জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

স্টাফ রির্পোটার::
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও খাদ্যে ভেজাল এবং ভোক্তা অধিকার আইনে জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২টি গ্রোসারী দোকানে ১৫হাজার টাকা জরিমানা আদায় সহ লাইসেন্স না থাকায় ১টি রেস্তোরা সিলগালা করা হয়েছে। মঙ্গলবার(১৯ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উপজেলার পৌর শহরের প্রধান ব্যবসা কেন্দ্র জগন্নাথপুর বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহ্ফুজুল আলম মাসুম অভিযান চালিয়ে দ্রব্য মূল্যের তালিকা সাটানো না থাকায় হাবিব ভেরাইটিজ ষ্টোরকে ৫হাজার টাকা এবং মেয়াদোর্ত্তীন পণ্য ও মূল্য তালিকা সাটানো না থাকার অপরাধে রিয়ান ভ্যারাইটিজ ষ্টোরকে ১০হাজার টাকা সহ মোট ১৫হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে মামলা নিষ্পত্তি করা হয়। এদিকে রান্না ঘরে নোংরা পরিবেশ, এবং রেস্তোরার লাইসেন্স দেখাতে না পারায় পাঁচ তারা রেস্টুরেন্টকে প্রাথমিক ভাবে সিলগালা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহ্ফুজুল আলম মাসুম জানান, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে গুজবে বিভ্রান্ত না হতে ব্যবসায়ী সহ জনসাধারণকে সচেতনতা মূলক পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, পিঁয়াজের মূল্য আগের চেয়ে অনেকটা কমেছে। এছাড়াও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে।

“আমরা সবাই লড়বো, মাদক মুক্ত জগন্নাথপুর গড়বো”

স্টাফ রির্পোটার::
“আমরা সবাই লড়বো, মাদক মুক্ত জগন্নাথপুর গড়বো” এ ¯েøাগানে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ( ১৯ নভেম্বর )সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে আয়োজিত সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহ্ফুজুল আলম মাসুমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন, ইকড়ছই সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ছমির উদ্দিন, সৈয়দপুর শামছিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সৈয়দ রেজুয়ান আহমদ , হলিয়ার পাড়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হাফিজ মাওলানা মুহিবুর রহমান, উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালী, থানার এস আই রফিক প্রমুখ। সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন আগামী বছরের এপ্রিল মাসের জগন্নাথপুর উপজেলাকে মাদক মুক্ত ঘোষনা করতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে । সে লক্ষ্যে ওর্য়াড ভিত্তিক মাদক বিরোধী কমিটি গঠন করে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরোদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন । এর আগে সরকারি তথ্য সেবা ‘৩৩৩’ বিষয়ক অবহিতকরণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জগন্নাথপুরে কেন্দ্র থেকে জেএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু

স্টাফ রির্পোটার:
জগন্নাথপুর উপজেলায় স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের একটি হল থেকে গণিত পরীক্ষার দুটি উত্তর পত্র হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম কর্তৃক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম মুখলেছুর রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেন । তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম মুখলেছুর রহমান জানান জেএসসি পরীক্ষার দুটি উত্তর পএ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাটির তদন্ত শুরু করা হয়েছে । ২/৩ দিনের মধ্যে তদন্ত রির্পোট জমা দেয়া হবে । প্রসঙ্গত: গত বৃহস্পতিবার স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬টি বিদ্যালয়ের মোট ৪৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। ২০১৮ সালে গণিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৬টি বিদ্যালয়ের ৯৮ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্রের ৮নং হলে গণিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ হলে পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র হল পরিদর্শকদের নিকট জমা দিয়ে হল ত্যাগ করেন। পরিদর্শকরা এ সময় উত্তর পত্র গুণতে গিয়ে ৯৮টি উত্তর পত্রের মধ্যে ৯৬টি পান। দুটি উত্তরপত্র না পেয়ে হল পরিদর্শক তিনজন দিশেহারা হয়ে পুরো হল এবং হলের আশেপাশে খুঁজতে থাকেন। উত্তরপত্র দুটি না পাওয়ার বিষয়টি কেন্দ্র সচিব ছায়াদ আলীকে জানানো হলে কেন্দ্রে দায়িত্বরত অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা পুরো কেন্দ্র জুড়ে তল্লাশী করেও উত্তরপত্রগুলো খুঁজে পেতে ব্যর্থ হন।
হারিয়ে যাওয়া উত্তরপত্র দুটির পরীক্ষার্থীদের নাম জগন্নাথপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ফাইমা বেগম এবং সুমাইয়া আক্তার নিপা বলে জানা গেছে। ফাইমা বেগম পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা আক্কাছ আলীর মেয়ে এবং সুমাইয়া আক্তার নিপা শেরপুর এলাকার শাহিনুর রহমানের মেয়ে। দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উত্তর পত্র ২টির সন্ধান না পেয়ে রাত ৯টায় কেন্দ্রের হল পরিদর্শক প্রদীপ রঞ্জন দাস, মো. শাহ আলম ও ফুলনেছা তাহেরা জগন্নাথপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এদিকে উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়ায় চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ওই দুই শিক্ষার্থীর পরিবার। হারিয়ে যাওয়া উত্তর পত্রের পরীক্ষার্থী ফাইমা বেগমের পিতা আক্কাছ মিয়া ও সুমাইয়া আক্তার নিপার পিতা শাহিনুর রহমান তাদের মেয়েদের জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।

