০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শার্শা ও বেনাপোলে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

  • Update Time : ১২:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4
সংবাদ ফটোকার্ড তৈরি ও ডাউনলোড করুন →

মনির হোসেন, বেনাপোল:

মন্দির-মণ্ডপে বেজে গেছে মায়ের বিদায়ের ঘণ্টা। হাসিমুখে অশ্রু লুকিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানিয়েছেন ভক্তরা। বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপনী দিন ছিল গতকাল বুধবার (২১ অক্টোবর)।

ছয় দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজার পঞ্চম দিন মঙ্গলবার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মহানবমী পূজা সম্পন্ন হয়েছে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে, যশোর বেনাপোল পাট বাড়ি আশ্রমে গতকাল সকাল ৮টা ৫২ মিনিটের মধ্যে মহাদশমীর কল্পারম্ভ, পূজা সমাপন ও দর্পণ নিরঞ্জন অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় নবমী বিহিত পূজা। ১০৮টি বেলপাতা, বেল কাঠ ও ঘি দিয়ে যজ্ঞের মাধ্যমে দেবী দুর্গার কাছে আহুতি দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মমতে, নবমীর পুণ্য তিথিতে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে বিশ্বে শুভ শক্তির প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন দেবী দুর্গা।

দশমীর পূজা শেষে সর্বশেষ রীতি ‘দেবী বরণ’ অনুষ্ঠিত হয়। বিবাহিত নারীরা সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিয়ে দেবীকে সিঁদুর ছোঁয়ান এবং একে অপরকে সিঁদুর মাখিয়ে বিদায় জানান।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বৈদ্যনাথ দাস জানান, গতকাল বিকেল ৫টা থেকে নৌকায় করে নদী, খাল, পুকুরে প্রতিমা নিরঞ্জন সম্পন্ন হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শা ও বেনাপোলে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

Update Time : ১২:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ ফটোকার্ড তৈরি ও ডাউনলোড করুন →

মনির হোসেন, বেনাপোল:

মন্দির-মণ্ডপে বেজে গেছে মায়ের বিদায়ের ঘণ্টা। হাসিমুখে অশ্রু লুকিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানিয়েছেন ভক্তরা। বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপনী দিন ছিল গতকাল বুধবার (২১ অক্টোবর)।

ছয় দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজার পঞ্চম দিন মঙ্গলবার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মহানবমী পূজা সম্পন্ন হয়েছে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে, যশোর বেনাপোল পাট বাড়ি আশ্রমে গতকাল সকাল ৮টা ৫২ মিনিটের মধ্যে মহাদশমীর কল্পারম্ভ, পূজা সমাপন ও দর্পণ নিরঞ্জন অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় নবমী বিহিত পূজা। ১০৮টি বেলপাতা, বেল কাঠ ও ঘি দিয়ে যজ্ঞের মাধ্যমে দেবী দুর্গার কাছে আহুতি দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মমতে, নবমীর পুণ্য তিথিতে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে বিশ্বে শুভ শক্তির প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন দেবী দুর্গা।

দশমীর পূজা শেষে সর্বশেষ রীতি ‘দেবী বরণ’ অনুষ্ঠিত হয়। বিবাহিত নারীরা সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিয়ে দেবীকে সিঁদুর ছোঁয়ান এবং একে অপরকে সিঁদুর মাখিয়ে বিদায় জানান।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বৈদ্যনাথ দাস জানান, গতকাল বিকেল ৫টা থেকে নৌকায় করে নদী, খাল, পুকুরে প্রতিমা নিরঞ্জন সম্পন্ন হয়েছে।