০৬:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মসজিদে দান করা কাঁঠালের দাম হাঁকা নিয়ে শান্তিগঞ্জে ভয়াবহ সংঘর্ষ :নিহত-৩ আহত-৪০আটক-৩

  • Update Time : ০৩:১৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩
  • / 450

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কল ইউনিয়নের হাসনাবাজ গ্রামে মসজিদে দানকৃত একটি কাঠাল নিলামে তোলা এবং দাম হাকাঁনো নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দু”পক্ষের সংঘর্ষে ৩জন নিহত এবং উভয়পক্ষের ৪০ জন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। তবে আরো ৩ জনের অবস্থা আশংঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

আজ সোমবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টায় এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন হাসনাবাজ গ্রামের মো. বাবুল মিয়া(৫৮), নুরুল ইসলাম (৪২),মোঃ শাহজাহান (৩৬)।

আহতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,হাসনাবাজ গ্রামের মসজিদে এক ব্যাক্তি একটি কাঠাল দান করেন।

মসজিদে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে এই কাঠালটি নিলামে তোলা হয় এবং দাম হাকাঁনো হয়। এতে গ্রামের দ্বীন ইসলামের পক্ষের লোকজন দামের কথা শুনা যাচ্ছে না বলে আওয়াজ তুললে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের সুনু মিয়া ও জুনাব আলীর লোকজনরা বলে উঠেন মসজিদের ভেতরে অবস্থানকারী সবাই শুনলেও তোমরা কেন শুনতে পাওনি এনিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাাকটি হয়।

এরই জের ধরে সকালে দ্বীন ইসলামের লোকজনের সাথে প্রতিপক্ষ সুনু মিয়া ও জুনাব আলীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।

এতে দ্বীন ইসলামের পক্ষের বাবুল মিয়া(৫৮) ও নুরুল ইসলাম(৪২) ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং সুনু মিয়া জুনাব আলী গংদের পক্ষে মো. শাহজাহান মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে রাস্তায় তিনি মারা যান।

এতে উভয়পক্ষের ৪০ জন আহত হন। তবে তাৎক্ষনিক আহতের নাম ও পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বাছিত সুজন জানান, রোববার রাতে এবং আজকে ভোরে আসনাবাজ গ্রামে গিয়ে উভয়পক্ষের লোকজনের সাথে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করে কথা বলেছি।

উভয়পক্ষের লোকজন আমাকে আশস্হ করেছিলেন কোন পক্ষই মারাামরিতে যাবেন না। এমন আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের শান্ত করে উপজেলা পরিষদের মিটিংয়ে আমি চলে আসার পর শুনতে পাই উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

একটি কাঠাল নিয়ে এমন অনাকাংঙ্খিত ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।

এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদ চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। ##
জটুডে/এহাই

Please Share This Post in Your Social Media

মসজিদে দান করা কাঁঠালের দাম হাঁকা নিয়ে শান্তিগঞ্জে ভয়াবহ সংঘর্ষ :নিহত-৩ আহত-৪০আটক-৩

Update Time : ০৩:১৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কল ইউনিয়নের হাসনাবাজ গ্রামে মসজিদে দানকৃত একটি কাঠাল নিলামে তোলা এবং দাম হাকাঁনো নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দু”পক্ষের সংঘর্ষে ৩জন নিহত এবং উভয়পক্ষের ৪০ জন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। তবে আরো ৩ জনের অবস্থা আশংঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

আজ সোমবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টায় এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন হাসনাবাজ গ্রামের মো. বাবুল মিয়া(৫৮), নুরুল ইসলাম (৪২),মোঃ শাহজাহান (৩৬)।

আহতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,হাসনাবাজ গ্রামের মসজিদে এক ব্যাক্তি একটি কাঠাল দান করেন।

মসজিদে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে এই কাঠালটি নিলামে তোলা হয় এবং দাম হাকাঁনো হয়। এতে গ্রামের দ্বীন ইসলামের পক্ষের লোকজন দামের কথা শুনা যাচ্ছে না বলে আওয়াজ তুললে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের সুনু মিয়া ও জুনাব আলীর লোকজনরা বলে উঠেন মসজিদের ভেতরে অবস্থানকারী সবাই শুনলেও তোমরা কেন শুনতে পাওনি এনিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাাকটি হয়।

এরই জের ধরে সকালে দ্বীন ইসলামের লোকজনের সাথে প্রতিপক্ষ সুনু মিয়া ও জুনাব আলীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।

এতে দ্বীন ইসলামের পক্ষের বাবুল মিয়া(৫৮) ও নুরুল ইসলাম(৪২) ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং সুনু মিয়া জুনাব আলী গংদের পক্ষে মো. শাহজাহান মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে রাস্তায় তিনি মারা যান।

এতে উভয়পক্ষের ৪০ জন আহত হন। তবে তাৎক্ষনিক আহতের নাম ও পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বাছিত সুজন জানান, রোববার রাতে এবং আজকে ভোরে আসনাবাজ গ্রামে গিয়ে উভয়পক্ষের লোকজনের সাথে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করে কথা বলেছি।

উভয়পক্ষের লোকজন আমাকে আশস্হ করেছিলেন কোন পক্ষই মারাামরিতে যাবেন না। এমন আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের শান্ত করে উপজেলা পরিষদের মিটিংয়ে আমি চলে আসার পর শুনতে পাই উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

একটি কাঠাল নিয়ে এমন অনাকাংঙ্খিত ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।

এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদ চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। ##
জটুডে/এহাই