করোনা ভাইরাসে গুজবে থানকুনি পাতা খাওয়ার হিড়িক

ডেস্ক নিউজ
সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন ধনী রাষ্ট্র এ ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করতে পারছে না। প্রতিষেধকের অভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রতি দিনই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে মানুষ।

ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশের কিছু কিছু এলাকায় থানকুনি গাছের পাতা খাওয়ার হিড়িক লেগে গেছে। পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শেষ রাতে মহিলা, শিশু ও পুরুষরা থানকুনির পাতার সন্ধানে দৌড়াতে থাকে।

কোন এক মাওলানা স্বপ্নে দেখেছেন ফজর নামাজের আযানের সময় ওযু করে ৩ পিস থানকুনির পাতা খেলে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। ভিত্তিহীন এ খবর রাতের মধ্যে সাঁথিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষ রাত থেকে উক্ত গাছের পাতা সংগ্রহ করতে ব্যস্থ হয়ে পড়ে।

এদিকে সকাল থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তি বিষয়টি সবাইকে অবহিত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা প্রচার করতে থাকে। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মানুষ বিভিন্নভাবে করোনা ভাইরাস নিয়ে গুজব ছাড়াতে পারে। তবে এসব বিষয়ের (থানকুনি পাতা) বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নাই। করোনা বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকাটাই জরুরি।

চিকিৎসা দিতে গেলেন ডাক্তারের পরিবর্তে হাসপাতালের মালি!

টুডে ডেক্স::

বিরামপুরে বৃহস্পতিবার সকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে এক ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ায় ডাক্তারকে খবর দিলে তিনি না গিয়ে চিকিৎসার জন্য পাঠালেন হাসপাতালে বাগান মালিকে। এতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।

কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ আছম হুমায়ুন কবীর জানান, উপজেলার চাঁদপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সকালে জেডিসির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে পরীক্ষা চলছিল। বেলা ১১টার দিকে কানিকাটাল দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী ফাহিমা খাতুন মাথা ঘুরে পড়ে যায়। এসময় পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়োগকৃত (অন-কল) হাসপাতালের ডাক্তার মশিউর রহমানকে ফোনে ডাকা হয়।

তখন মশিউর রহমান বলেন, ‘আপনি অনারিয়াম (টাকা) দেন না, তাই আপনার কেন্দ্রে যাওয়া যাবে না। অসুস্থ ছাত্রীকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।’

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ছাত্রীকে হাসপাতালে নেয়ার খবর শুনে কেন্দ্র সচিব ও উপস্থিত শিক্ষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েন। তারা তড়িঘড়ি করে মাদ্রাসার পাশের এক স্থানীয় চিকিৎসককে ডেকে এনে ছাত্রীর চিকিৎসা করালে কিছুক্ষণ পর ছাত্রী সুস্থ হয়ে পুনরায় পরীক্ষা দিতে বসে। অনেক পরে ওই ছাত্রীকে চিকিৎসা দিতে বাগান মালিকে পাঠান মশিউর রহমান।

ডাঃ মশিউর রহমান বলেন, বিগত পরীক্ষাতে দায়িত্বে থাকার পরও কেন্দ্র সচিব টাকা দেননি। একারণে পরীক্ষা কেন্দ্রে না গিয়ে হাসপাতালের বাগান মালি আতোয়ার রহমানকে পাঠিয়েছি।

পরীক্ষার্থীকে চিকিৎসা দিতে না আসায় অন্যান্য শিক্ষক ও অভিভাবকরা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নূর হোসেন মিয়া ডাক্তারের এই আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ডাক্তার কাজটি ঠিক করেন নাই।

বিরামপুর হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, অনারিয়ামের কারণে অসুস্থ ছাত্রীকে চিকিৎসা দিতে না যাওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীকে চিকিৎসা দিতে না যাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঘুষের টাকাসহ সাব-রেজিস্ট্রার হাতেনাতে গ্রেফতার

টুডে ডেক্স::

কুষ্টিয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে ঘুষের টাকাসহ সদর সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার সিংহকে ঘুষের লক্ষাধিক নগদ টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে অফিস সহকারী রফিকুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১ টার দিকে কুষ্টিয়া রেজিস্ট্রি অফিস থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জমি ক্রয়-বিক্রয়ে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতিনিয়ত সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে একটি সিন্ডিকেট চক্র অবৈধপন্থায় অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুদকের উপ-পরিচালক মো. যাকারিয়ার নেতৃত্বে ওই অফিসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘুষের ১ লাখ ৪ হাজার ৪ শত নগদ টাকাসহ সদর সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার সিংহ ও অফিস সহকারী রফিকুল ইসলামকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে জেএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড দুদকের উপ-পরিচালক মো. যাকারিয়া জানান, গ্রাহকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ আসে। এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ঘুষের টাকাসহ সুব্রত কুমার সিংহ ও রফিকুল ইসলাম মুকুলকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ প্রতীম শীল, কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি নাসির উদ্দিনসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া রেজিস্ট্রি অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দলিল লেখক সমিতির নামে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছিলো। এছাড়া জমি রেজিস্ট্রিতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও দলিল প্রতি অতিরিক্ত চার থেকে পাঁচশ টাকা আদায় করা হচ্ছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে।

