জগন্নাথপুরে বিপুল পরিমান নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল আটক করে পুড়িঁয়ে ফেলা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্ট:-
জগন্নাথপুরে মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিপুল পরিমান নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল আটক করে জন সম্মুখে পুড়িঁয়ে ফেলা হয়েছে।

সোমবার (৯জুলাই) দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আবরারের নেতৃত্বে একটি দল উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের প্রায় ২০হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করেছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আবরার জানান, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষন আইনের আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল বিরোধী অভিযান জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন।

তিনি জানান, রানীগঞ্জ বাজারে বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল উদ্ধার করে বাজারে জন সম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান। অভিযানে জগন্নাথপুর থানার এ এস আই আবুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

জ.টুডে ১০ জুলাই ১৮/এইচ কে

জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর বাঁধ ভেঁঙ্গে তলিয়ে গেছে শতাধিক বাড়ি ঘর ॥ অবর্ণনীয় দূর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী

স্টাফ রিপোর্ট:-
জগন্নাথপুরে ভয়াল কুশিয়ারা নদীর প্রবল স্রোতে বিকল্প বাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় ৫/৬টি গ্রামের শতাধিক বাড়ি ঘর তলিয়ে যাওয়ায় অবর্ণনীয় দূর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাপাউবো’র তত্ত্বাবধানে কাবিটা প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২০লাখ ৯৯হাজার ৮শ ২০টাকা ব্যায়ে নির্মিত জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে বহমান কুশিয়ারা নদীর ডান তীরে কাতিয়া লঞ্চঘাট এলাকায়

বিকল্প বাধ নির্মাণে অনিয়মের ফলে কুশিয়ারা নদীর পানির প্রবল স্রোতে প্রথমে বাঁধ উপচে এবং পরে বাধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় পাইলগাঁও ইউনিয়নের নতুন কসবা, অলইতলী, কাতিয়াসহ আশে পাশের গ্রামগুলোর প্রায় শতাধিক পরিবার পানি বন্ধী হয়ে পড়েছেন।

সেই সাথে এলাকার শত শত জনসাধারন অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন। সরেজমিন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে স্কুল কলেজে পড়–য়া শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জনসাধারন এবং জলমগ্ন বাড়ি ঘর থেকে লোকজন যাতায়াত করতে পাছেননা। তলিয়ে যাওয়ায় বাড়ি ঘরের পরিবার গুলোর মধ্যে অসংখ্য লোকজন দরিদ্র।
ফলে এসব পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছেন। নতুন কসবা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, একই গ্রামের শামল মিয়া, মনির মিয়া, আলা উদ্দিন, মো: আওলাদ হোসেন, আরব আলী, মনর মিয়া এবং পল্লীগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি হাজি মহিম খান,

পল্লীগঞ্জ বাজার কমিটির সেক্রেটারী, দিঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ উন্নয়ন কমিটির সদস্য, কাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্য মো: আবুল খয়ের, অলইতলী গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বী হাজী জিতু মিয়া, ছাদ মিয়া,

জমশেদ মিয়া ও দুলু মিয়াসহ অসংখ্য লোকজন তাদের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে বলেন পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য মো: দুরুদ মিয়া কাতিয়া লঞ্চঘাট হতে পূর্ব জালালপুর কবরস্থান পর্যন্ত
আড়াই কিলোমিটার বিকল্প বাঁধ নির্মান কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নিতীর ফলে সঠিকভাবে বাঁধের নির্মান কাজ করা হয়নি। ফলে কুশিয়ারা নদীর পানি কয়েক দফা বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রথমে বাধ উপচে

এবং পরে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ফুট এলাকা জুড়ে বাধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানসহ বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে যায়। ইউপি সদস্য দুরুদ মিয়া বিকল্প বাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়মের কারনে এলাকার শত শত লোকজন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