সৈয়দপুরে প্রবাসীর ভূমি দখলে মরিয়া সন্ত্রাসী রাজু!

স্টাফ রিপোর্টার::

সৈয়দপুরের তথাকথিত ছাত্রলীগ নেতা সন্ত্রাসী রাজু ও তার সহযোগিদের অব্যাহত হুমকিতে একটি প্রবাসী পরিবার দেশে ফিরতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার সৈয়দপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের দিলু মিয়ার পুত্র শাহেদ আহমদ।

তার চাচাতো ভাই একই গ্রামের মরহুম সুনু মিয়ার পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. সাজিদুর রহমান ও তার ভাইবোনদের ভূমি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে রাজু ও তার পরিবারের সদস্যরা। তারা যখন তখন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে খুনোখুনির মতো ঘটনা ঘটানোর পাঁয়তারায় লিপ্ত বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

বুধবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শাহেদ এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার চাচা মরহুম সুনু মিয়া তিন ছেলে ও ৭ মেয়ে রেখে মারা যান। তারা যুক্তরাজ্য প্রবাসী। চাচার মৃত্যুর পর আমাদের নিকটাত্মীয় মৃত ওয়ারিছ আলীর পুত্র আলী আহমদ, নূর আহমদ,

দিল আহমদ, আলী আহমদের পুত্র রাজু, মৃত রহমত উল্লার পুত্র গুলজার এবং দিল আহমদের পুত্র ছানাওর মিয়া তার সম্পত্তি আত্মসাতের পাঁয়তারা শুরু করে। ভূমিখেকো এসব সন্ত্রাসী বাড়ির পশ্চিমাংশের ভূমি একাকমলক্ষী মৌজার ২৩২ নম্বর খতিয়ানে চাচার নামে রেকর্ডীয় বর্তমান দাগ নং ৩৪৪ এবং সাবেক দাগ নং ৩৫২- এ কয়েক শতক ভূমি দখল করে নিয়েছে।

তিনি বলেন, ইদানিং তারা সাজিদুর রহমানের বসত ঘরের পশ্চিমে বেশ কয়েক শতক ভূমি মাটি ভরাট করে দালানকোটা নির্মাণের চেষ্টা করলে আমরা প্রতিবাদ করি। তারা গালিগালাজ করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। তাদের হুমকি আর অস্ত্রের ঝনঝনানিতে আমরা চরম নিরাপত্তাহীণতায় ভুগছি।

চাচাতো ভাই বোনেরা প্রবাসে থাকায় তাদের সম্পত্তি আমি এবং আমার ফুফাত ভাই সৈয়দ মিজাত মিয়া দেখাশুনা করি। এ কারণে সন্ত্রাসীরা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করছে। তারা দাঙ্গাবাজ ও লাটিয়াল। বিশেষ করে রাজু নিজেকে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

সে এবং তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ভূমি দখল, নারী নির্যাতন, মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। তার ভয়ে আমার প্রবাসী ভাই-বোনেরা দেশে আসতে পারছেন না। সে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সে এলাকায় নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছে।

পুলিশ সব জানলেও অজ্ঞাত কারণে তাকে গ্রেফতারের করছেনা। তার একজন গডফাদারও রয়েছে। তথাকথিত এই গডফাদারের শেল্টারেই সে যাবতীয় অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। রাজু ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার না করলে যেকোন সময় খুণসহ বড় ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে।

তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা ও প্রবাসী চাচাতো ভাইবোনদের নিজের মাতৃভূমিতে ফিরতে সহযোগিতার জন্য শাহেদ আহমদ অবিলম্বে রাজু ও তার বাহিনীকে গ্রেফতারের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন-সৈয়দ ছফেদ মিয়া, মির্জা শাফুল, মো. মাজেদ মিয়া, সৈয়দ আনিসুর রহমান।

জগন্নাপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার::

জগন্নাথপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ৫১ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার(৯ নভেম্বর) নব গঠিত কমিটির পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডাঃ আব্দুল আহাদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক হাজি ইকবাল হোসেন ভূঁইয়ার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

নব গঠিত ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ হলেন, সভাপতি মো. আফু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. আফরোজ মিয়া, সহ-সভাপতি মো. আলা মিয়া, হাজি লালা মিয়া, মতিউর রহমান, মিনার আলী, মো. সিজিল মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ মিয়া, আকমল হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক সেবুল মিয়া, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মো. রয়েদ আলী, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মো. আকামত আলী, ত্রান ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ আলী, দপ্তর সম্পাদক দোলন মিয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. সিরাজ মিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আতিক মিয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. রোমেন মিয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. ফজর আলী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোছা. তাছলিমা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. জিন্নাহ আহমদ, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. নুরুল আমীন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শাহ্ মো. জুনায়েদ আহমদ, শ্রম সম্পাদক মো. মাহবুব আহমদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. শিপার মিয়া, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মনজুর আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজ মিয়া, মো. আশক আলী, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. বাবুল আহমদ, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জালাল আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মো. লেচু মিয়া, সদস্য মো. আব্দুর রকিব, রশিক মিয়া, সুবাদ মিয়া, কুহিন আহমদ, আলতাব আলী, মো. আব্দুল হামিদ, মো. আমিনুর রহমান, মো. এমরান মিয়া, মো. হেলন মিয়া, শাহ্ মো. সমর আলী, খোকন মিয়া, জুয়েল মিয়া, আকমল মিয়া, নছির মিয়া, মাসুক মিয়া, নজমুল হোসেন, শাহিন মিয়া, হান্নান মিয়া, শাহ্ জাহান মিয়া, দোলন মিয়া, মো. দারা মিয়া।

সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:-
আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালীটি বের হয়ে পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে র‌্যালিটি সমাপ্ত করা হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: হারুণ অর রশিদ, জেলা তথ্য অফিসার মো: আনোয়ার হোসেন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার জাকারিয়া মোস্তফা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: জিল্লুর রহমান,জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র বর্মন,ব্রাক’র জেলা প্রতিনিধি একে আজাদ প্রমুখ।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের ঈদ শুভেচ্ছা

স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ¦ এম এ মান্নান পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পবিত্র ঈদুল আযহা সু-মহান ত্যাগের মহিমার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কোরবানীর মধ্য দিয়ে আল্লাহর প্রতি ত্যাগের মহান আদর্শ স্থাপিত হয়। সমাজে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি, পরশ্রীকাতরতা থেকে মুক্তির জন্য কোরবানী মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত স্বরূপ। তিনি দেশের চলমান অগ্রগতির ধারা ও জাতির সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করেন। এবং সবাইকে ঈদ শুভেচ্ছা জানান। ঈদ মোবারক

জগন্নাথপুরে জাইকার আয়োজনে স্বাস্থ্য কর্মীদের ৪দিন ব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষন কর্মশালা

স্টাফ রিপোর্টার:-
জগন্নাথপুর উপজেলায় স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সী জাইকার অর্থায়নে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারী বৃদ্ধির জন্য স্বাস্থ্য কর্মীদের ৪দিন ব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষন কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র এর সম্মেলন কক্ষে ১৫ থেকে ১৮জুলাই ৪দিন ব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষন কর্মশালার উদ্বোধন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত ইয়াসির আরাফাত। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির বাস্তবায়নে প্রশিক্ষন কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্টানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা আক্তারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প জাইকার কর্মকর্তা রাজিব কুমার দাশের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, কর্মশালার প্রশিক্ষক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর আবাসিক মেডিকেল অফিসার আর এমও ডা: শারমিন আরা আশা, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: একরামুল হক। উদ্বোধনী কর্মশালায় মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু রোধে করনীয় শীর্ষক প্রশিক্ষন দিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর আবাসিক মেডিকেল অফিসার আর এমও ডা: শারমিন আরা আশা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা একরামুল হক। উপজেলা ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প জাইকার জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা রাজিব কুমার দাশ জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সী জাইকার অর্থায়নে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারী বৃদ্ধির জন্য ৬০জন স্বাস্থ্য কর্মীর অংশ গ্রহনে ৪দিন ব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষন কর্মশালা সোমবার ১৫ জুলাই উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামী ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার কর্মশালার সমাপনী অনুষ্টান হবে।

জগন্নাথপুরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ॥ ১০ সহস্রাধিক পরিবার পানি বন্দী॥ ঝড়ের কবলে নিখোজ -১॥ আহত-২

স্টাফ রিপোর্টার :
টানা বর্ষন ও পাহাড়ী ঢলে জগন্নাথপুর উপজেলার পৌরসভা সহ ৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ১০ সহস্রাধিক পরিবার পানি বন্ধী অবস্থায় রয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ১টি মাছ ধরার নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে কাঁটা নদীতে ডুবে যায়। এতে কওছর মিয়া (২৮) নামের এক জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। সে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নারিকেলতলা গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে। ওপর ২ জেলে একই এলাকার বাসিন্দা শফিকুল (২৫) ও কাওছার মিয়া (৩০) নদী সাতঁরে তীরে উঠলে আহত অবস্থায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এলাকার লোকজন নিখোঁজ কওছর মিয়াকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা অখিল সিনহা জানান, নিখোঁজ জেলের উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে। কুশিয়ারা ও নলজুর নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী পাইলগাঁও, আশারকান্দি ও রানীগঞ্জ ইউনিয়ন এবং নলজুর নদীর তীরবর্তী জগন্নাথপুর পৌর শহর সহ প্রায় ৫সহস্রাধিক পরিবার এবং কলকলিয়া, চিলাউড়া হলদিপুর, পাটলী, মীরপুর ও সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের ৫সহস্রাধিক সহ মোট ১০ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্ধী অবস্থায় রয়েছেন। পুরো উপজেলার ৩ভাগ গ্রাম ও শহরের ঘরবাড়ি রাস্তা ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্টান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় লেখাপড়া বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি চরম দুর্ভোগে পড়েছেন জনসাধারন। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন দুর্গত এলাকার তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ শাহাদত হোসেন ভুইয়া, সাইফুদ্দিন খানকে প্রধান করে ৩সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রান বিতরন করা হয়েছে। কাতিয়া গ্রামের কয়েছ মিয়া জানান, কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে নদী তীরবর্তী কাতিয়া, ফেচীর বাজার সহ আশ-পাশ গ্রামের অধিকাংশ পরিবার বন্যা কবলিত হয়ে চরম দূর্ভোগে রয়েছেন। এছাড়াও কুশিয়ারা নদীর পানির প্রবল স্রোতে শিবগঞ্জ-কাতিয়া, ফেচীর বাজার ভায়া বেগমপুর সড়কের জগন্নাথপুর অংশের সড়কটির ভাঙ্গনের সইষ্ট হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। পিআইও অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন খান জানান, গতকাল রবিবার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের বেতাউকা, দাসনোয়াগাঁও, ভুরাখালী, গাদিয়ালা সহ আশ-পাশ গ্রামগুলোর পানিবন্ধী রোকজনদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত ইয়াসির আরাফাত জানান, উপজেলার পৌরসভা সহ ৮টি ইউনিয়নে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যার্তরা উঠেননি। ইতোমধ্যে বন্যার্তদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরন করা হয়েছে।

জগন্নাথপুরের ওয়ারিছ আলীর সংবাদ সম্মেলন: গড়গড়িকান্দি গ্রামের জামদ আলী চক্র আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, হয়রানী, হুমকিসহ ক্ষতি সাধনে লিপ্ত রয়েছে

