জগন্নাথপুরে কুখ্যাত ডাকাত সরদার সোহেল গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুরে আন্ত:বিভাগ ডাকাত দলের সরদার সোহেলকে (৩৬) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত ডাকাত সোহেল উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের উত্তর কালনীরচর গ্রামের মৃত আরজত আলীর ছেলে।

জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার সাইফুল আলম জানান, মঙ্গলবার (১৭জুলাই) থানার এস আই লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও ওসমানীনগর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ডাকাত সরদার সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত সরদার সোহেল ওসমানী নগর এলাকায় পালিয়ে যায়।

পরে জগন্নাথপুর ও ওসমানীনগর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। ডাকাত সরদার সোহেলের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর, বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ , নবীগঞ্জ সহ বিভিন্ন থানায় ৮/১০ টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।

এদিকে ডাকাত সরদার সোহেল গ্রেফতারের খবর এলাকায় স্বস্থি ফিরে এসেছে। আজ বুধবার তাকে সুনামগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জ. টুডে- ১৮ জুলাই ১৮/এইচ কে

জগন্নাথপুরে ৫টি গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগের সঞ্চালন লাইনের উদ্বোধন

মো: দুলন মিয়া:
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃক জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মকবুলাবাদ, রসুলপুর, সুবর্ন নগর, পুরাতন আলাগদী ও বাগময়না তাজপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ সঞ্চালন লাইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।

জগন্নাথপুর দক্ষিন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্টায় জগন্নাথপুর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের অংশ হিসেবে পাইলগাঁও ইউনিয়নের ৫টি গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ সঞ্চালন লাইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার ( ১৮জুলাই) রসুলপুর গ্রামে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে পাইলগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ আয়োজনে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু বলেছেন

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি শতভাগ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ স্লোগানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্টায় জগন্নাথপুরে প্রতিটি গ্রামে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্নের পথে রয়েছে।

উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে পুনরায় নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনসাধারনের প্রতি আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের রাজনৈতিক সচিব হাসনাত হোসেন বলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে উন্নয়নের গনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে ভোট দিতে জনসাধারনের প্রতি আহবান জানান।

জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মোশাহিদ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নবীগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজি এম মো: আব্দুল বারী, হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক শফিউল আলম হেলাল,

জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাজি ইকবাল হোসেন ভুইয়া, দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী তহুর আলী, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুন্দর আলী, সাধারন সম্পাদক ডা: ছদরুল ইসলাম।

পাইলগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আপ্তাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আব্দুল তাহিদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো: আব্দুল হাই,

পাইলগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য সৈয়দ কলমদর আলী, রসুলপুর গ্রামের প্রবীন মুরব্বী হাজি আবুল কালাম, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ছালেহ আহমদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আব্দুল বারিক, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক মোতাহির আলী,

পাইলগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আখলাক মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল কাইয়ুম প্রমূখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল গনী ভান্ডারী,

দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জিলানী আলম, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আরজান আলী, জিয়াউল হক, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সুহেল মিয়া, বাদল দাশ, মাহবুব হোসেন মিঠু, সুমন আহমদ, দুলন মিয়া,

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুনায়েদ আহমদ, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক তোহা চৌধুরী, জগন্নাথপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমেল আহমদ, সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সফু মিয়া,

এখলাছুর রহমান, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী রিপন, সাধারন সম্পাদক রিপন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রমূখ। জনসভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রসুলপুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আমির হোসেন।

এদিকে জনসভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এম এ মান্নানের উন্নয়ন কার্যক্রমের উপর রচিত গান পরিবেশন করেন দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার এম এ মান্নান শিল্পীর গোষ্টীর গীতিকার ও সুরকার রিংকু তালুকদার ও তার দল।

জ. টুডে ১৮ জুলাই ১৮/এইচ কে

সিলেটে ৩ ধর্ষণের ঘটনায় নিন্দার ঝড়

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
সিলেট নগরীতে দুটি এবং কানাইঘাট উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটিসহ তিনটি ধর্ষণের ঘটনায় বৃহত্তর সিলেট জুড়ে বেশ তোলপাড় শুরু হয়েছে। পরপর তিনিটি ধর্ষণের ঘটনায় সিলেটের সচেতন মানুষ বিস্মিত। অনেকে বলছেন পাশবিক ঘটনাগুলোর বিচার না হওয়া বা বিলম্বিত হওয়ার কারণে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উল্লেখ্য, দর্জিপাড়া এলাকায় সৎ বাবার ধর্ষণের শিকার হয়েছে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী। সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে এক ইমাম। আর সিলেট শহরস্থ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসককে। এই তিন ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় চলছে সিলেটে। উঠেছে নিন্দার ঝড়।

