জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী আবারো জেলার শ্রেষ্ট হয়েছেন

মো:আব্দুল হাই:
জগন্নাথপুরে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে নৈপুন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ৬ষ্ট বারের মতো সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ হয়েছেন মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।

সোমবার (১২ নভেম্বর) সুনামগঞ্জ পুলিশ লাইনসে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ ও কল্যাণ সভায় সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: বরকতুল্লাহ খান জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীর হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেন। এসময় পুলিশের কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে দিক নির্দেশনার জন্য পুলিশ সুপার বরকতুল্লাহ খানকে অভিন্দন জানিয়েছেন জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী। পাশাপাশি আন্তরিক ভাবে কাজ করার জন্য থানার সকল অফিসার ফোর্সদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। সততা দক্ষকতা আন্তরিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন কারী সদা হাস্যজ্জ¦ল সাহসী চৌকস পুলিশ কর্মকতা মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জগন্নাথপুর থানার আইন শৃংখলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য নেলসন ম্যান্ডেলা পিস এ্যাওয়ার্ড ও সনদ পেয়েছেন।

গত ২৩ অক্টোবর ঢাকায় মানবাধিকার জোটের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্টানে তাকে এ্যাওয়ার্ড ও সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে। তাকে দেয়া সনদ পত্রে উল্লেখ করা হয়, আন্তরিকতার সাথে আইন শৃংখলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রেখেছেন, নিঃসন্ধেহে এই অবদান কৃতিত্বপূর্ণ। আপনি দেশ ও জাতির গৌরব, মহতি কর্মকান্ড দেশ ও জাতীর অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথ উন্মোচনে অতিশয় ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এম পি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক এম পি, মানবাধিকার জোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. গোলাম মাওলা, প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি সিকদার মকবুল হক, মহাসচিব সাংবাদিক মিলন মল্লিক সহ গুনীজন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও তিনি আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে নৈপুন্য অবদান এবং সর্বোচ্চ গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল করায় চলতি বছরের ১১ আগষ্ট সুনামগঞ্জ পুলিশ লাইনসে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ ও কল্যাণ সভায় ৫ম বারের মতো সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ ওসি হয়েছিলেন। এপ্রিল মাসে গণধর্ষন মামলার মূল রহস্য উৎঘাটন আসামী গ্রেফতারসহ গুরুত্বপূর্ন ভুমিকায় ও জুন মাসে গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল,

আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভুমিকা রাখায় এবং জুলাই মাসে একই অবদানের জন্য ও গত বছরের নভেম্বর মাসে অস্ত্র উদ্ধার, ডাকাত এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ অপরাধ দমনে বিশেষ ভুমিকা রাখায় জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ ও কল্যাণ সভায় জেলার শ্রেষ্ট হয়েছিলেন জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।তাকে শ্রেষ্ট সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করেছেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: বরকতুল্লাহ খান।

এদিকে অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জগন্নাথপুর থানায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অপরাধী গ্রেফতার, কুখ্যাত চোর,ডাকাত অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে সফলতা অর্জন এবং থানার প্রতিটি এলাকায় আইন শৃংঙখলা পরিস্থিতি উন্নতি কল্পে কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করনে প্রসংশিত হয়েছেন।

অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী তার এই সাফল্যের জন্য জেলার পুলিশ সুপার মো: বরকতুল্লাহ খান, জেলা পুলিশের কর্মকর্তা বৃন্দ ও জগন্নাথপুর থানার অফিসার ফোর্স এবং জনসাধারণের প্রতি অভিন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যৎ কর্ম জীবনের সাফল্য অর্জনে দোয়া কামনা করেছেন।

জ.টুডে- বি ডি নাথ

জি.সি.ও.সি ইন ইউকের দ্যা সাউথ রিজিওনের এ.জিএম অনুষ্ঠিত

লন্ডন অফিস: 

গ্রেটার সিলেট ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইন ইউকের দ্যা সাউথ রিজিওনের বার্ষিক সাধারন সভা গত ৪ নভেম্বর গ্লস্টারের ব্ল জিনজার রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয় ।

এতে সভপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আরজু মিয়া এমবিই ।সভা পরিচালনা করে সাধারন সম্পাদক এম এ গণি । এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুইন্ডন কাউন্সিল মেয়র জোনাব আলী।

সভায় সাধারন সম্পাদকের প্রতিবেদন এম এ গনি ও কোষাধ্যক্ষ মোস্তাক আহমদ আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করেন । সভায় অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী , গ্লোস্টার বাংলাদেশ এসোশিয়েশনের সভাপতি আব্দুল গনি,

সুইন্ডম বাংলাদেশী এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সালেহ আহমদ, ওরচেষ্টারের সাবেক কাউন্সিলর নুরুল হক, কবি মোঃ খালেদ খান, সাংবাদিক দারা হোসেন, মুহিবুল হোসেন, মইনুল ইসলাম, নানু মিয়া, দারা মিয়া রাজু প্রমুখ ।

