নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ বৃহস্পতিবার

আগামী ৩ জানুয়ারি শপথ নেবেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ীরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে এ খবর জানান তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে রেকর্ড জয় পায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। ২৯৯ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ এককভাবে পেয়েছে ২৬৫টি আসন। তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির পেয়েছে ২২টি আসন। অন্যদিকে বিরোধী শক্তি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা জিতেছেন মাত্র ৭টি আসনে। এছাড়াও ৫ জায়গায় জিতেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

সুত্র-ইত্তেফাক

নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা জারি

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিকদের জন্য একটি নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই নীতিমালায় সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের এসব নীতিমালা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর প্রিজাইডিং অফিসারকে অবহিত করে ভোটগ্রহণ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ, ছবি তোলা এবং ভিডিও ধারণ করতে পারবেন।তবে কোনোক্রমেই গোপন কক্ষের ছবি সংগ্রহ কিংবা ধারণ করতে পারবেন না। একসঙ্গে একাধিক সাংবাদিক একই ভোটকেন্দ্রের একই ভোটকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি ভোটকক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার বা ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরাসরি প্রচার করা যাবে না। ভোট কেন্দ্রের ভেতর থেকে সরাসরি সম্প্রচার করতে হলে ভোটকক্ষ থেকে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে করতে হবে। কোনোক্রমেই ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করা যাবে না। সাংবাদিকরা ভোট গণনা কক্ষে গণনা কার্যক্রম দেখতে পারবেন, তবে সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবেন না।

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকরা প্রিজাইডিং অফিসারের আইনানুগ নির্দেশ মেনে চলবেন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। কোনো প্রকার নির্বাচনী উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করতে পারবেন না। নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের সময় প্রার্থী বা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যে কোনো ধরনের প্রচারণা বা বিদ্বেষমূলক প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচনী আইন ও বিধিবিধান মেনে চলতে হবে।

নীতিমালা অমান্য করলে বা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন, বিধি ও কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নীতিমালাটি ইতোমধ্যে সংসদ নির্বাচনের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে- সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ভোটগ্রহণের দিনসহ বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকরা যাতে সহজে নির্বিঘ্নে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ করতে পারেন সেজন্য সহযোগিতা প্রদান করা প্রয়োজন রয়েছে, তবে তা অবশ্যই নির্বাচনের সময়, ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনার সময় প্রযোজ্য বিধি-নিষেধ মেনে করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। এ জন্য ভোটকেন্দ্রের সংবাদ সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে সাংবাদিকদের বিশেষ কার্ড সরবরাহ করা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের সংশ্লিষ্ট এলাকার কার্ড দেবেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সাংবাদিকদের কার্ড প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে যেসব সাংবাদিক দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ করতে যাবেন, তাদের কার্ড নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে দেয়া হবে।সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত এবং অনুমোদন সূচক স্টিকারযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন।

নীতিমালায় বলা হয়েছে- মোটরসাইকেল ব্যবহার করার জন্য কোনো স্টিকার ইস্যু করা হবে না। তবে অন্য যানবাহন ব্যবহার করলে স্টিকার দেয়া হবে।ভোটের সময় মোটরসাইকেল চালনার ওপর নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ২ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ক্ষেত্র বিশেষ আরো অধিককাল মোটরসাইকেল বা অনুরূপ যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগে-পরে মোট ৪ দিন মোটরসাইকেল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

সুত্র-ইত্তেফাক

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনলেন যেসব তারকা

ডেস্ক রিপোর্ট:

দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন তারকারাও। এখন পর্যন্ত ১২ জন তারকা আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এরা হলেন চিত্রনায়িকা সারাহ বেগম কবরী, অভিনেত্রী তারানা হালিম, রোকেয়া প্রাচী, শমী কায়সার, শিল্পী মমতাজ, চিত্রনায়ক শাকিল খান, অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান, ডিপজল, ফারুক, তরুণ অভিনয়শিল্পী জ্যোতিকা জ্যোতি, ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা ও দুর্জয়।

এবার নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে ঢাকা-১৭ আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন চিত্রনায়িকা সারাহ বেগম কবরী। রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে তিনি নিজেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। কবরী ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বিএনপির সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদা।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি তথ্য প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার নাগরপুর) আসন থেকে নির্বাচন করবেন। মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ করছেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর-হরিরামপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

