০২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে ৫ম কেশবপুর প্রিমিয়ার লীগ কে পি এলের ফাইনাল ম্যাচে আফসানা ইলাভেনস চ্যাম্পিয়ন

  • Update Time : ০৫:২৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 1733

স্টাফ রিপোর্টার::
জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের ৫ম কেশবপুর প্রিমিয়ার লীগ কে পি এলের ফাইনাল ম্যাচে আফসানা ইলাভেনস চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শুক্রবার জগন্নাথপুর সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে বারে বারে রঙ বদলানোর ম্যাচটিতে সব বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েই চ্যাম্পিয়ন হলো আফসানা ইলাভেনস।

গোল্ডেন স্টারের এর মত শক্তিশালী দলকে ১০৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মত কেশবপুর প্রিমিয়ার লিগ (কে পি এল) চ্যাম্পিয়ন আফসানা ইলাভেনস। এই প্রথম কে.পি.এল. এর ফাইনাল খেললো আফসানা ইলাভেনস এবং প্রথম সুযোগেই চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে নিলো নিজেদের ঘরে।

আইকন খেলোয়ার তানভীর আবেদিন , হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান মাহিদ, বিধ্বংসী বোলার শুভরাজ, সাকিব, শায়েখদের দলকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরলো আফসানা ইলাভেনস এর খেলোয়াড়েরা। যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সেরা বোলার নির্বাচিত হওয়া জাকারিয়া ও বিল্লাল শাহ এর পাশাপাশি গোলাম কিবরিয়া মাসুম এবং ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত ময়ূখ ভট্টাচার্যের অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্সে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আফসানা ইলাভেনস।

সে সঙ্গে মাথায় পরে নেয় চ্যাম্পিয়নের মুকুট। টুর্নামেন্টের সেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচিত ড্রীম ইলাভেনস ক্রিকেট ক্লাবের দলিয় আইকন মাহবুবুর রহমান শিপন। কি অসাধারণ ব্যাটিংটাই না করলেন দলিয় অধিনায়ক ময়ূখ ভট্টাচার্য! একের পর এক যখন উইকেট পড়ছিল, তখন যেন একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে পরেন তিনি। দুরন্ত ব্যাটিংয়ের উড়ন্ত পারফরম্যান্সে ১১৩ রানে অপরাজিত থাকা ময়ূখ ভট্টাচার্যের আফসানা ইলাভেনস নির্দিষ্ট ১২ ওভার খেলে ২০৫ রান অর্জন করে।

২০৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় দলিয় অধিনায়ক তানভীর আবেদিনের উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় গোল্ডেন স্টার’স ক্রিকেট ক্লাব। মাহিদ-সাকিবের জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখলেও সাকিবের রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরা দলের দেখা স্বপ্নে আঘাত হানে।

পরিশেষে মাহিদ ও আকিকনুরের ব্যাটিং পারফরম্যান্স শুধুমাত্র পরাজয়ের পার্থক্যই কমাতে পেরেছে গোল্ডেন স্টার’স ক্রিকেট ক্লাব । খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন জগন্নাথপুর পৌরসভার প্রয়াত মেয়র আব্দুল মনাফের জৈষ্ঠ্য ছেলে আবুল হোসেন সেলিম ।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজিবুর রহমান, কেশবপুর বাজার তদারক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছানাফর আলী , সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরজাদ খান, কেশবপুর গ্রামের তরুণ সমাজসেবক বিশিষ্ট ক্রিড়া ব্যাক্তিত্ব আলাল হোসেন , জগন্নাথপুর উপজেলা ক্রিকেট এসোসিয়েশন সম্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ রোহেল, কেশবপুর প্রিমিয়ার লিগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা রনি, সালাউদ্দীন মিঠু, আরিফুল ইসলাম টখন, অগ্রযাত্রা ক্রিকেট ক্লাবের দলিয় অধিনায়ক নাসির হোসেন প্রমূখ।

কেশবপুর প্রিমিয়ার লিগের সভাপতি লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেশবপুর প্রিমিয়ার লিগের সাধারণ সম্পাদক জুবেদ মিয়া। পরে কেশবপুর এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউ.কে’র চেয়ারম্যান বশির মিয়া, সাধারণ সম্পাদক তজমুল আলী, কোষাধক্ষ্য আব্দুল হক জমির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদ মিয়ার অর্থায়নে চ্যাম্পিয়ন ও রার্নাস আপ দলকে পুরস্কারের প্রাইজম্যানি এবং ট্রপি তুলে দেন অতিথি বৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে ৫ম কেশবপুর প্রিমিয়ার লীগ কে পি এলের ফাইনাল ম্যাচে আফসানা ইলাভেনস চ্যাম্পিয়ন

