দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৬৪ জনের মৃত্যু, শনাক্তেও রেকর্ড

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড আরও ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা দেশে একদিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এনিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৫ হাজার ২২৯ জনে।

 

সোমবার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে রেকর্ড ৯ হাজার ৯৯৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮১ জনে।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৪ হাজার ২টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ১৮৫ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৮২ জন।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের বিবেচনায় মারা যাওয়ার হার ১ দশমিক ৫৯ আর সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১৬৪ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ৮৩ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৮জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৪ জন রয়েছে।

 

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১০৯ জন ও মহিলা ৫৫ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১৫ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৬৪ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫৫ জন, ঢাকায় ৪০ জন, রাজশাহীতে ১৬ জন, রংপুরে ১৬ জন, চট্টগ্রামে ১৮ জন, ময়মনসিংহে ২ জন, সিলেটে ৮ জন, বরিশালে ৯ জন মারা গেছেন

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র———–ইত্তেফাক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৩৪ জনের মৃত্যু

টুডে ডেস্ক:-

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা দেশে একদিনে করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) দেশে সর্বোচ্চ ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল ও গতকাল শুক্রবার ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছিলো। এনিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ হাজার ৯১২ জনে।

শনিবার (৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ২১৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৬ জনে।

টানা ৬ দিন করোনায় শতাধিক মৃত্যুগত ২৪ ঘণ্টায় ২২ হাজার ৭০৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২২ হাজার ৬৮৭টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৭৭৭ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৯ হাজার ১৯৯ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের বিবেচনায় মারা যাওয়ার হার ১ দশমিক ৫৯ আর সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১৩৪ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ৬৫ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছে।

টানা ৬ দিন করোনায় শতাধিক মৃত্যু২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৮৪ জন ও মহিলা ৫০ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ৭ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৩৪ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৯ জন, ঢাকায় ৩৮ জন, রাজশাহীতে ২৩ জন, রংপুরে ১৫ জন, চট্টগ্রামে ১১ জন, ময়মনসিংহে ৪ জন, সিলেটে ১ জন, বরিশালে ৩ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র—ইত্তেফাক

করোনায় আজও শতাধিক মৃত্যু, শনাক্ত ৮ হাজার ছাড়িয়ে

টুডে ডেস্ক:-

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা দেশে একদিনে করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) দেশে সর্বোচ্চ ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এনিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ হাজার ৭৭৮ জনে।

শুক্রবার (২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ হাজার ৪৮৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ৩০ হাজার ৪২ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ৩০ হাজার ৩৮৫ নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ৩০ হাজার ১২টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৫০৯ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪২২ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের বিবেচনায় মারা যাওয়ার হার ১ দশমিক ৫৯ আর সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১৩২ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ৬৭ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২০ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৮১ জন ও মহিলা ৫১ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১৩ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৩২ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৫ জন, ঢাকায় ৩০ জন, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ২৪ জন করে, সিলেটে ২ জন, রংপুরে ৯ জন, ময়মনসিংহে ৬ ও বরিশালে ২ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র—ইত্তেফাক

দেশে টানা চারদিন শতাধিক মৃত্যু, শনাক্তে ফের রেকর্ড

টুডে ডেস্ক:-
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ হাজার ৮২২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এটিই দেশে একদিনে করোনায় শনাক্তের রেকর্ড। এর আগে ২৮ জুন দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৩৬৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ হাজার ৫০৩ জনে। গত চার দিনে শতাধিক মৃত্যু দেখলো দেশ।

বুধবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন ৮ হাজার ৮২২ জনসহ দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ১৩ হাজার ২৫৮ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ হাজার ৮৬ নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৫ হাজার ১০৫টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ১৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

No description available.একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৫৫০ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ১৬ হাজার ২৫০ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১১৫ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ৫৭ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে চারজন রয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৭২ জন ও মহিলা ৪৩ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ৯ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১১৫ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩০ জন, ঢাকায় ১৭ জন, চট্টগ্রামে ২৩ জন, রাজশাহীতে ২৩ জন, সিলেটে তিনজন, রংপুরে ১১ জন, ময়মনসিংহে ছয়জন ও বরিশালে দুইজন মারা গেছেন।
No description available.
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
সূত্র—ইত্তেফাক