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

জগন্নাথপুরে নানান আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে মরমী সাধক কবি রাধারমন দত্তের ১০৩ তম প্রয়ান দিবস

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুরে ২দিন ব্যাপী নানান আয়োজনে লোক ঐতিহ্যের ধারক বৈঞ্চব পদাবলীর মহা রাজা মরমী সাধক কবি রাধারমন দত্তের ১০৩ তম প্রয়ান দিবস সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে রাধারমন সমাজ কল্যান সাংস্কৃতিক পরিষদ রাধারমন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত জন্ম মাটি জগন্নাথপুর

উপজেলার পৌর শহরের কেশবপুরে রাধারমন স্মৃতি কমপ্লেক্্েরর নির্ধারিত স্থানে শুক্র ও শনিবার আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের আয়োজন ছাড়াও উৎসব প্রাঙ্গনে বসে গ্রামীণ সংস্কৃতির মেলা। বিপুল সংখ্যক ভক্ত অনুরাগীদের পাশাপাশি সংগীত ও বিনোদন প্রেমিদের উপস্থিতিতে রাধারমন

স্মৃতি কমপ্লেক্্েরর নির্ধারিত স্থানসহ পুরো এলাকা জুড়ে বিপুল আনন্দ উৎসবের সৃষ্টি হয়। শুক্রবার প্রয়ান দিবস উপলক্ষ্যে উদ্বোধনী অনুষ্টানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান বলেছেন রাধারমন দত্ত ছিলেন উপমহাদেশের একজন আধ্যাত্মিক মহান সাধক কবি।

ইতোমধ্যে রাধারমনের স্মৃতিকে জাগ্রত করে রাখতে রাধারমন স্মৃতি কমপ্লেক্্র নির্মান কাজ দ্রুত শুরু করনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি যুক্তরাজ্য প্রবাসী জিলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও জগন্নাথপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক অনন্তপালের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন

জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, কলকলিয়া শাহজালাল কলেজের অধ্যক্ষ এম এ মতিন, জেলা পরিষদের সদস্য মাহতাবুল হাসান সমুজ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব,

পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক, পৌরসভার প্যানেল মেয়র শফিকুল হক শফিক, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাজি ইকবাল হোসেন ভুইয়া, পৌর কাউন্সিলার গিয়াস উদ্দিন মুন্না, রাধারমন সমাজ কল্যান সাংস্কৃতিক পরিষদের সাধারন সম্পাদক পৌর কাউন্সিলার তাজিবুর রহমান, পৌর আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক শুকুর আলী ভুইয়া,

রাধারমন সমাজ কল্যান সাংস্কৃতিক পরিষদের সাবেক সভাপতি বর্তমান উপদেষ্টা যুক্তরাজ্য কমিউনিটি নেতা সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রিয়মূখ সাংবাদিক আনহার মিয়া মুন্না, পৌর কাউন্সিলার দিলোয়ার হোসাইন, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফরোজ ইসলাম মুন্না প্রমূখ।

১ম দিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের শিল্পী ও যন্ত্র শিল্পী অর্থায়ন করেছেন লন্ডন প্রবাসী মো: জিলু মিয়া। অনুষ্টানে সংগীত পরিবেশন করেন প্রবীণ শিল্পী মকদ্দুছ আলম উদাসী, ঢাকার শিল্পী দ্বিপা মনি সরকার, কুষ্টিয়ার শিল্পী লাবণী সরকার, জগন্নাথপুরের শিশু শিল্পী প্রতিব্রতা দেব স্নেহা, বেতারের বাউল শিল্পী শাহ মো: ছুরত আলী,

রাধারমন সমাজ কল্যান সাংস্কৃতিক পরিষদের শিল্পী শাহ মো: হারুন মিয়া, ফয়ছল গনি শাহ, শিল্পী তাসলিমার অর্থায়নে কামার কালের মো: জুয়েল মিয়া, নবীগঞ্জ উপজেলার মিলনগঞ্জের তাসলিমা আক্তার তাসলি।

২য় দিন শনিবার সাংস্কৃতিক অনুষ্টানে রাধারমন সমাজ কল্যান সাংস্কৃতিক পরিষদের সাবেক সভাপতি লন্ডন প্রবাসী কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা সমাজ কর্মী রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রিয় মূখ সাংবাদিক আনহার মিয়া মুন্নার সার্বিক অর্থায়নে সংগীত পরিবেশন করেছেন ঢাকার শিল্পী ঝিনুক দেওয়ান, দিপ্তী সরকার, কামাল হোসেন,

