বিশ্বম্ভরপুরে যুবককে গলা কেটে হত্যা

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের বাঘবেড় গ্রামে নারী সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জাবেদ আলী (৩০) নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত জাবেদ আলী বাঘবেড় গ্রামের শওকত আলীর ছেলে। সোমবার (১৪ মে) বিকেল ৫টায় বাঘবেড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে পাকা রাস্তায় হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের আক্তাপাড়া গ্রামের মৃত আক্তার মিয়ার ছেলে রহমত আলীর স্ত্রী’র সাথে নিহত জাবেদ আলীর অনৈতিক সর্ম্পক গড়ে উঠে।

ঘটনাটি জানতে পেরে রহমত আলী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং জাবেদ আলীকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। নিহতের পরিবারের লোকজন জানান সোমবার (১৪ মে) বিকেল ৫টায় বাঘবেড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে পাকা রাস্তায় জাবেদ আলীকে একা পেয়ে রহমত আলী ও তার সহযোগিরা গলা কেঁটে হত্যা করে।

এসময় স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে হত্যাকারী রহতম আলীকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা মনির হোসেন জানান, ঘাতক রহমত আলীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মাহে রমজান উপলক্ষ্যে প্রশাসনের মতবিনিময়

স্টাপ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে বাজার স্থিতিশীল ও দ্রব্য মূল্যে নিয়ন্ত্রনে রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

সোমবার (১৪ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ্যাসিল্যান্ড হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: কামরুল ইসলাম খান, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, জগন্নাথপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আফছর উদ্দিন ভুইয়া,

দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি শংকর রায়, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমীন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা নব কুমার সিংহ, জগন্নাথপুর বাজার তদারক কমিটির সেক্রেটারি জাহির উদ্দিন, জাপা নেতা আব্দুল মনাফ, ইকড়ছই সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন, উপজেলা কোর্ট জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালী প্রমূখ।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ইফতার সামগ্রী নিতে গিয়ে পদদলিত হয়ে নিহত ১০ আহত অর্ধশতাধিক

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ইফতার সামগ্রী নিতে গিয়ে পদদলিত হয়ে শিশুসহ মহিলার নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। ঘটনাটি ঘটে ১৪ মে সোমবার সকাল ৮টায় উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের পূর্বগাটিয়াডাঙ্গা হাঙ্গরমুখ কাদিরিয়া মুঈনুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা মাঠে।

নিহতরা হলেন, লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের মো. শফির স্ত্রী নুর জাহান(২২), একই এলাকার আবদুস ছালামের মেয়ে টুনটুনি বেগম (১৫), আবদুল করিমের স্ত্রী রহিমা বেগম (৪৫), আজম আলীর মেয়ে ফাতেমা বেগম (১৬), সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের নুর আহমদের স্ত্রী রশিদা আকতার (৫০), একই উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের মোবারক হোসেনের মেয়ে সাকি আকতার (২৪), একই এলাকার হাসান ড্রাইভারের স্ত্রী রিনা বেগম (৪০), মোহাম্মদ ইসলামের স্ত্রী হাসিনা আকতার (৪০), বান্দরবান জেলার সোয়ালক এলাকার কায়েস আলীর স্ত্রী নুর আয়শা বেগম (৪০) ও আবদুল হাফেজের স্ত্রী জোৎস্না বেগম (৫৪)।

পদদলিত হয়ে আহতদের মধ্যে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন মোস্তফা খাতুন (৬০), নুর আয়শা (৫০), হোসনে আরা বেগম (৪৫), জুনু মিয়া (৪০), রাজিয়া বেগম (৫৫), রোকেয়া বেগম (৩৫), দিরুয়ারা বেগম (৪০) ও মোহাম্মদ সাকিব (১২)।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের গাটিয়াডাঙ্গা এলাকার কেএসআরএম গ্রুপের মালিক আলহাজ্ব শাহজাহান এলাকার দুস্থদের মাঝে চাউল, শাড়ী, ১ হাজার টাকাসহ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন। তার ধারাবাহিকতায় আসন্ন রমজান উপলক্ষ্যে ১৪ মে এলাকায় ইফতার সামগ্রী বিতরনের দিন ধার্য্য ছিল।
ইফতার বিতরনের কথা শুনে মাদ্রাসা মাঠে আগের দিন থেকে মহিলারা জমায়াত হতে থাকে। সকালে ইফতার সামগ্রী বিতরণ শুরু করা হলে হুড়াহুড়ি করে প্রবেশ করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ১০ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন। খবর পেয়ে সাতকানিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

ঘটনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন, পুলিশ সুপার নুর-ই-আলম মিনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম এমরান ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান মোল্লা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিপাঙ্কর তঞ্চঙ্গ্যা, সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল হোসেন ও ইউপি চেয়ারম্যান তসলিমা আকতার প্রমুখ।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন জানান, নিহতদের মধ্যে যাদের স্বজন মামলা করবে সেসব লাশের ময়নাতদন্ত হবে। আর যারা মামলা করবে না তাদের লাশ স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে।

ইফতারসামগ্রী দাতা ও কেএসআরএম গ্রুপের মালিক আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর দুস্থদের সাহায্যের লক্ষ্যে সৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে ইফতার সামগ্রী বিতরণের পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। মানুষের ধৈর্যহীনতার কারণে এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা দুঃখজনক। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে তিন লাখ টাকা করে নগদ অনুদান দেয়া হবে।

পুলিশ সুপার নুর-ই-আলম মিনা জানান, ইফতার সামগ্রী বিতরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ইফতার সামগ্রী বিতরনের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে তাদের সামগ্রী বিতরনে নিরাপত্তার যথেষ্ট ত্রুটি ছিল। তিনি আরো জানান, একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে জাহাজ ডুবি

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের লগ্গীমারার চর এলাকায় মেঘনা নদীতে দুই জাহাজের ধাক্কায় এমভি এশিয়া নামক একটি জাহাজ ডুবে গেছে। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। সোমবার(১৪ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দুপুর ১টায় স্থানীয় জেলেরা জাহাজে থাকা মাস্টার নুরুল ইসলাম, চালক মো. সিরাজ, সুকানি মো. আমির হোসেন, গ্রীজার মো. রবিন, লস্কর মো. মামুন, রানা, দেলোয়ার, মো. ইমরান ও বাবুর্চি মো. মিজানকে উদ্ধার করে চাঁদপুর নৌ টার্মিনালে নিয়ে আসেন। মাস্টার নুরুল ইসলাম জানান, গত ৮ মে দুপুর ১টায় ভারতের কলকতা থেকে ৫৭০ টন প্লাই এস নিয়ে ছেড়ে আসে। জাহাজটি নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে চাঁদপুর সদরের লগ্গীমারার চর এলাকায় আসলে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা অপর জাহাজ এমভি টিটু অতিক্রম করে যাওয়ার সময় ধাক্কা লেগে কয়েক মিনিটের মধ্যে মেঘনায় নিমজ্জিত হয়। এমভি এশিয়ার অপরপাশে এমভি শাফা মারওয়া-২ নোঙ্গর করে থাকার কারণে মোড় পরিবর্তন করা যায়নি। জাহাজে থাকা প্লাই এস এর মালিক হচ্ছেন শাহ্ সিমেন্ট কোম্পানি।

চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম ভুঁইয়া জানান, এ বিষয়ে জাহাজের মাস্টার নুরুল ইসলাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি বিআইডাব্লিউটিএ ও সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিআইডাব্লিউটিএ চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল বাকী জানান, ঘটনাটি জানতে পেরে আমাদের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং জাহাজটি ডুবে যাওয়ার স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই স্থানটি বয়া দিয়ে রাখা হবে।