এ ব্যাপারে বাঁধ নির্মাণ কাজের পিআইসি কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য দুরুদ মিয়া বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড’র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের তদারকির মাধ্যমে সঠিকভাবে বাধ নির্মান কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

এদিকে গত বছরের আকস্মিক বন্যায় কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জগন্নাথপুর, শিবগঞ্জ, পাইলগাঁও, আশারকান্দি, ফেছি, বেগমপুর সড়কের অধিকাংশ স্থান ভেঙ্গে তলিয়ে যাওয়ায় জগন্নাথপুর উপজেলার দক্ষিনাঞ্চল রানীগঞ্জ,

পাইলগাঁও ও আশারকান্দি ইউনিয়নের কয়েক হাজার লোকজনদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থান থেকে যাতায়াতকারী জনসাধারনের সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

এছাড়াও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় কাতিয়া বাজার, ফেছির বাজারসহ আশপাশের ছোট বড় বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি তেমন একটা নেই। ফলে ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

পল্লীগঞ্জ বাজার কমিটির সেক্রেটারী মো: আবুল খয়ের জানান, কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও বিএন উচ্চ বিদ্যালয় হতে বেগমপুর পর্যন্ত এলজিইডি সড়কের অধিকাংশ স্থানে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ায় দীর্ঘদিন ধরে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ফলে জনসাধারনের মধ্যে দেখা দিয়েছে অবর্ননীয় দুর্ভোগ। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। সেই সাথে অসহায় দরিদ্র পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রাস্তাসহ গ্রাম রক্ষায় সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেয়া হলেও সঠিকভাবে কাজ না হওয়ায় এলাকার জনসাধারন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। সম্প্রতি আড়াই কিলোমিটার বিকল্প বাঁধ নির্মানে ইউপি সদস্য দুরুদ মিয়া কর্তৃক অনিয়ম ও পুকুর চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্টু তদন্তের দাবী জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী অলইতলী শাহী ঈদগাহ হতে জগন্নাথপুর-বেগমপুর সড়কের অলইতলী গ্রামের লেচু মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১কিলোমিটার বিকল্প বাঁধ নির্মানের ব্যবস্থা নেয়া হলে এলাকার লোকজন দুর্ভোগ থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবেন। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

জ.টুডে ১০জুলাই ১৮/এইচ কে

চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নতুন কেউ – কাল শুরু ফাইনালে ওঠার লড়াই

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:
ফ্রান্স-বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে কে বিশ্বকাপ জিতবে এমন প্রশ্নের মধ্যেই নতুন কোনো দেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে এবার। বিশেষ করে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড আগে বিশ্বকাপ জিতলেও বেলজিয়াম ও ক্রোয়েশিয়া এর আগে কখনো শিরোপা জেতেনি।

আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাতে ফ্রান্স-বেলজিয়াম এবং এর পরদিন ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার সেমিফাইনাল লড়াইয়ের পরই বিষয়টি আরো পরিষ্কার হবে।

চারদলের মধ্যে যেই জিতুক একটা ব্যাপার পরিষ্কার, বিশ্বকাপ থাকছে ইউরোপেই। তাছাড়া ২১ শতকের এই বিশ্বকাপের লড়াইয়ে পঞ্চম একটি দেশ হতে যাচ্ছে চ্যাম্পিয়ন। কারণ ১৯৯৮ সালের পর প্রতিটি বিশ্বকাপে ভিন্ন কোনো দেশ ট্রফি জিতেছে। একুশ শতকের আসরগুলোয় ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ব্রাজিল। এর পরের আসরগুলো জিতেছে যথাক্রমে ইতালি, স্পেন ও জার্মানি।

গত শুক্রবার ব্রাজিলের বিদায়ে রাশিয়া বিশ্বকাপে ইউরোপের কোন দেশ যে কাপ জিতছে তা নিশ্চিত হয়ে যায়। ইউরোপে যে ১০ বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে তার মধ্যে ১৯৫৮’র আসরটিতেই কেবল অইউরোপীয় দেশ ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হয়।

