সরকার ৬ কোটি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:

সরকার এ পর্যন্ত সারাদেশে সোয়া ১ কোটির বেশি পরিবারের ৬ কোটির বেশি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, করোনা ভাইরাসের মত দুর্যোগে সারাদেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার এ ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।

৬৪ জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২৭ মে পর্যন্ত সারাদেশে জিআর চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৬৭ মেট্রিক টন এবং বিতরণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ১৯৩ মেট্রিক টন। এতে উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা ১ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ৫০৪ টি এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ৬ কোটি ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮২ জন।

নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে জি আর নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮১ কোটি ৭৩ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে ৭১ কোটি ৮১ লাখ ৫৭ হাজার ২৭১ টাকা। এতে উপকারভোগীর পরিবারের সংখ্যা ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৪টি এবং উপকারভোগী লোক সংখ্যা ৩ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ৮৫৮ জন।

শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ ২২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ১৮ কোটি ৮ লাখ ৬৫ হাজার ২২০ টাকা। এতে উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৭৭৯ টি এবং লোক সংখ্যা ১২ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৯ জন।

করোনা: সারা দেশে একদিনে শনাক্ত ছাড়ালো ২ হাজার, মৃত্যু ১৫

ডেস্ক রির্পোট:

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরো ১৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন ঢাকার ভেতরের ও ৯ জন ঢাকার বাইরের। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৫৯ জনে। এছাড়াও একদিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৯ জনের শরীরে নতুন করে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালিস্থ স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বুলেটিনে আরো বলা হয়, করোনা ভাইরাস শনাক্তে মোট ৪৯টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ২৬৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং আগের সংগৃহীত নমুনাসহ মোট ৯ হাজার ৩১০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে আরো ২ হাজার ২৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৩২১ জনে।

পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৫০০ জন সুস্থ হয়েছেন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪২৫ জনে।

শর্তসাপেক্ষে অফিস ও গণপরিবহন চালু : ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত

ডেস্ক রির্পোট:

বাংলাদেশ সরকার টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চলাচল সীমিত করে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো নিজ ব্যবস্থায় খোলা থাকবে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বর্ধিতকরণ’ সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক আদেশে বৃহস্পতিবার এ কথা জানানো হয়। সেখানে সাধারণ ছুটির সময় না বাড়িয়ে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে গণ পরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার আগামী ৩০ মে’র পর শর্তসাপেক্ষে দেশের সার্বিক কার্যাবলী এবং জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ/সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্পূর্ণ প্রজ্ঞাপনটি পাঠকের সুবিধার্থে নিচে উল্লেখ করা হলো।

১. আগামী ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ৫, ৬, ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

২. নিষেধাজ্ঞাকালে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রতিটি জেলার প্রবেশ ও বহির্গমন পথে চেকপোস্টের ব্যবস্থা থাকবে। জেলাপ্রশাসন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এ নিয়ন্ত্রণ সতর্কভাবে বাস্তবায়ন করবে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে চলাচলে নিষেধাজ্ঞাকালে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতীব জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (প্রয়োজনীয় কেনা-বেচা, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ কেনা, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। তবে সর্বাবস্থায়ই বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় নির্দেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. নিষেধাজ্ঞাকালীন জনসাধারণ ও সব কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ জারি করা নির্দেশমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

৪. হাটবাজার, দোকান-পাটে ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে। শপিং মলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আগত যানবাহনকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাটবাজার, দোকানপাট ও শপিংমল আবশ্যিকভাবে বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

৫. আইন-শৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত সংস্থা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর এবং সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

৬. সড়ক ও নৌপথে সব ধরনের পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল প্রভৃতি) চলাচল অব্যাহত থাকবে।

৭. কৃষিপণ্য, সার, বীজ, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

৮. চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীরাএ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবেন।

৯. ওষুধশিল্প, কৃষি এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলো, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পসহ সকল কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ প্রণীত বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

১০. নিষেধাজ্ঞাকালীন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। তবে, অনলাইন কোর্স/ডিসট্যান্স লার্নিং অব্যাহত থাকবে।

১১. ব্যাংকিং ব্যবস্থা পূর্ণভাবে চালু করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

১২. সব সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি, অসুস্থ কর্মচারী এবং সন্তান সম্ভবা নারীরা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারি করা ১৩ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্র ব্যতীত সব সভা ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতিতে আয়োজন করতে হবে।

১৩. উক্ত নিযেধাজ্ঞাকালে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না। উক্ত সময়ে শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত বিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে। তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনেচলা নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৪. উড়োজাহাজ কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় প্লেন চলাচলের বিষয় বিবেচনা করবে।

১৫. উক্ত নিষেধাজ্ঞাকালে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক মসজিদে সর্বসাধারণের জামাতে নামাজ আদায় এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হবার পর ২৭ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বর্তমানে দেশে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫৯ জনে। অন্যদিকে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৩২১ জনে।

করোনা: সর্বাধিক শনাক্ত আজ, দেশে ২০ হাজার ছাড়ালো আক্রান্তের সংখ্যা,


অনলাইন ডেস্ক :

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়ালো। পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরো ১৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ এবং ৮ জন মহিলা। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯৮ জনে।

শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালিস্থ স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বুলেটিনে আরো বলা হয়, করোনা ভাইরাস শনাক্তে মোট ৪১টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৫৩৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বাধিক ৮ হাজার ৫৮২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে আরো ১ হাজার ২০২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬৫ জনে।

পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৭৯ জন সুস্থ হয়েছেন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৮২ জনে।

করোনা: দেশে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত ১১৬২, মৃত্যু ১৯


অনলাইন ডেস্ক :