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ১০৪

টুডে ডেস্ক:

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ হাজার ২৭৬ জনে।

সোমবার (২৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যেখানে বলা হয়েছে, একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৩৬৪ জন। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ লাখ ৯৬ হাজার ৭৭০ জনে।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল ৭ হাজার ৬২৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এরপর আজই সর্বোচ্চ শনাক্ত হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ হাজার ৭৮৩ নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৫৯টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।

একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৫৭০ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৭ হাজার ৬৭৩ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১০৪ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব ৫৮ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৪ জন ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৫ জন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৬৮ জন ও মহিলা ৩৬ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ৭ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১০৪ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৫ জন, ঢাকায় ২৭, চট্টগ্রামে ১৯ জন, রাজশাহীতে ৭ জন, রংপুরে ৯ জন, ময়মনসিংহে ৫ জন ও বরিশালে ২ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র —ইত্তেফাক

স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রয়াত গিরিন্দ্র কুমার সরকার স্মরনে ভার্চ্যুয়াল সভা

স্টাফ রিপোর্টার:-
জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের প্রাচীনতম স্বনামধন্য বিদ্যাপিঠ স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রয়াত গিরিন্দ্র কুমার সরকার এর স্মরনে দেশ ও প্রবাসে বসবাসরত বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ভার্চ্যুয়াল স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের অনলাইন এএনটিভি কর্তৃক এই স্মরণ সভাটির আয়োজন করা হয়। স্মরণ সভায় প্রয়াত গিরিন্দ্র কুমার সরকার এর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বক্তারা বলেছেন একজন গুনী শিক্ষক হিসেবে প্রয়াত গিরিন্দ্র কুমার সরকার প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবেন।

বক্তারা গুনী এই শিক্ষকের কর্মকালীন জীবনের শিক্ষা কার্যক্রমে অন্যন্য দৃষ্ঠান্ত স্থাপন শুধু শিক্ষার্থীদের নয় জগন্নাথপুরের প্রতিটি মানুষ আজীবন কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরন রাখবে। বক্তারা প্রয়াত গিরিন্দ্র কুমার সরকার এর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবার বর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন যুক্তরাজ্য সময় দুপুর ১টায় এবং বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় ভার্চ্যুয়াল স্মরণ সভাটি হৃদয় স্পর্শী স্মৃতি চারণে অনেকেই আবেগ আপ্লোত হয়ে পড়েন। জগন্নাথপুর পৌর শহরের রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের অত্যান্ত পরিচিত মূখ যুক্তরাজ্যের এএনটিভির উপস্থাপক স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো: আবুল হোসেন এর উপস্থাপনায়

ভার্চ্যুয়াল স্মরণ সভায় অংশ গ্রহন করেন স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দীন সোহেল, এম এ কাদির, আবু সুফিয়ান চৌধুরী, শফিউল আলম বাবু, কয়ছর এম আহমদ, শেলী সমাজপতি, আবু ইসুফ, লিজু মিয়া, মো: আব্দুল হাই, আবুল কালম রাজু, সুজাতুর রেজা, মাসুক খান, শামছুল ইসলাম রাজন,

ইমরুল হক হিরক, মির্জা জুয়েল আমীন, মাসুম আহমেদ, আবু জুবের, মাখন মিয়া, ইকবাল হোসেন, আতাউর রহমান, আজাদ আলী, অরূপ সরকার, জাকির ভুইয়া, ডালিম আহমেদ, তনিমা সোমা, রবিউল আলম, জুবের, আকিকুর রহমান চৌধুরী জুবের , জুবের আহমেদ, মোহাম্মদ সেলিম, মনির, প্রয়াত গিরিন্দ্র কুমার সরকার এর মেয়ে কাকলী সরকার, নিলিমা সরকার ছেলে লিটন সরকার সহ বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ভার্চ্যুয়াল স্মরণ সভায় অংশ নেন।

প্রসঙ্গত: স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গিরিন্দ্র কুমার সরকার সোমবার (২১ জুন) বিকেল ৩টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। আশির দশকে স্বরূপ চন্দ্র সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন গিরিন্দ্র কুমার সরকার। তিনি দীর্ঘ দিন দায়িত্ব পালনের পর ২০০১ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে ১১৯ জনের মৃত্যু