ফেনী-৩ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কিনেছেন অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী। মহিলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া প্রাচী ফেনী জেলার সোনাগাজী-দাগনভূঞা উপজেলায় নৌকার হাল ধরতে চান। একই আসন থেকে শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সারের কন্যা অভিনেত্রী শমী কায়সারও আবেদনপত্র ক্রয় করেছেন। এছাড়া ওয়ান ইলেভেনের সময় গুরুতর অপরাধ দমন সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালনকারী লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীও ফেনী-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

এক এলাকা থেকে দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর প্রার্থী হতে চাওয়া সাংঘর্ষিক কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রোকেয়া প্রাচী বলেন, ‘পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর। তিনি যাকে ভালো মনে করবেন তাকে নমিনেশন দিবেন। যেই নমিনেশন পাবে আমরা দলের হয়ে কাজ করব।’ শমী কায়সারও বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন বলে জানান। এ আসনে সাবেক আমলা আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিমও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

বাগেরহাট-৩ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন চিত্রনায়ক শাকিল খান। টাঙ্গাইল-১ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। মধুপুর-ধনবাড়ী এই দু’টি উপজেলা নিয়ে টাঙ্গাইল-১ আসন গঠিত। এই আসনের আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে লড়াই করতে মনোনয়নপত্র কিনেছেন জাতীয় ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। মানিকগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন বর্তমান এমপি এ,এম, নাঈমুর রহমান দুর্জয়। গাজীপুর-৫ আসনে নৌকা প্রতীক পেতে মনোনয়ন ফরম কিনলেন ঢাকাই সিনেমার মিঞাভাই খ্যাত নায়ক ফারুক। ময়মনসিংহ-৩ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তরুণ অভিনয়শিল্পী জ্যোতিকা জ্যোতি।

ব্যবসায়ী যেসব নেতা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন

বেক্সিমকো’র ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান ঢাকা-১ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। বর্তমানে এই আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য আরেক ব্যবসায়ী গ্রুপ যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী সালমা ইসলাম। বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সালাম মোর্শেদী সম্প্রতি খুলনা-৪ আসন থেকে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। তিনি ওই আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক দুই সভাপতি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

এর মধ্যে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা চুয়াডাঙ্গা-১ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। এই আসনের বর্তমান এমপি সোলায়মানুল হক জোয়ার্দার একাধিকবারের এমপি। আর ফরিদপুর-১ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন সাবেক সভাপতি দিলীপ রায় ও কাজী সিরাজুল ইসলাম। এখানে বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান। নিটল-নিলয় গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সেলিমা আহমাদ কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। বর্তমানে এই আসনের এমপি মহাজোটের শরিক জাপার আমির হোসেন।

এফবিসিসিআইয়ের বর্তমান পরিচালক আবু নাসের, আমিনুল হক শামীম, মাসুদ পারভেজ খান, তাবারুকুল তোসাদ্দেক খান টিটু ও রেজাউল করিম রেজনু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইছেন। মাসুদ পারভেজের বাবা আফজল খান ও বোন আঞ্জুম সুলতানাও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আমিনুল হক ময়মনসিংহ সদর আসনের জন্য ফরম সংগ্রহ করলেও এই আসনের বর্তমান এমপি রওশন এরশাদ। এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহসভাপতি হেলাল উদ্দিনও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

পরিবহন মালিকদের শীর্ষ সংগঠনের নেতা ও দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ফরিদুল হক হ্যাপী ঢাকা-১৪ আসন থেকে অওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর বাইরে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে মোহাম্মদ নাসির, এস এম মান্নান, আসলাম সানি, মশি উজ জামান, মঈন উদ্দিন আহমেদ, নুরুল আলম চৌধুরী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। দেশবন্ধু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিল্পপতি গোলাম মোস্তফা কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভুরুঙ্গামারী) আসনের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন।

যেসব চিকিত্সক মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছেন

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রাণ গোপাল দত্ত। রাজবাড়ি-৩ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান। সাতক্ষীরা-৩ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম নেন স্বাচিপের সাবেক সভাপতি ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।

