ইউপি নির্বাচন ঘিরে গরম হচ্ছে রাজনীতি

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

বিশ্বকে দিশেহারা করে দেওয়া করোনা ভাইরাসের প্রকোপে টানা পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে বলতে গেলে ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকা রাজনৈতিক দলগুলো ঘর থেকে বেরিয়ে আসার তত্পরতা শুরু করেছে।

প্রথমে জাতীয় সংসদের শূন্য হওয়া চারটি আসনে অনুষ্ঠেয় উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় হতে চাইছে দলগুলো। এরপর পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি)সহ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে সারা দেশে দলীয় রাজনৈতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার প্রস্তুতি চলছে। উল্লেখযোগ্য দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, করোনার মধ্যেও মূলত ইউপি নির্বাচনকে ঘিরেই সারা দেশে রাজনীতি আবার সরগরম হয়ে উঠবে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, আগামী বছরের মার্চ থেকে কয়েক ধাপে শুরু হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন। স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বড় পরিধির ৪ হাজার ১০০টি ইউপির নির্বাচন আয়োজনে ইতিমধ্যে প্রাথমিক প্রস্তুতিও শুরু করেছে ইসি। ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে ইসি এই নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করতে পারে। আইন অনুযায়ী, আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই সব ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় ইসি। এর আগে আগামী অক্টোবরে মামলার জটে আটকে থাকা দুই শতাধিক ইউপিতে উপনির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

বর্তমানে দেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। ২০১৬ সালের ২২ মার্চ শুরু হয়ে কয়েক ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ হয় ঐ বছরের ৪ জুন। আইন অনুযায়ী, কোনো ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনসহ সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এরই মধ্যে দেশব্যাপী দলের অপূর্ণাঙ্গ কমিটিগুলো পূর্ণাঙ্গ করার উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি আগের মতো ভবিষ্যতেও স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। জাতীয় পার্টি (জাপা), জাতীয় পার্টি-জেপি, জাসদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও চরমোনাই পিরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি)সহ অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দলও বিশেষত ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে সংগঠন গোছানোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

ইউপি নির্বাচনের আগে এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সব পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠানেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। অক্টোবর থেকে পৌরসভাগুলো নির্বাচনের উপযোগী হবে। অক্টোবর থেকে নির্বাচনের উপযোগী পৌরসভাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে ইসি ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবকে চিঠি দিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর ধারণা, ইউপির আগে পৌরসভা এবং এর আগে চারটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে দলগুলোর রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক তত্পরতাও ধাপে ধাপে মাঠে বিস্তৃত হবে। আর সাংগঠনিক তত্পরতা দেশব্যাপী পূর্ণতা পাবে কার্যত ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেছেন, যেহেতু দেশে কোভিড-১৯-এর সমস্যা রয়েছে এবং আগামী দুই-তিন মাসেও আশানুরূপ উন্নতি হবে বলে মনে হচ্ছে না; সেই কারণে সঠিক সময়ে ইউপিসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো করা বড় চ্যালেঞ্জ। সেক্ষেত্রে মেয়াদ শেষ হলেও সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করা যায় কি-না, কিংবা বিকল্প কিছু করা যায় কি-না সেটাও ভাবা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইনগুলো পর্যালোচনা করে দেখছে মন্ত্রণালয়।

এদিকে, জাতীয় সংসদের শূন্য হওয়া চারটি আসনে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী ঢাকা-৫ এবং নওগাঁ-৬ আসনে উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর। ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনের তপশিল কমিশন এখনো ঘোষণা করেনি। আওয়ামী লীগ এরই মধ্যে ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ আসনে দল মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। ঢাকা-৫ আসনে জাপা মনোনীত প্রার্থী দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ। বিএনপিও এ চারটি উপনির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

চারটি আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে গতকাল বৃহস্পতিবার দলীয় ফরম বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি। ঢাকার দুটি আসনে মোট ১২ জন বিএনপির মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

ঢাকা-৫ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ছাড়াও ফরম কিনেছেন অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, নবী উল্লাহ নবী, মো. জুম্মন মিয়া ও আকবর হোসেন নান্টু। ঢাকা-১৮ আসনে প্রার্থী হতে ফরম কিনেছেন এম কফিল উদ্দিন, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ইসমাইল হোসেন, বাহাউদ্দিন সাদী, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোস্তফা জামান সেগুন, মো. আখতার হোসেন।

