২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৫২ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৯ হাজার ৩১৮ জনে। তাছাড়া দেশের ইতিহাসে একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ৭৫ জন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩৯ জনে।

সোমবার ( ৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, একদিনে ৩০ হাজার ২৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। দেশে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৪০ শতাংশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ২ হাজার ৯৩২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪১৪ জন।

এর আগে রবিবার (৪ এপ্রিল) দেশে আরও ৭ হাজার ৮৭ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এ ছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরও ৫৩ জন।

সূত্র—ইত্তেফাক

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন করে ৫ হাজার ৪২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে যা দেশে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫ হাজার ৯৩৭ জন। দেশে ২৪ ঘণ্টায় ২৬ হাজার ৬২০ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে করোনা ভাইরাসের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১৬২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৪০ হাজার ১৮০ জন হয়েছে।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়। করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে বেশ কয়েক ধাপ বাড়ানোর পর আগামী ২২ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র–ইত্তেফাক

প্রথম ধাপে ৩৭১ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট ১১ এপ্রিল

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রথম ধাপে ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ১১ এপ্রিল ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে তপশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৮ মার্চ, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১৯ মার্চ এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৪ মার্চ। গতকাল বুধবার বিকালে নির্বাচন ভবনে কমিশনের এক সভায় এ তপশিল চূড়ান্ত করা হয়। সভা শেষে নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার কমিশনের সিদ্ধান্তের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে বুধবার তপশিল ঘোষণা করা হলেও ইউনিয়ন পরিষদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি ইসি।

দলীয় প্রতীকে ভোট হলেও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ১৮ মার্চ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। এখনো সময় আছে। ইলেকশন কমিশনের অবস্থান থেকে সব দলকে নিয়ে ইলেকশন করতে চাই।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিন কমিশনার, ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। তবে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সভায় উপস্থিত ছিলেন না। দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই সভাশেষে ইসির সচিব সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

ব্রিফিংয়ে এবার কত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, কমিশনের আগামী সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রোজা, বৃষ্টি মৌসুম ইত্যাদি বিবেচনায় রেখে ধাপ নির্ধারণ করা হবে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন করার একটা প্রিন্সিপাল আছে। সে অনুযায়ী ল এনফোর্সিং এজেন্সি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সবই নিয়োগ করে থাকি। প্রয়োজনে বিজিবি নিয়োগ করব।’ তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে তিন-চারটি ইউনিয়ন পরিষদের জন্য এক জনকে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ, আইন-২০০৯-এর ২৯ (৩) এ বলা আছে, ‘পরিষদ গঠনের জন্য কোনো সাধারণ নির্বাচন ঐ পরিষদের জন্য পূর্ববর্তী সাধারণ নির্বাচনের তারিখ হতে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।’ অর্থাত্ চলতি মাসের ২১ মার্চের আগেই প্রথমধাপের ইউপি নির্বাচন আয়োজন সম্পন্ন করার কথা ছিল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির। কিন্তু আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় যথাসময়ে ভোট হচ্ছে না। এজন্য স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনের ২৯ (৫) ধারা প্রয়োগের জন্য বলা হয়েছে। ঐ ধারায় বলা আছে, ‘দৈব-দুর্বিপাকজনিত বা অন্যবিধ কোনো কারণে নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হইলে সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত কিংবা অনধিক ৯০ দিন পর্যন্ত যাহা আগে ঘটিবে, সংশ্লিষ্ট পরিষদকে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্ষমতা প্রদান করিতে পারবে।’ অর্থাত্ নির্বাচন কমিশন ২১ মার্চের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ইউপির ভোট করবে।

ইসির সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৬ সালের ২২ মার্চ প্রথমধাপে ৭৫৫টি ইউপি নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল। ৪ হাজার ৫৭১টি ইউপির মধ্যে ৪ হাজার ১০০-এর মতো ইউপিতে ভোট করা যাবে। ২০০ ইউপিতে মামলা জটিলতার কারণে নির্বাচন আটকে আছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এরই মধ্যে নয়বার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৭৩ সালে প্রথম ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আর সর্বশেষ ২০১৬ সালে নবম ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ১৯৭৭, ১৯৮৩, ১৯৮৮, ১৯৯২, ১৯৯৭, ২০০৩ ও ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচন হয়েছে। চলতি ২০২১ সালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দশম ইউপি নির্বাচন।          সূত্র-ইত্তেফাক

সাংবাদিকদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান:: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জগন্নাথপুরটুডে ডেস্ক:-

দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দায়িত্বশীল ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাংবাদিকদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, নীতিহীন সাংবাদিকতা কখনও দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না; বরং ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির রজতজয়ন্তী-২০২০ উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। দেশের প্রতি সবারই একটি দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। এই দায়িত্ববোধের সঙ্গে সবাই কাজ করলে দেশ এগিয়ে যাবে। আমরা চাই, দেশ এগিয়ে যাক। এসময় নিজেকে সাংবাদিক পরিবারের সন্তান উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা নিজেই সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একবার তিনি সাপ্তাহিক মিল্লাত নামে একটি পত্রিকা করেছিলেন। ইত্তেহাদ, ইত্তেফাকের সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন। নতুন দ্বীন নামে আওয়ামী লীগ একটি পত্রিকা বের করে। সেদিক থেকে আমি বলবো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সন্তান হিসেবে আমিও সাংবাদিক পরিবারের সন্তান।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সাংবাদিকতা হচ্ছে সমাজের দর্পণ। আর যেটা সমাজের দর্পণ, তাতে যেন মানুষের চিন্তা চেতনাটা ফুটে ওঠে। তার মধ্যে মানবতাবোধ যেন থাকে। তারা যেন মানুষের কল্যাণে কাজ করে।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘একটা সময় ছিল, আমাদের দেশে যতই অন্যায় হোক, দুর্নীতি হোক, ধামাচাপা দেওয়া হতো। আমাদের সরকার কিন্তু তা করছে না। আমরা কখনও এটা চিন্তা করি না যে, সে আমার দলের কিনা। এতে দলের ক্ষতি হবে কিনা। যে অন্যায় করেছে, তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। দুর্নীতির বীজ বপন করে গেছে পঁচাত্তরের পনেরই আগস্টের পর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করা দলগুলো। তারা দুর্নীতিকে শুধু প্রশ্রয় দিতো না, নিজেরাই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়তো।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু আপনারা এমন কোনও রিপোর্ট করবেন না, যেগুলো মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায়।’

জাতির পিতার বক্তব্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতাটাকে আমরা নিরপেক্ষ চাই এবং দেশ ও জাতির জন্য যেন কর্তব্যবোধ থেকে হয়। নীতিহীন সাংবাদিকতা কোনও দেশের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। জাতির পিতা বলেছিলেন, নীতিহীন রাজনীতি যেমন দেশ ও জাতিকে কিছু দিতে পারে না, তেমনি নীতিহীন সাংবাদিকতা দেশের কোনও কল্যাণ করতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক ও স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট, সম্প্রচার নীতিমালা, অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা করেছি। আমরাও চাই, দেশে যাতে হলুদ সাংবাদিকতা না থাকে।’ অসহায় ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের জন্য সরকারের অনুদানের বিষয়টিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ সালের আগে দেশে মোবাইল ফোন ছিল না। আমরা সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন দিতে পেরেছি। আগের সরকারের সময়ে আধুনিক চিন্তাচেতনার অভাব ছিল। তাই তারা দেশের কল্যাণে কাজ না করে নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগে একটি মামলা হলেই সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা যেত। এখন আমরা বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইন সংশোধন করেছি। এটিও সাংবাদিকদের কল্যাণে করা হয়েছে। আমি দেশের মানুষের কল্যাণের জন্যই রাজনীতি করি। মানুষের জীবনমান উন্নত করাই হচ্ছে আমার জীবনের লক্ষ্য।’

ইত্তেফাক/এসআই

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, দেশবাসীসহ সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার পরিবার সূত্রে এ খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানা গেছে, তার তেমন কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। তবে বয়স বিবেচনায় চিকিৎসকের পরামর্শে আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় তাকে সিএমএইচ-এ ভর্তি করা হয়।

আশু রোগ মুক্তির জন্য দেশবাসীসহ সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন মন্ত্রী এম এ মান্নান।

ইত্তেফাক/এএম

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন আজ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন আজ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার শৈশব কাটে পিত্রালয়ে। ’৫৪-র নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা বাবা-মার সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রজীবন থেকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি। বর্তমানে শুধু জাতীয় নেতাই নন, তিনি আজ তৃতীয় বিশ্বের একজন বিচক্ষণ বিশ্বনেতা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন নতুন ভূমিকায়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি সম্পাদন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি, ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণসহ জাতীয় জীবনের বহুক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি।