বিশ্বকাপ এখন পর্যন্ত কেবল আটটি দেশই ঘুরে ফিরে জিতেছে। সেক্ষেত্রে বেলজিয়াম কিংবা ক্রোয়েশিয়ার সাফল্যে এবার নতুন চ্যাম্পিয়নেরও দেখা পেতে পারে ফুটবল বিশ্ব। তেমনটা না হলে পুরনো চ্যাম্পিয়ন ১৯৬৬ সালের জয়ী ইংল্যান্ড নয়ত ১৯৯৮ আসরের জয়ী ফ্রান্সের দ্বিতীয় সাফল্য দেখবে ফুটবলামোদীরা।

এবারের আসরে যে কটি দেশকে ফেবারিট ভাবা হয়েছিল তাদের মধ্যে শেষ চারে টিকে আছে বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড। বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্ম এবার কোয়ার্টার ফাইনালে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় করেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।

ফ্রান্স সেমিফাইনালে এসেছে শেষ আটে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে হারিয়ে। আগামিকাল মঙ্গলবার রাতে প্রথম সেমিফাইনালে পড়শি বেলজিয়ামকে হারাতে নিজেদের দৃঢ় অভিপ্রায়ের কথা জানিয়েছেন দলটির স্ট্রাইকার অলিভার জিরুদ।

এ লড়াইয়ের প্রাক্কালে জিরুদ রিপোর্টারদের জানান, তার দলসঙ্গীরা বেলজিয়াম সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন। কারণ তিনি নিজেসহ দুদলের অনেকেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলে থাকেন। তার মতে ফ্রান্সের দলটির যে মেধা ও অভিজ্ঞতা আছে তা দিয়ে গোলরক্ষক থিবট কোর্তোয়ার সামনে থাকা বেলজিয়ামের রক্ষণ দেয়ালকে ভাঙা যাবে।

জিরুদ বলেন, ‘কোর্তোয়ার বিরুদ্ধে খেলা কঠিন। এবারের বিশ্বকাপে সে খুবই ভালো খেলছে। তাছাড়া তার সামনে আছে ভালো একটা রক্ষণভাগ।’ তিনি আরো বলেন, ‘তারপরও ফাঁক থাকবে। সেটি কাজে লাগাতে হবে। আমি বুঝতে পারি যে, আমাদের পক্ষে এই দেয়াল ভাঙা সম্ভব হবে।’

বেলজিয়াম এবার স্পানিশ কোচ রবার্তো মার্টিনেজের অধীনে ফেবারিটের মর্যাদা রেখেই এগিয়ে চলেছে। মার্টিনেজ তার সহকারী হিসেবে রেখেছেন সাবেক ফরাসি স্ট্রাইকার, বিশ্বকাপ জয়ী থিয়েরি অরিকে। জিরুদ জানিয়েছেন, তিনি প্রমাণ করবেন তার স্বদেশী থিয়েরি অরি ভুল শিবির বেছে নিয়েছে।

সুত্র-ইত্তে:/বিডিএন

জগন্নাথপুরে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশনের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্ট:
ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশন বাংলাদেশ জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

রবিবার (৮জুলাই ) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অরুন কান্তি রায়।

ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশন জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার সভাপতি তপন চন্দ্র শীলের সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনষ্ঠিটিউশন সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু তালুকদার,

দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সুনামগঞ্জের বৈজ্ঞানিক সহকারী বারি রাজিব রাজ বৈদ্য। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা দিলওয়ার হোসেন,

উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রুহল আমীন, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফজলুল হক, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মফিজুর রহমান, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বিবেকানন্দ পুরকায়স্থ প্রমূখ।

মতবিনিময় সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করনসহ বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখায় দেশের কৃষি উৎপাদনে সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

