংশ হিসেবে আসামী আল আমিন লিটন ৪ লাখ টাকা অর্থায়ন করে। হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ মে রাত ৯টায় হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সহযোগীরা শাহজাহান আলীকে দিঘলবাক কালাইনজোড়া বাজারে ডেকে আনে।

পরে আসামী আল আমিন লিটন, সুহিন মিয়া, ফরুক মিয়া সহ ৬/৭ জন মিলে ইঞ্জিন চালিত নৌকা যোগে শাহজাহান আলীকে সুন্দরী নারী ভোগ করার লোভ দেখিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রৌয়াইল গ্রামে হত্যাকারী আল আমিন লিটনের নানার বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে হত্যাকারীরা শাহজাহান আলীকে চায়ের সাথে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে পান করিয়ে দূর্বল করে।

পরে রশি দ্বারা গলায় শ্বাস রোধ করে হত্যা পর শাহজাহান আলীর লাশ কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দেয়। জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জানান, চাঞ্চল্যকর শাহজাহান আলী অপহরন ও পরে হত্যাকান্ডের মুটিভ উদঘাটন হয়েছে। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যান্য খুনীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জ.টুডে ১৫ জুলাই ১৮/এইচ কে