সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি

স্টাফ রিপোর্টার :
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন। আগামী ২৫ মার্চ তার বিদেশ সফর উপলক্ষ্যে শনিবার (২৩মার্চ) দুপুরে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিস্থ জিনজিয়ান রেস্টুরেন্টে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মতিউর রহমান তাঁর অনুপস্থিতিতে গঠনতন্ত্র মোতাবেক জেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চলবে বলে জানান।জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা, কমিটির সহ-সভাপতি সিদ্দিক আহমদ, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ড. খায়রুল কবির রুমেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নান্টু রায়, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুন নাহার বেগম (শাহানা রব্বানী), সদস্য রেজাউল আলম নিক্কু, হাজী আবুল কালাম, এ.বি.এম ফজলুল করিম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অভিজিৎ চৌধুরী বিজিত, সদস্য ফজলুল কবির তুহিন, কোষাধ্যক্ষ ইশতিয়াক আহমদ শামীম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মফিজুল হক,

স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আবুল কালাম চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল আজাদ রোমান, সদস্য অ্যাডভোকেট মলয় চক্রবর্তী রাজু, অ্যাডভোকেট হাসান মাহবুব সাদী, আতিকুল ইসলাম আতিক, মোতাহার হোসেন আখঞ্জি শামীম, আবু সাদাৎ মোহাম্মদ লাহীন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান, সদস্য মশিহুর রহমান জুয়েল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক গোলাম সাবেরীন সাবু, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ, সদস্য জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহার পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালী, সদস্য ইয়ামিন আজমান চৌধুরী, তারিক হাসান দাউদ পীর, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য মাহতাবুল হাসান সমুজ, সদস্য ও তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অমল কান্তি কর।সভাপতির বক্তব্যে মতিউর রহমান সুনামগঞ্জের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।

জগন্নাথপুরে ৭মার্চ উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

স্টাফ রিপোর্টঃ
জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ অঙ্গঁ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে । জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পন শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি প্রবীন রাজনীতিবিদ সিদ্দিক আহমদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের ধোকাবাজি আর চলবেনা। তিনি ১৯৭১সালের মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই ৩০লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আকমল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সূত্রধর বীরেন্দ্র, প্রচার সম্পাদক আব্দুল জব্বার সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, সহ-প্রচার সম্পাদক ফিরোজ আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. আব্দুল আহাদ, সাধারন সম্পাদক হাজি ইকবাল হোসেন ভুইয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা প্যানেল মেয়র শফিকুল হক শফিক,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন,যুক্তরাষ্ট্রের কেলিফোনিয়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি লিটন আহমদ তালুকদার, পাইলগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিন, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মনোয়ার আলী, চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল গফুর, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফরুজ ইসলাম মুন্না,উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ছালেহ আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের রুহান, সাংগঠনিক সম্পাদক বকুল গোপ,উপজেলা যুবলীগ নেতা রেজাউল হাসান রেজা, পৌর যুবলীগ নেতা আকমল হোসেন ভূইয়া,উপজেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক সজীব রায় দূর্জয়, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সম্পাদক এমদাদুর রহমান সুমন, প্রমূখ।

আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র পেলেন যারা

ডেস্ক রিপোর্ট:
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মাঝে চিঠি বিতরণ শুরু হয়েছে। রবিবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এ পর্যন্ত মনোনয়নের চিঠিপ্রাপ্তরা হলেন— শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুর-৬), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), আসাদুজ্জামান খাঁন (ঢাকা-১২), সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক (ঢাকা-১৪), নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪),

ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল (ময়মিনসিংহ-১০), শেখ জুয়েল (খুলনা-২), মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা (নড়াইল-২), মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), ড. আব্দুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), এনামুল হক (রাজশাহী-৪), অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২),

মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), আবদুল মালেক (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬),

অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মজিদ মন্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২),

শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণচন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪),

অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেছা আফরোজ (বরিশাল-৫), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪),

ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯),

ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), একেএম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (ঢাকা-১২), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪),

নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), একেএম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), লে. কর্নেল (অব) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), রেজাউল করিম হিরা (জামালপুর-৫),

আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), এডভোকেট মো. মাহবুব আলী (হবিগঞ্জ-৪), মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩),

ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), সৈয়দা সায়রা মহসিন (মৌলভীবাজার-৩), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫),

একেএম শাজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহীন আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি) ও বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (বান্দরবান)।