জ.টুডে- ৯জুলাই১৮/বিডিএন

র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯, সিপিসি-১, সিলেট ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (৮জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার হাইওয়ে পানসী রেষ্টুরেন্টের সামন থেকে ২ পেশাদার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছে মৌলভী বাজার জেলার সদর উপজেলার আমরকুনা গ্রামের মৃত মকলিছ মিয়ার ছেলে মাহমুদ আলী (৩৮) ও আইনপুর গ্রামের আব্দুল মোমিনের ছেলে মো: নওশেদ মিয়া (২৮)।

র‌্যাব-৯ সিলেটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ( মিডিয়া) মো: মনিরুজ্জামান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৯৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাদক সেবীদের কাছে মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিল।

ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, নিজ হেফজতে রেখে এবং পরে তাদের সৃষ্টি মাদক নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে গাঁজাসহ মাদক দ্রব্য বিক্রয় করার কথা স্বীকার করে।

শীর্ষ মাদক বিক্রেতা মাহমুদ আলী ও মোঃ নওশেদ মিয়াকে গ্রেফতার করায় এলাকাবাসী স্বস্থি প্রকাশ করেছেন। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি

জগন্নাথপুরে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুরে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ ২মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার জিয়াপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে আলী হোসেন (৩৮) ও একই গ্রামের মৃত উস্তার উল্ল্যার ছেলে জিলু মিয়া (৪০)।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার সাইফুল আলমের নেতৃত্বে এ এস আই শাহীন চৌধুরীসহ পুলিশ ফোর্স জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চিলাউড়া রসুলপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২কেজি গাঁজাসহ আলী হোসেন ও জিলু মিয়াকে গ্রেফতার করেছেন।

এ সময় গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগী অপর মাদক ব্যবসায়ী জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের খালিক মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (৩২) পালিয়ে যায়।

জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার সাইফুল আলম জানান, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন। রবিবার গ্রেফতারকৃত কে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জ.টুডে- ৮ জুলাই ১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে তালামীযের কমিটি গঠন

সুন্নী ছাত্র আন্দোলনের বীর সৈনিক কাফেলা বাংলাদেশ আঞ্জমানে তালামীযে ইসলামীয়া জগন্নাথপুর পশ্চিম উপজেলাধীন ঘোষগাঁও টিয়ারগাঁও আঞ্চলিক শাখার ২০১৮-২০১৯ শেষনের কাউন্সিল ও অভিষেক অনুষ্টিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) ঘোষগাঁও মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে আয়োজিত কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান নির্বাচন কমিশিনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর পশ্চিম উপজেলা সাধারন সম্পাদক হাফিজ সাইদুল ইসলাম।

সহযোগী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম উপজেলা সহ-অফিস সম্পাদক শাহজাহান সিদ্দিকী। কাউন্সিলে সর্ব সম্মতিক্রমে ক্বারী জিকরুল আলমকে সভাপতি ও ক্বারী মোজাম্মিল হোসেনকে সাধারন সম্পাদক করে ৩৫সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ, সহ-সভাপতি কামরুল হক খালিছ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাদিকুর রাহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের দিনু, প্রচার সম্পাদক শহিদুল হক ফাহাদ, সহ-প্রচার সম্পাদক জামিল আহমদ, সহ-প্রচার সম্পাদক হাবিবুর রহমান,

অর্থ সম্পাদক আনাছ আলী, অফিস সম্পাদক ছাদিকুর রহমান, সহ-অফিস সম্পাদক মিঠন আহমদ, সহ-অফিস সম্পাদক নাছির উদ্দিন, প্রশিক্ষন সম্পাদক মধু মিয়া, সহ-প্রশিক্ষন সম্পাদক ইমন আহমদ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু জহির নাছির, সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুমান আহমদ, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শুয়াইবুর রহমান,

