০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে সম্পত্তি নিয়ে দুই বোনের বিরোধ: ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে ভাংচুরের অভিযোগ

  • Update Time : ০৭:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯
  • / 1135

LZX CAMERA

স্টাফ রিপোর্টার::

জগন্নাথপুরে পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়াকে কেন্দ্র করে দুই বোনের র্দীঘ বিরোধের জের ধরে এক বোনের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ওপর বোনের বাসার গেইট ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বুধবার সকাল ৯টায় উপজেলার পৌর শহরের বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা আফরুজ আলীর স্ত্রী হোসনারা বেগম হুছনা জানান, পাটলী ইউনিয়নের নন্দিরগাঁও গ্রামের গৌছ আলীর স্ত্রী আমার আপন বড় বোন হাছনা বেগম পৈতৃক সম্পত্তি কোন প্রকার ভাগ-বাটোয়ারা ছাড়াই জোর পূর্বক দখল করে নিতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশল চালিয়ে আসছেন। গতকাল বুধবার সকাল ৯টায় আমার বোন হাছনা বেগম একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী সহ আকষ্মিক ভাবে আমার বাসায় হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় হামলাকারী রাসেল সহ অন্যান্যরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারী ভাবে আমার বাসার লোহার গেইট ভাংচুরের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে আমার বাসার নামিয়ও সিরামিকের তৈরি নেইম প্লেইট ভাংচুর চালিয়ে গুড়িয়ে দেয়। এ সময় হামলাকারীদের তান্ডবলীলার ভয়ে চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন জড়ো হয়। হামলাকারীরা আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয়রা তাদের নিভৃত করার চেষ্টা করলে হামলাকারীদের ব্যবহৃত দেশী অস্ত্রের আঘাতে মানিক মিয়ার স্ত্রী শিল্পী বেগম আহত হন।

হোসনারা বেগম হুছনা আরো জানান, স্থানীয় লোকজনদের হস্তক্ষেপে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। দীর্ঘ ২৫/২৬ বছর ধরে প্রথমে টিন সেড এবং বর্তমানে ওই স্থানে পাকা দালান ঘর বানিয়ে বসবাস করে আসছি। আমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বিতাড়িত করার অপচেষ্টায় লন্ডনে অবস্থানরত মৃত সোলেমান হোসেন ছুলই এর ছেলে আক্তার হোসেন দুলা মিয়া ও মনসুর আলী মিঠুর প্ররোচনায় আমার বড় বোন হাছনা বেগম আমার ওপর একাধিক বার হামলা চালিয়েছে। ঘটনার তদন্তক্রমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে বাসার গেইটের নেইম প্লেইট ভাংচুরের ঘটনা স্বীকার করে হাছনা বেগম জানান, ওই বাসার জায়গা আমার পৈতৃক সম্পত্তি। হুছনা বেগম জোর পূর্বক দখলে আছে।

এব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, দুই বোনের বিরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তক্রমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে সম্পত্তি নিয়ে দুই বোনের বিরোধ: ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে ভাংচুরের অভিযোগ

Update Time : ০৭:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার::

জগন্নাথপুরে পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়াকে কেন্দ্র করে দুই বোনের র্দীঘ বিরোধের জের ধরে এক বোনের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ওপর বোনের বাসার গেইট ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বুধবার সকাল ৯টায় উপজেলার পৌর শহরের বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা আফরুজ আলীর স্ত্রী হোসনারা বেগম হুছনা জানান, পাটলী ইউনিয়নের নন্দিরগাঁও গ্রামের গৌছ আলীর স্ত্রী আমার আপন বড় বোন হাছনা বেগম পৈতৃক সম্পত্তি কোন প্রকার ভাগ-বাটোয়ারা ছাড়াই জোর পূর্বক দখল করে নিতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশল চালিয়ে আসছেন। গতকাল বুধবার সকাল ৯টায় আমার বোন হাছনা বেগম একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী সহ আকষ্মিক ভাবে আমার বাসায় হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় হামলাকারী রাসেল সহ অন্যান্যরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারী ভাবে আমার বাসার লোহার গেইট ভাংচুরের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে আমার বাসার নামিয়ও সিরামিকের তৈরি নেইম প্লেইট ভাংচুর চালিয়ে গুড়িয়ে দেয়। এ সময় হামলাকারীদের তান্ডবলীলার ভয়ে চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন জড়ো হয়। হামলাকারীরা আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয়রা তাদের নিভৃত করার চেষ্টা করলে হামলাকারীদের ব্যবহৃত দেশী অস্ত্রের আঘাতে মানিক মিয়ার স্ত্রী শিল্পী বেগম আহত হন।

হোসনারা বেগম হুছনা আরো জানান, স্থানীয় লোকজনদের হস্তক্ষেপে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। দীর্ঘ ২৫/২৬ বছর ধরে প্রথমে টিন সেড এবং বর্তমানে ওই স্থানে পাকা দালান ঘর বানিয়ে বসবাস করে আসছি। আমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বিতাড়িত করার অপচেষ্টায় লন্ডনে অবস্থানরত মৃত সোলেমান হোসেন ছুলই এর ছেলে আক্তার হোসেন দুলা মিয়া ও মনসুর আলী মিঠুর প্ররোচনায় আমার বড় বোন হাছনা বেগম আমার ওপর একাধিক বার হামলা চালিয়েছে। ঘটনার তদন্তক্রমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে বাসার গেইটের নেইম প্লেইট ভাংচুরের ঘটনা স্বীকার করে হাছনা বেগম জানান, ওই বাসার জায়গা আমার পৈতৃক সম্পত্তি। হুছনা বেগম জোর পূর্বক দখলে আছে।

এব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, দুই বোনের বিরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তক্রমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।