ঘটনাগুলো প্রমাণ করে মানুষের আস্থার জায়গা নেই। সৎ বাবা, ইমাম আর চিকিৎসকই যদি ধর্ষণে জড়িয়ে যায় তাহলে মানুষ যাবে কোথায়? এমন প্রশ্ন করেছেন নগরীর অনেকে।

মানুষ বলছে, সমাজকে এই অন্ধকার থেকে বের করে নিরাপদ ভূমির জন্য রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। মসজিদের ইমাম, চিকিৎসক কিংবা সৎ বাবা দ্বারা ধর্ষণের ঘটনা এখনও বিরল। এ অবস্থায় সিলেটের এই তিন ঘটনা ভাবিয়ে তুলছে। ইমাম সাহেবরা তো বিভিন্ন সময় ফতোয়া দিয়ে থাকেন। সিলেট ওসমানী হাসপাতালে যে ঘটনা ঘটেছে, এর জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান সচেতন নাগরিকরা।

এদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), সিলেট শাখার সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সামাজিক অবক্ষয়ের চাইতে দেশের আইনশৃংখলা বাহিনীর যারা আছেন তাদের দায়িত্ব বেশী। বিচারহীনতার কারণে এসব ঘটনা ঘটেই চলেছে।

ফারুক মাহমুদ বলেন, আগের ঘটনাগুলোর বিচার যদি তড়িৎ গতিতে হতো, তবে এসব ঘটনা ঘটতো না। এদিকে সরকারের দৃষ্টি দেয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সৎ বাবা যখন ধর্ষক: দশ বছরের শিশু সিলেট নগরীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। তার মায়ের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায়। মা বর্তমানে থাকেন সৌদি আরবে। তিনি প্রথমে বরিশালের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন। ওই সংসারে জন্ম নেয় শিশুটি। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে শিশুটিকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন মা। কিছুদিন পর বগুড়ার গাবতলি থানার সরধনকুঠি গ্রামের পিটু মিয়াকে (২৮) বিয়ে করেন ঐ নারী। গেল বছর সৎ বাবা পিটু মিয়ার কাছে নিজের শিশুকন্যাকে রেখে সৌদি যান তিনি।

ওই শিশুকন্যাকে নিয়ে নগরীর দর্জিপাড়ায় থাকতেন পিটু। পুলিশ সূত্র জানায়, গত প্রায় দুই মাস ধরে ওই শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করছিলেন পিটু মিয়া। কাউকে কিছু বললে মেরে ফেলার ভয়ও দেখাচ্ছিলেন পিটু। গত ১৩ জুলাই দিবাগত রাতেও শিশুটিকে ধর্ষণ করেন তিনি। শনিবার সকালে মারপিট করে শিশুটিকে গোসল করিয়ে বাইরে যান পিটু। ভীতসন্ত্রস্ত শিশুটি পাশেই এক বান্ধবীর বাসায় গিয়ে তার মাকে সব খুলে বলে। ওই বান্ধবীর মা শরণাপন্ন হন পুলিশের।

শনিবার দিবাগত রাতে পিটু মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নগরীর কোতোয়ালী থানার ওসি মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, পিটু মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। শিশুটিকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে।

ইমামের কাছে শিশু ধর্ষিত: গত ১৫ জুলাই স্কুল ছুটির পর থেকে নিখোঁজ ছিল জকিগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকার পশ্চিম মহল্লার চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। সম্ভাব্য সকল স্থানে খুঁজে, পুকুর-ডোবায় তল্লাশি চালিয়েও মিলছিল না তার সন্ধান।

সন্ধ্যার পর স্থানীয়দের সন্দেহ হলে মসজিদের ইমামের কক্ষে তল্লাশী চালানো হয়। সেখানেই কক্ষের খাটের নিচের হাত-পা, মুখ বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় শিশুটিকে। এর আগে হাসান আহমদ (২৫) নামের ওই ইমামের ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি।

জকিগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুর রহমান হাওলাদার বলছেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হাসান আহমদ জানিয়েছেন, স্কুল ছুটির পর ওই শিশুটিকে ডেকে নিয়ে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। হাসানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেফতার: অসুস্থ নানির সঙ্গে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কয়েকদিন আগে এসেছিল নবম শ্রেণির এক ছাত্রী। গত ১৫ জুলাই রাতে সেখানেই ইন্টার্ন চিকিৎসক মাকামে মাহমুদ মাহী ধর্ষণ করে মেয়েটিকে- এমনই অভিযোগে ঐ ইন্টার্ন চিকিৎসককে ওসামানী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশে তুলে দেয় গত মঙ্গলবার। ইন্টার্ণ চিকিৎসক বর্তমানে সিলেট জেল হাজতে। মাহীর বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছায়।

ওই মেয়ের বাবা এই ঘটনায় কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা বৈঠকে বসি। সেখানে অভিযোগ অস্বীকার করেন মাহী। বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় সোমবার মাহীকে পুলিশের হাতে দেওয়া হয়। ওই কিশোরী ওসিসিতে ভর্তি রয়েছে।

ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন: ওসমানী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনা খতিয়ে দেখতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সোমবার রাতে। তদন্ত কমিটির প্রধান ওসমানী মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. এনকে সিনহা। কমিটি আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রদান করার কথা। সূত্রমতে ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে।

নগরীর কোতোয়ালী থানার সিনিয়র সহকারি পুলিশ কমিশনার সাদেক কাউসার দস্তগীর মঙ্গলবার বিকালে ইত্তেফাককে জানান, আদালতের নির্দেশে অভিযুক্ত মাকামে মাহমুদ মাহীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান মামলার তদন্ত চলছে। ডিএনএ পরীক্ষার আগে ধর্ষণ বিষয়ে কোন মন্তব্য করা সঠিক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ঐ ডাক্তার ভিকটিমের পূর্ব পরিচিত কিনা বা তাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা ইত্যাদি বিষয়েও পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলে তিনি জানান।

সুত্র-ইত্তে:/বিডিএন

জগন্নাথপুরে দালালদের হাতিয়ে নেয়া টাকা আদায়ে প্রবাস ফেরত যুবকের আদালতে মামলা দায়ের

স্টাফ রিপোর্ট:
ভালো কাজ উচ্চতর বেতন পাইয়ে দেয়ার অজুহাতে মিথ্যা প্রলোভনে সলমান আইসল্যান্ড পাঠিয়ে সেখানে কাজের পরিবর্তে একটি কক্ষে আটকিয়ে রেখে ১০লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় দালালদের কাজ থেকে টাকা উদ্ধারে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন প্রবাস ফেরত সাহজাদ আলী অপু।

জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর কিশোরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: আবু বক্কর আলীর ছেলে সাহজাদ আলী অপু বাদি হয়ে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর কোনাপাড়া গ্রামের মৃত নঈম উল্ল্যার ছেলে আব্দুল কাইয়ুম, মৃত রুসমত আলীর ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য ফিরোজ আলী ও সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার জাল্লাবাজ গ্রামের উস্তার আলীর ছেলে মনির হোসেন মঞ্জুকে আসামী করে সুনামগঞ্জের আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জগন্নাথপুর আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেছেন।

মামলার বিবরনে সাহজাদ আলী অপু উল্লেখ করেন গত ১৮ এপ্রিল দালালরা সলমান আইসল্যান্ড দেশে তাকে পাঠিয়ে দেয়। এবং তাদের দেয়া ওয়ার্ক পারমিট দ্বারা সংশ্লিষ্ট কোম্পানীতে চাকুরীতে যোগদান করতে গিয়ে দেখা যায় দালালদের দেয়া ওয়ার্ক পারমিটে উল্লেখিত কোন কোম্পানী সলমান আইসল্যান্ডে নেই।

এসময় সলমান আইসল্যান্ড দেশে অবস্থানরত দালাল মনির হোসেন মঞ্জুকে ওয়ার্ক পারমিট ও চাকুরীর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে মনির হোসেন মঞ্জু ক্ষিপ্ত হয়ে সলমান আইসল্যান্ডের নাগরিক ২সন্ত্রাসী দিয়ে একটি কক্ষে সাহজাদ আলী অপুকে আটক করে শারিরিকভাবে নির্যাতন করে।