ভারতে প্রচন্ড- ঝড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭০

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
ভারতে প্রচন্ড ধূলিঝড় ও বজ্রপাতে ৭০ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছে। সরকারি সূত্র সোমবার এই তথ্য জানায়। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, রবিবার ভারতের উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১শ’ কিলোমিটার (৬২ মাইল) বেগে বয়ে যাওয়া ঝড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে ফেলে দেয় এবং বাড়িঘর ভেঙে যায়। খবর এএফপি’র।

উত্তর প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের টি পি গুপ্ত জানান, রাজ্যের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বজ্রসহ ঝড় ও শিলাবৃষ্টি কারণে ৪০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ঝড়ো বাতাসে প্রায় ৪০ টি বাড়ি ভেঙে পড়ে ৮০ জনের আহত হয়। এদিকে রবিবারের বজ্রবৃষ্টিতে পশ্চিম বঙ্গে ১৪ জন ও অন্ধ্র প্রদেশে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কেন্দ্রীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবারের ঝড়ে বিহারে ২ জন ও রাজধানী দিল্লীতে ২ জনের মৃত্যু হয়।
ঝড়ের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এসময় পথ ঘুরিয়ে দেয়া হয় ৭০ টি ফ্লাইটের।

আগামী দুই দিনের মধ্যে দেশের উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে প্রচন্ড বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। প্রতিবছর একই ধরনের ঝড় আঘাত হানলেও এবছর প্রাণহানির সংখ্যা বেশি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টিতে ২২ জনের মৃত্যু হয়। এর আগে, গত ২ মে ধূলিঝড়ে রাজস্থান, উত্তর পাঞ্জাব ও উত্তরাখ- রাজ্যে ১শ’ ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় লেহেঙ্গা শাড়িতে অপরূপা জয়া

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

ব্যতিক্রমী লেহেঙ্গা শাড়ি পরে সবার সামনে এসেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। বিশ্বরেকর্ড তৈরির উদ্দেশ্যে ৪০০ মিটার দীর্ঘ পোশাকটি তৈরি করা হয়েছে। সোমবার ফেসবুকে এ তথ্য দিয়েছেন জয়া নিজেই।

জয়া জানান, প্রেম কালেকশন এর তরফ থেকে বানানো দীর্ঘ পোশাকটি তৈরিতে কোনো রকম জোড়া দেয়া হয়নি। পোশাকটি পরতে জয়াকে সাহায্য করেছেন ২০ জন মডেল। রবিবার সন্ধ্যায় শাড়িটি প্রদর্শন করা হয়। প্রেম’স কালেকশনের এ আয়োজন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।

জয়া অভিনীত বেশ কয়েকটি ছবি মুক্তির অপেক্ষায়। এর মধ্যে আছে ‘দেবী’, ‘বিজয়া’, ‘বৃষ্টি তোমাকে দিলাম’, ‘এক যে ছিল রাজা’ ও ‘ক্রিস ক্রস’।

Construction of Raniganj bridge over Kushiara going on in Jagannathpur

Jagannathpurtoday desk:

The much talked about Raniganj bridge on the river Kushiara in Jagannathpur upazila of Sunamganj would bring a major shift in the locals communication. It would reduce three hours for travelling from Sunamganj district town to the capital. Besides, their suffering in travelling via the divisional city of Sylhet is expected to be over.

Although the important project was taken up and approved years ago, but much time were spent without any development. At last, works on the project was started in 2017. The Road Transport and Bridges Minister Obaidul Quader laid foundation of the much-desired bridge in January, 2017.

The construction is scheduled to be completed by the end of 2018. The distance between Jagannathpur upazila headquarters and Sunamganj district town would be reduced by 52 km, officials from the Roads and Highways Department (RHD) said.
However, it is almost impossible to complete things by the end of this year, concerned sources apprehended.

About 40 per cent works on the 702 meter long bridge of 10.25 metre wideth at Raniganj on the regional highway named Jagonnathpur-Pagla-Raniganj-Aushkandi. It would have 15 spans on 14 peers. It would also have 2.5 km long approaches. The PC and box guarder bridge is being constructed at a cost of Tk 1.268 billion, sources added.