প্রবীণ শিল্পী মকদ্দুছ আলম উদাসী, জগন্নাথপুরের শিশু শিল্পী প্রতিব্রতা দেব স্নেহা, বেতারের বাউল শিল্পী শাহ মো: ছুরত আলী, রাধারমন সমাজ কল্যান সাংস্কৃতিক পরিষদের শিল্পী শাহ মো: হারুন মিয়া, ফয়ছল গনি শাহ। এবং জগন্নাথপুর শিল্পকলা একাডেমী, উদীচী শিল্পীগোষ্টী ছাড়াও স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেছেন।

রাধারমন দত্তের প্রয়ান দিবস উপলক্ষ্যে ২দিন ব্যাপী আয়োজিত অনুষ্টান সুন্দর ও সুশৃংখল ভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, এলাকাবাসী সহ অনুষ্টানে বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা পরিষদের সদস্যদের প্রতি অভিনন্দন ও

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রাধারমন সমাজকল্যান সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি জিলু মিয়া, সাধারন সম্পাদক পৌর কাউন্সিলার তাজিবুর রহমান, সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা আনহার মিয়া মুন্নাসহ পরিষদের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

যুব লীগের প্রতিষ্টা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুর পৌর যুবলীগের র‌্যালী আলোচনাসভা

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুর পৌর যুবলীগের উদ্যোগে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে। রবিবার ( ১১ নভেম্বর) বিকেলে বর্ণাঢ্য র‌্যালী পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।

পৌর পয়েন্টে একটি হোটেলের সেমিনার হলে পৌর যুবলীগ নেতা সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও আবুল ফজলের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন পৌর যুবলীগ নেতা সৈয়দ জিতু মিয়া, মুরাদ আহমদ, রাসেল আহমদ, আজাদ মাহমুদ, রাজিব চৌধুরী বাবু,

নেহার তালুকদার, বিশ্ব বৈদ্য, সুবীর বিজয় চৌধুরী, আমিনুর রশীদ ভুইয়া, শফিউল করিম সুয়েব, আক্তার হোসেন, মো: জাকারিয়া, জুবেল আহমদ, মো: তাজুল ইসলাম, শেখ সুমন, শিফুল মিয়া, মুহিবুর রহমান লিটু প্রমূখ।

বক্তারা যুবলীগের প্রতিষ্টা বার্ষিকীর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে ভোট প্রদানে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান। আলোচনা সভার পূর্বে কেক কেটে প্রতিষ্টা বার্ষিকীর আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেন যুবলীগ নেতাকর্মীরা।    বিজ্ঞপ্তি

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

জগন্নাথপুরে যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালন

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুরে যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন লালনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাজি ইকবাল হোসেন ভুইয়া,

সাংস্কৃতিক সম্পাদক শুকুর আলী ভুইয়া, কলকলিয়া ইউনিযন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দ্বিপাল কান্তি দে দিপাল, সহ-সভাপতি নুরুল হক, পৌর আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাহবুব, এম ফজরুল ইসলাম, সালেহ আহমদ,

দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক মিয়া, এনামুল হক এনাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের রুহান, জুবেদ খান, দপ্তর সম্পাদক দিলদার মিয়া মিঠু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু জিলানী আবু, সহ সম্পাদক রমজান আলী ছানা, যুবলীগ নেতা কবির মালদার, কবির আহমদ,

জাহাঙ্গীর খান, পৌর যুবলীগ নেতা আকমল হোসেন ভুইয়া, সিদ্দিকুর রহমান, সৈয়দ জিতু মিয়া, রাসেল মিয়া, আক্তার মিয়া, রাজিব চৌধুরী বাবু, সুমন মিয়া, সাফরোজ ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আব্দুল আহাদ, মুহিবুর রহমান, আব্দুল আহাদ দুলন, সুজাত মিয়া, রাজিব তালুকদার, শিশু মিযা, জাবির মিয়া, আখলাক মিয়া,

রেজাউল করিম রেজা, আবুল কালাম, সাজাদ খান, কিরন বৈদ্য, জাকির হোসেন, সৈয়দ নিজাম, রায়হান কামালী শিশু, কয়ছর রশীদ, আব্দুল কাইয়ুম, কামরুল বক্স, আনা মিয়া, হারুন মিযা, রিজু সুলতান, শালেহ তালুকদার, জাবেদ মিয়া, কামাল হোসেন, গোলাম রাব্বানী, মাহবুব হোসেন মিঠু, ফজলুর রহমান মনাই,

তমির হোসেন, দোলা মিয়া কামালী, নুরজ্জামাল, আফরোজ আলী, তোফায়েল আহমদ, ওলিউর রহমান প্রমূখ। আলোচনা সভার শুরুতে প্রতিষ্টা বার্ষিকীর কেক কাটা হয়। এদিকে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন মাদার তেরেসা এ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় তাকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অভিনন্দন জানান।

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

র‌্যাবের অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী আটক

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের লেঃ কমান্ডার ফয়সল আহমদের নেতৃত্বে একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১১ নভেম্বর) অভিযান চালিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার

ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী মোঃ গোলাম রাব্বি জুহিন (২৭) কে আটক করেছে। ধৃত আসামী সুনামগঞ্জ সদর থানার আরপিননগর এলাকার বন্ধন-৫৪ বাসার মৃত আব্দুল হাদির ছেলে।

র‌্যাব-৯ সিলেটের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় আটককৃত আসামীকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

ফেইক নিউজ পুরোনো সংস্কৃতি- লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের আলোচনায় সৈয়দ বদরুল আহসান

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, যুক্তরাজ্য :
লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের আয়োজনে এবং টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সহযোগিতায় ফেইক নিউজ এন্ড ট্র নিউজ-শিরোনামে এক বিশেষ আলোচনা লন্ডনের কুইনম্যারী ইউনির্ভাসিটির একটি হলে অনুষ্ঠিত হলো।

মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ নাহাস পাশার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জুবায়েরের পরিচালনায় এতে মূখ্য আলোচক ছিলেন দ্যা এশিয়ান এইজ এর এডিটর ইনচার্য সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসান।

সৈয়দ বদরুল আহসান বলেন, ফেইক নিউজ সংস্কৃতি শত-সহস্র বছর পুরোনো। বিশ্ব ইতিহাসের অনেক কংকজনক অধ্যায়ের সাথে ফেইক নিউজের সম্পর্ক ছিলো। অবাধ তথ্য প্রবাহের সাম্প্রতিক এ ডিজিটাল যুগে কোন খবর যেমন লুকিয়ে রাখা কঠিন,

ঠিক তেমনি এর সুযোগ নিয়ে ভূয়া খবর তৈরী ও প্রচারের মাধ্যমে সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রিয় অস্থিরতা সৃষ্টির ঘটনাও ঘটছে অহরহ। তিনি বলেন, ভূয়া খবর তৈরী বা প্রচার শুধুই যে বাংলাদেশে ঘটছে বা ঘটেছে তা নয়, এই ব্যাধিতে সারা বিশ্বই আক্রান্ত।

অতীতের ইতিহাসের সভ্যতা বিধ্বংসী কিছু ঘটনার উদাহরণ দিতে গিয়ে বাংলাদেশের প্রবীন এই সাংবাদিক বলেন, অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্র সৃষ্টিতে ভূয়া নিউজ মূল ভূমিকা রেখেছে,

ইতিহাসে এমন অহরহ ঘটনা রয়েছে। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সমালোচনাও করেন। সৈয়দ বদরুল বলেন, ভিয়েতনামী নৌবাহিনী আমেরিকান যুদ্ধ জাহাজ আক্রমন করেছে এমন খবরে ১৯৬৪ সালে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বেইন্স জনসন ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনায় কংগ্রেসের নিরঙ্কুশ অনুমোদন দিয়েছিলেন,

যা পরবর্তীতে মিথ্যে প্রমানিত হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের ইরাক আক্রমন, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের প্রতীক হিসেবে বাসন্তীকে উপস্থাপন, ১৯৭৪ সালে শাহ আজিজুর রহমানকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ওআইসি সম্মেলনে গমন,

২০১৩ সালে বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে হাজারো হেফাজত কর্মী নিহত হওয়া এবং চাঁদে জামাত নেতা সাঈদীর অবয়ব দেখা, ইতিহাস সাক্ষি দেয়া এ সব ঘটনাই ছিলো ভূয়া খবর বা ফেইক নিউজ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলা টিভির সাবেক ডিরেক্টর সাংবাদিক শামসুল আলম লিটন। অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহবুব রহমান, ট্রেজারার আ স ম মাসুম, আটি সেক্রেটারী সালেহ আহমদ, ইসি মেমবার রহতম আলী ও পলি রহমাসহসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের সঙ্গে সাক্ষাৎ

লন্ডন অফিস:
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ‘উইমেন এমপিস অব দ্য ওয়াল্ড’ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য লন্ডনে অবস্থানকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।

স্পিকার ‘উইমেন এমপিস অব দ্য ওর্য়াল্ড’ সম্মেলনের সফলতা কামনা করেন এবং নিমন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। ’ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে সম্মেলনে আগতদের চারটি ছবি প্রকাশিত হয়।

এতে প্রথম ছবিটিই প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর। নারী এমপিদের ১০০ বছর উদযাপন উপলক্ষে এবারের সম্মেলনটি আয়োজন করে হাউস অব কমন্স।

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

জগন্নাথপুরে মাষ্টার মন্তেশ্বর আলী ইংলিশ একাডেমির উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্টানে প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দায়িত্ব হল জনগনের সেবা করা, এর পুরস্কার জনগন দেবেন। তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে নিরপেক্ষভাবে সঠিক বিচার করার আহবান জানিয়ে বলেন আমার বিশ্বাস আপনারা বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা ও শেখ হাসিনার পক্ষে থাকবেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাদেশকে শেখ হাসিনা একটি আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন কিছুদিন আগেই আমরা একটি মিসকিন রাষ্ট্রে ছিলাম, এখন আর মিসকিন নয়। বাংলাদেশ এখন একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। আমাদের দেশের লোকদের আর বিদেশে গিয়ে কাজ করতে হবেনা।