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরো ১৯ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী এবং ১৩ জন ঢাকার ভেতরের ও ৬ জন ঢাকার বাইরের। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৬৯ জনে।

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালিস্থ স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বুলেটিনে আরো বলা হয়, করোনা ভাইরাস শনাক্তে মোট ৪১টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ হাজার ১৬২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং পূর্বের সংগৃহীত নমুনাসহ ৭ হাজার ৯০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে আরো ১ হাজার ১৬২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৮২২ জনে।

পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২১৪ জন সুস্থ হয়েছেন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৬১ জনে।

করোনা: নতুন শনাক্ত ৬৩৬,দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২১৪


অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২১৪ জনে। শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েব সাইটে এ তথ্য জানানো হয়। মারা যাওয়া ৮ জনের মধ্যে সবাই পুরুষ।

এর আগে দুপুরে রাজধানীর মহাখালিস্থ স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে পরিসংখ্যান তুলে ধরেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬৩৬ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩ হাজার ৭৭০ জন। এছাড়া এই সময়ে আক্রান্ত থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩১৩জন।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

করোনা: দেশে একদিনে শনাক্তের নতুন রেকর্ড, মৃত্যু ৩


অনলাইন ডেস্ক:

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরো ৩ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ২ জন পুরুষ ও ১ জন নারী এবং ২ জন ঢাকার ভেতরের ও ১ জন ঢাকার বাইরের। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮৬ জনে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালিস্থ স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বুলেটিনে আরো বলা হয়, করোনা ভাইরাস শনাক্তে মোট ৩৩টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ২৪১টি পরীক্ষা হয়েছে। এতে আরো ৭৯০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৭১৯ জনে।

আগামীকাল থেকে মসজিদে জামাতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও তারাবি পড়া যাবে

ডেস্ক রিপোর্ট :

আগামীকাল বৃহস্পতিবার জোহর থেকে নিরাপদ দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করে দেশের সকল মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও তারাবি জামায়াতে পড়া যাবে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ধর্ম মন্ত্রণালয়। পরে সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি রমজান মাসে দেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন।

দেশের শীর্ষ আলেম-উলামারা মুসল্লিদের মসজিদে নামাজ পড়ার সুযোগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানান। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেদের বাঁচাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি ও নির্দেশনা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ধর্ম মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, আগামীকাল জোহরের নামাজের পর থেকে সারাদেশের মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ পড়ার সুযোগ পাবেন। তবে মসজিদে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদফতর নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী থাকবে। এসব শর্তাবলির কথা সারাদেশের মসজিদ পরিচালনা কমিটিকে জানিয়ে দেয়া হবে।’

যেসব শর্তে মসজিদে নামাজ পড়া যাবে: এদিকে বিজ্ঞপ্তি অনুসারে যেসব শর্ত মেনে মসজিদে নামাজ পড়তে হবে-

১. মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। ৫ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।

২. মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান-পানিসহ হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিদের অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

৩. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে সুন্নত নামাজ আদায় করে মসজিদে আসতে হবে। অজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৪. কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব অর্থাৎ ৩ ফুট পরপর দাঁড়াতে হবে।

৫. এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।

৬. শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।

৭. সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদের অজুখানায় সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৮. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

৯. মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না।

১০. উল্লিখিত শর্ত পালন সাপেক্ষে প্রত্যেক মসজিদে সর্বোচ্চ পাঁচজন নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ইতেকাফের জন্য অবস্থান করতে পারবেন।

১১. করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করার জন্য খতিব ও ইমামদের অনুরোধ করা যাচ্ছে।

১২. খতিব ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উল্লিখিত নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ব্রিটিশ নাগরিকদের দেশে ফিরতে বললো হাইকমিশন

ডেস্ক নিউজ::
বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের নিজ দেশে ফিরে যেতে বলেছে ঢাকার যুক্তরাজ্যের হাইকমিশন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) হাইকমিশনের এক বার্তায় এই উপদেশ দেয়া হয়। যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনের বার্তায় নিজ দেশের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলছি: ঢাকা থেকে লন্ডন ও ম্যানচেস্টারের ফ্লাইট এখনো সচল। আমরা আপনাকে যুক্তরাজ্যে ফিরে যাওয়ার উপদেশ দিচ্ছি। বাংলাদেশের সঙ্গে শুধু লন্ডন, ম্যানচেস্টার, হংকং, চীন ও থাইল্যান্ডের বিমান যোগাযোগ চালু রয়েছে।

বেসরকারি টিভির ক্যামেরাম্যান কোয়ারেন্টিনে

ডেক্স নিউজ:
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার পাবুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কোয়ারেন্টাইনে রাখা প্রবাসীদের সঙ্গে বিনা অনুমতিতে কক্ষে প্রবেশ ও তাদের সংস্পর্শে যাওয়ার কারণে রমজান আলী রুবেল (৩৪) নামে এক টিভির ক্যামেরাপারসনকে আটক করে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন ।

ক্যামেরা পারসন রমজান আলী রুবেল শ্রীপুর উপজেলার নগরহাওলা গ্রামের মতি মিয়ার ছেলে। সে চ্যানেল আইয়ের ক্যামেরা পারসন। জানা যায়, শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে সংবাদের ভিডিও সংগ্রহের জন্য গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার পাবুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কোয়ারেন্টাইনে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যাতীত কোয়ারেন্টাইনে রাখা প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় তাদের সংস্পর্শে যাওয়ার কারণে জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাকে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। ২১ মার্চ শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে শ্রীপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সযোগে এনে পাবুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা: ইসমত আরা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অনুমতি ছাড়া এবং কোন প্রটেকশন না নিয়ে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে প্রবেশ করায় এবং জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাকে ১৪ দিনের জন্য ওই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।