সহ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোজাক্কির হোসেন, সদস্য মুরসালিন আহমদ, শায়েখ আলম, তানজিল আহমদ, রায়হান আহমদ, মামুন হোসেন, রেহমান আরিফ, আবু তালহা, আমজদ আলী, শাহিনুর রহমান, আব্দুশ শাহিদ, তোফায়েল আহমদ, সোহানুর রহমান, তামজিদ আহমদ, আশরাফুল হক ও সুহিন মিয়া।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জ.টুডে-৮ জুলাই ১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে দম্পতির প্রতারনায় অতিষ্ট এলাকাবাসী ॥ প্রবাসীর ৩লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় মামলা দায়ের

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের দম্পতি কর্তৃক মিথ্যা প্রলোভনে প্রতারনা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।

মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের মৃত সমছু মিয়ার ছেলে সোনাফর আলী ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম  দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীসহ  এলাকার সহজ সরল লোকজনদের অভিনব কায়দায় মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোনাফর আলী পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী হয়ে জমি জমার জাল কাগজ তৈরী করে একই রকম দাগ খতিয়ান জমির পরিমান  উল্লেখ করে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে স্বামী স্ত্রী মিলে প্রতারনা করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করছেন।

প্রতারনার শিকার এসব ব্যক্তিরা টাকা চাইলে উল্টো মিথ্যা মামলা মোকাদ্দমা করার ভয়ভীতিসহ মারধর করার হুকমি দিয়ে আসছে। সর্বশেষ মোহাম্মদপুর সেরা কচুরকান্দি সাবেক পূর্ব বসন্তপুর কচুরকান্দি গ্রামের মজিদ উল্ল্যার ছেলে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদিরের কাছ থেকে মিথ্যা প্রলোভনে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ৩লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতারক ঐ দম্পতি।

লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদিরের ভাই মো: আব্দুল করিম ৩লাখ টাকা ফেরত চাইলে প্রতারক সোনাফর আলী তার প্রতারক বাহিনী দ্বারা প্রানে হত্যাসহ জান মালের ক্ষতি সাধন করার হুমকি দেয়। এ ব্যপারে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদিরের ভাই মো: আব্দুল করিম বাদি হয়ে মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের মৃত সমছু মিয়ার ছেলে  সোনাফর আলী (৪০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম (২৫) কে আসামী করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী সুনামগঞ্জের আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

সিআর মামলা নং ২৩/১৮। ঐ মামলায় প্রতারক দম্পতি  আদালত থেকে জামিনে এসে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে পুনরায় মামলার বাদি আব্দুল করিম ও তার পরিবারের লোকজনদের প্রানে হত্যাসহ বিভিন্ন ক্ষতি সাধনের চেষ্টায় লিপ্ত হয়।

এ ঘটনায় আব্দুল করিম বাদি হয়ে গত  ৮মে প্রতারক সোনাফর আলী (৪০) ও তার ভাই আনফর আলী (৩০) সহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঐ সময়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)’র নির্দেশে কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার অভিযোগটি সাধারন ডায়েরীভুক্ত করেন। যার নং ৩২৬। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে নন এফ আই আর (প্রসিকিউশন) দাখিল করেন।

মামলার বাদি আব্দুল করিম জানান, আসামীরা বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিন পেয়ে বাড়িতে এসে পুনরায় তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অব্যাহত হুমকিতে আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি।

এদিকে গরু বিক্রেতা প্রতারক দম্পতি সোনাফর আলী ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম শুধু লন্ডন প্রবাসী আব্দুল কাদির নয় বিভিন্ন কৌশলে এলাকার অসংখ্য লোকজনকে মিথ্যা লোভ দেখিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন।

ঐ দম্পতির প্রতারনার শিকার পাটলী ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের ডুবাই প্রবাসী  ছালিক মিয়ার ২লাখ টাকা, মীরপুর ইউনিয়নের কচুরকান্দি গ্রামের লন্ডন প্রবাসী ফিরোজ আলীর ১লাখ টাকা, লন্ডন প্রবাসী মোহাম্মদপুর সেরা ( পূর্ব বসন্তপুর) গ্রামের লন্ডন প্রবাসী মৃত আফতাব আলীর ১লাখ টাকা এবং মোহাম্মদপুর সেরা গ্রামের ঠাকুর আলীর ছেলে বাবুল মিয়ার ৫০হাজার টাকাসহ অসংখ্য প্রবাসী স্থানীয় ব্যক্তিদের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করার ঘটনা রয়েছে।