এই দেশেই কর্মসংস্থানের অনেক সুযোগ রয়েছে। তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন এখন সময় ঐক্যের। ঠিক যেভাবে আমাদের পূর্ব পুরুষরা বঙ্গবন্ধুকে সাথে নিয়ে ঐক্য সৃষ্টি করে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ঠিক সেভাবেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিবাদ ভূলে গিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় এবং দেশকে সূখী সমৃদ্ধশালী উন্নত বাংলাদেশে নিয়ে যেতে ইনশাল্লাহ জাতীয় নির্বাচনে আমরা আবারো শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বানাবো।

তিনি শনিবার ( ১০ নভেম্বর) দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হবিবপুর মাঝপাড়া হাজি বাড়ির মাষ্টার মন্তেশ্বর আলী ইংলিশ একাডেমির উদ্যোগে ও একাডেমির চেয়ারম্যান শামীম আহম্মেদ তালুকদারের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন কিছু লোক আছে যারা বাংলাদেশকে মনে প্রানে ভালবাসেনা, যা পৃথিবীর অন্য কোন রাষ্ট্রে নেই। নিজের দেশকে ভালবাসেনা এরকম লোক আমি অন্য কোন দেশে খুজে পাইনি। তিনি বলেন সরকারের সাথে মতবেদ থাকতে পারে। শেখ হাসিনা এবং আমাদেরকে অপচন্দ করতে পারে কিন্তু বাংলাদেশকে মনে প্রানে গ্রহন করেনা এটা কি করে সম্ভব হয়।

তিনি বলেন এরা শুধু বাংলাদেশকে গ্রহন করেনা শুধু তা নয়, তারা বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চায়, স্বাধীনতাকে বিক্রি করতে চায়, তারা আমাদের ঈমান ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে নতুন ধরনের ইসলাম ধর্ম নিয়ে আসতে চায়, যার জন্য তারা জঙ্গীবাদি কাজ করে বোমা মেরে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করে নাশকতা মূলক কাজ করে। এসব জঙ্গীবাদদের কবল থেকে আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে।

কারন এরা আমাদের মধ্যে বসবাস করছে এদেরকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তিনি জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন আমাদের দরকার এখন শান্তির। কিছু লোক আছেন ঢাকায় এবং সিলেটে আছেন মহামান্য পন্ডিত ব্যক্তিবর্গ জ্ঞানে গুনে অনেক উর্ধ্বে তাদের স্থান তারা অনেক বিষয় পয়েন্ট নিয়ে তর্ক করেন শেখ হাসিনা এইভাবে করুক ঐভাবে করুক এভাবে করলে আমরা আসবো, না হলে আসবোনা ।

আমরা সম্মান করি তাদের কিন্তু আমাদের প্রয়োজন কি? এই মুহুর্তে তর্কাতর্কি নয়, বিবেদ নয় আমরা চাই আমাদের দেশ থেকে গরীবী দূর হউক, আমরা চাই আমাদের দেশ থেকে অশিক্ষা, কুশিক্ষা দূর হউক। আমরা চাই আমাদের দেশে সকল মানুষ শান্তিতে খেয়ে পড়ে বাস করতে পারে। আমাদের এসব কাজে পন্ডিতরা সরাসরি একমত নয়।

তিনি ঐসব ব্যক্তিদের সালাম জানিয়ে বলেন আপনারা পন্ডিত মানুষ বড় বড় বই পড়েন, সংবিধান, আইন পাশ করেন এই জন্য আপনাদের সালাম জানাই। কিন্ত আমাদের দরকার দেশের উন্নয়ন। যাতে সকল ধরনের মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আর এ জন্যই শেখ হাসিনা দেশের জনগনের সেবক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান জগন্নাথপুরের গুনী ব্যক্তি সাদা মনের মানুষ হিসেবে যিনি পুরস্কারের ভুষিত হয়েছিলেন শিক্ষাবিদ মরহুম মাস্টার মন্তেশ্বর আলীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন গর্বিত পিতার গর্বিত সন্তান সুয়েব তালুকদারসহ তার পরিবারের সদস্যরা তাদের নিজ অর্থায়নে নারী শিক্ষার প্রসারে বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্টা করে অনন্য অবদান সৃষ্টি করেছেন।

শুধু শিক্ষা প্রতিষ্টান তৈরী করেননি শিক্ষার্থীদের ইংরেজী শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনে ইংলিশ একাডেমি প্রতিষ্টাসহ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্টা করে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান এবং দরিদ্রদের সহায়তা করে আসছেন। তাদের এই মহতী কার্যক্রম প্রশংসনীয়। তিনি ম্যাজিস্ট্রেট সুয়েব তালুকদারসহ পরিবারের সদস্যদের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে এর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