এক নজরে সাদেক হোসেন খোকা

টুডে ডেস্ক:

সাদেক হোসেন খোকার জন্ম ১৯৫২ সালের ১২ মে। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেন তিনি।

আশির দশকে বামপন্থী রাজনীতি ছেড়ে আসেন বিএনপিতে। ওই সময় নয়াবাজার নবাব ইউসুফ মার্কেটে বিএনপির কার্যালয় থেকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সূচনা করে সাতদলীয় জোটের নেতৃত্ব দেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। ওই আন্দোলনে ঢাকা মহানগর সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছিলেন খোকা।

খোকার উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে একটি হচ্ছে ভারতে বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখে দেওয়া। ১৯৯০ সালে যখন ভারতে এই ঘটনা ঘটে তখন সেখানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। যার রেশ এসে বাংলাদেশে পড়ে। পুরান ঢাকায় হিন্দুদের বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার চেষ্টা চলে। কিন্তু সে সময় খোকার প্রতিরোধ ও দৃঢ় নেতৃত্বে বড় ধরনের ঘটনা থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।

এমন ভূমিকা নিয়ে পুরান ঢাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেন খোকা। যার প্রমাণ মেলে ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে। ঢাকা-৭ আসন থেকে শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় আসেন খোকা। এসময় তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ঢাকার আটটি আসনের মধ্যে সাতটিতে বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হলেও তিনি নির্বাচিত হন। একই বছর খোকাকে মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মৎস্য ও পশু সম্পদমন্ত্রী হন তিনি।

২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন খোকা। ২৯ নভেম্বর ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে ঢাকা মহানগরের মেয়র ছিলেন তিনি। ২০১৪ সালের ১৪ মে সাদেক হোসেন খোকা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যান। এরপর থেকে সেখানেই ছিলেন তিনি। এ সময়কালে দেশে তার বিরুদ্ধে কয়েকটি দুর্নীতি মামলা হয়। এর কয়েকটিতে তাকে সাজাও দেওয়া হয়।

চলতি বছরের গত ১৮ অক্টোবর খোকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সবশেষ ৪ নভেম্বর নিউইয়র্কে ম্যানহাটনের স্লোন ক্যাটরিং ক্যানসার সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সাদেক হোসেন খোকা দীর্ঘদিন ধরে কিডনির ক্যানসারে ভুগছিলেন।

সূত্র: ইত্তেফাক

আইন অমান্য করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না–ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম

টুডে ডেস্ক:

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, নতুন আইনের ব্যবহার শুরু হলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে। আইন অমান্য করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সেটা পুলিশ কর্মকর্তা হোক অথবা সাংবাদিক হোক। যে কেউ আইন অমান্য করলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

তিনি বলেন, আপাতত আগের পদ্ধতিতেই জরিমানা করা হবে। আগামী সপ্তাহ থেকে নতুন আইনে মামলা দেওয়া হবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘কোনো কর্মকর্তা যদি মামলা না দিয়ে অন্য কোনোভাবে সুবিধা নিতে চান। কেউ যদি সেই অভিযোগ করেন এবং তা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, নতুন সড়ক পরিবহন আইন ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে প্রথম এক সপ্তাহ এই আইনে কোনো মামলা করা হবে না বলে এর আগে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও।

সূত্র: ইত্তেফাক

সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন তথ্য সচিব

টুডে ডেস্ক:

দেশের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য সচিব আবদুল মালেক। সোমবার পিআইবি সেমিনার কক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত পটুয়াখালী জেলার সাংবাদিকদের জন্য টেলিভিশন সাংবাদিকতা বিষয়ক বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তথ্য সচিব বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে পটুয়াখালীসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চল এখন অথনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। পায়রা বন্দর ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পটুয়াখালীর উন্নয়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে পিআইবির মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসাবে পিআইবি তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মোবাইল ও ডেটা সাংবাদিকতার মতো নতুন নতুন বিষয়ের উপর সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে পিআইবি।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শাবান মাহমুদ। অনুষ্ঠান শেষে তথ্য সচিব প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ প্রদান করেন। গত ২ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে তিনদিনব্যাপী টেলিভিশন বিষয়ক প্রশিক্ষণে পটুয়াখালী জেলায় কর্মরত বিভিন্ন টেলিভিশনের মোট ২৮ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন

উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তার সাথে একই অফিসের নারী সহকর্মীর ‘অন্তরঙ্গ’ ভিডিও ফাঁস

