জগন্নাথপুর পৌরসভার উদ্যোগে এইচ এসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী সায়মা উদ্দিনকে সম্মাননা স্বারক প্রদান

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর পৌরসভার উদ্যোগে ২০১৮সালের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী সায়মা উদ্দিনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১ আগষ্ট) দুপুরে পৌরসভায় আয়োজিত এক সূধী সভায় মেয়র মো: আব্দুল মনাফ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী সায়মা উদ্দিনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

এসময় মেয়র আব্দুল মনাফ মেধাবী শিক্ষার্থী সায়মা উদ্দিনের ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনের সাফল্য কামনা করে বলেন মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যত, এদের কাছেই নির্ভর করছে জাতীর স্বপ্ন। তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যোগাযোগ ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশ ও জাতীর কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। তিনি জগন্নাথপুর পৌর শহরসহ পুরো উপজেলাব্যাপী শিক্ষা ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন শিক্ষা ক্ষেত্রে জগন্নাথপুরের অতীত ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আমাদের সকলকে প্রয়াস চালাতে হবে।

এ ক্ষেত্রে মেধাবী শিক্ষার্থী গঠনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহবান জানান। সূধী সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃতি শিক্ষার্থী সায়মা উদ্দিনের পিতা আওয়ামী লীগ নেতা সালা উদ্দিন, জগন্নাথপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার শফিকুল হক শফিক, প্যানেল মেয়র-২, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার সুহেল আহমদ,

৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার গিয়াস উদ্দিন মুন্না, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার তাজিবুর রহমান, নারী কাউন্সিলার মীনা রানী পাল, আয়ারুননেছা, পৌর সচিব মো: মোবারক হোসেন, পৌরসভার প্রকৌশলী স্বতীশ গোস্মামী, কর আদায়কারী মো: রশিদ আলী, সহকারী কর আদায়কারী মো: আব্দুস সালাম, সহকারী এসেসর মো: এলাইছ মিয়া, স্টোর কিপার রনজিত শীল, অফিস সহকারী রুবি রানী দেব,

বাজার আদায়কারী বিমল বণিক, সহকারী কর আদায়কারী অসিত পাল, লাইসেন্স পরিদর্শক বিপ্লু রঞ্জন সরকার, টিকাদানকারী বিপ্রেশ মৈত্র, মাহমুদা বেগম, অনলাইন নিউজ পোর্টাল জগন্নাথপুর টুডে ডটকম’র সম্পাদক ও অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মো: আব্দুল হাই,

জগন্নাথপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল গ্রাম বাংলার খবর সম্পাদক মো: শাহজাহান মিয়া, কৃতি ফুটবলার সালা উদ্দিনের কন্যা শিক্ষার্থী তাসনুবা তাহরিম স্বর্ণা ও ছেলে মিনহাজ মিজাজ তানজীদ প্রমূখ।

উল্লেখ্য, জগন্নাথপুর পৌর শহরের ইকড়ছই এলাকার বাসিন্দা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সেক্রেটারী সায়মা ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী সালা উদ্দিনের বড় মেয়ে সায়মা উদ্দিন

২০১৮ সালের এইচ এসসি পরীক্ষায় সিলেট ওমেন্স মডেল কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সাথে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ন হয়। সায়মা উদ্দিন ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে জনকল্যানে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জগন্নাথপুর টুডে/ মো: আব্দুল হাই

এরালিয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয় কমিটি ইউকের সভা অনুষ্টিত

লন্ডন অফিস:
জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের এরালিয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয় কমিটি ইউকের কার্যকরি ও উপদেষ্টা কমিটির যৌথ উদ্যোগে সভা অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার (২৩ জুলাই) পূর্ব লন্ডনের দারুল উম্মাহ কেয়ার হাউজে আয়োজিত সভায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে আসা সংগঠনের সদস্যরা অংশ গ্রহন করেন।

কমিটির সভাপতি আব্দুল বাহারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ সিদ্দিকের পরিচালনায় আলোচনা সভায় অংশ নেন আব্দুল হান্নান, আব্দুল মোক্তাদির, আব্দুল হক, কাউন্সিলার আহবাব হোসেন, মুহিত মিয়া, আবুল খায়ের, আলফাজুর রহমান জাকির, শায়েস্তা মিয়া, আসগর আহমদ, আসাব মিয়া, জয়নাল আবেদিন, শিবির আহমদ, আব্দুস সালাম, শরীফ উল্লা, ফিরোজ মিয়া, শাহীন বক্স প্রমূখ।