Additional chief engineer of RHD, Sylhet zone, Md Shahnawaz said, “We are trying to complete the construction in time, but things would be delayed for some reasons.

The state minister for Finance and Planning MA Mannan said the RHD officials have been asked to complete the work as soon as possible.

রাষ্ট্রপতির শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল হামিদ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক :
দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মো. আবদুল হামিদ। প্রথমবারের মতো টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপ্রধানের শপথ নিয়ে তিনি ইতিহাস গড়লেন। মঙ্গলবার(২৪এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানা, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতিবৃন্দ, বিচারকগণ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান মো. আবদুল হামিদ ও তার স্ত্রী রাশিদা খানম। এ সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্পিকার শিরীন শারমিনসহ তারা একসঙ্গে বঙ্গভবনের দরবার হলে প্রবেশ করেন। এসময় সামরিক বাহিনীর একটি বাদক দল ফ্যানফেয়ার বাজায়। দরবার হলে ঢোকার পরে মো. আবদুল হামিদ ও শিরীন শারমিন চৌধুরী মঞ্চে ওঠেন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। সাদা পাঞ্জাবি ও মুজিব কোট পরিহিত আবদুল হামিদ শপথবাক্য পাঠ করার পর সবাইকে হাত তুলে সালাম জানান। পরে শপথনামায় স্বাক্ষর করেন তিনি। শপথ গ্রহণ শেষে মঞ্চ থেকে নেমে আবদুল হামিদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও বিরোধীদলীয় নেতা ফুল দিয়ে আবদুল হামিদকে শুভেচ্ছা জানান।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ১৭ জন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে মো. আব্দুল হামিদই হচ্ছেন প্রথম ব্যক্তি যিনি পরপর দুইবার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধানে সর্বোচ্চ দুই বার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সুযোগ থাকায় এটাই তার শেষ মেয়াদ। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের বিংশতম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন আবদুল হামিদ। আর একবিংশতম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল শপথ নিলেন তিনি। দ্বিতীয় মেয়াদের পুরোটা পার করতে পারলে আবদুল হামিদই হবেন সবচেয়ে বেশি সময় রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি।

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে লাল সবুজ বাতি দিয়ে সাজানো হয় পুরো বঙ্গভবন। ভেতরে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন রকমের ফুল দিয়ে। আজ বুধবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)। বিকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সম্মান জানাবেন রাষ্ট্রপতি। সাভার থেকে ফিরে যাবেন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন। শুক্রবার তার নিজের জন্মস্থান কিশোরগঞ্জের মিঠামইন যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।

গতকাল রাষ্ট্রপতি শপথ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট, চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জু, ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন ভ্যাটিকানের দূত জর্জ কোচেরি, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপপো, ইইউ দূত রেনসে টিরিংক, কূটনীতিক, সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকগণ, রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়াও সাংবাদিক-সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল হামিদ। তার পিতা প্রয়াত হাজি মোহাম্মাদ তায়েবুদ্দিন ও মাতা তমিজা খাতুন। আবদুল হামিদ কিশোরগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাতবার, স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন দুই দফা। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১৮ আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে আবদুল হামিদকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয়। ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ।

 

প্রথম মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বঙ্গভবনের নিয়ন্ত্রিত জীবন নিয়ে বিভিন্ন সময় কথা বলেছেন আবদুল হামিদ। তার মতে, তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনীতিকদের জন্য বঙ্গভবনের নিয়ন্ত্রিত জীবন ‘সব সময় আরামদায়ক’ নয়। তার ভাষায়- ‘খাঁচার পাখিরে যতই ভালো খাবার দেওয়া হোক, সে তো আর বনের পাখি না। আমি একটা দায়িত্ব হিসেবে এখানে এসেছি। সংসদে মনের খোরাক পেতাম, বঙ্গভবনে পাই না। মনটা অনেক কিছু চায়।’ প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব পাওয়ার পর এক অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনের পরিবেশ নিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছিলেন, ‘জিয়াউর রহমানের আমলে জেলে ছিলাম। এখনও জেলে আছি। পার্থক্য আগে স্যালুট দিত না, এখন দেয়।