মানিকগঞ্জ-১ আসন থেকে নাঈমুর রহমান দুর্জয় এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। তবে নির্বাচনের মাঠে পিছিয়ে থাকছেন না ফুটবলাররাও। সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন চার সাবেক তারকা ফুটবলার আব্দুস সালাম মুর্শেদী, দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল, খুরশিদ আলম বাবুল, আরিফ খান জয়। তারা সবাই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

সালাম মুর্শেদী এমপি হয়ে আছেন। শফিউল আরেফিন টুটুল মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে। এর আগে ২০০১ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন টুটুল। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের হয়ে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন আবাহনী ও মোহামেডানের একসময়কার তারকা মিডফিল্ডার খুরশিদ আলম বাবুল। তিনি নির্বাচন করতে চান টাঙ্গাইল-৬ আসন থেকে। বর্তমান ক্রীড়া উপমন্ত্রী ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আরিফ খান জয় নেত্রকোনা-২ (সদর) আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

সুত্র-ইত্তেফাক

সরকারি কর্মচারীদের গৃহঋণের প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বল্প সুদে গৃহঋণের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) অর্থ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গৃহনির্মাণে ৫ শতাংশ সরল সুদে ঋণ নেয়ার যোগ্যতা হিসেবে কর্মচারীদের বয়সসীমা করা হচ্ছে চাকরি স্থায়ী হওয়ার পর সর্বনিম্ন ৫ বছর ও সর্বোচ্চ ৫৬ বছর।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীরা পাঁচ শতাংশ সুদহারে গৃহঋণ পাবেন। প্রজ্ঞাপনের আওতায় জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়া যাবে। এ ঋণের মোট সদুহার ১০ শতাংশ। তবে এ ১০ শতাংশ সুদের ৫ শতাংশ সরকার এবং বাকি ৫ শতাংশ ঋণগ্রহীতা পরিশোধ করবে। ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ (ঋণ পরিশোধ শুরুর সময়) ২০ বছর মেয়াদে এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০১৮’ এর খসড়া তৈরি করে। ওই খসড়ায় বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। তবে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি সর্বনিম্ন ঋণের ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা কমিয়ে ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে।

বর্তমানে ১০ শতাংশ সুদহারে একজন সরকারি কর্মচারী সর্বোচ্চ ঋণ পান এক লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু নতুন নীতিমালা অনুযায়ী উপ-সচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা, জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম থেকে প্রথম গ্রেডভুক্তরা ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ বছর মেয়াদি এ ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ কিংবা ফ্ল্যাট ক্রয় করতে পারবেন। সর্বনিম্ন ১৮ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এ ঋণ নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫৬ বছর বয়স পর্যন্ত এ ঋণ নেয়া যাবে।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃণনির্মাণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র মালিকানাধীন তফসিলি ব্যাংকসমূহ এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তবে সরকার অন্য যে কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, জাতীয় বেতনকাঠামোর পঞ্চম গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা, যাদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তারা প্রত্যেকে ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে গৃহনির্মাণে ঋণ পাবেন ৭৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা।

বেতনকাঠামোর নবম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বা যাদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তারা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

দশম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত যাদের মূল বেতন ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা তারা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেড বা নয় হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলে ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১৮তম থেকে ২০তম গ্রেড বা আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পান এমন কর্মচারীরা ঢাকাসহ সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৩০ লাখ টাকা। জেলা সদরে এটি হবে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা।

সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণে ঋণের মাধ্যমে অর্থের জোগান দিতে এ নীতিমালা করা হলেও সরকারের আওতাধীন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর, পরিদফতর ও কার্যালয়গুলোতে স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসামরিক কর্মচারীরাও এ সুবিধা পাবেন। সামরিক, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি, পৃথক বা বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত কর্মচারীরা এ নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন না। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে এ ধরনের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

এ হিসাবে সরকারের প্রায় ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পাবেন। তারা এককভাবে এ ঋণ নিতে পারবেন। আবাসিক বাড়ি করার জন্য গ্রুপভিত্তিক ঋণও নেয়া যাবে। ফ্ল্যাট কেনার জন্যও এ ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ফ্ল্যাট হতে হবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অর্থাৎ রেডি ফ্ল্যাট। অবশ্য সরকারি সংস্থার নির্মাণ করা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রেডি ফ্ল্যাটের শর্ত শিথিল করা যাবে।

