০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের জন্য অনন্য অর্জন মহেশখালীর আশেক ওসমানীর

  • Update Time : ০১:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • / 1

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন কক্সবাজার জেলার দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর কৃতি সন্তান আশেক ওসমানী।

তিনি এশিয়ান কারাতে ফেডারেশন AKF-এর ৪টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন পরীক্ষায় একযোগে প্রথমবার অংশ নিয়ে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে দেশের জন্য নতুন ইতিহাস গড়েছেন।

একই সঙ্গে কাতা জাজ বি, কুমিতে জাজ বি, কাতা কোচ ও কুমিতে কোচ — এই চারটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন।

নিজের এই অর্জনের কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়ে আশেক ওসমানী মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অসংখ্য ত্যাগ, নির্ঘুম রাত, ধৈর্য এবং আল্লাহর ওপর অটুট বিশ্বাস। নানা সময়ে কটু কথা, অবমূল্যায়ন ও অপমানের মুখোমুখি হলেও আমি লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হইনি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করেছি—পরিশ্রম ও ধৈর্যের প্রতিদান আল্লাহ অবশ্যই দেন। এই অর্জন শুধু আমার একার নয়; এটি আমার পরিবার, শিক্ষক, সিনিয়র, সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর দোয়া ও ভালোবাসার ফসল।”

আশেক ওসমানী সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, ভবিষ্যতে তিনি দেশের কারাতে অঙ্গনের উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে চান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম আরও উজ্জ্বল করতে কাজ করে যেতে চান।

আশেক ওসমানী বর্তমানে এশিয়ান কারাতে ফেডারেশনের সার্টিফাইড কাতা ও কুমিতে জাজ এবং কোচ। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সার্টিফাইড জাজ ও কোচ এবং বাংলাদেশ কারাতে এসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেশের স্বনামধন্য ওসমানী কারাতে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক।

বর্তমানে তাঁর অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী দেশ-বিদেশে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে।
মহেশখালী উপজেলার , বড় মহেশখালী ইউনিয়নের , জাগিরা ঘোনা গ্রামের মাওলানা ওসমান গণির সন্তান আশেক ওসমানীর এই অসাধারণ অর্জনে মহেশখালীসহ দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করছেন, আশেক ওসমানীর এই সাফল্য বাংলাদেশের কারাতে অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বাংলাদেশের জন্য অনন্য অর্জন মহেশখালীর আশেক ওসমানীর

Update Time : ০১:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন কক্সবাজার জেলার দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর কৃতি সন্তান আশেক ওসমানী।

তিনি এশিয়ান কারাতে ফেডারেশন AKF-এর ৪টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন পরীক্ষায় একযোগে প্রথমবার অংশ নিয়ে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে দেশের জন্য নতুন ইতিহাস গড়েছেন।

একই সঙ্গে কাতা জাজ বি, কুমিতে জাজ বি, কাতা কোচ ও কুমিতে কোচ — এই চারটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন।

নিজের এই অর্জনের কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়ে আশেক ওসমানী মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অসংখ্য ত্যাগ, নির্ঘুম রাত, ধৈর্য এবং আল্লাহর ওপর অটুট বিশ্বাস। নানা সময়ে কটু কথা, অবমূল্যায়ন ও অপমানের মুখোমুখি হলেও আমি লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হইনি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করেছি—পরিশ্রম ও ধৈর্যের প্রতিদান আল্লাহ অবশ্যই দেন। এই অর্জন শুধু আমার একার নয়; এটি আমার পরিবার, শিক্ষক, সিনিয়র, সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর দোয়া ও ভালোবাসার ফসল।”

আশেক ওসমানী সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, ভবিষ্যতে তিনি দেশের কারাতে অঙ্গনের উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে চান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম আরও উজ্জ্বল করতে কাজ করে যেতে চান।

আশেক ওসমানী বর্তমানে এশিয়ান কারাতে ফেডারেশনের সার্টিফাইড কাতা ও কুমিতে জাজ এবং কোচ। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সার্টিফাইড জাজ ও কোচ এবং বাংলাদেশ কারাতে এসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেশের স্বনামধন্য ওসমানী কারাতে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক।

বর্তমানে তাঁর অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী দেশ-বিদেশে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে।
মহেশখালী উপজেলার , বড় মহেশখালী ইউনিয়নের , জাগিরা ঘোনা গ্রামের মাওলানা ওসমান গণির সন্তান আশেক ওসমানীর এই অসাধারণ অর্জনে মহেশখালীসহ দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করছেন, আশেক ওসমানীর এই সাফল্য বাংলাদেশের কারাতে অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করবে।