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরপর তিনবার এবং এ পর্যন্ত চারবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। নিজের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সাহসী কর্মকাণ্ড দিয়ে আরো আগেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতে তার বিচক্ষণ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব জাতি হিসেবে আমাদের গৌরবান্বিত করেছে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠতে যে শর্ত দরকার, তা পূরণ করায় আবেদন করার যোগ্য হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে গতকাল এক বাণীতে তাকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, পিতার মতোই শেখ হাসিনা গণমানুষের নেতা। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, গতিশীল নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ দিয়ে তিনি শুধু দেশেই নন, বহির্বিশ্বেও অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বর্ণাঢ্য জীবন :এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামমুখর জীবন শেখ হাসিনার। ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। এরপর চার দশক ধরে দেশের এই প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিয়ে রাজনীতির মূল স্রোতধারার প্রধান নেতা হিসেবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয় টুঙ্গীপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন ঢাকার বকশীবাজারের পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে। ঐ বছরই ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি কলেজ ছাত্রী সংসদের সহ-সভানেত্রী পদে নির্বাচিত হন। তিনি আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ছয় দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সহজ সারল্যে ভরা তার ব্যক্তিগত জীবন। মেধা-মনন, কঠোর পরিশ্রম, সাহস, ধৈর্য্য, দেশপ্রেম ও ত্যাগের আদর্শে গড়ে উঠেছে তার আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব। পোশাকে-আশাকে, জীবন-যাত্রায় কোথাও তার বিলাসিতা বা কৃত্রিমতার কোনো ছাপ নেই। নিষ্ঠাবান ধার্মিক তিনি। বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া তার স্বামী।

শেখ হাসিনা শান্তি, গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, উন্নয়ন এবং দেশে দেশে জাতিতে জাতিতে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ভূষিত হয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ অসংখ্য পদক ও পুরস্কারে। অতি সম্প্রতি মিয়ানমার সরকারের ভয়াবহ নির্যাতনে আশ্রয়হীন ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে নাড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বকে। আজ সারা বিশ্বেই শেখ হাসিনার নাম আলোচিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মানবতার বিবেক’ হিসেবে। প্রায় ১৯ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি অসীম সাহসে তার লক্ষ্য অর্জনে থেকেছেন অবিচল।

কর্মসূচি:আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করবে। আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয়ভাবে আজ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বাদ জোহর এবং দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। সকাল ৯টায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহার (মেরুল বাড্ডা), সকাল ১০টায় খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ (২৯ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০), সকাল ৬টায় তেজগাঁও জপমালা রাণীর গির্জা এবং বেলা ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সমসাময়িক সকল দিক বিবেচনা করে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার কর্মসূচি বাতিল করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। জাঁকজমকপূর্ণ বা বৃহত্ পরিসরে নয় সীমিত পরিসরে সাদামাটাভাবে আয়োজন সীমিত রাখার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির শুভেচ্ছা: জন্মদিন উপলক্ষ্যে শেখ হাসিনাকে গতকাল রবিবার অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ইত্তেফাককে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে। সিপিসি ইন্টারন্যাশনাল বিভাগের মিনিস্টার সং তাও স্বাক্ষরিত বার্তায় আগামী দিনে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও আওয়ামী লীগের সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

জেপির শুভেচ্ছা :প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি এবং দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম। এক বিবৃতিতে জেপির নেতৃদ্বয় বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার জীবনে অনেক ঝুঁকি নিয়ে এবং বরেণ্য পিতামাতা, তিন ভাই ও নিকটজনকে হারিয়েও জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও জাতি গঠনে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। আমরা তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের জন্য তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। নেতৃদ্বয় পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার কাছে তার দীর্ঘজীবন, সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।

জনসেবায় মডেল পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

বাংলাদেশ পুলিশের অন্যান্য রেঞ্জ থেকে ব্যতিক্রম ঢাকা রেঞ্জ। ‘ঘুষ লেনদেন, হয়রানি, ডিউটি অফিসারের অসংলগ্ন প্রশ্ন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) ভীতিকর আচরণ ও সাধারণ মানুষকে নাজেহাল করা’—এই রেঞ্জের অধীন থানাগুলোয় এসব দৃশ্য তেমন একটা দেখা যায় না। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর মনিটরিংয়ের কারণে ঢাকা রেঞ্জের ৯৬টি থানার দৃশ্য অনেকটাই পালটে গেছে। এ কারণে ঢাকা রেঞ্জকে মডেল হিসেবে গ্রহণ করতে অন্য রেঞ্জগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, নিজ নিজ রেঞ্জ ও মেট্রোপলিটন পুলিশের সেবাকে জনবান্ধব, হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত করা, পুলিশি কার্যক্রম মনিটরিং ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা রেঞ্জের গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে তা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