তবে কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু এবং দুর্নীতি মামলার ক্ষেত্রে চার্জশিট দাখিল হলে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যান্ত এ নীতিমালার আওতায় ঋণ গ্রহণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত কোনো কর্মচারী এ নীতিমালার আওতায় ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন না।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী ঋণ নেয়ার পর স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লে বা বাধ্যতামূলক অবসর, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত হলে আদেশ জারির তারিখ থেকে ঋণের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য সুদ বাবদ সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। এক্ষেত্রে ঋণের অপরিশোধিত অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পেনশন সুবিধা বা আনুতোষিক সুবিধা থেকে আদায় করা হবে। ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে তার পারিবারিক পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা থেকে যতটুকু সম্ভব ঋণ পরিশোধ করা হবে। এরপরও ঋণ পাওনা থাকলে উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে তা আদায় করা হবে।

ঋণের সর্বোচ্চ সিলিং নির্ধারণ সম্পর্কে নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেতন স্কেল অনুযায়ী সর্বোচ্চ যে সিলিং সরকার নির্ধারণ করে দেবে, সেটিও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের যথাযথ পদ্ধতিতে যে পরিমাণ ঋণ সুবিধা নির্ধারণ করবে তার মধ্যে যেটি কম সে পরিমাণ ঋণ পাবেন। ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণ দেয়ার জন্য ডেট ইক্যুইটি রেশিও (অনুপাত) হবে ৯০:১০। অর্থাৎ ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য কেউ নিজস্ব উদ্যোগে ১০ টাকা খরচ করলে তিনি ৯০ টাকা ঋণ পাবেন।

ঋণের সুদ সম্পর্কে নীতিমালার ৭ (ঘ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। এটি হবে সরল সুদ এবং সুদের ওপর কোনো সুদ আদায় করা হবে না। ঋণগ্রহীতা কর্মচারী ব্যাংক রেটের সমহারে (বর্তমানে যা ৫ শতাংশ) সুদ পরিশোধ করবেন। সুদের অবশিষ্ট অর্থ সরকার ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।’

নীতিমালার ৪ ধারায় ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, এ নীতিমালার আওতায় একজন সরকারি কর্মচারী দেশের যেকোনো এলাকায় গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ভবনের নকশা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত হতে হবে। যে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা হবে, তা সম্পূর্ণ দায়মুক্ত হতে হবে। ঋণদানকারী ব্যাংক বা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ব্যাংকে আবেদনকারীর একটি হিসাব থাকবে। ওই হিসাবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন-ভাতা, পেনশন ও গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে। রেডি ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের পুরো অর্থ এক কিস্তিতে ছাড় করবে ব্যাংক। গৃহনির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণের টাকা চার কিস্তিতে ছাড় করা যাবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, গৃহনির্মাণ ঋণ দেয়ার আগে যে সম্পত্তিতে ঋণ দেয়া হবে, তা ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বরাবর রেজিস্টার্ড দলিলমূলে বন্ধক রাখতে হবে। বাস্তুভিটায় বাড়ি করার ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার মালিকানাধীন অন্য কোনো সম্পত্তি বন্ধক রাখা যাবে। এ ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ বছর।

গৃহনির্মাণের প্রথম কিস্তি ঋণের অর্থ পাওয়ার এক বছর পর, ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের অর্থ পাওয়ার ছয় মাস পর থেকে ঋণগ্রহীতা মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ শুরু করবেন। কোনো কারণে মাসিক কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে বিলম্বের জন্য আরোপযোগ্য সুদ শেষ কিস্তির সঙ্গে যুক্ত হবে। যে ব্যাংক ঋণ দেবে, সেই ব্যাংকে তার মাসিক বেতনের হিসাব খুলতে হবে। তার বেতন-ভাতা ওই হিসাবে জমা হবে।

ব্যাংক সেখান থেকে প্রথমে মাসিক ভিত্তিতে কিস্তির টাকা কেটে নেবে। পরে ঋণগ্রহীতা বেতন-ভাতার বাকি অর্থ হিসাব থেকে তুলতে পারবেন। ঋণগ্রহীতা অন্যত্র বদলি হলে তার হিসাবও সেখানে একই ব্যাংকের কোনো শাখায় স্থানান্তর করে নেবেন।