২৩০ আসনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র বিতরণ করেছে আওয়ামী লীগ। সম্ভবত বাকি ৭০ আসন পাচ্ছেন মহাজোটের প্রার্থীরা। এই ঘোষণা আগামীকাল সোমবার দেয়া হবে। প্রার্থীদের মাঝে মনোনয়নপত্র বিতরণ শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান।

তিনি আরো জানান, যাদের মনোনয়নপত্র দেয়া হয়েছে। তাদের কাছ মনোনয়ন প্রত্যাহারপত্রও নেয়া হয়েছে। কিছু কিছু আসনে টেকনিক্যাল কারণে দুইজনকে মনোনয়নপত্র দেয়া হয়েছে।

সূত্র- ইত্তেফাক

কেউ দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী হলে তাকে দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে …..প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের অগ্রগতির ধারা ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। তাই সবার সতর্ক থাকতে হবে। কোনো বিশ্বাসঘাতকদের দলে ঠাঁই হবে না।

১৪ নভেম্বর বুধবার সকালে গণভবনে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা পেতে আগ্রহী ৪ হাজার ২৩ জনের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে শেখ হাসিনা আরো বলেন, কেউ দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী হলে তাকে দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে। দলীয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঘরের শত্রু বিবিশন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দল করতে হলে দলের সিদ্ধান্ত মানতে হবে। যাকে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে, সব নেতাকর্মীকে তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন জরিপ রিপোর্ট আমার কাছে। জরিপের ভিত্তিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

গত টানা ১০ বছরে কোন মন্ত্রী-এমপি বা সম্ভাব্য প্রার্থী নিজ এলাকায় কী করেছেন, জনপ্রিয়তা বেড়েছে নাকি কমেছে, অনিয়ম-দুর্নীতি কিংবা দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে কিনা, এ সকল আমলনামা রয়েছে দলীয় প্রধানের হাতে। তাই সংসদীয় বোর্ডের ধারাবাহিক বৈঠক থেকে সর্বশেষ জরিপসহ সবকিছু বিবেচনা করেই এবার আওয়ামী লীগ একক প্রার্থিতা ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আওয়ামী লীগ জানিয়েছিল, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাত্কার শুরু করতে বুধবার দলের ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে হিসেবে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছিল। দলের সভানেত্রীর আগমন উপলক্ষে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছিলেন নেতাকর্মীরা। তবে সাড়ে ১২টার দিকে জানা যায় বুধবার নয় বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির কার্যালয়ে যেতে পারেন শেখ হাসিনা।                    ফাইল ছবি

সূত্র-ইত্তেফাক

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের সমর্থনে জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে নির্বাচনী প্রচারনা ২৩ জুলাই

আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের সমর্থনে জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে নির্বাচনী প্রচারনা আগামী ২৩জুলাই সোমবার অনুষ্টিত হবে।

আওয়ামী লীগের প্রবীন নেতা সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিদ্দিক আহমদের নেতৃত্বে ২৩ জুলাই সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সিলেট শহরস্থ গুলশান হোটেল চত্ত্বর থেকে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করা হবে।

এতে জগন্নাথপুর উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দকে এবং সিলেট শহরের বসবাসরত জগন্নাথপুর উপজেলার আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নির্বাচনী

প্রচারনায় নির্ধারিত সময়ে হোটেল গুলশান চত্ত্বরে উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু ।

বিজ্ঞপ্তি

জগন্নাথপুর টুডে/ আব্দুল হাই

আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে চমক আসতে পারে- সেতুমন্ত্রী

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে কিছু চমক আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বৃহস্পতিবার(৩১ মে) বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমন্ডলীর সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এবারের জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে কিছু চমক আসতে পারে। প্রার্থীদের অবশ্যই ইউনেবল হতে হবে। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোন কিছু চূড়ান্ত হয়নি।

জাতীয়ভাবে সুপরিচিত খেলোয়াড়, সংগীত শিল্পী, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ সেলিব্রেটিরা চমক হতে পারে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এ রকমের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে রয়েছে। তিনি তাদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন নাহার লাইলী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ও উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে রুপান্তর, মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ, অষ্ট্রেলিয়ার সিডনী থেকে ইন্টারন্যাশনাল ইউমেন লিডারশিপ লাভ ও ভারতের আসানসোলের নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি-লিট ডিগ্রি অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আগামী ৭ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, আগামী ২৩ জুন সকাল দশটায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের বহুতল বিশিষ্ট আওয়ামী লীগের নবনির্মিত কার্যালয় উদ্ধোধন করবেন।