ঢাকা রেঞ্জের অধীনে ১৩টি জেলা, ৯৬টি থানা ও ৪৩টি সার্কেল রয়েছে। দুটি থানা মিলে একটি সার্কেল। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা রেঞ্জের অধীন থানাগুলোকে কঠোর মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। জিডি বা মামলা হওয়ার পর বাদীকে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তার পক্ষ থেকে ফোন করা হচ্ছে। মনিটরিংয়ে ঘুষ, হয়রানি ও নাজেহাল হওয়ার ব্যাপারে বাদীদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। মনিটরিংয়ের শুরুতে নানা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। তবে এখন সেগুলো কমে আসছে। জিডি ও মামলা করার ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। থানায় ডিজি বা মামলা করার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জিডির কার্বন কপি সার্কেল অফিসে দিতে হয়। একই সঙ্গে তা সার্ভারে দিয়ে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সেটা সার্কেল, জেলার এসপি ও রেঞ্জের ডিআইজি অফিসের কর্মকর্তারা দেখতে পান। জিডি ও মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারী ও তদন্তকারী অফিসারের মোবাইল নম্বর থাকে। ডিআইজি অফিসে একটি সেল আছে। সার্ভারে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী তারা বাদীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। হয়রানির শিকার হচ্ছেন কি না, জানতে চান। তদন্তকারী কর্মকর্তা অর্থ চেয়েছেন কি না, কিংবা ভালো ব্যবহার করছেন কি না, সেটাও মনিটরিং করা হয়।

এদিকে সাধারণ মানুষকে সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হতে হয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও পাসপোর্টের আবেদনের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এখন অনলাইনে হয়। সার্ভারে তথ্য যাওয়ার পর ডিআইজি অফিস একইভাবে মনিটরিং করে। ডিআইজি অফিস থেকে ফোন করে আবেদনকারীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, টাকা লেগেছে কি না। তবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি শাখার স্বাক্ষর লাগে। পাসপোর্টের আবেদনের তদন্তে অনেক সময় লাগত আগে। কিন্তু এখন সব তথ্য সার্ভারে দিয়ে দেওয়ার কারণে দ্রুত হচ্ছে। মনিটরিংয়ে থানার কোনো কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়া, হয়রানি করা ও দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত জুলাইয়ে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১৮ জন এসআইকে বিভিন্নভাবে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে দায়িত্বে অবহেলার ঘটনা আর ঘটছে না।

ধামরাই থানায় গত ৪ আগস্ট একটি জিডি করেন দেলোয়ারা বেগম। দেলোয়ারা বেগম ইত্তেফাককে বলেন, ‘জিডি করার পর ঢাকা রেঞ্জ আমার কাছ থেকে খোঁজ নিয়েছে। কোনো টাকাপয়সা লাগেনি। কাজ হয়েছে।’ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় গত ৪ আগস্ট জিডি করেছিলেন আবুল হোসেন। তিনি বলেন, কাজ ঠিকমতো হয়েছে। কোনো টাকা লাগেনি। রাজবাড়ী সদর থানায় গত ৪ আগস্ট জিডি করেন শহীদুল ইসলাম। শহীদুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিকে পাওয়া গেছে। টাকা লাগেনি। নরসিংদীর শিবপুর মডেল থানায় জিডি করেন কামাল হোসেন। হুমকির ঘটনার ঐ জিডি নম্বর ৩৬২। কামাল হোসেন বলেন, কাজ হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেছেন। ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানায় গত ৪ আগস্ট জিডি করেন বুলবুল মিয়া। বুলবুল মিয়া ইত্তেফাককে বলেন, টাকা লাগেনি, কাজ হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের কাজ করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিতে হবে। তাহলে দীর্ঘদিনের হয়রানি বন্ধ হবে। আমরা সেটা করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা এখানে একটা টিম করে দিয়েছি। শক্ত হাতে মনিটরিং করছি। যারা টাকা নিয়েছে কিংবা খারাপ ব্যবহার করেছে, তাদের শাস্তির আওতায় এনেছি। রেঞ্জের ৯৬ থানায় মামলা, জিডি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও পাসপোর্টের আবেদনের তদন্ত প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে হয়রানি শূন্যের কোটায় এনেছি।’

ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আসাদুজ্জামান বলেন, ডিআইজি অফিসের টিমের প্রতিদিনের কাজ হলো ৯৬টি থানার মামলা, জিডি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও পাসপোর্টের আবেদনের তদন্ত প্রতিদিনের বিষয়টি মনিটরিং করা। ঢাকা রেঞ্জের এই টিম সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে কি না, সেটাও তিনি নিজে মনিটরিং করেন। ডিআইজির সততা ও নিষ্ঠার কারণে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে। অপর একজন কর্মকর্তা বলেন, ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপাররা যদি সত্ হন, তাহলে মাঠ পর্যায়ের পুলিশের দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রানি থাকবে না।

সূত্র ইত্তেফাক

যে কোনো সময় বাড়তে পারে করোনা সংক্রমণ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দিকভ্রান্ত বাংলাদেশ। এখনো সংক্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় স্থিতিশীল রয়েছে। এক মাস সংক্রমণের হার এক দিন বাড়ে এক দিন কমে এমন অবস্থা থাকাটা নিয়ন্ত্রিত বলা যাবে না। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বলছেন, করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই।

যে কোনো সময় সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। শীতকালে ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কাও করছেন কেউ কেউ। মানুষের মধ্যে সর্বজনীন মাস্ক ব্যবহার, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়ার অভ্যাস বাড়ানো এবং পরীক্ষা ও আইসোলেশনের মতো স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগের ওপর এ রোগের বিস্তার অনেকটা নির্ভর করবে।

সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক তথ্য না থাকলেও অনেকেই আশঙ্কা করছেন, শীতকালের আবহাওয়ায় বাংলাদেশে সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। তাদের আশঙ্কা, আর্দ্রতা, সূর্যের তাপ, ভিটামিন ডিয়ের অভাব এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াসহ শীতকালে অন্যান্য ভাইরাস ও ফ্লু জাতীয় শ্বাসকষ্টের রোগের লক্ষণ দেখা দেয় বলে এ সময় মানুষ করোনা ভাইরাস নিয়ে আরো বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠতে পারে।

এদিকে শুরুর দিকে করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষের মধ্যে যে ভয়ভীতি ছিল, এখন তা আর নেই বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেছেন। মানুষ অনেকটা বেপরোয়াভাবে চলাফেরা করছেন। মানুষের এই ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ সংক্রমণ বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।

করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, সামনে শীতকাল। শীতে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে বলা যাবে না।

শীতকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা জরুরি। তিনি বলেন, আমরা লকডাউনে ব্যর্থ হয়েছি। এখন সবকিছু খুলে দিয়েছি। তাই সবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে। নইলে সামনে বিপদ চলে আসতে পারে। অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের করোনা সংক্রমণ এক দিন বাড়ে, এক দিন কমে—এটা দেখে ভালো অবস্থা বলা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিত্সক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ এখন কিছুটা কমার দিকে। কিন্তু এখন কম-বেশি বলা মুশকিল। এক মাস পরিস্থিতি দেখে বলা যাবে, কোন দিকে যাচ্ছে। সবাইকে মাস্ক পরার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মাস্ক ব্যবহার করে নিজে ও পরিবারকে নিরাপদ রাখুন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রোভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন বলেন, বর্তমানে খুব একটা বাড়ছে কিংবা খুব একটা কমছে—তা বলা যাবে না। পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে। আশানুরূপ ভালো খবর নেই। সামনে শীতকালে সংক্রমণের হার বাড়তে পারে।

তাই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন, মাস্ক ব্যবহার করলে ৮০ ভাগ মানুষ করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে পারে। ভ্যাকসিন কবে আসবে তার কোনো ঠিক নেই। তাই সবারই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, সার্বিক বিবেচনায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কিছুটা নিয়ন্ত্রিত মনে হলেও বিপদ যায়নি। এক দিন বাড়ছে, এক দিন কমছে—এটাকে নিয়ন্ত্রণে বলা মুশকিল। এখন সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কিছু দেশকে সফল হিসেবে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু এখন সেখানে নতুন সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে।

কোনো কোনো দেশে দ্বিতীয় দফা শেষ করে তৃতীয় দফায় সংক্রমণ বাড়ছে।’ অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, সবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আর ভ্যাকসিনের যেহেতু এদেশে শিগিগরই ট্রায়াল হবে, তাই টিকা যাতে আমরা দ্রুত পাই সেই ব্যাপারে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

নিপসনের সাবেক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুর রহমান বলেন, দুই-এক দিন বাড়ছে-কমছে, এটা কমা কিংবা বাড়া বলা যাবে না। এক মাস পর পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, সামনে শীতকালে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় বলা যায় না। ডা. আব্দুর রহমান বলেন, দেশের ৮০ ভাগ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে না। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে হবে। সময় থাকতে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে জানান তিনি।

৩ অক্টোবর পর্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

করোনা ভাইরাসের কারণে কওমি মাদ্রাসা ছাড়া দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনার কারণে কওমি মাদ্রাসা ছাড়া দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আগের ঘোষণা অনুযায়ী, এই ছুটির মেয়াদ ছিল ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হলো। গত কয়েক দিন ধরেই সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, দেশে করোনা সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আগামী সেপ্টেম্বরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি।

দেশে সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে সব অফিস-আদালত আর যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা শুরু হয়। টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটির পর ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে যানবাহন চলাচল শুরু হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধই থাকে।

চলতি বছরে এইচএসসি পরীক্ষাও মহামারীর কারণে স্থগিত রাখা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে চলতি বছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষাও নেয়া হবে না।

মার্চে ইউপি নির্বাচন :দলীয় প্রতীকে এবারও ধাপে ধাপে ভোট :শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক নয় :স্থানীয় সরকার সচিব

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

আগামী বছরের মার্চ থেকে ধাপে ধাপে শুরু হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন। গতবারের মতো এবারও কয়েক ধাপে অনুষ্ঠিত হবে ইউপির ভোট। স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৪ হাজার ১০০ ইউপির নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফেব্রুয়ারির প্রথমদিকে তপশিল ঘোষণার করবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই সব ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এর আগে আগামী অক্টোবরে প্রায় দুই শতাধিক ইউপিতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গতবারের মতো আসন্ন ইউপির ভোটও হবে দলীয় প্রতীকে। চেয়ারম্যান বা মেম্বার প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক নয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় চাউর হয়েছে যে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ক্ষেত্রে এইচএসসি এবং মেম্বার প্রার্থীর ক্ষেত্রে এসএসসি পাশ হতে হবে। এটিকে সে ফ গুজব বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, এটি নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছে। এ ধরনের কোনো উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার জন্য সংসদ সদস্যদের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না। সেখানে ইউপিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক করা সংবিধানবিরোধীও।

ইসি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে দেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২২ মার্চ শুরু হয়ে কয়েক ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ হয় ঐ বছরের ৪ জুন। স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯-এর ২৯ (৩)-এ বলা আছে, ‘পরিষদ গঠনের জন্য কোনো সাধারণ নির্বাচন ঐ পরিষদের জন্য পূর্ববর্তী সাধারণ নির্বাচনের তারিখ হইতে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।’ অর্থাত্ আগামী বছরের ২১ মার্চের আগেই ইউপি নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। আগামী ২১ অক্টোবর থেকে ইউপি নির্বাচনের কাউন্ট ডাউন শুরু হবে। করোনার কারণে স্থগিত এবং অপসারণ, পদত্যাগ, মৃত্যু ও মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নির্বাচন উপযোগী প্রায় দুই শতাধিক ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আসছে অক্টোবর থেকেই শুরু হবে। করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব নির্বাচন হবে। এসব ইউপিতে আগামী মাসে তপশিল ঘোষণার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ইসির একজন ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা জানিয়ছেন, ২০১৬ সালে কয়েক ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল। এবারও একইভাবে ইউপির ভোট সম্পন্ন করা হবে। ৪ হাজার ৫৭১টি ইউপির মধ্যে ৪ হাজার ১০০ ইউপিতে ভোট করা যাবে। ২০০ ইউপিতে মামলা জটিলতার কারণে নির্বাচন আটকে আছে।

এদিকে নির্বাচনের বাকি আছে ৬ মাস। এই নির্বাচন নিয়ে যেমন গ্রাম-গঞ্জে উচ্ছ্বাস রয়েছে তেমনি আছে শঙ্কা আর উত্কণ্ঠাও। কারণ সর্বশেষ ভোটে বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তবু সবকিছু উপেক্ষা করে এখন থেকেই তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত সদস্য ও সদস্য (মেম্বার) প্রার্থীরা। নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ কেউ একাধিক গরু জবাই করে বিলি করেছেন এলাকার ভোটারদের মধ্যে। নির্বাচন সামনে রেখে বাড়ি, পাড়া-মহল্লা, হাটবাজার ও রাজনৈতিক কার্যালয়গুলো এখন প্রায় সরগরম।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেন, কমিশন সভার সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু করা হবে। যদি কোনো কারণে নির্বাচন করা সম্ভব না হয় তাহলে বিষয়টি দেখবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।