সভায় সংগঠনের বিগত দিনের কার্যক্রম, ভবিষ্য পরিকল্পনা ও নতুন কমিটি গঠন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়। অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা আজিজুর রহমান।

জগন্নাথপুরটুডে/বিপ্লব

জগন্নাথপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার-২

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীসহ ২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই অনুজ কুমার দাশ ও এ এস আই মোক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের জামালপুর রূপশপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী রুনু মিয়াকে গ্রেফতার করেন।

ধৃত রুনু মিয়া আশারকান্দি ইউনিয়নের জামালপুর রূপশপুর গ্রামের মাসুক মিয়ার ছেলে। এদিকে এ এস আই ফিরোজ মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশদল উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের উলুকান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামী ছুরুক মিয়ার ছেলে ছুটন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে।

জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জানান, গ্রেফতারকৃত রুনু মিয়া ও ছুটন মিয়াকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথডুর টুডে/বিপ্লব

জগন্নাথপুরে আইন শৃঙ্খলা ও বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্টিত

দুলন মিয়া:
জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নে মাসিক আইন শৃঙ্খলা ও বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুলাই) ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে আয়োজিত সমাবেশে আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আবু ঈমানীর সভাপতিত্বে ও সচিব মো: তোফাজ্জল হোসেনের পরিচালনায় আইন শৃংঙ্খলা ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুর রহমান, দাওরাই বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহ ছাদিক মিয়া।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুস সামাদ, শাহ ছানু মিয়া, গোলাম মস্তফা আলাল, শওকত আলী, মো. নোমান আহমদ, মো.ফজলু মিয়া, বকুল চন্দ্র দাস, মহিলা সদস্যা শেফা বেগম, সেলিনা বেগম প্রমুখ।

সমাবেশে থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুর রহমান বলেন, কমিউনিটি বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ এবং সাধারণ জনগণের মাঝে পারস্পরিক আস্থা ও সর্ম্পকের সেতুবন্ধন তৈরী হচ্ছে। তিনি বলেন বর্তমান পুলিশের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মাদক এবং জঙ্গীবাদ দমন করা।

মাদক প্রবনতা সমাজে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মানব পাঁচার বন্ধ করনে পুলিশ কাজ করছে। তিনি এসব বন্ধে জনগনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব

সরকারি কর্মচারীদের গৃহঋণের প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বল্প সুদে গৃহঋণের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) অর্থ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গৃহনির্মাণে ৫ শতাংশ সরল সুদে ঋণ নেয়ার যোগ্যতা হিসেবে কর্মচারীদের বয়সসীমা করা হচ্ছে চাকরি স্থায়ী হওয়ার পর সর্বনিম্ন ৫ বছর ও সর্বোচ্চ ৫৬ বছর।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীরা পাঁচ শতাংশ সুদহারে গৃহঋণ পাবেন। প্রজ্ঞাপনের আওতায় জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়া যাবে। এ ঋণের মোট সদুহার ১০ শতাংশ। তবে এ ১০ শতাংশ সুদের ৫ শতাংশ সরকার এবং বাকি ৫ শতাংশ ঋণগ্রহীতা পরিশোধ করবে। ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ (ঋণ পরিশোধ শুরুর সময়) ২০ বছর মেয়াদে এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০১৮’ এর খসড়া তৈরি করে। ওই খসড়ায় বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। তবে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি সর্বনিম্ন ঋণের ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা কমিয়ে ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে।

বর্তমানে ১০ শতাংশ সুদহারে একজন সরকারি কর্মচারী সর্বোচ্চ ঋণ পান এক লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু নতুন নীতিমালা অনুযায়ী উপ-সচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা, জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম থেকে প্রথম গ্রেডভুক্তরা ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ বছর মেয়াদি এ ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ কিংবা ফ্ল্যাট ক্রয় করতে পারবেন। সর্বনিম্ন ১৮ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এ ঋণ নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫৬ বছর বয়স পর্যন্ত এ ঋণ নেয়া যাবে।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃণনির্মাণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র মালিকানাধীন তফসিলি ব্যাংকসমূহ এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তবে সরকার অন্য যে কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, জাতীয় বেতনকাঠামোর পঞ্চম গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা, যাদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তারা প্রত্যেকে ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে গৃহনির্মাণে ঋণ পাবেন ৭৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা।