 

তিন সিটি করপোরেশনে জয়ের আশা আওয়ামী লীগের – নানামুখী শঙ্কায় বিএনপি

ডেস্ক রিপোর্ট:
বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বেঁধে দেয়া সময়সীমা অনুযায়ী শনিবার মধ্যরাতে প্রচারণা শেষ হয়েছে। রাত পোহালেই আগামীকাল সোমবার এই তিন সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মেয়র, সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সারাদেশের চোখ মূলত মেয়র পদে লড়াইয়ের দিকে।

প্রথমবারের মতো মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতে যাচ্ছে এই তিন সিটিতে। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে মেয়র পদে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীদের বক্তব্য-মন্তব্য, পাঠানো প্রতিবেদনসমূহ এবং উল্লেখযোগ্য অন্যান্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরাখবর পর্যালোচনা করলে যে স্বারার্থ দাঁড়ায় তা হলো- তিন সিটিতেই জয়ের ব্যাপারে প্রবল আশাবাদী ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আর নানামুখী শঙ্কায় বিএনপি।

তিন সিটিতে মেয়র পদে বিভিন্ন দলের প্রার্থী থাকলেও মূল ভোটযুদ্ধ হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের ‘নৌকা’ প্রতীকের সঙ্গে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীদের। বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট ছাড়াও খুলনা ও গাজীপুর- এই পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আগেরবার বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিল বিএনপি। ইতোমধ্যে খুলনা ও গাজীপুরে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। ক্ষমতাসীন দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের শক্ত-বিশ্বাস, খুলনা ও গাজীপুরের মতো সোমবারের ভোটেও তিন সিটিতে মেয়র পদে ‘নৌকা’র প্রার্থীরা জয়ী হবেন।

এদিকে, তিন সিটিতেই প্রচার ও প্রচারণার কৌশলে এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীকে শুরুতেই সমর্থন জানিয়েছে এরশাদের জাতীয় পার্টি (জাপা)। বরিশালেও শেষদিকে এসে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে দলটি। তবে জাপার ‘লাঙ্গল’ প্রতীকে মেয়র পদে এখনও মাঠে আছেন তাপস।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত না মানায় শুক্রবার তাপসকে দল থেকে বহিস্কার করেনে জাপা চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ। আর ভোটের মাত্র দু’দিন আগে, গতকাল সিলেটেও আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে জাপা। অন্যদিকে, তিন সিটিতেই দল ও জোটের অভ্যন্তরীণ নানা কোন্দল-দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে বিএনপির মেয়র প্রার্থীদের।

নানা চেষ্টা করেও সিলেটে জোটসঙ্গী জামায়াতের মেয়র প্রার্থীকে ভোট থেকে বিরত রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি। রাজশাহী ও বরিশালেও বিএনপির মেয়র প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামতে বেশ কয়েকদিন সময় নিয়েছে স্থানীয় জামায়াত। ভোটের হিসাব-নিকাষে এই বিষয়গুলোও ধর্তব্য বলে মনে করা হচ্ছে।

 

শান্তিরক্ষায় পুলিশের উচ্ছ্বসিত প্রসংশা

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অপারেশন বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ পিয়েরে ল্যাক্রুয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফররত ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রবিবার বিকেলে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ প্রশংসা করেন।

আন্ডার সেক্রেটারি বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার প্রশংসা করে বলেন, সংঘাতপূর্ণ ও যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশে তারা শান্তি রক্ষায় অনন্য অবদান রাখছেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশকে আরও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিশেষ করে ফরাসি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের ওপর জোর দেন তিনি।

বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষ পুলিশ প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বিশ্বশান্তিরক্ষায় দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রমাণে সমর্থ হয়েছে।

তিনি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর জন্য আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের প্রতি অনুরোধ জানান। আইজিপি নারী পুলিশ বিশেষ করে নারী পুলিশ ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো এবং জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুপারিশ করেন।

সাক্ষাৎকালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের কার্যক্রম সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হয়। প্রতিনিধিদলে জাতিসংঘের পুলিশ অ্যাডভাইজর লুইস ক্যারিলহো, জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজর বিগ্রেডিয়ার জেনারেল খান ফিরোজ আহমেদ, আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের স্টাফ অফিসার এ্যালিস কিলম্যান ছিলেন।