 

সূত্র- দৈনিক ইত্তেফাক

জগন্নাথপুরে ওপেন হাউজ ডে সভায় অতি: ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, দুষ্ট চক্র প্রতিনিয়ত অশান্তিতে রাখছে, এদেরকে প্রতিরোধ করতে হবে

স্টাফ রিপোর্ট:
সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র বলেছেন ওপেন হাউজ ডে ও কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম সক্রিয় থাকার কারনে মাদক জঙ্গিবাদ সহ সমাজের সকল প্রকার অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও জনগনের পারস্পরিক সর্ম্পকের মাধ্যমে সমাজ থেকে অপরাধ প্রবণতা প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশ ও সমাজকে একটি সুশৃংখল অবস্থানে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন খারাপ লোক, চোর ও ডাকাতদের দল আছে। এরকম একেকটা খারাপ লোকদের একেকটা সিন্ডিকেট দল এবং গ্রুপ আছে। কিন্তু সমাজের ভালো লোকজন হচ্ছেন নি:সঙ্গ একাকি। ভালো লোকের কোন দল নেই। ক্রমান্বয়ে খারাপ লোকদের হাতে আমাদের সামাজিক নেতৃত্ব চলে যাচ্ছে। দুষ্ট চক্র আমাদেরকে প্রতিনিয়ত অশান্তিতে রাখছে, এদেরকে প্রতিরোধ করতে হবে।

এজন্য আমরা সকলে মিলে দেশ ও সমাজকে সুন্দর করে চালাতে অপরাধ প্রতিরোধে স্বোচ্ছার হতে হবে। তিনি মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড প্রতিরোধে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য জনসাধারনের প্রতি আহবান জানান। তিনি (রবিবার ২২-এপ্রিল) দুপুরে থানা ক্যাম্পাসে জগন্নাথপুর থানা পুলিশের আয়োজনে ওপেন হাউজ ডে ও কমিউনিটি পুলিশিং সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র সারা দেশে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন সাম্প্রতিক সময়ে জগন্নাথপুরে অপরাধ প্রবণতা প্রতিরোধে বিশেষ ভুমিকার জন্য থানার ওসি হারুন অর রশীদ চৌধুরী সহ কর্মরত সকল অফিসার ফোর্সদের প্রতি অভিন্দন জানিয়ে গুরুত্বের সাথে অর্পিত দায়িত্ব সততা ও দক্ষতার সাথে চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানিয়ে সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পেশার নেতৃবৃন্দের প্রতি অভিন্দন জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরকতুল্লাহ খান, আট আউলিয়ার স্মৃতি ধন্য সাধক কবি রাধারমণ দত্ত সহ জ্ঞানী গুনীজনদের জন্মভুমি প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর উপজেলাটি হচ্ছে একটি অন্যতম উপজেলা ।

বিচ্ছিন্ন ২/১টি ঘটনা ছাড়া আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স¦াভাবিক আছে। তিনি বলেন পুলিশ-জনগন এখন বন্ধু এরকম একটা অবস্থানে আমাদের কাজ চলছে। তিনি বলেন অতীতে এধরনের মত বিনীময়সভা হত না, ফলে পুলিশকে জনগন ভীতিজনক ভাবে দেখত এখন সে অবস্থা আর নেই। তিনি জেলা ব্যাপী মাদক প্রতিরোধে জিহাদ ঘোষনা করে বলেন একাটি সুন্দর সমাজ বির্নিমানে অপরাধ প্রবণতা প্রতিরোধে পুলিশকে সহযোগীতা করার জন্য জনসাধারনের প্রতি আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবী সিদ্দিক আহমদ জগন্নাথপুরে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে উল্লেখ করে শহরের যানজট নিরসন সহ মিথ্যা মামলায় কোন লোক যেন হয়রানীর শিকার না হয় এজন্য পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষন করেন।

জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেকেন্ড অফিসার সাইফুল আলমের পরিচালনায় বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুল মনাফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু , উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মোশাহিদ, সহ-সভাপতি ও কমিউনিটি পুলিশিং সভাপতি আনহার মিয়া, পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তৈয়ব মিয়া কামালী, পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়া, দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি সানোয়ার হাসান সুনু, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সবুজ সিলেট প্রতিনিধি মো: আব্দুল হাই, উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র শফিকুল হক শফিক, পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আপ্তাব উদ্দিন, পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার তাজিবুর রহমান, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার কাউন্সিলার দিলোয়ার হোসেইন, জগন্নাথপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক দৈনিক সুনামকন্ঠ প্রতিনিধি শাহজাহান মিয়া, পাটলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মনু মোহাম্মদ মতছির, উপজেলা জাতীয় র্পাটির নেতা আব্দুল মনাফ, উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি এম ফজরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ নেতা কয়ছর রশীদ, লাইটেস শ্রমিক নেতা আজিজ মিয়া প্রমূখ।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরশ মিয়া, আশারকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব খান, জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন ভুইয়া, জগন্নাথপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আফছর উদ্দিন ভূইয়া, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন লালন, জগন্নাথপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার গিয়াস উদ্দিন মুন্না, ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার খলিলুর রহমান, জগন্নাথপুর বাজার তদারক কমিটির সেক্রেটারী জাহির উদ্দিন, সাংবাদিক তাজ উদ্দিন আহমদ,সাংবাদিক অমিত দেব, সাংবাদিক আলী আহমদ, সাংবাদিক হুমাযুন কবির, সাংবাদিক গোবিন্দ দেব, সাংবাদিক বিপ্লব দেব নাথ, কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দ্বিপাল কান্তি দে দিপাল, পাটলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জমশেদ মিয়া তালুকদার, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গফুর,

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুন্দর আলী, সাধারন সম্পাদক ডা: ছদরুল ইসলাম, আশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আজাদ কাবেরী, সাধারন সম্পাদক আবুল কয়েছ ইসরাইল,এস আই হাবিবুর রহমান হাবীব, এস আই কবির উদ্দিন, এস আই হাবিবুর রহমান, এস আই লুতফুর রহমান, এস আই অঞ্জন সরকার,এস আই সাইফুর রহমান, এস আই গোলাম র্মোশেদ চৌধুরী ফাত্তাহ, এ এস আই শাহজামাল, এ এস আই আফছার, এ এস আই, ফিরুজ, এ এস আই শাহিন চৌধুরী, এ এস আই সাদেকুর রহমান, এ এস আই আবুল হোসেন, এ এস আই তপন দেব, এ এস আই মোসাহিদ, এ এস আই প্রনয় নাল, এ এস আই অরুন কুমার সিংহ, এ এস আই বেলাল আহমদ সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার বিপুল সংখ্যক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন থানা মসজিদের ইমাম মাওলানা আনোয়ার হোসেন।

সভায় থানা এলাকার ভাটি অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে টহল জোরদার করনসহ দ্রুত যাতাযাতের জন্য পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আপ্তাব উদ্দিন তার ব্যবহৃত স্পীড বোটটি জগন্নাথপুর থানায় প্রদান করার ঘোষনা দেয়ায় তাকে অভিনন্দন জানানো হয়। এছাড়াও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: হারুনুর রশীদ চৌধুরী কর্তৃক থানা এলাকা থেকে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ ভুমিকার জন্য সভায় তাকেও অভিনন্দন জানানো হয়।

এদিকে সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র দুপুরে থানা ক্যাম্পাসে পৌছলে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরকতুল্লাহ খান ও জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সহ পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে থানা প্যারেড গ্রাউন্ডে অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র ও পুলিশ সুপার বরকতুল্লাহ খানকে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে চৌকস পুলিশ সদস্যরা গার্ড অব অনার প্রদান করেন ।

জগন্নাথপুরটুডে বিডিএন ২৫.০৪.১৮