প্রতারক দম্পতির অব্যাহত প্রতারনার ফাঁদে পড়ে প্রবাসীদের পাশাপাশি নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনও প্রতারিত হয়ে সর্বশান্ত হচ্ছেন। তারা প্রতারনার কৌশল ধার কর্য্য এবং গরু ব্যবসা করার কথা বলে এসব টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর ক্ষতিগ্রস্থরা তাদের টাকা ফেরত চাইলে উল্টো মারধর করার পাশাপাশি মামলা দিয়ে হয়রানী করার হুমকি দিয়ে আসছে।

জ.টুডে-৭ জুলাই ১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে বিউবো’র গ্রাহকদের ভোগান্তির প্রতিবাদে সৈয়দপুর বাজারে সমাবেশ অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্ট:
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ( বিউবো’র) জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের গ্রাহকদের নানানভাবে হয়রানী ও ভোগান্তির প্রতিবাদে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে।

শনিবার (৭জুলাই) বিকেল ৪টায় সৈয়দপুর বাজারে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের আয়োজনে সমাবেশে সৈয়দপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব সৈয়দ মদচ্ছির আহমদের সভাপতিত্বে ও সৈয়দ হিলাল আহমদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য সৈয়দ ছাবির মিয়া,

অধ্যক্ষ সৈয়দ রেজওয়ান আহমদ, সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, সৈয়দ নুরুল ইসলাম দুলু, সৈয়দ ছালেহ আহমদ দুলা, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ লিলু মিয়া,সাবেক ইউপি সদস্য সৈয়দ মুনসিফ আলী,

সৈয়দ মোছাব্বির আহমদ, সৈয়দ খায়রুল ইসলাম, শাহ নেওয়াজ, সৈয়দ আকবর আলী, সৈয়দ ফরিদ আহমদ, আলমগীর হোসেন, সৈয়দ আবিদ আহমদ প্রমূখ।

এদিকে পরিশোধিত বিদ্যুৎ বিল পরবর্তী মাসের বিলে পুনরায় যোগ করত: প্রিপেইড মিটার সংযোজনে বাধ্য করে গ্রাহক ভোগান্তির প্রসঙ্গে গত ২৬জুন সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের ভুক্তভোগী গ্রাহকদের পক্ষে আব্দুল কাইয়ুমসহ ৮জন স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরন অঞ্চল বিউবো সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী বরাবরে দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ- করা হয় কয়েক মাস যাবত লক্ষ্য করছি যে, মাসিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা সত্ত্বেও পরবর্তী মাসের বিলে পূর্ববর্তী পরিশোধিত বিল সংযুক্ত করে গ্রাহকদের হয়রানী করা হচ্ছে। এছাড়া অনেক গ্রাহকদের মিটার নষ্ট হয়েছে বলে প্রিপেইড মিটার লাগাতে নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে।

এ ধরনের কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী উল্লেখ করা হয়। সমাবেশে মো: আব্দুল কাইয়ুম, আলহাজ্ব সৈয়দ হবিবুর রহমান, হাফিজ শেখ কবির আহমদ, মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল ইসলাম, ডা: সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ডা: সৈয়দ তৈফুর আহমদ, সৈয়দ ওবায়দুল হক মছনু,

মাওলানা সৈয়দ আশফাক আহমদ চৌধুরী, মাওলানা সৈয়দ গফুর আহমদ, সৈয়দ কাওছার আহমদ, মাওলানা সানোয়ার আহমদ, সৈয়দ মাকসুদ, মনসুর কোরেশী, সৈয়দ হাবিল, সৈয়দ ময়েজ, সৈয়দ রিবান আহমদ, সৈয়দ আহমদ হোসেন তানিনসহ শতাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ভোগান্তি লাগবে উর্ধŸতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জ.টুডে-৭ জুলাই ১৮/বিডিএন