টুডে ডেস্ক:
জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের গড়গড়িকান্দি গ্রামের মৃত হাজি রোয়াব আরীর ছেলে ওয়ারিছ আলী একই গ্রামের জামদ আলী চক্র কর্তৃক মিথ্যা অপপ্রচার, হয়রানী, হুমকি সহ নানা রকম ক্ষতি সাধনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। রবিবার (১৪ জুলাই) সিলেট প্রেসক্লাব ও জেলা প্রেসক্লাবে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে জামদ আলীর নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসীচক্র কর্তৃক শান্তিকামী এলাকাবাসী, আইন শৃংখলা বাহিনী তথা প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত থাকার অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন ওয়ারিছ আলী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওয়ারিছ আলী উল্লেখ করেন, আমরা জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের গড়গড়িকান্দি গ্রামের নিরীহ শান্তিকামী কয়েকটি পরিবার এলাকার একটি চিহিৃত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মামলাবাজদের চরম হয়রানী ও অত্যাচারের শিকার। গড়গড়িকান্দি গ্রামের হারিছ উল্ল্যার ছেলে জামদ আলী, ছামির আলীর ছেলে এমরান, মিজান, জামদ আলীর ছেলে আলী আহমদ চক্র দীর্ঘদিন থেকে আমাদের গ্রামের নিরীহ মানুষজনদের উপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছে। এই চক্র কর্তৃক অত্যাচারিত ও নির্যাতিত লোকজনের পক্ষে মামলার স্বাক্ষী হওয়ায় তারা আমাদের উপর বেজায় ক্ষেপেছে। তারা আমাদেরকে সন্ত্রাসী ও মামলাবাজ সাজানোর জন্য এলাকার কিছু মানুষকে ম্যানেজ করে অপপ্রচারে নেমেছে। এই চক্র আমাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে। এসব অপপ্রচারমূলক কর্মসূচী সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে।
ওয়ারিছ আলী লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন, চলতি বছরের ৬ মার্চ আমাদের বাড়ির কাজের লোক আফসার উদ্দিনকে এমরান, মিজান, জামদ আলী ও আলী আহমদ গং সন্ত্রাসীচক্র ব্যাপক মারধর করে মারাত্মক জখম করে। আশংকাজনক অবস্থায় আহত আফসার উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেয়ার পর আফসার উদ্দিন বর্তমানে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় আফসার উদ্দিন বাদী হয়ে ওই সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে বিশ^নাথ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২, তারখি ৯-০৩-২০১৯ইং। এই মামলায় আমি ওয়ারিছ আলী, আমার চাচা মনুফর আলী, রওশন আলী, বারিক মিয়া সহ কয়েকজনকে স্বাক্ষী করা হয়। স্বাক্ষী হওয়ার কারনে আমাদের উপর ওই সন্ত্রাসী চক্রের আক্রোশ বেড়ে যায়। তারা আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের ফন্ধি আঁটে। গত ১৩ জুলাই শনিবার ওই সন্ত্রাসী চক্র ভয় দেখিয়ে ১৫/২০জন মানুষ নিয়ে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করে। জানাগেছে, এদেরকে অন্য কথা বলে ধোঁকা দিয়ে এনে মানববন্ধনের নামে জড়ো করা হয়। এই কর্মকান্ড এলাকার সচেতন মানুষের কাছে হাস্যকর হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। কারন সবাই জানেন এরাই চিহিৃত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। এই মামলার স্বাক্ষী হওয়ার কারনে আজ আমার পুরো পরিবার ওই সন্ত্রাসীদের রোষানলে পড়েছি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে বার বার হয়রানী, হুমকিসহ নানা রকম ক্ষতি সাধনে লিপ্ত রয়েছে। সন্ত্রাসীচক্র শান্তিকামী এলাকাবাসী, আইন শৃংখলাবাহিনী তথা প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করতে এ ধরনের অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গড়গড়িকান্দি গ্রামের মৃত করামত আলীর ছেলে আব্দুল কাদিও, মৃত-আম্বর আলীর ছেলে ফজর আলী, হাজি আছদ্দর আলীর ছেলে ইয়াওর আলী, মৃত- সোনাফর আলীর ছেলে তৈমুছ আলী, মৃত-মনা মিয়ার ছেলে আব্দুল মানিক, জবেদ আলীর ছেলে মনুফর আলী, মৃত-কলমদর আলীর ছেলে মনসুর আলী, আব্দুল হেকিমের ছেলে বারিক আলী, হাজি রোয়াব আলীর ছেলে ইকবাল হোসেন, মৃত আলমাছ উদ্দিনের ছেলে ইলিয়াছ উদ্দিন প্রমূখ।