সুত্র-ইত্তেফাক ৩১ মে ২০১৮/বিডিএন

মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না – সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, ‘কেবল সংসদ সদস্য কেন, সরকারি দলের আরো প্রভাবশালী যদি কেউ হয়, প্রমাণ পেলে তাদেরকেও এ অভিযানের আওতায় আনা হবে।

বৃহস্পতিবার(২৪মে) দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সড়ক নিরাপত্তা ক্যাম্পেইন এবং বিআরটিএ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিষ্কার নির্দেশ, মাদক ব্যবসা বা ড্রাগ ডিলিংসের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত তারা কেউ ছাড় পাবে না। যত প্রভাবশালীই হোক, অবশ্যই তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

আওয়ামী লীগ বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-ের সমর্থন করে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-কে কখনো সমর্থন করে না আওয়ামী লীগ।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে প্রমাণ ছাড়া কখনো গ্রেফতার করা যায় না। কিন্তু কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। কোন সংসদ সদস্যের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকেও ছাড় দেয়া হবে না, সে যতই শক্তিশালী হোক।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে মাদক যে ভয়ঙ্কর অবস্থায় এসেছে, সব দল মিলে যদি সোচ্চার থাকতো তাহলে পুলিশের মোকাবেলা করতে হতো না। দলগুলোকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনে সোচ্চার হওয়া উচিৎ ।

সুত্র-ইত্তেফাক ২৪মে ২০১৮/বিডিএন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করতে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর প্রতি আহ্বান…..প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করতে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন একটা কথা মনে রাখতে হবে, সংগঠন যদি শক্তিশালী হয়, সংগঠনে যদি ঐক্য থাকে আর এই সংগঠন যদি জনগণের পাশে থেকে জনমত সৃষ্টি করতে পারে তখনই যেকোন কিছু অর্জন করা সম্ভব হয়। যা আমরা বার বার প্রমাণ করেছি।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে এলে তিনি এ কথা বলেন।

১৯৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায়ের পর শেখ হাসিনা প্রবাসে দীর্ঘদিন রিফ্যুজি হিসেবে কাটাতে বাধ্য হবার পর আওয়ামী লীগ তাকে সভাপতি নির্বাচন করলে ১৯৮১ সালের এই দিনে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

প্রথমে দলের সিনিয়র নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদ, সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, দলের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এবং ডা. দীপু মনিসহ দলের কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর একে একে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, আওয়ামী যুব লীগ, ছাত্রলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, তাঁতি লীগ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এবং মহিলা শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীরা শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রীকে।

প্রধানমন্ত্রী এদিন তার বক্তব্যে দেশে ফেরা থেকে শুরু করে তার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাত, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরেন এবং তার অবর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব খোঁজার জন্যও দলীয় নেতা-কর্মীদের পরামর্শ দেন ।

প্রধানমন্ত্রী ৩৭ বছর আগের ঝঞ্ঝা বিক্ষুদ্ধ এই দিনে তার স্বদেশে ফিরে আসার স্মৃতি রোমন্থনে বার বারই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেইদিন প্রচ- ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেই তাকে বরণ করে নেয়ার জন্য মানুষের যে ঢল দেখেছেন, মানুষের যে ভালবাসা পেয়েছেন তা তাকে এখনও আপ্লুত করে।

মা-বাবা ভাই, পরিজনদের হারিয়ে বাংলার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ভালবাসাই তাকে চলার পথ দেখিয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের আশ্রয়েই আমার রাজনৈতিক জীবনের শুরু।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে ক্ষমতা ক্যান্টনমেন্টে চলে গেছে তা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেয়া এবং দেশের গণতন্ত্রায়ন ও নিরন্ন দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল তার রাজনীতির লক্ষ্য।

ছাত্র রাজনীতি করলেও আওয়ামী লীগের মত সংগঠনের দায়িত্ব নেয়াটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক কঠিন সময়ে তিনি দেশে ফেরেন। জাতির পিতার খুনিরা তখন পুরস্কৃত হয়ে বহাল তবিয়তে, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স থাকায় পিতা হত্যার বিচার চাইতে পারছেন না, জিয়া তখন নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রতিরাতে কারফিউ দিয়ে দেশ চালাচ্ছে। আর ভাঙ্গার চেষ্টা চলছে আওয়ামী লীগকে।

সুত্র-ইত্তেফাক- ১৭ মে ২০১৮/বিডিএন