মুক্তিযোদ্ধারা কাঁদলে বাংলাদেশও কাঁদবে- এমপি আমীর এজাজ খান
- Update Time : ১১:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / 10

খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনা-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমীর এজাজ খান বলেছেন, “মুক্তিযোদ্ধারা হাসলে বাংলাদেশ বাঁচবে, আর তাঁরা কাঁদলে কাঁদবে পুরো বাংলাদেশ। তাঁরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ নির্মাণ করেছিলেন বলেই আজ আমরা দেশ পরিচালনার মতো বড় বড় দায়িত্বে নিয়োজিত হতে পেরেছি। তাই মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসন্মান করলে দেশ অনগ্রসর হয়ে পড়বে।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টায় বটিয়াঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে এবং বটিয়াঘাটা উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির পৃথক দুটি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আলহাজ্ব আমীর এজাজ খানকে বটিয়াঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের পক্ষ থেকে এক সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য সেবার গুরুত্ব তুলে ধরে এমপি বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে সঠিক স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার অধিকার অন্যতম। বর্তমান সরকার প্রধান তারেক রহমান প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে। চিকিৎসকরা যদি নিজস্ব আন্তরিকতা নিয়ে রোগীদের সেবা দেন, তবে দেশ একটি সুস্থ জাতি উপহার পাবে এবং বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহারের জন্য ৫০টি চেয়ার এবং বটিয়াঘাটা উপজেলা হাসপাতালের ওটির (অপারেশন থিয়েটার) সুবিধার জন্য একটি আইপিএস, জেনারেটর ও একটি সাবমার্সিবল টিউবওয়েল প্রদানের ঘোষণা দেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদাউস সেখ-এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃমোঃ ওয়াহিদুজ্জামান এর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পৃথক সভা দুটি অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার থান্দার কামরুজ্জামান, বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী গৌতম কুমার মন্ডল, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ খালিদ, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বিনয় কৃষ্ণ সরকার ও মনোরঞ্জন মন্ডল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফারুক হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও এমপি প্রতিনিধি এম. ডি. খায়রুল ইসলাম জনি, আরএমও ডাঃ রাহুল বিশ্বাস, ডাঃ সুমন ঘোষ, ডাঃ দেবজ্যোতি বৈরাগী, ডাঃ মোমিনুর রহমান, ডাঃ রফিকুল ইসলাম, ডাঃ মঈনুল ইসলাম, ডাঃ শাহরুখ হাসান, ডাঃ মাকসুদুল হক সৌরভ, ডাঃ অনিকা তাসনীম, ডাঃ লামিয়া রহমান মৌমি, ডাঃ তানুশকা সূচী, ডাঃ নিগার সুলতানা, ডাঃ জান্নাতুল নেওয়াজ, ডাঃ সৌমিত্র রায়, ডাঃ তিথী রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, নিরঞ্জন কুমার রায়, জিয়াউর রহমান জিকু, অনাদি সরকার, প্রশান্ত গোলদার, বৃহস্পতি রায়, বিধান দত্ত, মনোরঞ্জন কবিরাজ, মৃণাল বিশ্বাস, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম, যুবদল নেতা বাহাদুর মুন্সী, বিএনপি নেতা শফিক মৌলঙ্গী, ইমরান হোসেন মোল্ল্যা, পলাশ মহলদার, নুর আলম ভূঁইয়া, নাসির সেখ, সেলিম মোল্ল্যা ও মোক্তাদির টুটুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।



