এসময় সলমান আইসল্যান্ডে অবস্থানরত দালাল মনির হোসেন মঞ্জু আবারো ১০লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করে। অন্যতায় মেরে ফেলার হুমকি দেয়। সাহজাদ আলী অপু মামলায় আরো উল্লেখ করেন নির্যাতনের শিকার সাহজাদ আলী অপু কৌশলে আটকে রাখা কক্ষ থেকে বের হয়ে সলমান আইসল্যান্ড দেশের পুলিশের আশ্রয় নেয়। এতে পুলিশ ইমগ্রেশন অফিসের মাধ্যমে সিংঙ্গাপুর পর্যন্ত তাকে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

পরে সাহজাদ আলী অপু মুঠোফোনে তার আত্মীয় লন্ডন প্রবাসী মেহবুব আহমদকে বিষয়টি অবগত করার পর মেহবুব আহমদ অনলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের টিকেট কেঁেট দেন। এরপর সাহজাদ আলী অপু সিংঙ্গাপুর হতে বাংলাদেশে পৌছে।

সাহজাদ আলী অপু মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন গ্রামের বাড়িতে পৌছে ঘটনার বিষয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদেরকে প্রতারনার বিষয়টি অবগত করলে গ্রামের লোকজনদের কাছে সাহজাদ আলী অপুকে বিদেশ পাঠানোর কথা ফিরোজ আলী ও আব্দুল কাইয়ুম স্বীকার করে এবং সাড়ে ৭লাখ টাকা ২সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দেয়ার আশ্বাস দেয়।

পরবর্তীতে সময়মতো প্রতারক চক্র টাকা ফেরত না দেয়ায় পুনরায় ফিরোজ আলী ও আব্দুল কাইয়ুমকে সাড়ে ৭লাখ টাকা ফেরত প্রদানের তাগিদ দিলে উপরোন্ত মারপিঠ ও প্রানে হত্যার হুমকি দেয়। জমি-জমা ও সিএনজি অটোরিক্্রা বিক্রয় করে প্রতারক চক্রকে দেয়া সাড়ে ৭লাখ টাকা খুয়ে সর্বশান্ত সাহজাদ আলী অপুর পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

সেই সাথে সলমান আইসল্যান্ডে দালাল মনির হোসেন মঞ্জুর নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে সাহজাদ আলী অপু ঢাকায় উন্নত চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জ.টুডে-১৭ জুলাই ১৮/ বিডিএন

বিশ্বকাপ থেকে আয়ের পুরোটাই দাতব্য সংস্থায় দিচ্ছেন ফ্রান্সের জাতীয় দলের – এমবাপে

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে আয়ের পুরোটাই একটি দাতব্য সংস্থায় দান করতে চলেছেন ফ্রান্সের জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড কাইলিয়ান এমবাপে। খবর দ্য সানের।

খবরে বলা হয়, রবিবার ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ২০১৮ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফরাসিরা। এই বিশ্বকাপ থেকে মোট ৩ লাখ ৮৪ হাজার ডলার পেতে চলেছেন ফরাসি দলের ১৯ বছর বয়সী তারকা খেলোয়াড় এমবাপে।

কিন্তু তিনি নিজের জন্য নিচ্ছেন না একটি ডলারও। পারিশ্রমিক বাবদ পাওয়া অর্থের পুরোটাই দিয়ে দিচ্ছেন ‘প্রিমিয়ারস দে কর্দে’ নামের একটি দাতব্য সংস্থায়। খেলা বিষয়ক দাতব্য সংস্থাটি প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ শিশুদের বিনামূল্যে খেলার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

গোটা টুর্নামেন্টে সাত ম্যাচে চারটে গোল করে নজর কেড়েছেন ফরাসি ফুটবলের উঠতি এই তারকা। বিশ্বকাপের সেরা তরুণ ফুটবলারের স্বীকৃতিও তিনি পেয়েছেন। গড়েছেন ইতিহাসও। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার, কিংবদন্তি পেলের পর (১৯৫৮) টিনেজার ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল করেছেন।

তাঁরা খেলা দেখে অনেক ফুটবলবোদ্ধাই বলছেন, সাফল্যে মাথা না ঘুরে গেলে, লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোদের যোগ্য উত্তরসূরি হয়ে উঠবেন এমবাপে।

এমবাপে ২০১৭ সাল থেকেই প্রিমিয়ারস দে কর্দের সঙ্গে যুক্ত আছেন। স্পোর্টস ইল্লাস্ট্র্যাটেড অনুসারে, জানা গেছে বিশ্বকাপের প্রতি ম্যাচের জন্য এমবাপে পাবেন ১৭ হাজার ডলার করে।

