০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশিষ্ট কবি নীরোদ বিহারী পালের বই উপহার পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস

  • Update Time : ১২:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 3

ডেস্ক রিপোর্ট:
বিশিষ্ট কবি ও সমাজসেবক নীরোদ বিহারী পাল তাঁর রচিত গ্রন্থ ‘শিশুদের রামকৃষ্ণ সারদা বিবেকানন্দ’ খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসের হাতে তুলে দেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে বাগেরহাট থেকে খুলনায় আসলে রবি প্রেসের ম্যানেজার বায়েজিদ বাবুর কাছে আমার গল্প শুনে তিনি আমাকে বই দেওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি হয়  ২৪ সেপ্টেম্বর রবি প্রেসে অবস্থানকালে কবি নীরোদ বিহারী পাল ফোনে মিলন বিশ্বাসকে একটি বই উপহার দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান। পরে মিলন বিশ্বাস তাঁকে খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালে তিনি একাডেমিতে এসে ঐতিহ্য সংগ্রহশালা ঘুরে দেখেন এবং প্রশংসা করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি নিজের রচিত শিশুতোষ গ্রন্থটি মিলন বিশ্বাসের হাতে তুলে দেন। এ সময় মিলন বিশ্বাস কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনি আমার বাবার বয়সী একজন মানুষ। আপনার এই মূল্যবান উপহার পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত এবং নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।” এরপর দুজন চায়ের আড্ডায় শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্যচর্চাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ সময় মতবিনিময় করেন। ব্যক্তিগতভাবে মানসিকভাবে কঠিন একটি সময় পার করলেও অতিথিকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান মিলন বিশ্বাস। তিনি কবি নীরোদ বিহারী পালের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন, ভবিষ্যতে খুলনায় এলে আবারও খুলনা আর্ট একাডেমিতে আসার আমন্ত্রণ রইল। কবি নীরোদ বিহারী পালের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি কবি নীরোদ বিহারী পাল ১৯৫৪ সালের ৩১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার গিলাতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে গিলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করে বাগেরহাটের প্রফুল্ল চন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ছাত্রজীবনে বাগেরহাট রামকৃষ্ণ আশ্রমে অবস্থানকালে শ্রীশ্রীঠাকুরের সেবা-পূজার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ১৯৭৪ সালে বিএসসি পাস করে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে ১৯৭৬ সালে পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১১ সালে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। হোমিওপ্যাথির প্রতি আগ্রহ থেকে ২০০৯ সালে বাগেরহাট হোমিওপ্যাথি কলেজ থেকে ডিএইচএমএস ডিগ্রি অর্জন করে বর্তমানে সীমিত পরিসরে দাতব্য চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন। স্কুলজীবন থেকেই তাঁর কবিতা লেখার সূচনা। তাঁর প্রকাশিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে  প্রেমের ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (নাটক), শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী স্মরণে একবিংশতি সংবাদ ও প্রার্থনা সংগীত, শ্রীএকাদশী ও মহাদ্বাদশীর মাহাত্ম্য (ছন্দে) এবং কবিতামালা (প্রথম খণ্ড)। বর্তমানে তিনি গিলাতলা সার্বজনীন শ্রীশ্রীদুর্গা মন্দিরের সভাপতি এবং গিলাতলা সার্বজনীন শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দ মন্দিরের সম্পাদক হিসেবে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বিশিষ্ট কবি নীরোদ বিহারী পালের বই উপহার পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস

Update Time : ১২:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট:
বিশিষ্ট কবি ও সমাজসেবক নীরোদ বিহারী পাল তাঁর রচিত গ্রন্থ ‘শিশুদের রামকৃষ্ণ সারদা বিবেকানন্দ’ খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসের হাতে তুলে দেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে বাগেরহাট থেকে খুলনায় আসলে রবি প্রেসের ম্যানেজার বায়েজিদ বাবুর কাছে আমার গল্প শুনে তিনি আমাকে বই দেওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি হয়  ২৪ সেপ্টেম্বর রবি প্রেসে অবস্থানকালে কবি নীরোদ বিহারী পাল ফোনে মিলন বিশ্বাসকে একটি বই উপহার দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান। পরে মিলন বিশ্বাস তাঁকে খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালে তিনি একাডেমিতে এসে ঐতিহ্য সংগ্রহশালা ঘুরে দেখেন এবং প্রশংসা করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি নিজের রচিত শিশুতোষ গ্রন্থটি মিলন বিশ্বাসের হাতে তুলে দেন। এ সময় মিলন বিশ্বাস কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনি আমার বাবার বয়সী একজন মানুষ। আপনার এই মূল্যবান উপহার পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত এবং নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।” এরপর দুজন চায়ের আড্ডায় শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্যচর্চাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ সময় মতবিনিময় করেন। ব্যক্তিগতভাবে মানসিকভাবে কঠিন একটি সময় পার করলেও অতিথিকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান মিলন বিশ্বাস। তিনি কবি নীরোদ বিহারী পালের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন, ভবিষ্যতে খুলনায় এলে আবারও খুলনা আর্ট একাডেমিতে আসার আমন্ত্রণ রইল। কবি নীরোদ বিহারী পালের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি কবি নীরোদ বিহারী পাল ১৯৫৪ সালের ৩১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার গিলাতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে গিলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করে বাগেরহাটের প্রফুল্ল চন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ছাত্রজীবনে বাগেরহাট রামকৃষ্ণ আশ্রমে অবস্থানকালে শ্রীশ্রীঠাকুরের সেবা-পূজার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ১৯৭৪ সালে বিএসসি পাস করে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে ১৯৭৬ সালে পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১১ সালে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। হোমিওপ্যাথির প্রতি আগ্রহ থেকে ২০০৯ সালে বাগেরহাট হোমিওপ্যাথি কলেজ থেকে ডিএইচএমএস ডিগ্রি অর্জন করে বর্তমানে সীমিত পরিসরে দাতব্য চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন। স্কুলজীবন থেকেই তাঁর কবিতা লেখার সূচনা। তাঁর প্রকাশিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে  প্রেমের ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (নাটক), শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী স্মরণে একবিংশতি সংবাদ ও প্রার্থনা সংগীত, শ্রীএকাদশী ও মহাদ্বাদশীর মাহাত্ম্য (ছন্দে) এবং কবিতামালা (প্রথম খণ্ড)। বর্তমানে তিনি গিলাতলা সার্বজনীন শ্রীশ্রীদুর্গা মন্দিরের সভাপতি এবং গিলাতলা সার্বজনীন শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দ মন্দিরের সম্পাদক হিসেবে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।