হারুনুর রশীদ চৌধুরী সিলেট বিভাগের ৩৯টি থানার মধ্যে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত

স্টাফ রিপোর্ট ঃ    সিলেট বিভাগের ৩৯টি থানার মধ্যে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর নির্দেশনা মোতাবেক মানদন্ডের বিচারে গত এপ্রিল হতে জুন/২০২৩খ্রিঃ তিন মাসের মানদন্ডে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।

থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন সহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় সোমবার (১০ জুলাই) সিলেট বিভাগ কর্তৃক মাসিক অপরাধ সভায় ডিআইজি শাহ মিজান শফিউর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম সেবা এই পুরষ্কার প্রদান করেন।

এসময় সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) নাবিলা জাফরিন রীনা, অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম এন্ড অপস) এম এ জলিল, আরআরএফ কমান্ড্যান্ট (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হুমায়ুন কবীর, পুলিশ সুপার (এডমিন এন্ড ফিন্যান্স) মো. জেদান আল মুসা, সিলেট জেলা পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন, মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া,

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী, সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহসান শাহ্, সুনামগঞ্জের ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) নিকুলিন চাকমা, হবিগঞ্জের ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মো. আব্দুল হান্নান,

সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. নাজিম উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (স্টাফ অফিসার টু ডিআইজি) বায়েজিদ বিন মনসুর সহ থানার অফিসার ইনচার্জ গণ সহ জেলা পুলিশ ও রেঞ্জ কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্হিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় যোগদান করার পর দুইবার জেলার শ্রেষ্ঠ এবং সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় সপ্তম বার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন।

অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী তিনি তার শ্রেষ্ঠত্বের এই অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বিধায় সিলেট বিভাগের এই শ্রেষ্ঠত্বের অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সকে উৎসর্গ করা হয়।
জটুডে/ এহাই

অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী সার্জনের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ আচরণের অভিযোগ

সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উচিত কুমার সিনহা কর্তৃক একই অফিসের নারী সার্জনের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে,এছাড়াও সরকারি কাজে নানান অনিয়ম সহ ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি উচিত কুমার সিনহা নিয়ম ভঙ্গ করে অপারেশন কক্ষে প্রবেশ করে একই অফিসের নারী সার্জনের সাথে অশালীন আচরণ এবং প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছেন। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উচিত কুমার সিনহার বিরুদ্ধে নারী সার্জন কর্তৃক উর্ধতন কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করছেন।বিস্তারিত আসছে,,,,,,,।

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে বিদেশী মদ সহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

স্টাফ রির্পোটার:

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯, সদর কোম্পানী(সিলেট ক্যাম্প) জৈন্তাপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বিদেশী মদ সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রফেতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী সিলেট জেলার গোয়ানইঘাট উপজেলার নলজুরি আমস্বপন গ্রামের ওহাব আলীর ছেলে মুনসুর মিয়া (৪২)।

র‌্যাব-৯ সিলেট এর মিডিয়া অফিসার মেজর মাহফুজুর রহমান প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান (সোমবার ৬ সেপ্টেম্বর) পৌনে ১১টায় র‌্যাব-৯ সদর কোম্পানী(সিলেট ক্যাম্প)-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেজর মোঃ মঈনুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার সিলেট টু জাফলং রোড তামাবিল রোডের আর্দশ গ্রাম বাজারের নুরা কাসার দোকানের বিপরীতে পাকা রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা কওে বিদেশী মদ সহ মুনসুর মিয়াকে গ্রেফতার কারা হয়।

পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণআইন ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ২৪(খ) ধারামূলে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধৃত আসামী ও জব্দকৃত আলামত সমূহ জৈন্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

স্টাফ রির্পোটার:

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯, সদর কোম্পানী(সিলেট ক্যাম্প) দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রফেতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার ছৈয়া দরবস্ত বাজার গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে রিমন আহমদ রিপন(২০) ও একই উপজেলার ভিত্রিখেল চতুলবাজার গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে শরিফ আহমদ (২১)।

র‌্যাব-৯ সিলেট এর মিডিয়া অফিসার মেজর মাহফুজুর রহমান প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান (সোমবার ৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৮টায় র‌্যাব-৯ সদর কোম্পানী(সিলেট ক্যাম্প)-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেজর মাহফুজুর রহমান এবং এএসপি সোমেন মজুমদার-এর

নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসএমপি-সিলেট এর দক্ষিণসুরমার ক্বিনব্রিজ-এর পশ্চিম পার্শ্বে তাসলিম এন্টার প্রাইজ এর সামনে ঢালাই জায়গার ওপর অভিযান পরিচালনা করে ৬৬৫পিস ইয়াবাসহ মদক ব্যবসায়ী রিপন মিয়া ও শরিফ আহমদকে গ্রেফতার কারা হয়।

পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণআইন ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১০(ক)/৪১ধারামূলে মামলা দায়ের পর ধৃত আসামীদের জব্দকৃত আলামত সহ দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে গাঁজাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:-
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯ এর অভিযানে গাজা সহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র‌্যাব -৯ সিলেট-এর মিডিয়া অফিসার মেজর মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, রবিবার ( ২১ আগস্ট) রাত পৌনে ১১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিলেট সদর ক্যাম্প-এর একটি আভিযানিক দল মেজর মো: মঈনুল ইসলাম এবং সিনিয়র এএসপি লুৎফুর রহমান এর নেতৃত্বে

এস এমপি সিলেট এর জালালাবাদ থানার তারাপুর চা বাগান রোডস্থ পার্কভিউ আবাসিক এলাকায় গেইটের ডান পাশে পাকা রাস্তায় অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের সালাম মিয়ার ছেলে রূপচান আহমদ (২৪), সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গোবিনপুর গ্রামের মৃত মঈন উদ্দিনের ছেলে রাসেল আহমদ (১৯),

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার চিনেরচর গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে রাজন আহমদ (২৩), এসএমপির কোতয়ালী থানার মজুমদারপাড়া, ঘাসিটুলা বি-ব্লক শেখ ঘাট এলাকার কুদ্দুছ আহমদের ছেলে নাজমুল আহমদ (১৮) এবং ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভালুকজান গ্রামের অলিউর রহমান সাজুর ছেলে মোসাব্বির আহমদকে (১৮) গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা সিলেট এসএমপির বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে আসছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের জব্দকৃত আলামত সহ সিলেট এসএমপির জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিলেট বিমানবন্দরে লন্ডন ফ্লাইটের এক নারী যাত্রীর কাছে উৎকোচ দাবীর অভিযোগ

টুডে ডেস্ক:-

লন্ডনযাত্রী এক নারীকে হয়রানীর অভিযোগ ওঠেছে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। বিমানের স্থানীয় কর্মকর্তাদের এ হয়রানীর কারণে নির্ধারিত ফ্লাইটে লন্ডনে যেতে না পারায় অভিযোগ করেছেন জামিলা চৌধুরী নামের ওই যাত্রী।

যদিও বিমানের কর্মকর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওই যাত্রী তার অতিরিক্ত ওজনের লাগেজের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় তাকে রেখে ফ্লাইট যাত্রা করে লন্ডনের উদ্দেশ্যে। সিলেটের খাদিমনগরের বাসিন্দা যুক্তরাজ্য প্রবাসী জামিলা চৌধুরী জানান, বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে লন্ডনে সন্তানদের রেখে জরুরিভিত্তিতে দেশে এসেছিলেন তিনি। গত মঙ্গলবার ফেরার কথা ছিল তার। যথারীতি সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

এরপর চেক-ইনের সময় বিমান কর্তৃপক্ষ জানান, তার তিনটি লাগেজের ওজন নির্ধারিত ওজনের চেয়ে বেশি। বাড়তি ওজনের জন্য তার কাছে অর্থ দাবী করেন বিমানের কর্মকর্তারা। অনেক অনুরোধের পরও তারা লাগেজগুলো ছাড়তে না চাইলে একপর্যায়ে শুধুমাত্র একটি লাগেজ নিয়ে যেতে সম্মত হন তিনি। কিন্তু এরপরও তাকে বোডিং পাস দেননি বিমানের কর্মকর্তারা। একপর্যায়ে তাকে বিমানবন্দরে রেখেই ফ্লাইটটি লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।

জামিলা চৌধুরী বলেন, লন্ডনে যাওয়ার পর কোয়ারেন্টিনের জন্য হোটেল বুকিং দেয়া ছিল তার। কিন্তু নির্ধারিত ফ্লাইটে যেতে না পেরে মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তিনি। তবে জামিলা চৌধুরীর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্টেশন ম্যানেজার চৌধুরী ওমর হায়াত বলেন, ওই যাত্রীর সাথে নির্ধারিত ওজনের চেয়ে ৪৪ কেজি মালামাল বেশি ছিল। কিন্তু ওই যাত্রী কোনভাবেই ওভার ওয়েটের মূল্য পরিশোধ করতে রাজি হননি। এমনকি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাগেজের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তিনি। তাই তাকে রেখেই বিমান ছাড়তে হয়েছে।

সিলেট বিভাগে করোনায় সর্বোচ্চ ১৪ জনের মৃত্যু

সোমবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। একই সময়ে শনাক্ত করা হয় আরও ৫৬৪ জনের শরীরে। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১০৭ জন করোনা আক্রান্ত রোগী। আক্রান্ত রোগীর ২০৮ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা।

শনাক্ত হওয়া ৫৬৪ জনকে নিয়ে সিলেট বিভাগে মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৬ হাজার ২১০ জন। যাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ২০ হাজার ১৫৮ জন, সুনামগঞ্জে ৪ হাজার ৮৬ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ৪ হাজার ২২৭ জন, মৌলভীবাজারে ৪ হাজার ৭৭৬ জন ও সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ হাজার ৯৬৩ জন।

এদিকে সিলেটের চার জেলায় র‌্যাপিড এন্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে ১৯৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। তাদের সিলেট জেলার ২৮ জন, ১০৬ সুনামগঞ্জ জেলার, ৩৩ জন হবিগঞ্জের ও ২৯ জন মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা। এছাড়া গত চব্বিশ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ৪৯ জনকে নতুন করে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

 

সিলেট বিভাগে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৯

টুডে ডেস্ক:
সিলেট বিভাগে গত একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৭ জন মারা গেছেন। তারা সবাই সিলেট জেলার বাসিন্দা। এসময় বিভাগে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৯ জন।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় কোভিড-১৯ বিষয়ক দৈনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত একদিনে সিলেট বিভাগে করোনায় ৭ জনকে নিয়ে এ পর্যন্ত বিভাগের চার জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৭৮ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ৩৯১, সুনামগঞ্জের ৩৩, হবিগঞ্জের ১৯ ও মৌলভীবাজার জেলার ৩৫ জন রয়েছেন।

খুলনা বিভাগে করোনায় রেকর্ড ৩৯ জনের মৃত্যুস্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে গত এক দিনে সিলেট বিভাগের চার জেলায় মোট ৬৮৪ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১৯৯ জন। এতে আক্রান্তের হার হচ্ছে শতকরা ২৯ দশমিক ০৯ ভাগ। গত এক দিনে সিলেট জেলায় সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৪৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জের ১১, হবিগঞ্জের ১২ ও মৌলভীবাজার জেলার ২৯ জন রয়েছেন। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনায় প্রমাণিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৯৮১ জনে।

এদিকে সিলেট বিভাগের চার জেলায় গত এক দিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৯ জন। এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত থেকে মোট সুস্থ হয়েছেন ২৩ হাজার ৬৭২ জন।

সূত্র——ইত্তেফাক

বিদ্যুৎ সরবরাহ কখন স্বাভাবিক হবে কেউ জানে না!!