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশন্স) মোখলেসুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি মইনুর রহমান চৌধুরী, অতিরিক্ত আইজিপি মহসিন হোসেন, এনডিসি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সুত্র-ইত্তেফাক/বিডিএন

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর কারাগারে

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার (৬ জুন) দুপুরে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কেশব রায় চৌধুরী এ আদেশ দেন।

এর আগে গীতিকার-সুরকার শফিক তুহিনের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় গ্রেফতার করা হয় আসিফকে। পরে বেলা সোয়া ১১টার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আসিফকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড চায়।

শুনানি শেষে আদালত তা নাকচ করে দিয়েছেন। অন্যদিকে আসিফ আকবরের আইনজীবী আসাদুজ্জামান ও ফারুক মিয়া তার জামিনের আবেদন করেন। এ বিষয়েও আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (৫ জুন) রাতে রাজধানীর মগবাজারে নিজ স্টুডিও থেকে আসিফ আকবরকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

সুত্র- ইত্তেফাক ৬ জুন ২০১৮/বিডিএন

স্বর্ণ আমদানি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ডিলারদের মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানির বিধান রেখে ‘স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮’ নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে কোনো স্বর্ণ নীতিমালা ছিল না। সেজন্য এ খাতে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছিল। এখন স্বর্ণ আমদানি করব, এতদিন তো আমদানি হত না, সব স্মাগল হত।

কোনো দিন কোনো স্বর্ণ আমদানি এই দেশে হয়নি। এসব ব্যবস্থা একটি নিয়মের আওতায় আনার জন্য স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়ন করা হলো। এখন বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি করে এদেশের ব্যবসায়ীরা তার সঙ্গে মূল্য সংযোজন করে বিদেশে রপ্তানি করতে পারবে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানিতে তেমন ট্যাক্স হবে না। তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স নিতে হবে।

লাইসেন্স ফি কত হবে সেটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করবে। বৈঠক শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে স্বর্ণের বাণিজ্যকে নিয়মের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে এ নীতিমালা করা হচ্ছে। স্বর্ণ আমদানির পর ‘ভ্যালু অ্যাড করে’ আবার তা রপ্তানি করার সুযোগ থাকছে এই নীতিমালায়। এটার ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একটা রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক হচ্ছে।

এটার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক ডিলার নিয়োগ করবে, যাদের মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানি হবে। কারা কারা আমদানি করতে পারবে সেই বৈশিষ্ঠ থাকবে। ফলে বৈধভাবে ব্যবসাটা ভালোভাবে চলতে পারবে। তিনি জানান, অনুমোদিত ডিলারগণ সোনার বার আমদানি করবে। তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি তথ্য ভা-ার থাকবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বর্ণ আমদানিতে বন্ড সুবিধা থাকছে। আমদানি করে দেশের ভেতর অলংকার বানিয়ে তা বিদেশে রপ্তানি উন্মুক্ত করতে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের রপ্তানিকারকদের নগদ প্রণোদনা সহায়তাসহ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে জমিও বরাদ্দ দেওয়া হবে। এছাড়া অলংকার তৈরি করে যারা দেশের মানুষের কাছে বিক্রি করবে, তারাও আমদানি করা স্বর্ণ ব্যবহার করতে পারবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনুমোদিত ডিলার সরাসরি স্বর্ণের বার আমদানি করতে পারবে। তবে ডিলার স্বর্ণের বার ছাড়া কোনো স্বর্ণালংকার বা অন্য কোনো ভাবে স্বর্ণ আমদানি করতে পারবে না। স্বর্ণের বার আমদানির সময় ডিলার বন্ড সুবিধা নিতে পারবে। এসব ডিলার স্বর্ণালংকার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে স্বর্ণের বার বিক্রি করবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, নিবন্ধিত বৈধ স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা স্বর্ণালংকার রপ্তানিকারক সনদ নিতে পারবে। বৈধভাবে স্বর্ণালংকার রপ্তানি উৎসাহিত করতে রপ্তানিকারকদের স্বর্ণালংকার তৈরির কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে রেয়াতসহ বিভিন্ন প্রকারের প্রণোদনামূলক বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে। স্বর্ণালংকার রপ্তানির উদ্দেশ্যে আমদানি করা স্বর্ণেও ক্ষেত্রে ডিউটি ড্র-ব্যাক ও বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা দেওয়া হবে।

