০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে হাসপাতাল সংলগ্ন এলজিইডি সড়কে বিশাল গর্ত ॥ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

  • Update Time : ০৯:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০১৯
  • / 1771

মোঃ এনামুল হক এনামঃ
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি কর্তৃক পূন: সংস্কারের পর জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কের উপজেলা সদর থেকে ১কিলোমিটার হাসপাতাল এলাকা পর্যন্ত সড়কে বিশাল ১টি গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জনসাধারন। কেউন বাড়ি বাজার পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের পুন:সংস্কার কাজ সম্পন্ন হওয়ার ১ বছর যেতে না যেতেই উপজেলা সদরে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত সড়কটির হামজা কমিউনিটি সেন্টারের পাশে বিশাল ১টি গর্ত সহ উপজেলা সদর পর্যন্ত অসংখ্য খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ৬ মাস আগে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দৈনিক সবুজ সিলেট পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর টনক নড়ে। দ্রুত গর্ত গুলো ভরাটের ব্যবস্থা নেয় এলজিইডি কতৃপক্ষ। কোন রকম জোড়াতালি দিয়ে ইটের সুরকি ফেলে গর্ত গুলো ভরাট করলেও আবারো একই স্থানে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১ সপ্তাহ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও রবিবার সড়কের ঐ স্থানে সৃষ্টি হয় গভীর গর্তের। সকাল থেকে ঐ স্থানে গাড়ির চালক ও যাত্রীরা কালেমা পড়ে গর্ত পাড় হলেও দুপুরে মালবাহী ট্রাক গর্তে আটকে যাওয়ায় দু-পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল ফলে অবর্নণীয় দুর্ভোগে পড়েন জনসাধারন। প্রায় দুই ঘন্টা পর গর্তে ধেবে যাওয়া গাড়ি গুলোর এক সাইট দিয়ে ঝুকিপূর্ন অবস্থায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়। এছাড়াও সিএনজি অটোরিক্্রা, টমটম, রিক্্রা, মোটর সাইকেল সহ ছোট বড় সকল প্রকার যানবাহন গর্তে পড়ে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সড়কের ঐ স্থানের বিশাল গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারনে যাতায়াতকৃত অধিকাংশ যানবাহনগুলো অসাবধান বশত: গর্তে পড়ে গিয়ে যানবাহনের ক্ষতির পাশাপাশি যাত্রীদেরও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।। জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-সিলেট সড়কের জগন্নাথপুর পৌর শহরের উপজেলা সদর থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কটিতে বিশাল গর্ত ও অন্যান্য স্থানে খানা খন্দক সৃষ্টি হওয়ার বিষয়ে এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার সবুজ সিলেটকে জানান, জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সিলেট সড়কের হাসপাতাল এলাকায় গর্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। সড়কে গর্ত হওয়া অংশে দ্রুত সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে হাসপাতাল সংলগ্ন এলজিইডি সড়কে বিশাল গর্ত ॥ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

Update Time : ০৯:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০১৯

মোঃ এনামুল হক এনামঃ
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি কর্তৃক পূন: সংস্কারের পর জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কের উপজেলা সদর থেকে ১কিলোমিটার হাসপাতাল এলাকা পর্যন্ত সড়কে বিশাল ১টি গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জনসাধারন। কেউন বাড়ি বাজার পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের পুন:সংস্কার কাজ সম্পন্ন হওয়ার ১ বছর যেতে না যেতেই উপজেলা সদরে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত সড়কটির হামজা কমিউনিটি সেন্টারের পাশে বিশাল ১টি গর্ত সহ উপজেলা সদর পর্যন্ত অসংখ্য খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ৬ মাস আগে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দৈনিক সবুজ সিলেট পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর টনক নড়ে। দ্রুত গর্ত গুলো ভরাটের ব্যবস্থা নেয় এলজিইডি কতৃপক্ষ। কোন রকম জোড়াতালি দিয়ে ইটের সুরকি ফেলে গর্ত গুলো ভরাট করলেও আবারো একই স্থানে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১ সপ্তাহ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও রবিবার সড়কের ঐ স্থানে সৃষ্টি হয় গভীর গর্তের। সকাল থেকে ঐ স্থানে গাড়ির চালক ও যাত্রীরা কালেমা পড়ে গর্ত পাড় হলেও দুপুরে মালবাহী ট্রাক গর্তে আটকে যাওয়ায় দু-পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল ফলে অবর্নণীয় দুর্ভোগে পড়েন জনসাধারন। প্রায় দুই ঘন্টা পর গর্তে ধেবে যাওয়া গাড়ি গুলোর এক সাইট দিয়ে ঝুকিপূর্ন অবস্থায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়। এছাড়াও সিএনজি অটোরিক্্রা, টমটম, রিক্্রা, মোটর সাইকেল সহ ছোট বড় সকল প্রকার যানবাহন গর্তে পড়ে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সড়কের ঐ স্থানের বিশাল গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারনে যাতায়াতকৃত অধিকাংশ যানবাহনগুলো অসাবধান বশত: গর্তে পড়ে গিয়ে যানবাহনের ক্ষতির পাশাপাশি যাত্রীদেরও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।। জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-সিলেট সড়কের জগন্নাথপুর পৌর শহরের উপজেলা সদর থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কটিতে বিশাল গর্ত ও অন্যান্য স্থানে খানা খন্দক সৃষ্টি হওয়ার বিষয়ে এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার সবুজ সিলেটকে জানান, জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সিলেট সড়কের হাসপাতাল এলাকায় গর্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। সড়কে গর্ত হওয়া অংশে দ্রুত সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।