গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দেশে ২৫৮ জনের মৃত্যু

টুডে ডেস্ক:-

দেশে করোনা ভাইরাস দিন দিন মহামারি আকার ধারণ করছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভাইরাসটির শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৯ হাজার ৭৭৯ জনে। এর আগে গতকাল ২৬ জুলাই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৪ হাজার ৯২৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫২ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫ হাজার ১৫৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তবে দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ পরীক্ষা করা হয়েছে ৫২ হাজার ৪৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেখানে শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ৪৩৯ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ২২ হাজার ৪১৪ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২৫৮ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৫০ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৮ জন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ২ জন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৩৮ জন ও মহিলা ১২০ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১৫ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৮৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬১ জন, রাজশাহী বিভাগে ২১ জন, খুলনা বিভাগে ৫০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৩ জন, সিলেট বিভাগে ৭ জন, রংপুর বিভাগে ১১ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১১ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

দেশে করোনা ভাইরাসে সর্বোচ্চ ২৪৭ জনের মৃত্যু

টুডে ডেস্ক:-
দেশে করোনা ভাইরাস দিন দিন মহামারি আকার ধারণ করছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভাইরাসটির শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৯ হাজার ৫২১ জনে। এর আগে গত ১৯ জুলাই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৩১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

সোমবার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ১৯২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৮২৭ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২০০ জনের মৃত্যু

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৮ হাজার ৩২৫ জনে। এর আগে গতকাল ১৯ জুলাই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৩১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১১ হাজার ৫৭৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে । এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৯ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০ হাজার ৯৮২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও ৩৯ হাজার ৫১০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেখানে শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৯৯৭ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ৫১ হাজার ৩৪০ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২০০ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১১১ জন ও মহিলা ৮৯ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ৬ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, খুলনা বিভাগে ৫০ জন, বরিশাল বিভাগে ৭ জন, সিলেট বিভাগে ১১ জন, রংপুর বিভাগে ১২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৮ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র–ইত্তেফাক

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩১ জনের মৃত্যু

টুডে ডেস্ক:-

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৮ হাজার ১২৫ জনে। এটাই দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে ১১ জুলাই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল

সোমবার (১৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৩ হাজার ৩২১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে । এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ লাখ ১৭ হাজার ৩১০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ হাজার ৪৫১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও ৪৫ হাজার ১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেখানে শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৩৩৫ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৩ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২৩১ জনের ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে চারজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৩৬ জন ও মহিলা ৯৫ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১৮ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৬ জন, খুলনা বিভাগে ৫৭ জন, বরিশাল বিভাগে ছয়জন, সিলেট বিভাগে আটজন, রংপুর বিভাগে ১৭ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১১ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র—-ইত্তেফাক

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৩০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১১ হাজার ৮৭৪

টুডে ডেস্ক:-
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটাই দেশের ইতিহাসে করোনা ভাইরাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু। নতুন ২৩০ জন নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬ হাজার ৪১৯ জনে। এর আগে ৯ জুলাই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

রবিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৮৭৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ লাখ ২১ হাজার ১৮৯ জনে। ৮ জুলাই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৬৫১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল।

দেশের ইতিহাসে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ হাজার ৮৬০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়। তবে আগের দিনের নমুনাসহ এদিন পরীক্ষা হয়েছে ৪০ হাজার ১৫টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৩৬২ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৭৪ হাজার ৫০১ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২৩০ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ১১১ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪২ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৯ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে সাতজন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৩৩ জন ও মহিলা ৯৭ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১৯ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬৬ জন, ঢাকা বিভাগে ৫৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, বরিশাল বিভাগে আটজন, সিলেট বিভাগে আটজন, রংপুর বিভাগে ২২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচজন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র—-ইত্তেফাক

করোনায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২১২ জনের মৃত্যু

শুক্রবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৩২৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ লাখ ৫৪৩ জনে।

No description available.গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ হাজার ২০৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৫৮৬টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৩৮ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৮৪ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২১২ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ৯০ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪০ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে সাতজন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুইজন রয়েছে।

ফের টিকার নিবন্ধন শুরু, সার্ভারে ঢুকতে ভোগান্তি

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১১৯ জন ও মহিলা ৯৩ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১৬ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২১২ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৯ জন, ঢাকা বিভাগে ৫৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, বরিশাল বিভাগে পাঁচজন, সিলেট বিভাগে ছয়জন, রংপুর বিভাগে ১২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে আটজন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র———–ইত্তেফাক

দেশে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্ত, আরও ১৯৯ জনের মৃত্যু

টুডে ডেস্ক:-

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দেশে একদিনে করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এনিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৭৯২ জনে। গত ১২ দিন ধরে করোনায় শতাধিক মৃত্যু দেখছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৬৫১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ৮৯ হাজার ২১৯ জনে। এর আগে ৬ জুলাই দেশে সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৫২৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ হাজার ২৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৮৫০টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৬২ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৮৪৪ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩৪৬ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১৯৯ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ১০৭ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৮ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৯ জন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুইজন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৩৩ জন ও মহিলা ৬৬ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১২ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৫ জন, খুলনা বিভাগে ৫৫ জন, বরিশাল বিভাগে তিনজন, সিলেট বিভাগে পাঁচজন, রংপুর বিভাগে ৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র ——ইত্তেফাক

দেশে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ১৬৩

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে রেকর্ড ১১ হাজার ৫২৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪০৬ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ হাজার ৩৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৩১টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৪ দশমিক ২২ শতাংশ। একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৪৩৩ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ জন।

 

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১৬৩ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ৯১ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে পাঁচজন রয়েছে।

শিগগিরই শুরু হচ্ছে গণটিকাদান: সিটিতে মডার্না, জেলায় সিনোফার্ম

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৯৮ জন ও মহিলা ৬৫ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ৫ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৬৩ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৬ জন, ঢাকায় ৪৫ জন, রাজশাহীতে ২৪ জন, রংপুরে ১১ জন, চট্টগ্রামে ২৪ জন, ময়মনসিংহে পাঁচজন, সিলেটে দুইজন, বরিশালে ছয়জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র———-ইত্তেফাক

কঠোর বিধিনিষেধ বাড়লো ১৪ জুলাই পর্যন্ত

টুডে ডেস্ক:-

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ আরও সাতদিন বাড়ানো হয়েছে। চলবে আগামী ১৪ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত।

সরকার ঘোষিত সাতদিনের কঠোর বিধিনিষেধের পঞ্চম দিনে আজ সোমবার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানায়।

No description available.প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেনায় চআগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা বাড়ানো হলো।

 

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে আগামী ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করে সরকার। এ সময়ে জরুরি কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

চলমান কঠোর বিধিনিষেধের পঞ্চম দিনে আজ সোমবার (৫ জুলাই) রাজধানীতে বেড়েছে মানুষের চলাচল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে। রাজধানীর শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, তালতলা, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর ও ফার্মগেট ঘুরে দেখা যায়, গতকালের তুলনায় আজ সড়কে মানুষের চলাচল বেশি। পাশাপাশি বেড়েছে রিকশাসহ ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা।

সূত্র———–ইত্তেফাক

৪৩ দিনের মধ্যে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯৫৬

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৩ হাজার ২৮২ জনে। একই সময়ে নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৯৫৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৭ জনে। ৪৩ দিনের মধ্যে করোনায় এটি সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে গত ৩ মে দেশে ৬৫ জন মারা গিয়েছিল।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার৬৭৯ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫২ জন। এই সময়ে ২৩ হাজার ৯৬৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ৮০৭টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬২ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৬০ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৮, চট্টগ্রামে ৮ জন, রাজশাহীতে ১৭, খুলনায় ১৪ জন, সিলেটে ৬ জন, রংপুরে ৪ জন ও ময়মনসিংহে ৩ জন মারা গেছেন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ২৪ জন নারী। এদের মধ্যে বাসায় ৫ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ২৩ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন এবং ১১-২০ মধ্যে তিনজন রয়েছেন।

সূত্র-ইত্তেফাক