জগন্নাথপুরের নববধূ লাকীর খুনী ঘাতক স্বামী অমরেশ কারাগারে

স্টাফ রিপোর্ট ঃ  জগন্নাথপুর পৌর শহরের মন্দির বাড়ী এলাকার নববধু লাকী রানী নাথ হত্যা কান্ডের ঘটনায় ঘাতক স্বামী দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালা বাজার ইউনিয়নের শাহ সিকন্দর গ্রামের অমরেশ দেবনাথকে কারাগারে পাঠিয়েছেন সিলেট মহানগর জুডিশিয়াল আদালত।

 

বিস্তারিত আসছে,,,,,,।

জগন্নাথপুরের নববধু লাকীর হত্যাকারী স্বামী অমরেশ কারাগারে

জগন্নাথপুর পৌর শহরের মন্দির বাড়ী এলাকার নববধু লাকী রানী নাথ  হত্যা কান্ডের ঘটনায় ঘাতক স্বামী দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালা বাজার ইউনিয়নের শাহ সিকন্দর গ্রামের অমরেশ দেবনাথকে কারাগারে পাঠিয়েছেন সিলেট মহানগর জুডিশিয়াল আদালত।বিস্তারিত আসছে,,,,,,।

তৃতীয় বার মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্ট ঃ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর নির্দেশনা মোতাবেক মানদন্ডের বিচারে জুন মাসে মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী।

থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন সহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় আজ মঙ্গলবার( ১১জুলাই ) মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া এই পুরষ্কার প্রদান করেন।

এ নিয়ে অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুনুর রশীদ তিনবার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন।

এছাড়া জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নির্বাচিত হন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ মশিউর রহমান ও

মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার উপ- পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হাওলদার জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হন।

এবং ডাকাতি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কদর আলীকে গ্রেফতার করায় মৌলভীবাজার সদর থানার শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুনেদ আহমেদকে পুরস্কৃত করা হয়।

পুলিশ সুপার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী থানার অফিসার ইনচার্জ ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত অফিসারগণের হাতে ক্রেস্ট ও ধন্যবাদপত্র তুলে দেন।

অপরাধ সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহসিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) দীপঙ্কর ঘোষ এবং মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ইনচার্জ ও থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্হিত ছিলেন।

অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী তার শ্রেষ্ঠত্বের এই অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। শ্রেষ্ঠত্বের অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সকে উৎসর্গ করেন তিনি। জটুডে /এহাই

তৃতীয় বার মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্ট ঃ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর নির্দেশনা মোতাবেক মানদন্ডের বিচারে জুন মাসে মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী।

থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন সহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় আজ মঙ্গলবার( ১১জুলাই ) মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া এই পুরষ্কার প্রদান করেন।

এ নিয়ে অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুনুর রশীদ তিনবার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন।

এছাড়া জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নির্বাচিত হন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ মশিউর রহমান ও

মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার উপ- পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হাওলদার জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হন।

এবং ডাকাতি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কদর আলীকে গ্রেফতার করায় মৌলভীবাজার সদর থানার শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুনেদ আহমেদকে পুরস্কৃত করা হয়।

পুলিশ সুপার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী থানার অফিসার ইনচার্জ ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত অফিসারগণের হাতে ক্রেস্ট ও ধন্যবাদপত্র তুলে দেন।

অপরাধ সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহসিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) দীপঙ্কর ঘোষ এবং মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ইনচার্জ ও থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্হিত ছিলেন।

অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী তার শ্রেষ্ঠত্বের এই অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। শ্রেষ্ঠত্বের অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সকে উৎসর্গ করেন তিনি। জটুডে /এহাই

মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী তৃতীয় বার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ জেলার

স্টাফ রিপোর্ট ঃ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর নির্দেশনা মোতাবেক মানদন্ডের বিচারে জুন মাসে মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী।

থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন সহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় আজ মঙ্গলবার( ১১জুলাই ) মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া এই পুরষ্কার প্রদান করেন।

এ নিয়ে অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুনুর রশীদ তিনবার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন।

এছাড়া জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নির্বাচিত হন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ মশিউর রহমান ও

মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার উপ- পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হাওলদার জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হন।