ঝড়ে পড়া রোধে মিডডে মিল

মিডডে মিল কথাটা অতি পুরনো। এর সূত্রপাত হয় সম্ভবত ১৯২৫ সালে ব্রিটিশরা ইন্ডিয়াতে মাদ্রাজ করপোরেশনের মাধ্যমে। তাদের দেখাদেখি ফ্রান্স চালু করে ১৯৩০ সালে। ১৯৬২-৬৩ সালে তামিলনাড়– রাজ্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য মিডডে মিল চালু করে। সমগ্র ভারতে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ১৯৯৫ সাল থেকে মিডডে মিল চালুর প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্বখাদ্য কর্মসূচীর সহায়তায় স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পুষ্টিহীনতা দূর করার জন্য পুষ্টিকর বিস্কুট সরবরাহ করা হয়। পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব অগ্রহ ও উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মিডডে মিল কার্যক্রম চালুর বিষয়ে সকলকে আহবান করেন।

তার আহবানে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বিভিন্নভাবে চালু হয় মিডডে মিল। মিডডে মিল বলতে যে মিল মিডডে অর্থাৎ দুপুরে খাওয়া হয়। বাংলাদেশে প্রত্যেক পরিবার দুপুরের খাবারকে খুব গুরুত্ব দেয় যদিও দেশে দেশে এর ব্যতিক্রম আছে। ফলে অভ্যাসগতভাবে দুপুর হলেই ক্ষুধা লাগে। আবার ক্ষুধা না লাগলেও এসময় খেতে হবে তাই সবাই খায়। কিন্তু ছাত্রদের ক্ষেত্রে এ খাবারটা জোটেনা।

ফলে তাদের দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা এটা মানিয়ে নিতে পারলেও প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য অনেকক্ষন না খেয়ে থাকা নিঃসন্দেহে কষ্টকর। মিডডে মিল কার্যক্রমে প্রথমে সাড়া দেয় ধনাঢ্য ব্যক্তিগণ ও প্রবাসীরা এবং পৃষ্ঠপোষকতা করে সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী ও এসএমসির সদস্যরা।

তারা এ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে নিজেদের কর্ম এলাকা কিংবা জন্মস্থানে এক দুইটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিডডে মিল চালু করে। প্রথমে সাদা ভাত, মাছ, মাংস বা ডিম দিয়ে শুরু করলেও পরে এটি খিচুরীতে রূপ নেয়। কারণ খিচুরী একটি পুষ্টিকর খাদ্য আবার এতে খরচও কম। তাই খিচুরীকে বেছে নেয়া হয়। চ্যারিটেবল সংগঠনও একাজে আগ্রহ দেখায় এবং তাদের পরিচালিত বিদ্যালয়ে মিডডে মিল চালু করে। কিন্তু কেহই এ কার্যক্রমকে আগাগোড়া চলমান রাখতে পারেনি।

ফলে এটি নতুন মাত্রা লাভ করেছে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত সংগঠন, উপজেলা পরিষদ, বিভিন্ন এনজ্ওি ও চ্যারিটেবল সংগঠন মিডডে মিল চালু রাখতে টিফিন বক্স কিনে দিচ্ছে। কিন্তু কিভাবে এ মিডডে মিল চালু থাকবে সে ফর্মুলা তারা বাতলে দেয়নি।

ফলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিক্ষা বিভাগ ও এসএমসির সহায়তায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও মা সমাবেশ করে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সচেতন করে মিডডে মিলের বিষয়ে অভিভাবকদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছে যে, আপনার সন্তানটি দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে যে সকল অসুবিধা হয় তা দূর করতে না পারলে তার শরীর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে এতে করে পড়ায় মনোযোগ থাকবেনা। আপনার সন্তানের জন্য সকাল বেলার খাবার থেকে সামান্য খাবার তুলে রেখে টিফিন বক্সে করে দিলে সে দুপুরে অন্তত কিছু খেতে পারবে।

