০২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোয়াইনঘাটে পোনা অবমুক্ত করলেন ইউএনও রতন কুমার অধিকারী

  • Update Time : ০৪:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 24
সংবাদ ফটোকার্ড তৈরি ও ডাউনলোড করুন →

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বর্ষায় প্লাবিত প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে রুই জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের কর্মসূচি হিসেবে আজ ২৬ অক্টোবর রবিবার সকাল ১১টায় এ পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে পোনা অবমুক্ত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান এম এ রহিম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা।

মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এ বছর দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে মোট ৩২৬ কেজি রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন রুই জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

পরে উপজেলার জাতুগ্রাম মাদ্রাসা পুকুর, কর্নি, গহড়া, লেঙ্গুড়া জামে মসজিদের পুকুর, ঐতিহ্যবাহী পুকাশ আন্দু দিঘীসহ বিভিন্ন উন্মুক্ত প্লাবনভূমিতে এই পোনাগুলো অবমুক্ত করা হয়।

ইউএনও রতন কুমার অধিকারী বলেন, “উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করলে মাছের উৎপাদন বাড়বে, সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ হবে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে।”

এলাকাবাসী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

গোয়াইনঘাটে পোনা অবমুক্ত করলেন ইউএনও রতন কুমার অধিকারী

Update Time : ০৪:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ ফটোকার্ড তৈরি ও ডাউনলোড করুন →

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বর্ষায় প্লাবিত প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে রুই জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের কর্মসূচি হিসেবে আজ ২৬ অক্টোবর রবিবার সকাল ১১টায় এ পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে পোনা অবমুক্ত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান এম এ রহিম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা।

মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এ বছর দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে মোট ৩২৬ কেজি রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন রুই জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

পরে উপজেলার জাতুগ্রাম মাদ্রাসা পুকুর, কর্নি, গহড়া, লেঙ্গুড়া জামে মসজিদের পুকুর, ঐতিহ্যবাহী পুকাশ আন্দু দিঘীসহ বিভিন্ন উন্মুক্ত প্লাবনভূমিতে এই পোনাগুলো অবমুক্ত করা হয়।

ইউএনও রতন কুমার অধিকারী বলেন, “উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করলে মাছের উৎপাদন বাড়বে, সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ হবে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে।”

এলাকাবাসী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।