বেতনকাঠামোর নবম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বা যাদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তারা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

দশম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত যাদের মূল বেতন ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা তারা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেড বা নয় হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলে ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১৮তম থেকে ২০তম গ্রেড বা আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পান এমন কর্মচারীরা ঢাকাসহ সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৩০ লাখ টাকা। জেলা সদরে এটি হবে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা।

সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণে ঋণের মাধ্যমে অর্থের জোগান দিতে এ নীতিমালা করা হলেও সরকারের আওতাধীন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর, পরিদফতর ও কার্যালয়গুলোতে স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসামরিক কর্মচারীরাও এ সুবিধা পাবেন। সামরিক, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি, পৃথক বা বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত কর্মচারীরা এ নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন না। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে এ ধরনের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

এ হিসাবে সরকারের প্রায় ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পাবেন। তারা এককভাবে এ ঋণ নিতে পারবেন। আবাসিক বাড়ি করার জন্য গ্রুপভিত্তিক ঋণও নেয়া যাবে। ফ্ল্যাট কেনার জন্যও এ ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ফ্ল্যাট হতে হবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অর্থাৎ রেডি ফ্ল্যাট। অবশ্য সরকারি সংস্থার নির্মাণ করা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রেডি ফ্ল্যাটের শর্ত শিথিল করা যাবে।

তবে কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু এবং দুর্নীতি মামলার ক্ষেত্রে চার্জশিট দাখিল হলে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যান্ত এ নীতিমালার আওতায় ঋণ গ্রহণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত কোনো কর্মচারী এ নীতিমালার আওতায় ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন না।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী ঋণ নেয়ার পর স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লে বা বাধ্যতামূলক অবসর, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত হলে আদেশ জারির তারিখ থেকে ঋণের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য সুদ বাবদ সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। এক্ষেত্রে ঋণের অপরিশোধিত অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পেনশন সুবিধা বা আনুতোষিক সুবিধা থেকে আদায় করা হবে। ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে তার পারিবারিক পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা থেকে যতটুকু সম্ভব ঋণ পরিশোধ করা হবে। এরপরও ঋণ পাওনা থাকলে উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে তা আদায় করা হবে।

ঋণের সর্বোচ্চ সিলিং নির্ধারণ সম্পর্কে নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেতন স্কেল অনুযায়ী সর্বোচ্চ যে সিলিং সরকার নির্ধারণ করে দেবে, সেটিও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের যথাযথ পদ্ধতিতে যে পরিমাণ ঋণ সুবিধা নির্ধারণ করবে তার মধ্যে যেটি কম সে পরিমাণ ঋণ পাবেন। ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণ দেয়ার জন্য ডেট ইক্যুইটি রেশিও (অনুপাত) হবে ৯০:১০। অর্থাৎ ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য কেউ নিজস্ব উদ্যোগে ১০ টাকা খরচ করলে তিনি ৯০ টাকা ঋণ পাবেন।

ঋণের সুদ সম্পর্কে নীতিমালার ৭ (ঘ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। এটি হবে সরল সুদ এবং সুদের ওপর কোনো সুদ আদায় করা হবে না। ঋণগ্রহীতা কর্মচারী ব্যাংক রেটের সমহারে (বর্তমানে যা ৫ শতাংশ) সুদ পরিশোধ করবেন। সুদের অবশিষ্ট অর্থ সরকার ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।’

নীতিমালার ৪ ধারায় ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, এ নীতিমালার আওতায় একজন সরকারি কর্মচারী দেশের যেকোনো এলাকায় গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ভবনের নকশা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত হতে হবে। যে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা হবে, তা সম্পূর্ণ দায়মুক্ত হতে হবে। ঋণদানকারী ব্যাংক বা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ব্যাংকে আবেদনকারীর একটি হিসাব থাকবে। ওই হিসাবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন-ভাতা, পেনশন ও গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে। রেডি ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের পুরো অর্থ এক কিস্তিতে ছাড় করবে ব্যাংক। গৃহনির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণের টাকা চার কিস্তিতে ছাড় করা যাবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, গৃহনির্মাণ ঋণ দেয়ার আগে যে সম্পত্তিতে ঋণ দেয়া হবে, তা ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বরাবর রেজিস্টার্ড দলিলমূলে বন্ধক রাখতে হবে। বাস্তুভিটায় বাড়ি করার ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার মালিকানাধীন অন্য কোনো সম্পত্তি বন্ধক রাখা যাবে। এ ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ বছর।

গৃহনির্মাণের প্রথম কিস্তি ঋণের অর্থ পাওয়ার এক বছর পর, ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের অর্থ পাওয়ার ছয় মাস পর থেকে ঋণগ্রহীতা মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ শুরু করবেন। কোনো কারণে মাসিক কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে বিলম্বের জন্য আরোপযোগ্য সুদ শেষ কিস্তির সঙ্গে যুক্ত হবে। যে ব্যাংক ঋণ দেবে, সেই ব্যাংকে তার মাসিক বেতনের হিসাব খুলতে হবে। তার বেতন-ভাতা ওই হিসাবে জমা হবে।

ব্যাংক সেখান থেকে প্রথমে মাসিক ভিত্তিতে কিস্তির টাকা কেটে নেবে। পরে ঋণগ্রহীতা বেতন-ভাতার বাকি অর্থ হিসাব থেকে তুলতে পারবেন। ঋণগ্রহীতা অন্যত্র বদলি হলে তার হিসাবও সেখানে একই ব্যাংকের কোনো শাখায় স্থানান্তর করে নেবেন।

 

প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্টায় জগন্নাথপুরের সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ দুই উপজেলার ১০টি বিদ্যালয়ে ৪তলা ভবন নির্মানে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্ধ

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর ও দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলায় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্টায় জগন্নাথপুর উপজেলার হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সহ ১০টি বিদ্যালয়ে ৪তলা ভবন নির্মানে ৩০কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৫টি স্কুল ও ২টি মাদ্রাসায় প্রতিটি ৭৫লাখ টাকা করে ৫ কোটি ২৫লাখ টাকা ব্যায়ে একাডেমিক ভবন ও উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারনের বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শীঘ্রই বরাদ্ধকৃকত অর্থ ব্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্টানের ভবন নির্মানে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে। প্রতিটি ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ৪তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মানের প্রতিষ্টানগুলো হচ্ছে জগন্নাথপুর উপজেলায় ম্যাজিস্ট্রেট সুয়েব আহমদ তালুকদার কর্তৃক প্রতিষ্টিত পৌর শহরের হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, উপজেলার পৌর শহরের কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কলকলিয়া ইউনিয়নের আটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাইলগাঁও ইউনিয়নেরপাইলগাঁও বিএন উচ্চ বিদ্যালয় ও আশারকান্দি ইউনিয়নের ষড়পল্লী উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ।

দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার জয়সিদ্ধি বসিয়া খাউরি বড়মোহা উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়, আব্দুল গফুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, পূর্ব পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় ও জয়কলস উজানীগাঁও রশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। এছাড়াও ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বরাদ্ধকৃত শিক্ষা প্রতিষ্টানের মধ্যে রয়েছে জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর সৈয়দীয়া শামছিয়া আলিম মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণ, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীগঞ্জ বাজার দারুছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারন,

কামরাখাই জয়নগর দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণ, অরুনোদয় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারন, কলকলিয়া ইউনিয়নের পাড়ারগাঁও আইডিয়াল হাই স্কুলের উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারন, পাটলী ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ আব্দুল কাদির মেহেরুন্নেছা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারন, এরালিয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে।

জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব

জগন্নাথপুরে কলকলিয়া বাজারে ময়লা আবর্জনার বাগার ॥ ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের কলকলিয়া বাজারের প্রতিটি স্থানে ময়লা আবর্জনার বাগার সৃষ্টি হওয়ায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে বাজারের প্রধান সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা রীতিমত নাকে রুমার গোজে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

বাজারটির সুষ্টু তদারকী না থাকায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা বাজার তদারক কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অবহেলার জন্য দায়ী করছেন। কলকলিয়া-তেলিকোনা সড়কের বাজারের ব্রীজের এ্যাপ্রোচ হতে দু-পাশে কাদা মাটি ও ময়লা আবর্জনার স্তুপ। এছাড়াও বাজারের ভেতরের বিভিন্ন গলিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে থাকার ফলে ক্রেতাদের বাজার সদায় করতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বাজার তদারক কমিটির তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে বাজার তদারক কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বাজার উন্নয়নে কার্যত কোন ভুমিকা পালন করছেননা। বাজার তদারক কমিটির সেক্রেটারি হারুন মিয়া জানান, বাজারটি এলাকার মাহফুজ মিয়া নামে ব্যক্তি লিজ নিয়েছেন। বাজার পরিস্কার পরিছন্ন রাখতে লিজ দাতাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তবে বাজারের পরিছন্ন না থাকায় সাময়িকভাবে ময়লা আবর্জনার সৃষ্টি হয়েছে। শীঘ্রই বাজারের লিজ দাতা মাহফুজ মিয়া কর্তৃক পরিছন্ন কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে।

জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব

জগন্নাথপুরে চোলাই মদ সহ গ্রেফতার-১

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর থানা পুলিশের অভিযানে চোলাই মদসহ মো: ছামির আলীকে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়েছে। সে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাঘময়না গ্রামের মৃত জাহির উল্ল্যার ছেলে।

সোমবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই অনুজ কমিার দাশ, এস আই লুৎফুর রহমান ও এস আই কবির উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশদল বাঘময়না গ্রামে অভিযান চালিয়ে চোলাই মদ সহ ছামির আলীকে গ্রেফতার করেন।

এব্যাপারে এস আই অনুজ কুমার দাশ বাদি হয়ে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব

জীবনের সবচেয়ে বড় পদক পেলাম সঙ্গীতশিল্পী -রুনা লায়লা

ডেস্ক রিপোর্ট:

দীর্ঘ সঙ্গীতজীবনে তিনি বাংলা সঙ্গীতকে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দিয়ে পেয়েছেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা। সেই তিনিই বললেন, ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকই নাকি তার জীবনের সবেচেয়ে বড় পদক। বলছিলাম, কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লার কথা।

(৩০ জুলাই) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক’। উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। সম্মাননা হিসেবে রুনা লায়লাকে দেওয়া হয় একটি স্বর্ণপদক ও ১ লাখ টাকার চেক। পদক পেয়ে রুনা লায়লা বলেন, ‘বেশ কিছুদিন আগে আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় আপনাকে আমরা ফিরোজা বেগম পুরস্কার-২০১৮ দিতে চাইছি। আপনি কি গ্রহণ করতে রাজি আছেন? আমি বললাম, গ্রহণ না করার তো কোনো কারণই নেই! এটা আমাকে জিজ্ঞেস করাই উচিত হয়নি। কারণ এটা এত বড় একটা সম্মান! এত বিশাল একজন শিল্পীর নাম আছে এটাতে আমি কীভাবে গ্রহণ না করে থাকতে পারি! কারণ এটা আমার জীবনের জন্য অনেক বড় একটি স্বীকৃতি।

রুনা লায়লা আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী নজরুলগীতির জন্য এক নামে ফিরোজা আপাকে সবাই চেনেন। ওনার সময়ে আমাদের শিল্পীদেরকে যেভাবে উত্সাহ দিয়েছেন এটা বলার মতো না। ওনার সাথে খুব ঘনিষ্ঠ না থাকলেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার সাথে দেখা হয়েছে। ওইটুকুর মধ্যেই তিনি আদর করেছেন, আমাদের জন্য দোয়া করেছেন। আর এই মানুষটির নামে দেওয়া পদকটি আমাকে দেওয়া হলো, এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পদক হয়ে থাকবে। পৃথিবীতে গান যতদিন থাকবে ফিরোজা বেগম আপার নামও ততোধিক থাকবে। আমাকে যে পুরস্কার দেওয়া হলো এটা আমার কাছে অন্যরকম এক সম্মানের। কারণ এতে ফিরোজা বেগম আপার নামটি জড়িয়ে আছে।

জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব

হার্টঅ্যাটাকে সহপ্রিজাইডিং অফিসারের মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের ভোট গণনার সময় হার্ট অ্যাটাকে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার খালেকুজ্জামান (৫৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)।

সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর ছোটবন গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাসিক নির্বাচনের ভোট গণনার সময় এ ঘটনা ঘটে। তিনি পবা উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার।

তিনি ১৯ নং ওয়ার্ডের ছোটবন গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৯ নম্বর ভোট কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব