নিষ্ঠা ও সুশাসনের প্রতীক ইউএনও সাবরিনা শারমিন
- Update Time : ০৭:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
- / 16

মোঃ সুজন আহমেদ,
সিরাজগঞ্জ
বাংলাদেশ প্রশাসন ক্যাডারের ৩৫তম বিসিএসের কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও মানবিক নেতৃত্বের পরিচয় দিয়ে প্রশাসনে একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন। দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতি তাঁর অঙ্গীকার তাঁকে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।
কর্মজীবনের শুরুতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সরকারি জমি রক্ষা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং জনসাধারণের হয়রানি কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি কোনো ধরনের প্রভাব বা অনৈতিক চাপকে গুরুত্ব না দিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর দায়িত্বকালে ভূমি অফিসে সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয় এবং দালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ সহজে সরকারি সেবা গ্রহণের সুযোগ পান। সরকারি সম্পদ সংরক্ষণ ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেও তাঁর কার্যক্রম প্রশংসিত হয়।
পরবর্তীতে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনা, অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী অভিযান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় জনগণের প্রশংসা অর্জন করেন। তাঁর সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করে।
বর্তমানে তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনসেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়ন, দ্রুত সমস্যা সমাধান এবং জনগণের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি স্থানীয় মানুষের আস্থা ও সম্মান অর্জন করেছেন বলে বিভিন্ন মহলের অভিমত।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা। এই গুণাবলির সমন্বয়ে সাবরিনা শারমিন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও তিনি একই নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। তাঁর নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ এবং জনকল্যাণে নিবেদিত মনোভাব প্রশাসনের জন্য ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন।



