নওগাঁ-৬ আসনে আবদুস শুকুর, এম এম ফারুক জেমস, মাহমুদুল আরেফিন স্বপন, এসহাক আলী, আতিকুর রহমান রতন মোল্লা, শেখ মো. রেজাউল ইসলাম, মো. শফিকুল ইসলাম, আবু সাঈদ রফিকুল আলম রফিক মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

সিরাজগঞ্জ-১ আসনে বি এম তবিবুল ইসলাম, নাজমুল হাসান তালুকদার রানা ও রবিউল হাসান বিএনপির মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চারটি আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের আজ শুক্রবারের মধ্যে ফরম জমা দিতে হবে। আগামীকাল শনিবার বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাত্কার শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা হবে।

জগন্নাথপুরে আওয়ামী লীগের সভায় পরিকল্পনামন্ত্রীকে অভিনন্দন:: ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রস্তুতি

জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের অভিভাবক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সিদ্দিক আহমদ বলেছেন আওয়ামী লীগ মাটি ও মানুষের সংগঠন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলীয় কার্যক্রম সহ দেশের উন্নয়নে মহাজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে।

উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান। সুনামগঞ্জ জেলা সহ পুরো দেশে শিক্ষার উন্নয়নে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জগন্নাথপুর দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্ঠায় সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল জাতীয় সংসদে উত্তাপন হয়ে তা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্ঠায় ইতোমধ্যে জগন্নাথপুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রগতি হচ্ছে। ইতোমধ্যে জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ এলজিইডি সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক যোগাযোগ সংস্কারে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন তিনি। জগন্নাথপুরে আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের দলীয় কার্যক্রম অত্যান্ত সু-শৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সম্মেলন শেষ হওয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন শীঘ্রই সম্পন্ন করণে দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজুর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র, প্রচার সম্পাদক আব্দুল জব্বার, সদস্য পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আগুর মিয়া, সদস্য আকমল খাঁন, পৌর আওয়ামী লীগ স