রবিবার (২৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যেখানে বলা হয়েছে, একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫ হাজার ২৬৮ জন। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৪০৬ জনে।

এর আগে, চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল দেশে করোনায় দ্বিতীয় সর্বাধিক ১১২ জনের মৃত্যু হয়। গত ২৫ জুন মারা যান ১০৮ জন। এছাড়া ১৮ এপ্রিল ১০২ জন মারা যান। ১৬, ১৭ ও ২৫ এপ্রিল মারা যান ১০১ জন করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ৬২৮ নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ৪০০টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

দেশে করোনায় মৃত্যুর রেকর্ডএকদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ২৪৯ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৪ হাজার ১০৩ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১১৯ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব ৫৯ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৬ জন।
দেশে করোনায় মৃত্যুর রেকর্ড

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৭৫ জন ও মহিলা ৪৪ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ৪ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১১৯ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩২ জন, ঢাকায় ২৪, রাজশাহীতে ২২, সিলেট ৫, রংপুরে ৯ জন করে, ময়মনসিংহে ৩ জন ও বরিশালে ২ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সূত্র —ইত্তেফাক

সোমবার নয়, বৃহস্পতিবার থেকে সর্বাত্মক লকডাউন

টুডে ডেস্ক:
২৮ জুন নয়, ১ জুলাই থেকে দেশে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ৩০ জুন পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেকে সীমিত, বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে ৭ দিন সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত সরকার। শনিবার (২৬ জুন) রাতে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রবিবার (২৭ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

প্রধান তথ্য অফিসার বলেন, সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সীমিত পরিসরে লকডাউন কার্যকর করবে সরকার। আর বৃহস্পতিবার থেকে ৭ দিনের জন্য পুরোপুরি লকডাউন থাকবে দেশ।

এরআগে, গতকাল শুক্রবার (২৫ জুন) তথ্য অধিদফতের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার গণমাধ্যমকে জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর লকডাউন জারি থাকবে।

তিনি বলেন, লকডাউনে জরুরি পরিসেবা ছাড়া সব সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী যান ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে শুধু যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

সোমবার নয়, বৃহস্পতিবার থেকে সর্বাত্মক লকডাউনসেই সঙ্গে জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না। গণমাধ্যম লকডাউনের আওতা বহির্ভূত থাকবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আদেশ শনিবার (২৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে বলেও জানান তথ্য অধিদফতের এই কর্মকর্তা।

গত ২৪ জুন মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাদেশে ১৪ দিনের শাটডাউনের সুপারিশ করেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এ বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনায় নিয়ে যেকোনো সময় শাটডাউন ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার করোনা পরিস্থিতি খুব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগের চেয়ে বিধিনিষেধ আরও কঠোর হবে। করোনা সংক্রমণ কমানোর জন্য যা করা প্রয়োজন হবে আমরা তাই করব।

তিনি আরও বলেন, মাঝে আমাদের সংক্রমণ ৭ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এখনো অনেক জায়গা আছে, যেখানে সংক্রমণ ১০ শতাংশের নিচে আছে। ইতোমধ্যে ঢাকার আশেপাশের এলাকাগুলোতে লকডাউন দিয়েছি। তারপরও ঢাকার মধ্যে লোকজন এসে যাচ্ছে। সংক্রমণ কমানোয় পদক্ষেপ নিতে আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) কোভিড-১৯ কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সারাদেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’- এর সুপারিশ করা হয়।

সোমবার নয়, বৃহস্পতিবার থেকে সর্বাত্মক লকডাউন

এতে বলা হয়, দেশে কোভিড-১৯ রোগের ভারতীয় ডেল্টা ধরনের সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে। ইতোমধ্যে এর প্রকোপ অনেক বেড়েছে। এ প্রজাতির জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণে সারাদেশেই উচ্চ সংক্রমণ, পঞ্চাশটির বেশি জেলায় অতি উচ্চ সংক্রমণ লক্ষ্য করা গেছে। এটি প্রতিরোধে খণ্ড খণ্ডভাবে নেওয়া কর্মসূচির উপযোগিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