নীতিমালায় পুরনো স্বর্ণ কেনাবেচায় স্বচ্ছতা আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকের কাছ থেকে রিসাইকেল্ড বা পুরনো স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে গ্রাহক, বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি এবং পূর্ণাঙ্গ যোগাযোগের ঠিকানা সংরক্ষণ করতে হবে।

সরকার স্বর্ণের মান নির্ণয়, যাচাই ও নিয়ন্ত্রণে নিজস্ব মান প্রণয়ন করবে। স্বর্ণের মান যাচাই ও বিশুদ্ধ স্বর্ণের পরিমাণ যাচাই নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ল্যাবটেস্ট, ফায়ার টেস্ট বা হলমার্ক টেস্ট সুবিধাসহ পরীক্ষাগার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

জ.টুডে-২৩ মে ২০১৮/বিডিএন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিচারপতি এবং কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বিচারপতিবৃন্দ, কূটনৈতিকৃন্দ এবং সরকারের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সম্মানে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ইফতারের আগে প্রধানমন্ত্রী ইফতার মাহফিলে আগত অতিথিদের বিভিন্ন টেবিল ঘুরে তাঁদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এ সময় দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালরাতের সকল শহীদ, জাতীয় চার নেতা এবং শহীদ মুক্তিযাদ্ধাদের জন্যও পরম করুনাময়ের দরবারে দোয়া করা হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মোহম্মদ এহসানুল হক মোনাজাত পরিচালনা করেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ অন্যানের মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

আপিলেট ডিভিশন ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিববৃন্দ, পুলিশের মহাপরিদর্শক, এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্ণিকাট, ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা এবং যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ ইফতার মাহফিলে যোগদান করেন।

এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি এবং উর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।

সুত্র-ইত্তেফাক/২৩মে২০১৮/বিডিএন

ধূমপান ৮ শতাংশ কমলেও,বর্তমানে দেশে ৬০ থেকে ৭০ লাখ মানুষ ইয়াবা আসক্ত

জগন্নাথপুরটুডে ডেস্ক:
দেশে ধূমপায়ীর সংখ্যা কমলেও পরোক্ষ ধূমপানে প্রতিবছর অসুস্থ হচ্ছে ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ। বুধবার সচিবালয়ে পরোক্ষ ধূমপান ক্ষতি বিষয়ক নতুন টিভি স্পট ‘বিষধোঁয়া’ ক্যাম্পেইন-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ধূমপান ৮ শতাংশ কমলেও ইয়াবা আসক্তি বেড়েছে ভয়াবহভাবে। বর্তমানে দেশে ৬০ থেকে ৭০ লাখ মানুষ ইয়াবা আসক্ত।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশে প্রতিবছর দেড় লাখ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য সেবনে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। ১৫ থেকে ৬৮ বছর বয়সী ৪৩ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ তামাক সেবন করেন।

এ সংখ্যা ৪ কোটি ৩০ লাখ। এর মধ্যে ৪৫ শতাংশ পুরুষ ও ১ দশমিক ৫ শতাংশ নারী রয়েছে। তিনি বলেন, শুধু তামাক সেবন করেন এমন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ২৬ শতাংশ আর নারী ২৮ শতাংশ। দেশে প্রতিবছর ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে অসুস্থ হয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ২০ শতাংশ মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবন-যাপন করেন। দেশের মানুষ তামাক পরিহার করলে এই দারিদ্র্যসীমার সংখ্যা একেবারেই কমে যাবে।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশে ইয়াবা মহামারি আকারে প্রবেশ করছে। যা উদ্ধার হচ্ছে তা প্রবেশ করা ইয়াবার মাত্র ৪ শতাংশ। আমরা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান বলেন, ২০০৯ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশে প্রাপ্তবয়স্ক ৪৩ শতাংশ মানুষ ধূমপান করেন। তবে ২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী তা ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

সুত্র-ইত্তেফাক ১৭ মে ২০১৮/বিডিএন