ভাপতি ডা: আব্দুল আহাদ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শুকুর আলী ভূইয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হাই, আশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সত্তার, সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব খাঁন, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আব্দুল গফুর, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফখরুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বশির আহমদ, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হাজি সুন্দর আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা: ছদরুল ইসলাম, পাইলগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আপ্তাব উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল তাহিদ, পাটলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনু মোহাম্মদ মতছির, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাফরোজ ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহ রুহেল প্রমূখ। সভায় সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল জাতীয় সংসদে উত্তাপন হয়ে তা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। এছাড়াও সম্মেলন হওয়া প্রতিটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দ্রত সম্পন্ন করণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জগন্নাথপুরে ছাত্রদলের তথ্য সংগ্রহ ফরম বিতরণ ও জমা প্রদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জগন্নাথপুর উপজেলা শাখা, জগন্নাথপুর পৌর শাখা, জগন্নাথপুর সরকারী কলেজ শাখার তথ্য সংগ্রহ ফরম বিতরণ ও জমা প্রধান কার্যক্রম অনুষ্ঠান আজ ৫ সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার দুপুর ১ ঘটিকায় জগন্নাথপুর হাসপাতাল পয়েন্টে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জগন্নাথপুর উপজেলা শাখা, জগন্নাথপুর পৌর শাখা, জগন্নাথপুর সরকারী কলেজ শাখার যৌথ আয়োজনে জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাবেক সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ ত্রাণ এ পুর্ণবাসন সম্পাদক সৈয়দ মোসাব্বির আহমেদের সভাপতিত্বে ও জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা জুবেদ আলী লখনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলা শাখা, জগন্নাথপুর পৌর শাখা, জগন্নাথপুর সরকারী কলেজ শাখার তথ্য সংগ্রহ ফরম বিতরণ ও জমা প্রধান কার্যক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ও জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদল, জগন্নাথপুর পৌর ছাত্রদল ও জগন্নাথপুর সরকারী কলেজ ছাত্রদল ইউনিটের টিম প্রধান কাজী মিসবাহ, বিশেষ অতিথির ছিলেন বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সদস্য সদরুল আমিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সদস্য রাকিবুল হাসান শাকিল, সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু হোরায়রা সাদ মাষ্টার, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা কমিটির সদস্য, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম খসরু সাবেক চেয়ারম্যান, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এড. জিয়াউর রহিম শাহীন, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আছকির আলী সাবেক চেয়ারম্যান, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন আহমেদ, জগন্নাথপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী হারুনুজ্জামান হারুন, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সোবহান, জগন্নাথপুর পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন মিটু, জগন্নাথপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দিলু মিয়া।
বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুর নূর, ডা: রাজা মিয়া, কামরুজ্জান মিয়া, আখলুল করিম, সৈয়দ আজমল হোসেন, আলিম উদ্দিন, শামসুল ইসলাম রানা, রাহিন তালুকদার, আনিসুর রহমান তুতি, আব্দুল হক, জগন্নাথপুর পৌর বিএনপি নেতা তকবুর মিয়া, শিশু মিয়া, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবুল হাশিম ডালিম, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আনহার মিয়া, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী সোহেল আহমদ খান টুনু, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য মিয়া মোহাম্মদ ইউসুফ, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য লিটন মিয়া,সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য শামিম আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য রওশন মিয়া, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য কায়রুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদল নেতা সৈয়দ ইসহাক আহমদ, রাসেল বক্স, সেলিম আহমদ, জহিরুল ইসলাম লেবু, সৈয়দ মিজান, লুৎফুরজামান ছালিক, রুহেল চৌধুরী, শাহিনুর রহমান, আব্দুল মালিক, সিরাজুল হক, সুলেমান আহমদ, জগন্নাথপুর পৌর যুবদল নেতা সাদেক আহমদ, তারেক আহমদ, বিলাল আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আবুল হাসনাত আমির, সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নুরুল আমিন। সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বাবুল খান মুন্না, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ, মামুনুর রশিদ,জুনাইদ আহমদ জুনেদ, সৈয়দ মারজান আহমদ, শামসুল ইসলাম জাবির, জয়নুর আহমদ, মিজানুর রহমান মিজান, পারভেজ আহমদ তালুকদার, ইমামুল হোসেন, সুহেল আহমদ, জাকারিয়া হোসাইন, অদুধ কামালী, খালেদ আহমদ, তুফায়েল আহমদ, হেলিম উদ্দিন, শাকিল আহমদ, আনিসুজ্জামান জনি, লিটন মিয়া, সাদমান খান, জামিল খান,জুবায়েল আহমদ, তানবীর আহমদ তামিম, সৈয়দ শিব্বির আহমদ, জগন্নাথপুর পৌর ছাত্রদল নেতা রুয়েল মিয়া, নিজাম আহমদ, জাকারিয়া আহমদ, মাসুম আহমদ, আলী হোসেন, জগন্নাথপুর সরকারী কলেজ ছাত্রদল নেতা রুহুল আমিন, ইমরান হোসেন, পারভেজ আহমেদ বিলাল, আব্দুল কাদির রাহিম প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের, জগন্নাথপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের, জগন্নাথপুর সরকারী কলেজের ছাত্রদলের নেতাকর্মী বৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী মিসবাহ বলেন আজ আমরা জগন্নাথপুরে সাংগঠনিক সফরে এসেছি আমরা যারা জগন্নাথপুর উপজেলা, জগন্নাথপুর পৌর, জগন্নাথপুর সরকারী কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক টিমে আছি আপনাদের ফরন গুলি নিয়ে গেলাম আপনাদের বক্তব্য শুনলাম। আমরা জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সহ জেলার নেত্রীবৃন্দদের সাথে কথা বলে জগন্নাথপুর উপজেলা, পৌর ও কলেজে ছাত্রদলের নেত্রীত্ব টিক করব। আমি বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাক্রমীদের উদ্দেশ্যে বলব বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ডাকে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব, গনতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে রাজপথে থেকে এই স্বৈরচারী সরকারের পতন ঘটাতে হবে। পরিশেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ূ কামনা করেছেন। সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতা আবুল মনসুর।

১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার নির্দেশ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যে সকল জেলা, মহানগর এবং সহযোগী সংগঠগুলোর সম্মেলন হয়েছে কিন্তু পুর্নাঙ্গ কমিটি হয়নি, তাদের আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুর্নাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দলের দপ্তর বিভাগে দলের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করে জমা প্রদানের আহ্বান করছি। যে সকল জেলা, মহানগর ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে, পুর্নাঙ্গ কমিটি হয়নি; সেই কমিটি ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেয়ার জন্য সংগঠনের সকল শাখার প্রতি নির্দেশনা দিচ্ছি।’