সুপারিশে বলা হয়, শাটডাউন চলা অবস্থায় জরুরি সেবা ছাড়া যানবাহন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু বন্ধ রাখা প্রয়োজন। এ ব্যবস্থা কঠোরভাবে পালন করতে না পারলে আমাদের যত প্রস্তুতিই থাকুক না কেনো, সংক্রমণ এভাবে বাড়তে থাকলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অপ্রতুল হয়ে পড়বে।

এদিকে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সারাদেশে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ চলছে। চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন হলেও সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন‘ ঘোষণা দেয় সরকার।

পরে সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ এবং ট্রেন চলাচল রোজার ঈদ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। পরে ২৪ মে থেকে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক বসিয়ে খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সারাদেশে বিধিনিষেধ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ১৬ জুন বিধিনিষেধ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার, যা ১৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

সূত্র-ইত্তেফাক

 

সোমবার থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন

টুডে ডেস্ক:

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর লকডাউন জারি থাকবে। শুক্রবার (২৫ জুন) তথ্য অধিদফতের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, লকডাউনে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী যান ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে শুধু যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না। গণমাধ্যম লকডাউনের আওতা বহির্ভূত থাকবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আদেশ শনিবার (২৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে বলেও জানান তথ্য অধিদফতের প্রধান তথ্য অফিসার।

সূত্র—ইত্তেফাক

মোটরচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত

টুডে ডেস্ক:-

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রবিববার (২০ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সড়ক পরিবহন টাস্কফোর্সের সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পর্যায়ক্রমে ইজিবাইক, নসিমন, করিমন ও ভটভটিও বন্ধ করে দেয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যেই কমিটির ১১১টি সুপারিশ ছিল। পরে এ বিষয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। বেশকিছু সুপারিশ বাস্তবায়নে পথে, অল্প কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করবো, আমরা সেই বিষয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।

সভার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি সারাদেশে রিকশা-ভ্যানের মধ্যে মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। শুধু সামনের চাকায় ব্রেক, পিছনের চাকায় কোনো ব্রেক নেই বা ব্যবস্থা থাকলেও তা অপ্রতুল। সেগুলো যখন ব্রেক করে যাত্রীসহ গাড়ি উল্টে যায়। এ ধরনের দৃশ্য আমরা দেখেছি। আমরা দেখেছি হাইওয়েগুলোতেও এ রিকশা চলে আসছে। এজন্য সারাদেশে এ ধরনের রিকশা…প্যাডেলচালিত রিকশার বিষয়ে আমরা বলছি না। প্যাডেলচালিত রিকশাকে যারা ইঞ্জিন দিয়ে রূপান্তর করেছেন, সেই সব রিকশা-ভ্যান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আজকের সভায় নেয়া হয়েছে।’

ইজিবাইক, নছিমন, করিমনের জন্য দুর্ঘটনা ঘটছে। এগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নছিমন, করিমন, ভটভটি বিভিন্ন শহরে অটোরিকশা চলছে। আমরা সব জায়গায় যানবাহনের ব্যবস্থা করতে পারিনি। গ্রাম-গ্রামান্তরে সুন্দর রাস্তা হয়েছে। হাঁটা কিংবা সাইকেল, মোটরসাইকেল, রিকশা ছাড়া পর্যাপ্ত যানবাহন নেই। সেজন্য নছিমন, করিমন পণ্য পরিবহন কিংবা যানবাহনের বিকল্প হিসেবে কাজ করছে। এটা নিয়েও আলোচনা হবে। শিগগিরই এটাকে পরিমিত করা এবং ফাইনালি বন্ধ করা যায় কি-না সেটা নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা সেখানেও কাজ করবো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, যাতে তারা তাদের নির্দিষ্ট স্থান থেকে বের হতে না পারে। হাইওয়েতে কিংবা বড় রাস্তায় না আসতে পারে। ক্রমান্বয়ে আমরা এটাও বন্ধ করে দেব।’

সূত্র——-ইত্তেফাক