এছাড়া বিশ্বকাপ জয়ী দলের খেলোয়াড় হিসেবে পাবেন অতিরিক্ত ২ লাখ ৬৫ হাজার ডলার। প্রাপ্ত এই অর্থের পুরোটাই তিনি প্রিমিয়ারস দে কর্দেতে অনুদান হিসেবে দিয়ে দিচ্ছেন।

সুত্র-ইত্তে:/বিডিএন

র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯, সিপিসি-২, শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল সোমবার (১৬ জুলাই) হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বাংলা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী নবীগঞ্জ উপজেলার হালিতোলা গ্রামের নছর উদ্দিনের ছেলে মো: খালেদ (৩০)।
র‌্যাব-৯ সিলেটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এ এসপি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান,

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বাংলা বাজার সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর হতে ১শ ৭০ পিছ ইয়াবা ট্যাবালেটসহ মাদক ব্যবসায়ী খালেদকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামী হবিগঞ্জ জেলার অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও লোক চক্ষুর অন্তরালে মাদক বিক্রয় করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য এবং আটককৃত আসামীকে নবীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি

জ. টুডে ১৭ জুলাই১৮/ এইচ কে

 

 

জগন্নাথপুরে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আবু তাহেরকে (২৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। সে পৌর শহরের হবিবপুর আশিঘর এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।

রবিবার (১৫ জুলাই) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ হবিবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ পিচ ইয়াবা সহ আবু তাহেরকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা রুজু হয়েছে। সোমবার (১৬ জুলাই) গ্রেফতারকৃত আবু তাহেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জ.টুডে ১৬ জুলাই ১৮/এইচ কে

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র‌্যাব-৯, সিপিসি-২, শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল সোমবার (১৬ জুলাই) হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার হাতুুন্ডা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার হাতুুন্ডা গ্রামের আব্দুন নূরের ছেলে আব্দুল ছালাম (৩৫)।

র‌্যাব-৯ সিলেটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এ এসপি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার হাতুুন্ডা গ্রাম থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ আব্দুল ছালামকে আটক করা হয়। আব্দুল ছালাম হবিগঞ্জ জেলার অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী।

দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও লোক চক্ষুর অন্তরালে মাদক বিক্রয় করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য এবং আটককৃত আসামীকে চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি

জ.টুডে ১৬ জুলাই ১৮/এইচ কে

র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের লেঃ কমান্ডার ফয়সল আহমদের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল রবিবার (১৫ জুলাই) সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার চেংগাইয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে দোয়ারাবাজার উপজেলার চেংগাইয়া গ্রামের মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে আসমত আলী (৬০)।

র‌্যাব-৯ সিলেটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এ এসপি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার চেংগাইয়া গ্রামস্থ জনৈক শাহানুর আলীর বসত ঘরের পিছনে পশ্চিম পাশের্^ কাঁচা রাস্তার উপর হতে

১কেজি ৫শ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আসমত আলীকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীকে দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।   বিজ্ঞপ্তি

জ. টুডে ১৬ জুলাই ১৮/এইচ কে

র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ একই পরিবারের ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯, সদর কোম্পানী, সিলেট ক্যাম্পের সিনিয়র এএসপি মাঈন উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল সোমবার (১৬ জুলাই) এসএমপি‘র দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ঝালোপাড়া গ্রামের অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একই পরিবারের ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

আটককৃতরা হচ্ছে লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোর্ট গ্রামের মৃত ইসমাঈলের ছেলে হারুন মিয়া (৫৮), সিলেট জেলার দক্ষিন সুরমা এসএমপির ঝালেপাড়া গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া (২৪), স্বাধীন (১৯) ও ইপা বেগম (২১)।

র‌্যাব-৯ সিলেটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এ এসপি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, এসএমপি‘র দক্ষিণ সুরমা উপজেলার চাঁদনী ঘাটস্থ ঝালোপাড়া ৮০/বি নং বাসার ২য় তালায় কক্ষের সামন হতে একই পরিবারের ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২শ ৫০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা তাদের নিজ হেফাজতে রেখে দীর্ঘদিন ধরে নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য বিক্রয় করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। উদ্ধারকৃত আলামতসহ আটককৃত আসামীদেরকে এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি

জ. টুডে ১৬ জুলাই ১৮/এইচ কে