০১:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • Update Time : ১২:৫১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • / 15

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গ্রামবাংলার শতবর্ষের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে জগন্নাথপুর পৌরসভার হবিবপুর গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ২৫ জুলাই উপজেলার বাদাউড়া নদীর তীরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই নদীর দুই পাড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো দর্শনার্থী বাইচ উপভোগ করতে আসেন।

বৃহত্তর সিলেট বিভাগ থেকে ১৮টি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। দিনব্যাপী সেমিফাইনাল পর্যন্ত বাইচ সম্পন্ন হয়। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়নি বলে আয়োজক কমিটি জানায়।

পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে থাকা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর কামাল হোসেন জানান, সেমিফাইনালে ময়ূর পংকি রঙ্গিন উড়াল নৌকাকে পরাজিত করে ফাইনালে উঠেছে। অপর সেমিফাইনাল জলপবন জগন্নাথপুর ও দ্বীন মোহাম্মদ নৌকার বাইচ স্থগিত করা হয়েছে। হবিবপুর গ্রামবাসী আলোচনা করে পরবর্তীতে সবার উপস্থিতিতে ফাইনাল ও সমাপ্তি করা হবে।

স্থানীয়রা বলেন, নৌকা বাইচ শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটি গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক।

Please Share This Post in Your Social Media

ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

Update Time : ১২:৫১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গ্রামবাংলার শতবর্ষের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে জগন্নাথপুর পৌরসভার হবিবপুর গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ২৫ জুলাই উপজেলার বাদাউড়া নদীর তীরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই নদীর দুই পাড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো দর্শনার্থী বাইচ উপভোগ করতে আসেন।

বৃহত্তর সিলেট বিভাগ থেকে ১৮টি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। দিনব্যাপী সেমিফাইনাল পর্যন্ত বাইচ সম্পন্ন হয়। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়নি বলে আয়োজক কমিটি জানায়।

পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে থাকা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর কামাল হোসেন জানান, সেমিফাইনালে ময়ূর পংকি রঙ্গিন উড়াল নৌকাকে পরাজিত করে ফাইনালে উঠেছে। অপর সেমিফাইনাল জলপবন জগন্নাথপুর ও দ্বীন মোহাম্মদ নৌকার বাইচ স্থগিত করা হয়েছে। হবিবপুর গ্রামবাসী আলোচনা করে পরবর্তীতে সবার উপস্থিতিতে ফাইনাল ও সমাপ্তি করা হবে।

স্থানীয়রা বলেন, নৌকা বাইচ শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটি গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক।