০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড্রাগন বাগান পরিদর্শনে ডিআইজি আশিক সাঈদ

  • Update Time : ০৯:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 11

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কোকতারা এলাকায় ছোট যমুনা নদীর চরে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দন গ্যালাক্সি ড্রাগন বাগান পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিনি সস্ত্রীক বাগানটি পরিদর্শন করেন। এ সময় বাগানের মালিক উদ্যোক্তা শিপলু ও তুষার তাকে স্বাগত জানান।

নদীর চরে প্রায় ৪৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন এ বাগান পরিদর্শন করে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন ডিআইজি। তিনি এ উদ্যোগের জন্য উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানান এবং বাগানে অনেক শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহানাজ বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রাজশাহী সদর সার্কেল) হেলেনা পারভীন, সহকারী পুলিশ সুপার (পাঁচবিবি সার্কেল) মো. তুহিন রেজা, পাঁচবিবি থানার ওসি মো. তামবিরুল ইসলাম ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি মো. আসাদুজ্জামান আসাদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

ড্রাগন বাগান পরিদর্শনে ডিআইজি আশিক সাঈদ

Update Time : ০৯:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কোকতারা এলাকায় ছোট যমুনা নদীর চরে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দন গ্যালাক্সি ড্রাগন বাগান পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিনি সস্ত্রীক বাগানটি পরিদর্শন করেন। এ সময় বাগানের মালিক উদ্যোক্তা শিপলু ও তুষার তাকে স্বাগত জানান।

নদীর চরে প্রায় ৪৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন এ বাগান পরিদর্শন করে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন ডিআইজি। তিনি এ উদ্যোগের জন্য উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানান এবং বাগানে অনেক শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহানাজ বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রাজশাহী সদর সার্কেল) হেলেনা পারভীন, সহকারী পুলিশ সুপার (পাঁচবিবি সার্কেল) মো. তুহিন রেজা, পাঁচবিবি থানার ওসি মো. তামবিরুল ইসলাম ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি মো. আসাদুজ্জামান আসাদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।