ওবায়দুল কাদের বুধবার ( ২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়স্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সম্পাদকমন্ডলীর সভায় সভাপতির বক্তব্যে এই নির্দেশনা প্রদান করে।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বলেন, আগামীতে যে সম্মেলনগুলো হবে সেগুলো সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই করবো। উপজেলা সম্মেলন, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড বাদ দিয়ে জেলা সম্মেলন করার কোনো মানে হয় না। কাজেই আমাদের একেবারেই তৃনমুল থেকে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে।

এখন থেকে আমাদের সীমিত আকারে সারা বাংলাদেশে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, খুব শিগগিরই দলের সভাপতিমন্ডলীর সভা হবে। এরপর কার্য নির্বাহী কমিটির সভা করার চিন্তা-ভাবনা আছে।

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ মদদ ছিলো এবং এটা দিবালোকের মতো পরিস্কার জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমানের জড়িত থাকার বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি কর্নেল ফারুক, রশিদ, মাজেদরা মিডিয়ায় নিজেদের সাক্ষাৎকারে বলেছে। জড়িত ছিলো বলেই খুনিদের পুনর্বাসন ও বিচার কার্য বাধাগ্রস্থ করতেই জাতির পিতার হত্যাকান্ডের ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ সংবিধানে পাশ কারে দায়মুক্তির বিধান করে। আমরা বুঝতে পারি না, ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পরীক্ষিত এই সত্যকে বিএনপি অস্বীকার করে কিভাবে?”

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীতে থাকা খালেদ মোশাররফ, কর্নেল হুদা, হায়দারসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও সৈনিককে নির্মমভাবে হত্যা করে। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির প্রাণ ভোমরাকে আবদ্ধ করে সামরিক ছায়ায় হ্যাঁ-না ভোটের ক্যানভাসে ১১০ ভাগ ভোটও জিয়াউর রহমান সেদিন পেয়েছিলেন। এটাই হচ্ছে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নমুনা।

‘১৫ আগস্ট নিয়ে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে’-বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগের প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি জানতে চাই, মির্জা ফখরুল সাহেব এই খুনিদের কারা নিরাপদে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলো? বাংলাদেশের বিদেশি দুতাবাসে চাকির দিয়ে পুরস্কৃত করেছিলো? যাতে খুনিদের বিচার না হয় সেজন্য মোশতাকের ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলো? এর জবাব আপনাদের দিতে হবে।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট এলেই আপনাদের গাত্রদাহ শুরু হয়ে যায়। ইতিহাসের সত্যকে আপনাদের ভালো লাগে না। তবে একটা কথাই সত্য যে, সত্য জাতির কাছে চাপা দিয়ে কারো কোনো লাভ নেই। জিয়াউর রহমানের এই ভুমিকাকে ১৫ আগষ্টের খুনিদের এসব সুবিধা কে দিয়েছিলো? বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম এই জবাব চায়।”

সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামল হোসেন, এডভোকেট আফজাল হোসেন ও মির্জা আজম, ত্রাণ ও সমাজ ক্যলাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন

দেশ জুড়ে বিতর্কিত নেতাদের তালিকা প্রণয়ন::জোরালো হচ্ছে আওয়ামী লীগে শুদ্ধি অভিযান

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

সারা দেশে দুর্নীতি-অনিয়মসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত ক্ষমতাসীন দলের ৮ হাজার নেতার একটি তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে এই তালিকা প্রস্তুত করেছেন দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলীয় সূত্র জানায়, বিতর্কিত এই ৮ হাজার নেতার মধ্যে ৫ হাজারই বিরোধী মতাদর্শী অনুপ্রবেশকারী। অনেকে আবার বড় নেতাদের ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও পরিচিত। তবে যত প্রভাবশালী এবং সরকার কিংবা ক্ষমতাসীন দলের যত ঘনিষ্ঠই হন না কেন, এবার ছাড় পাবেন না কেউ। কারো ব্যক্তিগত অপরাধের দায় নিতে নারাজ সরকার ও দল। বিতর্কিত নেতাদের বিরুদ্ধে এবার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলতি মাসেই দেশ জুড়ে জোরালোভাবে শুদ্ধি অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একে একে সব বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে ত্যাগীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করাই এর লক্ষ্য।

আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য ইত্তেফাককে জানান, ‘সম্প্রতি কয়েক জন নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা একটি বার্তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে অপকর্মকারীরা দলের লেবাস ব্যবহার করে ছাড় পাবে না। তাদের শাস্তি পেতেই হবে। সাংগঠনিক শাস্তি গ্রহণের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর তিন জন নেতা জানান, আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর চলমান দুর্নীতিবিরোধী শুদ্ধি অভিযান জোরালো করা হবে। বিতর্কিতদের দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। দলের তৃণমূল শাখা সম্মেলনে তাদের অংশগ্রহণও নিষিদ্ধ থাকবে। রেহাই পাবেন না বিতর্কিত এমপিরাও। ইতিমধ্যে দলীয় মনোনয়নে শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে পাবনা-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান বিশ্বাস। তাকে মনোনয়ন দেওয়ার মধ্য দিয়ে টানা ২৫ বছর পর এ আসনে সাবেক এমপি ডিলু পরিবারের একচ্ছত্র আধিপত্যের পতন হয়েছে।

করোনাকালে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে আরো দুটি আলোচিত ঘটনা হচ্ছে করোনার সনদ জালিয়াতিসহ নানা প্রতারণায় জড়িত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম এবং জেকেজির প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরী ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে গ্রেফতার করা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মহাপ্রতারক সাহেদ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য পরিচয় দিয়ে সরকার ও দলের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের অপতত্পরতায় লিপ্ত ছিলেন। গতকাল রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজের ৫২টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

গতকাল বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সম্পাদকদের কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, বিভাগীয় উপকমিটিগুলোতে আর বিতর্কিত বা অনুপ্রবেশকারীদের দেখতে চায় না আওয়ামী লীগ। ভবিষ্যতে কোনো কারণে কোনো উপকমিটিতে সাহেদদের মতো কাউকে জায়গা দেওয়া হলে তার দায়দায়িত্ব কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্যসচিবকেই নিতে হবে এবং দলের হাইকমান্ডের কাছে কৈফিয়ত দিতে হবে। বৈঠক সূত্র জানায়, ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পরে বৈঠকে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ সম্পাদকমণ্ডলীর বেশ কয়েকজন নেতা বক্তব্য রাখেন। এ সময় তারা বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের যেন কোনোভাবেই দলে জায়গা না দেওয়া হয় সে বিষয়ে আলোচনা করেন।

এদিকে সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুল মানব পাচারে অভিযুক্ত হয়ে কুয়েতে গ্রেফতারের ঘটনায়ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। পাপুল ও তার স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলামের অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই সংসদে বলেছেন, ‘ঐ সংসদ সদস্য (পাপুল) কুয়েতের নাগরিক হলে তার আসনটি (লক্ষ্মীপুর-২) খালি করে দিতে হবে।’

বিতর্কিত এমন আরো অনেকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এমন কঠোর অবস্থানকে সর্বমহল থেকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে দেশ জুড়ে ক্যাসিনো ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু হয়। ক্যাসিনোকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তত্কালীন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়। একইভাবে নির্মাণ খাতের ‘গডফাদার’ জি কে শামীমসহ যুবলীগ, কৃষক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের আরো কয়েক জন নেতার ঠাঁই হয়েছে কারাগারে। পদ হারিয়েছেন তত্কালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার, সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, ছাত্রলীগের সভাপতি রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীসহ অনেকেই। ব্যাংক হিসাব তলব ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ নানা আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। তদ্বির-বাণিজ্যে যুক্ত হয়ে বিপুল অর্থসম্পদের মালিক বনে যাওয়া নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়াকেও জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অনেক বিতর্কিত এখনো আত্মগোপনে আছেন। গত বছর নভেম্বর-ডিসেম্বরে মূল দল ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও শেখ হাসিনার দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের প্রতিফলন দেখা গেছে।

জানা গেছে, গত সাড়ে ১১ বছরে ৫৫ হাজার বিরোধী মতাদর্শী আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোতে অনুপ্রবেশ করেছেন। এর মধ্যে ৫ হাজার অধিকতর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। রাজাকার ও পাকবাহিনীর সহযোগিতায় গঠিত শান্তি কমিটির প্রধান বা গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এমন ব্যক্তি ও তাদের সন্তান-স্বজনদের কেউ কেউ নানা কৌশলে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোতে ঢুকে পড়েছেন। এক সময় যারা ফ্রিডম পার্টি, বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ২০০৯ সালের পর তারা দলে দলে সরকারি দলে যোগদান করা শুরু করেন। এসব অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়দাতার তালিকায় আছেন ৬৭ মন্ত্রী-এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতা।

সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় যেসব জেলা, মহানগর ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে তাদের আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সভানেত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অনুপ্রবেশকারী কাউকে না রাখতে বলা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর একজন সদস্য জানান, দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময়ই দলের নেতাকর্মীদের অপকর্মে জড়িয়ে পড়াকে অপছন্দ করেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে হয়তো তার কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকে না। কিন্তু কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে কী ধরনের ব্যবস্থা নেবেন এরই মধ্যে তিনি তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে দলে অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আশ্রয়দাতারা আর বিতর্কিতদের রক্ষা করতে পারবে না।

রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সব নেতাকর্মীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান :: আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতাদের অনির্ধারিত বৈঠক

সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে সিদ্দিক আহমদের শোক

স্টাফ রিপোর্টার::
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেনে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বর্ষীয়ান নেতা সিদ্দিক আহমদ।

শোকর্বাতায় তিনি মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। জাতীয় চারনেতার অন্যতম ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর পুত্র মোহাম্মদ নাসিম আজীবন জাতির পিতার আর্দশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অটল ছিলেন।

মোহাম্মদ নাসিমের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবন দেশের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

২০১৪-২০১৮ মেয়াদে সরকাররে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ণ ও গণর্পূত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়রে মন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ নাসিম দায়িত্ব পালন করেছেন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে আকমল খানের শোক

স্টাফ রিপোর্টার::
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেনে যুক্তরাজ্যের মিডল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ,জগন্নাথপুর পৌর শহরের ইসহাকপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আকমল খান।

শোকর্বাতায় তিনি মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে পরিকল্পনামন্ত্রীর শোক

স্টাফ রিপোর্টার::
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, জগন্নাথপুর -দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান ।

শোকর্বাতায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। এবং শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পরিকল্পনামন্ত্রী শোকবার্তায় বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন,

জাতীয় চারনেতার অন্যতম ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর পুত্র মোহাম্মদ নাসিম আজীবন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশ লালন করে দেশ ও জনগনের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তার কর্ম মানুষের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ।

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আর নেই:: জগন্নাথপুর আওয়ামী লীগের শোক

স্টাফ রিপোর্টার::
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা মোহাম্মদ নাসিম আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি আজ শনিবার সকাল ১১টা ১০ মিনিটে  ইন্তেকাল করেছেন। তিনি গত ৫ জুন থেকে কোমায় ছিলেন। মরহুমের পুত্র তানভির শাকিল জয় শুক্রবার জানান, তার বাবা আগের মতোই আছেন।

অবস্থার কোনো উন্নতি বা পরিবর্তন হয়নি। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম গত ১ জুন জ্বর-কাশিসহ করোনা ভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হন।

রাতে করোনা পরীক্ষার ফল পজেটিভ আসে। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় মোহাম্মদ নাসিম ব্রেন স্টোক করেন। কয়েক ঘণ্টায় তার অস্ত্রোপচার সফল হয়। সফল অস্ত্রোপচার হলেও তার মাথার ভেতরে বেশ কিছু রক্ত জমাট বাধা ছিল। স্ট্রোকের পর থেকেই তিনি অচেতন অবস্থায় ভেন্টিলেশন সাপোর্টেই ছিলেন। এরই মধ্যে পরপর দুইবার করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রেজাল্ট আসলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেয়ার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়য়ের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

মোহাম্মদ নাসিমের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলায়। তার পিতা শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং মাতা আমেনা মনসুর। তিনি জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পারিবারিক জীবনে মোহাম্মদ নাসিম বিবাহিত এবং তিন সন্তানের জনক। তার স্ত্রীর নাম লায়লা আরজুমান্দ।

পারিবারিকভাবেই রাজনৈতিক জীবনে আসা মোহাম্মদ নাসিম বর্তমান সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি। তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্রও তিনি। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
শোক প্রকাশ::
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,১৪ দলের মুখপাত্র সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ,জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের অভিভাবক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সিদ্দিক আহমদ, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু সহ আওয়ামী লীগ,যুবলীগ , স্বেচ্ছাসেবকলীগ , ছাত্রলীগ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

বিবৃতি দাতারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকাহত পরিবার বর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।