টুডে ডেস্ক:
উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তার সঙ্গে একই অফিসের নারী সহকর্মীর আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস হয়েছে। ১৭ মিনিটের ওই ভিডিওটিতে উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তার সঙ্গে নারী সহকর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তোলপাড় চলছে। তাদের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ১৭ মিনিট ৬ সেকেন্ডের ভিডিওটি এখন সবার হাতে হাতে ঘুরছে। ভিডিওটি ফাঁস হওয়ার পর উপজেলা কৃষি অফিসে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এরই মধ্যে এ ঘটনায় জড়িত উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন এবং নারী সহকর্মীকে পৃথক স্থানে বদলি করা হয়েছে। গত ৮ আগস্ট দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন নিজের কক্ষে একই অফিসের নারী সহকর্মীকে জড়িয়ে ধরেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ মেলামেশা হয়। তাদের আপত্তিকর মেলামেশার ১৭ মিনিট ৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফাঁস হয়ে যায়। পরে তাদের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়ে যায়। ফাঁস হওয়া ভিডিওতে তাদের দুজনকে খোলামেলা এবং আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওটি ফাঁস হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনা শুরু হয়। এ নিয়ে বন্দর জুড়ে তোলপাড় চলছে। অবশ্য বিষয়টি স্বীকার করে উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, আমি ভুল করেছি। যা করেছি, শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে করেছি। তবে নারী সহকর্মী জানান, জয়নাল স্যার আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। চাকরির ভয় দেখিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজ করেছেন তিনি। চাকরির ভয়ে আমি চুপ ছিলাম। আমার কিছুই করার ছিল না। এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারহানা সুলতানা জানান, বিষয়টি আমরা আগেই জানতে পেরেছি। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত দুজনকে পৃথক স্থানে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।

ঘুষের টাকা সহ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কেরানী আটক

স্টাফ রিপোর্টার:
জেলা প্রাথমিক অফিসে ঘুষের টাকা লেনদেনের সময় হাতেনাতে জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান ও অফিস সহকারী জুলফিকার আলীকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকালে দিনাজপুর দুদকের একটি টিম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। দিনাজপুর দুদকের সহকারী পরিচালক আহসানুল কবির পলাশ জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদেরকে নগদ অর্থসহ অফিস চলাকালীন সময়ে আটক করা হয়। শিক্ষক নিয়োগের সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের কিছু কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন। পরে তাদেরকে দুদক আইনে মামলা দিয়ে ঠাকুরগাঁও থানায় সোপর্দ করা হয়। ঠাকুরগাঁও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তাহের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, দুদকের একটি টিম দুইজনকে আটক করে থানায় দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি বছর জুড়ে চলবে

টুডে ডেক্স:-
বছরে শুধুমাত্র ৩ মাস নয়, বছরজুড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি করার চিন্তা-ভাবনা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। অনলাইনের আওতায় এনে শূন্য আসন ও প্রয়োজন ভিত্তিক সারাবছর শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালু করা হবে। বুধবার (২৬জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাসিক সমন্বয় সভায় নীতি নির্ধারকরা এ বিষয়ে একমত হয়েছেন। দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। সভা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম নিয়ে বিপাকে পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। প্রতিদিন মন্ত্রী ও সচিবের দপ্তরে শিক্ষক বদলি তদবির নিয়ে ভিড় করেন। তাদের ভিড়ে মন্ত্রণালয়ের দৈনদিন কার্যক্রমে চরম ব্যাঘাত ঘটে। এ ছাড়াও নানা মহলের ব্যক্তিরা তাদের মনোনীত শিক্ষকদের বদলি করতেও ভিড় জমান। নির্ধারিত ৩ মাস শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম চালু থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এসব কারণে বদলি কার্যক্রম বছর জুড়ে করার প্রস্তাব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর সচিব আকরাম আল হোসেনসহ উপস্থিত সকলেই এ প্রস্তাবে একমত হন। সম্প্রতি বদলি নীতিমালায় শুধুমাত্র নির্ধারিত তিন মাস শিক্ষক বদলি বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া জানুয়ারি থেকে মার্চের পরে আর শিক্ষকদের বদলি করা হয় না। এ কারণে প্রতিকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতে বর্তমানে বদলি নীতিমালা পরিবর্তন করে সারাবছর শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালু করতে একমত হয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সভায় উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান বাবুল বলেন, ‘নির্ধারিত তিন মাস শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালু হওয়ায় এ সময় টায় নানা ধরনের প্রতিকূলতার সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, ‘সারাবছর শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালু থাকলে বদলির তদবিরে উপচে পড়া মানুষের ভিড় সৃষ্টি হবে না। শিক্ষক বদলির জন্য কোনো কাজেও ব্যাঘাত ঘটবে না।’ বর্তমান বদলি নীতিমালা সংশোধন করে দ্রুত এটি পরিবর্তন করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

হার্টঅ্যাটাকে সহপ্রিজাইডিং অফিসারের মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের ভোট গণনার সময় হার্ট অ্যাটাকে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার খালেকুজ্জামান (৫৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)।

সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর ছোটবন গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাসিক নির্বাচনের ভোট গণনার সময় এ ঘটনা ঘটে। তিনি পবা উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার।

তিনি ১৯ নং ওয়ার্ডের ছোটবন গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৯ নম্বর ভোট কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব