খাল পুনঃখনন শেষে সাশ্রয়ী টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত
- Update Time : ১২:৪৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
- / 14

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখনন শেষে প্রকল্পের অব্যয়িত ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, ৬টি কাঠের পুল নির্মাণ এবং ১০ হাজার গাছের চারা রোপণের জন্য বাস্তবায়িত দুটি পৃথক প্রকল্পে মোট ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর অব্যয়িত অর্থের পাশাপাশি ভ্যাট ও আয়কর বাবদ আরও ১৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আহসান উল্লাহ জানান, বলইবুনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং খাউলিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জনগুরুত্বপূর্ণ দুটি খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৬টি কাঠের পুল নির্মাণ ও ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। প্রকল্প দুটিতে মোট ৪৩৮ জন শ্রমিক কাজ করেছেন।
তিনি বলেন, “খাল পুনঃখননের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং স্থানীয় পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ বলেন, “পরিবেশ ও দেশীয় মাছ রক্ষার লক্ষ্যে গৃহীত দুটি প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ও মান বজায় রেখে সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজ শেষে বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় হয়নি। তাই অব্যয়িত ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকা বৃহস্পতিবার সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন পলি জমে খাল দুটিতে পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। পুনঃখননের ফলে কৃষি, মৎস্যচাষ ও জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
প্রকল্প নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গ্রামবাসীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, সরকারি অর্থের সাশ্রয় ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের এ উদ্যোগ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।



