এবং ডাকাতি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কদর আলীকে গ্রেফতার করায় মৌলভীবাজার সদর থানার শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুনেদ আহমেদকে পুরস্কৃত করা হয়।

পুলিশ সুপার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী থানার অফিসার ইনচার্জ ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত অফিসারগণের হাতে ক্রেস্ট ও ধন্যবাদপত্র তুলে দেন।

অপরাধ সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহসিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) দীপঙ্কর ঘোষ এবং মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ইনচার্জ ও থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্হিত ছিলেন।

অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী তার শ্রেষ্ঠত্বের এই অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। শ্রেষ্ঠত্বের অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সকে উৎসর্গ করেন তিনি।

জটুডে /এহাই

হারুনুর রশীদ চৌধুরী সিলেট বিভাগের ৩৯টি থানার মধ্যে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত

স্টাফ রিপোর্ট ঃ    সিলেট বিভাগের ৩৯টি থানার মধ্যে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর নির্দেশনা মোতাবেক মানদন্ডের বিচারে গত এপ্রিল হতে জুন/২০২৩খ্রিঃ তিন মাসের মানদন্ডে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।

থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন সহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় সোমবার (১০ জুলাই) সিলেট বিভাগ কর্তৃক মাসিক অপরাধ সভায় ডিআইজি শাহ মিজান শফিউর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম সেবা এই পুরষ্কার প্রদান করেন।

এসময় সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) নাবিলা জাফরিন রীনা, অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম এন্ড অপস) এম এ জলিল, আরআরএফ কমান্ড্যান্ট (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হুমায়ুন কবীর, পুলিশ সুপার (এডমিন এন্ড ফিন্যান্স) মো. জেদান আল মুসা, সিলেট জেলা পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন, মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া,

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী, সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহসান শাহ্, সুনামগঞ্জের ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) নিকুলিন চাকমা, হবিগঞ্জের ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মো. আব্দুল হান্নান,

সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. নাজিম উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (স্টাফ অফিসার টু ডিআইজি) বায়েজিদ বিন মনসুর সহ থানার অফিসার ইনচার্জ গণ সহ জেলা পুলিশ ও রেঞ্জ কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্হিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় যোগদান করার পর দুইবার জেলার শ্রেষ্ঠ এবং সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় সপ্তম বার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন।

অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী তিনি তার শ্রেষ্ঠত্বের এই অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বিধায় সিলেট বিভাগের এই শ্রেষ্ঠত্বের অর্জন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সকে উৎসর্গ করা হয়।
জটুডে/ এহাই

মসজিদে দান করা কাঁঠালের দাম হাঁকা নিয়ে শান্তিগঞ্জে ভয়াবহ সংঘর্ষ :নিহত-৩ আহত-৪০আটক-৩

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কল ইউনিয়নের হাসনাবাজ গ্রামে মসজিদে দানকৃত একটি কাঠাল নিলামে তোলা এবং দাম হাকাঁনো নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দু”পক্ষের সংঘর্ষে ৩জন নিহত এবং উভয়পক্ষের ৪০ জন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। তবে আরো ৩ জনের অবস্থা আশংঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

আজ সোমবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টায় এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন হাসনাবাজ গ্রামের মো. বাবুল মিয়া(৫৮), নুরুল ইসলাম (৪২),মোঃ শাহজাহান (৩৬)।

আহতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,হাসনাবাজ গ্রামের মসজিদে এক ব্যাক্তি একটি কাঠাল দান করেন।

মসজিদে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে এই কাঠালটি নিলামে তোলা হয় এবং দাম হাকাঁনো হয়। এতে গ্রামের দ্বীন ইসলামের পক্ষের লোকজন দামের কথা শুনা যাচ্ছে না বলে আওয়াজ তুললে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের সুনু মিয়া ও জুনাব আলীর লোকজনরা বলে উঠেন মসজিদের ভেতরে অবস্থানকারী সবাই শুনলেও তোমরা কেন শুনতে পাওনি এনিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাাকটি হয়।

এরই জের ধরে সকালে দ্বীন ইসলামের লোকজনের সাথে প্রতিপক্ষ সুনু মিয়া ও জুনাব আলীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।

এতে দ্বীন ইসলামের পক্ষের বাবুল মিয়া(৫৮) ও নুরুল ইসলাম(৪২) ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং সুনু মিয়া জুনাব আলী গংদের পক্ষে মো. শাহজাহান মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে রাস্তায় তিনি মারা যান।

এতে উভয়পক্ষের ৪০ জন আহত হন। তবে তাৎক্ষনিক আহতের নাম ও পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বাছিত সুজন জানান, রোববার রাতে এবং আজকে ভোরে আসনাবাজ গ্রামে গিয়ে উভয়পক্ষের লোকজনের সাথে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করে কথা বলেছি।

উভয়পক্ষের লোকজন আমাকে আশস্হ করেছিলেন কোন পক্ষই মারাামরিতে যাবেন না। এমন আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের শান্ত করে উপজেলা পরিষদের মিটিংয়ে আমি চলে আসার পর শুনতে পাই উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

একটি কাঠাল নিয়ে এমন অনাকাংঙ্খিত ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।

এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদ চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। ##
জটুডে/এহাই

শান্তিগন্জে জগন্নাথপুরের জুয়ারী সহ গ্রেফতার-৪

স্টাফ রিপোর্ট :   সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বিশেষ অভিযানে জগন্নাথপুর উপজেলার পেশাদার জুয়ারী সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ সময় নগদ টাকাসহ জুয়াখেলার সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের আনোয়ারপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার ও আবু বক্কর বাকী। সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে এ অভিযান করেন তারা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদে খবর পেয়ে আনোয়ারপুর গ্রামের আজাদ মিয়ার বসত ঘর থেকে জুয়া খেলার সামগ্রীসহ নগদ ৯০ হাজার ৩শ টাকা উদ্ধার করেন।

এ সময় তাস দিয়ে জুয়া খেলারত অবস্থায় জগন্নাথপুর উপজেলার ইসহাকপুর গ্রামের মৃত তাজ উল্লাহ’র ছেলে মো. আরজু মিয়া (৫২), মো. ছালিক মিয়া (৫৪), আহমদাবাদ গ্রামের মৃত আবদুল মজিদের ছেলে মো. মাহমদ আলী (৪৩) ও নবীগঞ্জ উপজেলার ভুরমপুর গ্রামের মৃত মুতাহির মিয়ার ছেলে মুজিবুর রহমানকে (৩৯)গ্রেফতার করা হয়।

শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদ চৌধুরী জানান, জুয়া খেলার সময় ৪ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে।বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের মতবিনিময় সভা

স্টাফ রিপোর্টঃ-

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সুধীজনের সাথে মতবিনিময় করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান,।

মতবিনিময় সভায় দেশের চলমান উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে বিষদ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসময় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, সুনামগঞ্জ জেলার সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট,সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহসান্ শাহ,পৌরসভার মেয়র মেয়র নাদের বখ্‌ত,সহ জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।

জটুডে/ এ হাই

গ্রামীণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ যোন জগন্নাথপুর এরিয়ার উদ্যোগে শীত বস্ত্রের কম্বল বিতরণ

স্টাফ রিপোর্ট ঃ-
বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ যোন জগন্নাথপুর এরিয়া অফিসের উদ্যোগে জগন্নাথপুর এরিয়ার ১১টি শাখার সংগ্রামী সদস্য শীতার্তদের মধ্যে শীত বস্ত্রের কম্বল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (৭ জানুয়ারী) শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গ্রামীণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ যোনের যোনাল ম্যানাজার মোহাম্মদ মোশারেফ হোসেন। যোনাল অডিট অফিসার মোঃ বাবর আলী, জগন্নাথপুর এরিয়া ম্যানেজার বিপুল চন্দ্র রায়।
এসময় গ্রামীণ ব্যাংকের স্ব-স্ব শাখা অফিসের সহকর্মী বৃন্দ, সদস্য-সদস্যা এবং এরিয়ার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

গ্রামীণ ব্যাংক জগন্নাথপুর এরিয়া ম্যানেজার বিপুল চন্দ্র রায় জানান, সুনামগঞ্জ যোন এর প্রতিটি শাখায় গত ৭ জানুয়ারি থেকে ৯জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংক সংগ্রামী শীতার্ত সদস্য সদস্যাদের মধ্যে শীত বস্ত্রের কম্বল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

ভবিষ্যতেও সংস্থার মহতি কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
জটুডে /এহাই