ডেস্ক রিপোর্ট:-

সিলেটের কুমারগাওয়ে বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিড কোম্পানী (পিজিসিবি)-এর নিয়ন্ত্রনাধিন গ্রিড লাইনে আগুনের কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পুৃরো সিলেট। সকাল ১১ টা থেকে সিলেটের পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছেন।

কখন পুণরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারননি কেউ। আগুনের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার বিষয়টি নগরবাসীকে জানাতে দুপুর ২ টা থেকে নগরীতে মাইকিং করানো হচ্ছে।

আগুন লাগার খবর পেয়ে দুপুরে কুমারগাও গ্রিড স্টেশন এলাকায় যান সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আগুন এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে এখন পর্যন্ত পুরো সিলেট জেলা বিদ্যুৎহীন আছে। পিডিবি ও পল্লীবিদ্যুতের সব গ্রাহকরাই বিদ্যুৎহীন। বিদ্যুৎ সরবরাহ কখন শুরু হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ফলে পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎহীনতার কারণটি জনগনকে জানাতে মাইকিং করানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনেরও সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। তারা অগ্নিকান্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন করবেন।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিলেটের কুমারগাওয়ে অবস্থিত জাতীয় গ্রিড লাইনের দুটি ট্রান্সমিটারে আগুন লেগে যায়। ফায়ার ব্রিগেডের ৫টি ইউনিট প্রায় দেড়ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। আগুন নেভাতে গিয়ে জয়ন্ত কুমার নামে দমকলবাহিনীর এক সদস্য দগ্ধ হন। তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স সিলেটের উপ পরিচালক শওকত হোসেন বলেন, গ্রিড লাইনের আগুন এখন অনেকাই নিয়ন্ত্রনে। ট্রান্সমিটারের জ্বালানি তেল থেকে এই আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন ও বিতরণ বিভাগের সিলেট কার্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মোকাম্মেল হোসেন বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে অনেক সময় লাগবে। আগুনে গ্রিড লাইন ও ট্রান্সমিটার অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বেশকিছু যন্ত্রপাতি পুড়ে গেছে। পিডিবি ও পিজিসিবি একসাথে এগুলো সংস্কারে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্থ যন্ত্রপাতি সংস্কার ও পরিবর্তন করতে হবে। তবে কতক্ষণের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।

রায়হান হত্যার প্রধান খূনী বরখাস্তকৃত এসআই আকবর গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার:-

 সিলেট বন্দরবাজার ফাড়িতে পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যার মুল হোতা এসআই (বরখাস্ত) আকবর হোসেন ভুইয়াকে কানাইঘাট সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী মিডিয়া অফিসার সাইফুল আলম সিলেট প্রতিদিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, বর্তমানে আকবর সিলেট জেলা পুলিশের কাছে আছে।

গত ১১ই অক্টোবর সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে টাকার জন্য অমানবিক নির্যাতন করা হয় নগরীর নেহারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা রায়হানকে (৩৩)। ভোরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সিলেট কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন নিহত রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি।

প্রথমে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ছিনতাইকালে গণপিটুনিতে মারা গেছেন রায়হান। তবে নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ ছিল, পুলিশ ধরে নিয়ে নির্যাতন করে রায়হানকে হত্যা করেছে। এরপর পরিবারের অভিযোগে ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠিত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ হেফাজতে রায়হান উদ্দিনের মৃত্যু ও নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতাও পায়।

এর প্রেক্ষিতে, বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। অন্য তিনজন হলেন, কনস্টেবল হারুনুর রশীদ, কনস্টেবল তৌওহিদ মিয়া, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস। তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারও করা হয়েছে। প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন, এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী, কনস্টেবল সজিব হোসেন।