যশোর থেকে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রামে
- Update Time : ০৬:২৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
- / 13

স্টাফ রিপোর্টার:
যশোর থেকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও আলোচিত ক্যাডার মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ‘ডেভিড ইমন’কে। এ সময় তাঁর সাথে থাকা আরও তিন সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত অপর তিন সহযোগী হলেন আলিস তমাল, শাফায়াত ও শামীম।
যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝুমঝুমপুর এলাকায় ডিবি পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে সড়কপথে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে। পৌঁছানোর পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
১৫ মামলার আসামি, বড় সাজ্জাদের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড
পুলিশ জানায়, মোবারক হোসেন ইমনের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকায়। তিনি বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে ‘বড় সাজ্জাদ’ বাহিনীর অন্যতম প্রধান সহযোগী। ইমনের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র আইন ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকায় আলোচিত জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ‘ঢাকাইয়া আকবর’ হত্যা মামলারও প্রধান আসামি এই ইমন। সম্প্রতি চট্টগ্রামে একাধিক চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় তার নাম নতুন করে আলোচনায় আসে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বড় সাজ্জাদ বিদেশে আত্মগোপনে থাকায় বর্তমানে চট্টগ্রামে তাঁর বাহিনীর নেতৃত্ব যৌথভাবে দিচ্ছিলেন ডেভিড ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান। এর আগে এই বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ‘ছোট সাজ্জাদ’, যিনি বর্তমানে কারাগারে বন্দী আছেন।
সর্বশেষ এক্সেস রোডে হামলা ও চাঁদা দাবি
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রাম নগরীর এক্সেস রোড এলাকায় ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘ডিজিটাল ডট নেটওয়ার্ক’ (ডিডিএন) কার্যালয়ে ১৫ থেকে ২০ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালায়। হামলাকারীরা কার্যালয় থেকে ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। তদন্তে এ ঘটনার সাথে শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ বাহিনীর সরাসরি সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। ওই ঘটনার কিছু দিন আগে ডেভিড ইমন পরিচয়ে ফোন করে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।



















