০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপ্রয়াণ দিবস পালিত

  • Update Time : ০৭:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 16


হারাধন সূত্রধর, পূর্বধলা (নেত্রকোনা)

​বাংলা সাহিত্যের ধ্রুবতারা, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৩তম মহাপ্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নেত্রকোণায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রোগোরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট তিনি পরলোকগমন করেন, যা বাংলা সনের ২২ শ্রাবণ।
​গত বুধবার (৭ আগস্ট, ২২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে “প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে…” শীর্ষক এই বিশেষ গীতিনৃত্য ও আলেখ্যানুষ্ঠানের আয়োজন করে নেত্রকোণা জেলা শিল্পকলা একাডেমি। অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় শুরু হয়। আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসন এবং পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান।
​আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল স্থানীয় ও শিল্পকলা একাডেমির শিশু ও তরুণ শিল্পীদের পরিবেশিত রবীন্দ্রনৃত্য ও সংগীত। মঞ্চের ব্যাকড্রপে রবীন্দ্রনাথের বিশাল প্রতিকৃতি সংবলিত একটি ব্যানারের সামনে শিল্পীরা তাদের পরিবেশনা পেশ করেন। ছবিতে একজন নারী শিল্পীকে হারমোনিয়াম বাজিয়ে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করতে দেখা যায়, যাকে তবলা ও মন্দিরায় সহযোগিতা করেন দুইজন পুরুষ যন্ত্রশিল্পী। শিল্পীদের চমৎকার নৃত্যশৈলী এবং কণ্ঠের সুর মূর্ছনায় রবীন্দ্রকাব্যের গূঢ় বাণী ও ভাবাবেগ চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে। একই সঙ্গে মননশীল কাব্য আবৃত্তির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবির কালজয়ী সৃষ্টিসমূহকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
​মিলনায়তনে উপস্থিত সুধীবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক দর্শক শিল্পীদের এই পরিবেশনা গভীর মন্ত্রমুগ্ধের মতো উপভোগ করেন।
​অনুষ্ঠানে বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালি সংস্কৃতির মূল ধারক ও বাহক। আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে, সুখে-দুঃখে এবং প্রতিটি সংকটে তাঁর উপস্থিতি অমলিন ও প্রাসঙ্গিক।” তাঁরা আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের নিয়মিত সাংস্কৃতিক আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে রবীন্দ্রচেতনা, শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা এবং মানবিক মূল্যবোধে অনুপ্রাণিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Please Share This Post in Your Social Media

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপ্রয়াণ দিবস পালিত

Update Time : ০৭:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬


হারাধন সূত্রধর, পূর্বধলা (নেত্রকোনা)

​বাংলা সাহিত্যের ধ্রুবতারা, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৩তম মহাপ্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নেত্রকোণায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রোগোরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট তিনি পরলোকগমন করেন, যা বাংলা সনের ২২ শ্রাবণ।
​গত বুধবার (৭ আগস্ট, ২২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে “প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে…” শীর্ষক এই বিশেষ গীতিনৃত্য ও আলেখ্যানুষ্ঠানের আয়োজন করে নেত্রকোণা জেলা শিল্পকলা একাডেমি। অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় শুরু হয়। আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসন এবং পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান।
​আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল স্থানীয় ও শিল্পকলা একাডেমির শিশু ও তরুণ শিল্পীদের পরিবেশিত রবীন্দ্রনৃত্য ও সংগীত। মঞ্চের ব্যাকড্রপে রবীন্দ্রনাথের বিশাল প্রতিকৃতি সংবলিত একটি ব্যানারের সামনে শিল্পীরা তাদের পরিবেশনা পেশ করেন। ছবিতে একজন নারী শিল্পীকে হারমোনিয়াম বাজিয়ে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করতে দেখা যায়, যাকে তবলা ও মন্দিরায় সহযোগিতা করেন দুইজন পুরুষ যন্ত্রশিল্পী। শিল্পীদের চমৎকার নৃত্যশৈলী এবং কণ্ঠের সুর মূর্ছনায় রবীন্দ্রকাব্যের গূঢ় বাণী ও ভাবাবেগ চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে। একই সঙ্গে মননশীল কাব্য আবৃত্তির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবির কালজয়ী সৃষ্টিসমূহকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
​মিলনায়তনে উপস্থিত সুধীবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক দর্শক শিল্পীদের এই পরিবেশনা গভীর মন্ত্রমুগ্ধের মতো উপভোগ করেন।
​অনুষ্ঠানে বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালি সংস্কৃতির মূল ধারক ও বাহক। আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে, সুখে-দুঃখে এবং প্রতিটি সংকটে তাঁর উপস্থিতি অমলিন ও প্রাসঙ্গিক।” তাঁরা আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের নিয়মিত সাংস্কৃতিক আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে রবীন্দ্রচেতনা, শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা এবং মানবিক মূল্যবোধে অনুপ্রাণিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।