এছাড়া তিনি সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে ভবন অনুমোদনের কথা উল্লেখ করে বলেন আগামীতে বিদ্যালয়টি কলেজে উন্নীত করন এবং এমপিও ভুক্তি করন সহ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। প্রতিমন্ত্রী দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বেগবান রাখতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে জনগনের প্রতি আহবান জানান।

জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ঘোষগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি রেজাউল করিম রিজুর সভাপতিত্বে ও হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছালেহা পারভীনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: নোমান আহমদ।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনহার মিয়া, পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক, হলিয়ারপাড়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ, দপ্তর সম্পাদক ছাদেকুর রহমান ছাদেক, পৌর কাউন্সিলার দিলোয়ার হোসেন,

পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাজি ইকবাল হোসেন ভুইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক ইউপি সদস্য আছকন আলী, জগন্নাথপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো: আব্দুর রউফ, রাজনীতিবিদ শিক্ষানুরাগী দিলু মিয়া, সত্তর দশকের শক্তিমান কবি সাংবাদিক দিলদার হোসেন দিলু, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সাবেক পৌর কমিশনার কামাল উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক এনামুল হক এনাম,

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শাহ রুহেল আহমদ, সাজেদা খানম বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার শান্তা, মেহেরুন আক্তার। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজনা আক্তার শ্যামা। প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজি সিজিল মিয়া।

এছাড়া ফুলেল শুভেচ্ছা জানান হবিবপুর ইলেভেন ষ্টারের সদস্যরা। এসময় সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানকে মানপত্র তুলে দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। পরে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত মাওলানা সিরাজুল ইসলাম হবিবপুরী।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা পরিষদ সদস্য হাজি মাহতাবুল হাসান সমুজ, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টী মো: আব্দুন নূর, পৌরসভার প্যানেল মেয়র শফিকুল হক শফিক, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান,

প্রচার সম্পাদক হাজি আব্দুল জব্বার, সহ-প্রচার সম্পাদক ফিরোজ আলী, মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি মো: ওবায়দুর রহমান কুবাদ, প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব জুয়েল আহমদ, হবিবপুর গ্রামের প্রবীন মুরব্বী সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হক, সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট মাহমুদুল কবির,

হবিবপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম হীরা, আবুল মনসুর সাব মিয়া, মাহমুদ আলী, মো: আব্দুল আজিজ, খালেদ হোসেন চুনু, সালা উদ্দিন মিঠু, সুরুজ মিয়া, আনোয়ার হোসেন, কবির উদ্দিন, মো: আখলিছ মিয়া, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান শিপন, আলকাব আলী, সাবেক পৌর কাউন্সিলার মো: তাজুল ইসলাম সাচ্ছা, মো: আনছার মিয়া, জিল্লুল হক ছানা, মিনার আলী, হাজি ওয়ারিছ আলী,

সামছু ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলী, মদরিছ আলী, আব্দুল জব্বার, শিক্ষক নুরুল হক, সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আঙ্গুর আলী, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফরোজ ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শশীকান্ত গোপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক মো: আব্দুল হাই,

কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফখরুল হোসেন, সাধারন সম্পাদক দ্বিপাল কান্তি দে দ্বীপাল, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান মাষ্টার, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাহবুব, সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম রিপন, যুবলীগ নেতা সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম, আব্দুল আহাদ,

আকমল হোসেন ভুইয়া, বাবু চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সায়মন হোসেন রুমেন, মুহিবুর রহমান লিটু, যুগ্ম সম্পাদক ছায়াদ আহমদ ভুইয়া, সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো: আনোয়ার হোসেন, মো: হেলাল হোসেন, মুসাদ্দিক হোসাইন, ওয়েলফেয়ার কর্মকর্তা ছালেহ আহমদ তালুকদার।

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

বৈঞ্চব পদাবলির মহা রাজা মরমী কবি রাধারমন দত্তের ১শ ৩ তম প্রয়ান দিবস আজ

মো: আব্দুল হাই:
বিরহ: কারে দেখাব মনের দু:খ গো, বুক চিরিয়া, অন্তরে তুষেরি অনল জ্বলে গুইয়া গুইয়া। মান: পাষান মনরে বুঝাইয়ও চিনিয়া মানুষের সঙ্গ লইও। ধামাইল: তোমরানি দেখিয়াছ শ্যামের মূখ ওগো সারি শুক, প্রেমানলে অঙ্গ জ্বলে ফাটিয়া যায় বুক।

বৈঞ্চব পদাবলির মহা রাজা মরমী সাধক কবি রাধারমন দত্তের ১০৩ তম প্রয়ান দিবস আজ শনিবার(১০ নভেম্বর)এ উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুর পৌর শহরের কেশবপুর এলাকায় প্রতিষ্টিত রাধারমন সমাজ কল্যান সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে ২দিন ব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়েছে।

আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টানকে ঘীরে রাধারমণ দত্তের স্মৃতি বিজড়িত কেশবপুর সহ পুরো উপজেলা ব্যাপী ভক্তদের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও বিনোদন প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্টানের আশে পাশে শিশুদের খেলনা সহ মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির বিভিন্ন দ্রব্যের মেলার ফসরা বসানো হয়েছে।

বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার একটি অন্যতম উপজেলা হচ্ছে জগন্নাথপুর। বাংলা মরমী সাহিত্যের অব্যাহত ধারায় এ উপজেলার অবদান অপরিসীম। সারা দেশের ন্যায় জগন্নাথপুরের বুকেও বহু পীর, দরবেশ, সাধু সাধক, সন্যাসী জন্ম গ্রহন করেছেন এবং তাদের বানীর মাধ্যমে পূন্য ভুমিতে পরিণত করেছেন।

সূফী সাধকগন তাদের স্ব স্ব ধারায় মরমী সাহিত্যের প্রচুর সম্পদ রেখে গেছেন। যা গবেষনার বিষয় হয়ে রয়েছে। তারা চিত্তবৃত্তের এই সূরময় ভুবনে পদচারনা করে নিজস্ব সৃষ্টি ধারায় মরমী সাহিত্যের যে অমিয় প্রবাহ বইয়ে দিয়েছিলেন তা আজও দেশের মাটি ও বাতাসে অপূর্ব ব্যঞ্জনার সৃষ্টি করে চলেছে।

উপমহাদেশের আত্মাধিকতা বা মরমী সাধনার মূল কেন্দ্র বিন্দুর স্্েরাত ধারা যদিও বাংলা এবং ভারতের বাইরেই জন্মলাভ করেছে কিন্তু পরবর্তীকালে এ সূফী ধারা ও মরমী বাদ বাংলার উর্বর শ্যামল জমিতেই বিকাশ লাভ করেছে আশ্চর্যজনক ভাবে।

সূফী সাধক সৈয়দ শাহ হোছন আলম, মরমী কবি সৈয়দ আসহর আলী চৌধুরী, সৈয়দ শাহনুর, রাধারমন, মুন্সি রহমতুল্লাহ, আছিম শাহ, কালু শাহ প্রমূখ আউল বাউলের বিচরন ভুমি জগন্নাথপুর এদের গান আজ মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে মাটি ও মানুষের লোহিত কনায়।

মরমী কবি রাধারমন দত্ত জন্মগ্রহন করেন ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দে অর্থাৎ বাংলা ১২৪০ সালে জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের কেশবপুরে। তিনি রাধাকৃঞ্চ প্রেমতত্ত্ব বিষয়ক গান রচনা করে সিলেট, ময়মনসিংহ ও ভারতের কাচার জেলাসহ বিভিন্ন স্থানে এখনও অমর হয়ে রয়েছেন। রাধারমন হাছন রাজা থেকে বয়সে প্রায় ১৪/১৫ বছরের বড় ছিলেন। তা সত্ত্বেও তাদের মধ্যে খুব হৃদ্যতা ছিল।

প্রবাদ রয়েছে যে, হাছন রাজা পত্র মারফত রাধারমনকে তার সুনামগঞ্জের তেঘরিয়াস্থ বাড়িতে দাওয়াত করেছিলেন। তিনি কবিতার ভাষায় আহবান করেছিলেন “রাধারমন আছো কেমন, হাছন রাজা জানতে চায়”। পত্র প্রাপ্তির পরে রাধারমন তার সাথে মিলিত হওয়ার জন্য প্রস্তুুতি নিলেও কি একটা অসুবিদা ঘটায় হাছন রাজার সাথে মিলিত হতে না পেরে লিখেছিলেন “ গানের সেরা রাজা হাছন, পেলাম না তার চরন দর্শন, বিফলে দিন গেল গইয়া”।

অধ্যক্ষ দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফের ভাষায় সিলেটের আকাশ বাতাস বাউল গানের সুরের দ্বারা যিনি আকুলিত ও ব্যকুলিত করেছিলেন তিনি হচ্ছেন জগন্নাথপুরের রাধারমন। রাধারমন সঙ্গীতের কয়েক খানা বই বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়েছে। মুন্সী আশরাফ হোসেন সাহিত্যরতœ “রাধারমন সঙ্গীত” নামে ও সুনামগঞ্জের মরহুম আব্দুল হাই ভাইবে রাধারমন বলে বই প্রকাশ করেছেন।