যদি সকালের খাবার বাড়তি না থাকে তবে কিছু মুড়ি, খই, বিস্কুট, দেশী ফল, একটু জাউ রান্না করে, খিচুরী রান্না করে অর্থাৎ সামর্থ্য মোতাবেক ঘরের খাবারের কিছু অংশ টিফিন বক্সে দিয়ে দেয়া। পাশাপাশি একটি ছোট বোতলে নিজ ঘরের বিশুদ্ধ পানি ব্যাগে দিয়ে তার সন্তানকে স্কুলে পাঠানো। এই কাজে সবার আগে সাড়া দিয়েছে মায়েরা।

কারণ মায়েরা নিজে না খেয়েও তার সন্তানের জন্য খাবার তুলে রেখে টিফিন বক্সে দিয়ে দেয়। এখন বাবারাও এতে উৎসাহ দেখাচ্ছে এবং মায়েদের কাজটিকে সমর্থন করে সাহায্য করছে। স্কুল ম্যানেজিং কমিটি কোন কোন এলাকায় ধনাঢ্য ও প্রবাসীদের বিদ্যালয়ের প্রতি আকৃষ্ট করে সপ্তাহে কিংবা মাসে একবার ভাল খাবারের ব্যবস্থা করছে।

ফলে ঐ এলাকার জনসাধারণের মধ্যে সন্তানের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও তাদের বাড়ী থেকে খাবার নিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে খাচ্ছে। দেখলে মনে হবে একটি পরিবার মধ্যাহ্ন ভোজ করছে। কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে যে, শিক্ষার্থী মিডডে মিল হিসেবে কোন একদিন কিছু আনতে না পারলে অন্য শিক্ষার্থীরা কিংবা শিক্ষকরা তাদের খাবার থেকে শেয়ার করে খাচ্ছে।

অপূর্ব এক পরিবেশ সুন্দর ও নির্মল শিক্ষালয়। মিডডে মিল চালু হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের সুস্থ্য দেহে সুস্থ্য মন কথাটির বাস্তবায়ন হচ্ছে। শরীরে শক্তি না থাকলে মনের জোর আসেনা। তাই সময়মত খাবার পেলে শরীর মনে সজীবতা ও উৎফুল্ল ভাব ফিরে আসে। ছাত্র-ছাত্রীরা ঝিমিয়ে পড়েনা। আগাগোড়া পড়াশুনায় মনোযোগ দিতে পারে। পুষ্টিহীন শিশুরাও পুষ্টির অভাব দূর করার সুযোগ পায়।

বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বেড়ে যায়। পাশের হার বাড়ে এবং ঝড়ে পড়া কমে যায়। শিক্ষার্থীরা খেলাধূলায় আগ্রহ দেখায়। পাঠগ্রহণ ও পাঠদানে উৎসাহ থাকে। শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রমে সব শিশুকে নিয়োজিত করতে পারে। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সুন্দর এক সমন্বয় থাকে। প্রতিটি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে তৎপর হয়।

শিখন ও শেখানো কাজটি প্রাণবন্ত হয়। কঠিন বিষয়ের পাঠে তাদের বিমূখতা বা অলসতা আসেনা। বারবার ছুটির জন্য শিক্ষার্থীরা শিক্ষককে তাগাদা দেয়না। যোগ্যতা ভিত্তিক পাঠদান সম্ভব হয়। পরিশেষে সকল বিদ্যালয়ে এরূপ ব্যবস্থা কার্যকর হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার বাড়বে এবং ঝড়ে পড়া রোধ হবে।

                  মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ
(লেখক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নারায়ানগঞ্জ)

জ.টুডে-৬ জুলাই ১৮/বিডিএন