Update Time : ০৫:২৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার::
জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের ৫ম কেশবপুর প্রিমিয়ার লীগ কে পি এলের ফাইনাল ম্যাচে আফসানা ইলাভেনস চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শুক্রবার জগন্নাথপুর সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে বারে বারে রঙ বদলানোর ম্যাচটিতে সব বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েই চ্যাম্পিয়ন হলো আফসানা ইলাভেনস।

গোল্ডেন স্টারের এর মত শক্তিশালী দলকে ১০৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মত কেশবপুর প্রিমিয়ার লিগ (কে পি এল) চ্যাম্পিয়ন আফসানা ইলাভেনস। এই প্রথম কে.পি.এল. এর ফাইনাল খেললো আফসানা ইলাভেনস এবং প্রথম সুযোগেই চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে নিলো নিজেদের ঘরে।

আইকন খেলোয়ার তানভীর আবেদিন , হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান মাহিদ, বিধ্বংসী বোলার শুভরাজ, সাকিব, শায়েখদের দলকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরলো আফসানা ইলাভেনস এর খেলোয়াড়েরা। যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সেরা বোলার নির্বাচিত হওয়া জাকারিয়া ও বিল্লাল শাহ এর পাশাপাশি গোলাম কিবরিয়া মাসুম এবং ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত ময়ূখ ভট্টাচার্যের অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্সে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আফসানা ইলাভেনস।

সে সঙ্গে মাথায় পরে নেয় চ্যাম্পিয়নের মুকুট। টুর্নামেন্টের সেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচিত ড্রীম ইলাভেনস ক্রিকেট ক্লাবের দলিয় আইকন মাহবুবুর রহমান শিপন। কি অসাধারণ ব্যাটিংটাই না করলেন দলিয় অধিনায়ক ময়ূখ ভট্টাচার্য! একের পর এক যখন উইকেট পড়ছিল, তখন যেন একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে পরেন তিনি। দুরন্ত ব্যাটিংয়ের উড়ন্ত পারফরম্যান্সে ১১৩ রানে অপরাজিত থাকা ময়ূখ ভট্টাচার্যের আফসানা ইলাভেনস নির্দিষ্ট ১২ ওভার খেলে ২০৫ রান অর্জন করে।

২০৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় দলিয় অধিনায়ক তানভীর আবেদিনের উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় গোল্ডেন স্টার’স ক্রিকেট ক্লাব। মাহিদ-সাকিবের জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখলেও সাকিবের রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরা দলের দেখা স্বপ্নে আঘাত হানে।

পরিশেষে মাহিদ ও আকিকনুরের ব্যাটিং পারফরম্যান্স শুধুমাত্র পরাজয়ের পার্থক্যই কমাতে পেরেছে গোল্ডেন স্টার’স ক্রিকেট ক্লাব । খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন জগন্নাথপুর পৌরসভার প্রয়াত মেয়র আব্দুল মনাফের জৈষ্ঠ্য ছেলে আবুল হোসেন সেলিম ।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজিবুর রহমান, কেশবপুর বাজার তদারক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছানাফর আলী , সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরজাদ খান, কেশবপুর গ্রামের তরুণ সমাজসেবক বিশিষ্ট ক্রিড়া ব্যাক্তিত্ব আলাল হোসেন , জগন্নাথপুর উপজেলা ক্রিকেট এসোসিয়েশন সম্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ রোহেল, কেশবপুর প্রিমিয়ার লিগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা রনি, সালাউদ্দীন মিঠু, আরিফুল ইসলাম টখন, অগ্রযাত্রা ক্রিকেট ক্লাবের দলিয় অধিনায়ক নাসির হোসেন প্রমূখ।

কেশবপুর প্রিমিয়ার লিগের সভাপতি লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেশবপুর প্রিমিয়ার লিগের সাধারণ সম্পাদক জুবেদ মিয়া। পরে কেশবপুর এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউ.কে’র চেয়ারম্যান বশির মিয়া, সাধারণ সম্পাদক তজমুল আলী, কোষাধক্ষ্য আব্দুল হক জমির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদ মিয়ার অর্থায়নে চ্যাম্পিয়ন ও রার্নাস আপ দলকে পুরস্কারের প্রাইজম্যানি এবং ট্রপি তুলে দেন অতিথি বৃন্দ।