প্রখ্যাত লোকতত্ত্ববিদ চৌধুরী গোলাম আকবর সাহিত্য ভুষনের প্রায় চল্লিশ বছরের সংগ্রহের গানগুলো নিয়ে সিলেট মদনমোহন কলেজ সাহিত্য পরিষদ একটি বই প্রকাশ করেন। এতে তিন শতাধিক গান স্থান পায়। রাধারমনের বেশকিছু গান বাংলা একাডেমীর সংগ্রহেও রয়েছে। সংগ্রাহকদের মতে রাধারমন সঙ্গীতের সংখ্যা ২/৩ সহ¯্রাধিক হবে। রাধারমন দত্ত শিল্পী, সুরকার ও একজন ভাল অভিনেতা ছিলেন বলে ইতিহাস সূত্রে জানাগেছে।

রাধারমন সম্পর্কে অনেক অলৌকিক কথাও লোক মূখে শোনা যায়। রাধারমন ভাবে বিভোর হয়ে গান রচনা করতেন। শিষ্যরা শুনে তা লিখে রাখতেন। তিনি তত্ত্বসঙ্গীত, দেহতত্ত্ব, ভক্তিমূলক, অনুরাগ, প্রেম, ভজন, বিরহ, আক্ষেপ, মান, ধামাইল ইত্যাদি বিভিন্ন শাখার গান রচনা করতেন। বাংলার বধূ ও যুবতীদের কণ্ঠে বিভিন্ন বিবাহ অনুষ্টানে এখনও ভাইবে রাধারমন বলে, ভনিতাযুক্ত ধামাইল গান শুনা যায়। তাছাড়া গ্রাম বাংলার হাটে-মাঠে মনের সূখে বা দু:খে অনেকেই উতলা মনে গান গেয়ে পথ চলতে দেখা যায়।

মাঝিরা মহানন্দে প্রেম বিরহের গানের সূর টানতে টানতে নৌকা চালায়। দেশের ভাটি অঞ্চল যেখানে বছরে প্রায় ৬ মাস থাকে জ্বলে টুই টুম্বুর সেখানকার চাষীদের যখনই অবকাশ মিলে তখনই জমিয়ে দেয় তারা বাউল গানের আসর। এসব গানের অধিকাংশই ‘ভাইবে রাধারমন বলে ভনিতাযুক্ত। বাংলাদেশ ও ভারতের বেতার ও টেলিভিশন রাধারমনের গান প্রায় সময় প্রচার করে আসছেন।

চলচিত্রেও রাধারমনের বেশ কিছু গান সংযোজিত হয়েছে। রাধারমন দত্তের সাধনা ছিল সহজিয়া বৈঞ্চন পদ্ধতি। সঙ্গীত ছিল তার সাধনার অন্তর্ভূক্ত। প্রায় ৩২বছর তিনি সাধনা করেছেন। রাধারমন দত্ত প্রায় ৮২বছর বয়সে ১৯১৬ খৃষ্টাব্দে অর্থাৎ ১৩২২বাংলার ২৬ কার্তিক শুক্রবার শুক্লা জৈষ্টিতে মরদেহ ত্যাগ করেন। রাধা রমনের কয়েকটি গানের ধূয়া নি¤েœ

প্রদত্ত হলো:-
দেহতত্ত্ব:-(১) ভবনদীর ঢেউ দেখিয়া
দাড়াইয়া রইয়াছি কূলে
দয়াল গুরু পারকর
দীনহীন কাঙ্গালেরে।

(২) ওরে ও রসিক নাইয়া, ও সুজনও নাইয়া
ভব সাগর পাড়ি দেওরে বেলা যায়রে গুইয়া।
ভক্তিমূলক:- তোমার পাদপন্থে মজিয়া থাক
হরি হে আমার এই বাসনা।
আমি বাঞ্চা করি তোমায় হেরি
বংশীধারী কাল সোনা।

ভজন:- দয়াল গুরু বিনে বন্ধুকেহ নই এ সংসারে
দয়াল বন্ধু কৃপা সিন্ধু বিপন্ন অঞ্জন মূলাধার।
ভাই বন্ধু পরিবার কেবা সঙ্গে যায় কার
মরিতে মমতা নাই ত্বরায় করে ঘরের বার।
বিরহ :Ñ(১) ও প্রান বৃন্দে আমার প্রান যায় প্রান বন্ধু বিহনে

(২) সখী রাত্র হইল ভোর আইল না মোর প্রান প্রিয়া নিদয়া নিষ্টুর।
(৩) কারে দেখাব মনের দু:খ গো বুক চিরিয়া, অন্তরে তুষের অনল জ্বলে গুইয়া গুইয়া।
আপেক্ষ:-(১) প্রান সখী ললীতে কি জন্য আসিলাম আমি কুঞ্জতে।
(২) বন্ধের বাশি মন উদাসী করিল আমারে. নাম ধরিয়া বাজে বাঁিশ ঘরের দুয়ারে।

মান: পাষান মনরে বুঝাইয়ও চিনিয়া মানুষের সঙ্গ লইও
ধামাইল: তোমরানি দেখিয়াছ শ্যামের মূখ ওগো সারি শুক। প্রেমানলে অঙ্গ জ্বলে ফাটিয়া যায় বুক ।

জ.টুডে- বি ডি নাথ