০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে মারা গেলেন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা বৃদ্ধ

  • Update Time : ০১:১৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২০
  • / 682

স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটে মারা গেলেন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা এক বৃদ্ধ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ৯টায় সিলেট মহানগরির হাউজিং এস্টেট এলাকায় নিজ বাসায় মারা যান তিনি। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

জানা গেছে, ওই বৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হতো তাকে। গত ১৪ মার্চ যুক্তরাজ্য থেকে তার ছেলে দেশে ফিরেন। পরদিন ওই ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বাবাকে নিয়ে সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশনে যান প্রবাসী ওই ছেলে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিস্তারিত শুনে তাকে কোয়ারেন্টিনে রাখার পরামর্শ দেন।

এ ব্যাপারে ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, খবর দেওয়ার পর সিসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এসে তাকে কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা বলেছিলেন। তবে বাড়িতেই মঙ্গলবার রাত ৯টায় তিনি মারা যান। তিনি করোনাভাইরাস আক্রান্ত ছিলেন কি না তা নিশ্চিতের জন্য কোনো পরীক্ষা করানো হয়নি।

বিষয়টি তিনি সিলেটের জেলা প্রশাসককে অবগত করেছেন। জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন জনসমাগম না করে দ্রæত লাশ দাফনের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন। পারিবারিকভাবে রাতেই নগরির মানিক পীরের টিলায় দাফন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

সিলেটে মারা গেলেন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা বৃদ্ধ

Update Time : ০১:১৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটে মারা গেলেন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা এক বৃদ্ধ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ৯টায় সিলেট মহানগরির হাউজিং এস্টেট এলাকায় নিজ বাসায় মারা যান তিনি। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

জানা গেছে, ওই বৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হতো তাকে। গত ১৪ মার্চ যুক্তরাজ্য থেকে তার ছেলে দেশে ফিরেন। পরদিন ওই ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বাবাকে নিয়ে সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশনে যান প্রবাসী ওই ছেলে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিস্তারিত শুনে তাকে কোয়ারেন্টিনে রাখার পরামর্শ দেন।

এ ব্যাপারে ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, খবর দেওয়ার পর সিসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এসে তাকে কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা বলেছিলেন। তবে বাড়িতেই মঙ্গলবার রাত ৯টায় তিনি মারা যান। তিনি করোনাভাইরাস আক্রান্ত ছিলেন কি না তা নিশ্চিতের জন্য কোনো পরীক্ষা করানো হয়নি।

বিষয়টি তিনি সিলেটের জেলা প্রশাসককে অবগত করেছেন। জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন জনসমাগম না করে দ্রæত লাশ দাফনের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন। পারিবারিকভাবে রাতেই নগরির মানিক পীরের টিলায় দাফন করা হয়েছে।