০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে মসজিদের ইমাম নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০ আটক ১৭

  • Update Time : ১০:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২০
  • / 841

স্টাফ রিপোর্টার::

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের ইমাম কে কেন্দ্র করে গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুই জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় পুলিশ উভয়পক্ষের ১৭ জনকে আটক করেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায় আজ সোমবার সকালে ঈদের জামাত শেষে কুবাজপুর দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের ইমাম নাজমুল ইসলাম কে মসজিদে রাখা না রাখা নিয়ে গ্রামের আরাফাত মিয়া ও সুহেল মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। আরাফাত মিয়া ইমাম নাজমুল ইসলাম কে মসজিদে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন এবং সুহেল মিয়া ইমাম কে মসজিদে না রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।

পরে দুপক্ষ সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়েন। ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হন।তাদের মধ্যে নুরুল আমীন (৫৫) ও দিলোয়ার হোসেন (৪০)কে সিলেট এম এ আজ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অপরাপর আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্হল থেকে ১৭ জনকে আটক করেছেন।

জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন,মসজিদের ইমাম কে কেন্দ্র করে গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আরাফাত মিয়ার পক্ষের ১০ জন ও সুহেল মিয়ার পক্ষের ৭ জনকে আটক করা হয়। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে মসজিদের ইমাম নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০ আটক ১৭

Update Time : ১০:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার::

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের ইমাম কে কেন্দ্র করে গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুই জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় পুলিশ উভয়পক্ষের ১৭ জনকে আটক করেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায় আজ সোমবার সকালে ঈদের জামাত শেষে কুবাজপুর দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের ইমাম নাজমুল ইসলাম কে মসজিদে রাখা না রাখা নিয়ে গ্রামের আরাফাত মিয়া ও সুহেল মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। আরাফাত মিয়া ইমাম নাজমুল ইসলাম কে মসজিদে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন এবং সুহেল মিয়া ইমাম কে মসজিদে না রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।

পরে দুপক্ষ সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়েন। ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হন।তাদের মধ্যে নুরুল আমীন (৫৫) ও দিলোয়ার হোসেন (৪০)কে সিলেট এম এ আজ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অপরাপর আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্হল থেকে ১৭ জনকে আটক করেছেন।

জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন,মসজিদের ইমাম কে কেন্দ্র করে গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আরাফাত মিয়ার পক্ষের ১০ জন ও সুহেল মিয়ার পক্ষের ৭ জনকে আটক করা হয়। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।